
নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি

গত আগস্টে নারায়ণগঞ্জের উত্তর চাষাঢ়ায় মায়ের জন্য ওষুধ কিনতে বাসা থেকে বের হয় স্কুলছাত্র ইয়াছিন আরাফাত (১৭)। দুদিন পরে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ৯ মাস আগে সংঘটিত এ হত্যাকাণ্ডের সূত্র উদ্ঘাটন করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। এ ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, নামের সঙ্গে মিল থাকায় ‘ভুলবশত’ সন্দেহভাজন হিসেবে ইয়াছিনকে হত্যা করা হয়। পিবিআই নারায়ণগঞ্জ জেলা কার্যালয়ে গতকাল রোববার সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার মোস্তফা কামাল রাশেদ এ তথ্য জানান। পরকীয়ার জেরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটে বলে জানায় পিবিআই।
পুলিশ সুপার জানান, ঘটনার পর তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে আসামিদের গ্রেপ্তার করা হয়। তারা হলেন— মো. আজিম হোসাইন (২৭), মো. ফয়সাল (২৭) ও নুসরাত জাহান মিম (২৪)। হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার মূল আসামি আজিম হোসাইন আদালতে ১৬৪ ধারায় দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন।
২০২৫ সালের ১১ আগস্ট মায়ের জন্য ওষুধ কিনতে বাসা থেকে বের হয় স্কুলছাত্র ইয়াছিন। এর দুদিন পরে ১৩ আগস্ট সিদ্ধিরগঞ্জের ডিএনডি লেকের পানি থেকে মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ইয়াছিন নারায়ণগঞ্জের উত্তর চাষাঢ়ার আবুল বাশারের ছেলে।
পিবিআই জানায়, মূল আসামি আজিম হোসাইনের স্ত্রী নুসরাত জাহান মিমের সঙ্গে আরাফাত নামে এক ব্যক্তির পরকীয়ার সম্পর্ক ছিল। কিন্তু আজিম সন্দেহ করে মিমের মামাতো ভাই স্কুলছাত্র ইয়াছিন আরাফাতকে। এই সন্দেহের জেরেই তিনি আরাফাতকে হত্যার পরিকল্পনা করেন।
পুলিশ আরও জানায়, আসামি আজিম তার বন্ধু ফয়সালকে নিয়ে হত্যার পরিকল্পনা সাজান। ঘটনার দিন তারা কৌশলে ইয়াছিনকে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় তুলে নিয়ে যান। পরে গলায় গামছা পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে তার লাশ লেকের পানিতে ফেলে দেন।

গত আগস্টে নারায়ণগঞ্জের উত্তর চাষাঢ়ায় মায়ের জন্য ওষুধ কিনতে বাসা থেকে বের হয় স্কুলছাত্র ইয়াছিন আরাফাত (১৭)। দুদিন পরে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ৯ মাস আগে সংঘটিত এ হত্যাকাণ্ডের সূত্র উদ্ঘাটন করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। এ ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, নামের সঙ্গে মিল থাকায় ‘ভুলবশত’ সন্দেহভাজন হিসেবে ইয়াছিনকে হত্যা করা হয়। পিবিআই নারায়ণগঞ্জ জেলা কার্যালয়ে গতকাল রোববার সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ সুপার মোস্তফা কামাল রাশেদ এ তথ্য জানান। পরকীয়ার জেরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটে বলে জানায় পিবিআই।
পুলিশ সুপার জানান, ঘটনার পর তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে আসামিদের গ্রেপ্তার করা হয়। তারা হলেন— মো. আজিম হোসাইন (২৭), মো. ফয়সাল (২৭) ও নুসরাত জাহান মিম (২৪)। হত্যার ঘটনায় গ্রেপ্তার মূল আসামি আজিম হোসাইন আদালতে ১৬৪ ধারায় দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন।
২০২৫ সালের ১১ আগস্ট মায়ের জন্য ওষুধ কিনতে বাসা থেকে বের হয় স্কুলছাত্র ইয়াছিন। এর দুদিন পরে ১৩ আগস্ট সিদ্ধিরগঞ্জের ডিএনডি লেকের পানি থেকে মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ইয়াছিন নারায়ণগঞ্জের উত্তর চাষাঢ়ার আবুল বাশারের ছেলে।
পিবিআই জানায়, মূল আসামি আজিম হোসাইনের স্ত্রী নুসরাত জাহান মিমের সঙ্গে আরাফাত নামে এক ব্যক্তির পরকীয়ার সম্পর্ক ছিল। কিন্তু আজিম সন্দেহ করে মিমের মামাতো ভাই স্কুলছাত্র ইয়াছিন আরাফাতকে। এই সন্দেহের জেরেই তিনি আরাফাতকে হত্যার পরিকল্পনা করেন।
পুলিশ আরও জানায়, আসামি আজিম তার বন্ধু ফয়সালকে নিয়ে হত্যার পরিকল্পনা সাজান। ঘটনার দিন তারা কৌশলে ইয়াছিনকে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় তুলে নিয়ে যান। পরে গলায় গামছা পেঁচিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে তার লাশ লেকের পানিতে ফেলে দেন।

মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১টা ১৫ মিনিট থেকে ২০ মিনিটের মধ্যে সুপ্রিম কোর্টে প্রধান বিচারপতি ও অন্য বিচারপতিদের প্রবেশপথে ককটেলটি বিস্ফোরণ করা হয়। তবে কে বা কারা ককটেলটি ছুড়ে পালিয়েছে, তা তাৎক্ষণিকভাবে বলতে পারেননি সেখানে দায়িত্বে থাকা পুলিশ সদস্যরা।
৭ ঘণ্টা আগে
ধাক্কায় শুভঙ্কর মোটরসাইকেল থেকে ছিটকে সড়কে পড়ে যান। এ সময় বাসটির পেছনের একটি চাকা তার মাথার ওপর দিয়ে চলে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয় বলে জানান এসআই অনিরুদ্ধ।
৮ ঘণ্টা আগে
ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) তেজগাঁও বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার জুয়েল রানা বলেন, ছাত্রদলের স্থানীয় নেতাকর্মীদের সহযোগিতায় আজিজুল হককে আটক করা হয়। পরে তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে।
৮ ঘণ্টা আগে
কর্ণফুলী থানার ওসি নুর আহমদ জানান, রাত ৮টা ১৫ মিনিটের দিকে আন্দোলনকারীরা অবরোধ কর্মসূচি শেষ করে চলে যান। তিনি বলেন, “আন্দোলকারীরা তাদের কর্মসূচি শেষ করে চলে গেছেন। এখন যান চলাচল শুরু হয়েছে। যানজট কমাতে আমরা কাজ করছি।”
১ দিন আগে