
বিজয় কর রতন, কিশোরগঞ্জ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার একটি হাফিজিয়া মাদরাসার শিক্ষকের বিরুদ্ধে ১০ বছর বয়সী এক ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার পর ভুক্তভোগী শিশুর পরিবার আইনি পদক্ষেপ নিতে গেলে মামলা গ্রহণ নিয়ে কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রাম ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল থানার মধ্যে এখতিয়ার-সংক্রান্ত জটিলতার মুখে পড়ে।
এদিকে স্থানীয় একটি মহল বিষয়টি আপস-মীমাংসার চেষ্টা চালাচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। ফলে ঘটনার এক সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও মূল থানায় এখনো মামলা বা অভিযোগ নথিভুক্ত হয়নি।
ভুক্তভোগী শিশুটি বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। অভিযুক্ত শিক্ষকের বাড়ি কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রাম উপজেলার বাঙ্গালপাড়া ইউনিয়নে।
লিখিত অভিযোগে বলা হয়েছে, গত ২২ জুন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার বিশ্বরোড কুট্টাপাড়া এলাকার নূরে মদিনা হাফিজিয়া মাদরাসায় এ ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত শিক্ষক অষ্টগ্রাম উপজেলার বাঙ্গালপাড়া ইউনিয়নের রতানী গ্রামের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা একবর মিয়ার ছেলে মো. আব্দুল হান্নান (২৫)।
নির্যাতনের পর শিশুটি অসুস্থ হয়ে পড়লে গত ২৪ জুন তাকে অষ্টগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে সে সেখানে চিকিৎসাধীন। পরদিন ২৫ জুন ভুক্তভোগী শিশুর বাবা অষ্টগ্রাম থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দেন। এরপর ছয় দিন পার হলেও কোনো সুরাহা হয়নি বলে দাবি করেছেন তিনি।
মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে শিশুটির বাবা বলেন, ‘অভিযোগ দেওয়ার ছয় দিন হয়ে গেল, এখনো কোনো বিচার পেলাম না। দুই থানার ঠেলাঠেলিতে শেষ পর্যন্ত আদৌ বিচার পাব কি না, তা নিয়েই শঙ্কায় আছি।’
অষ্টগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ রুকনুজ্জামান বলেন, ঘটনাস্থল ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল থানা এলাকায় হওয়ায় ভুক্তভোগী পরিবারকে সেখানে লিখিত অভিযোগ দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। তিনি জানান, তিনি নিজে হাসপাতালে গিয়ে চিকিৎসাধীন শিশুর খোঁজখবর নিয়েছেন এবং ঘটনার প্রয়োজনীয় তথ্য সরাইল থানার ওসির কাছে পাঠিয়েছেন।
অন্যদিকে সরাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনজুরুল কাদের ভূঁইয়া বলেন, ‘ঘটনাটি সম্পর্কে আমরা অবগত আছি। ভুক্তভোগী শিশুর বাবা অভিযোগ নিয়ে থানায় এসেছিলেন। তবে স্থানীয়ভাবে আপস-মীমাংসার চেষ্টা চলায় তারা এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযোগ জমা দেননি। লিখিত অভিযোগ পেলেই দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
এদিকে ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত শিক্ষক মো. আব্দুল হান্নান পলাতক রয়েছেন। তার মোবাইল ফোন বন্ধ থাকায় এ বিষয়ে তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার একটি হাফিজিয়া মাদরাসার শিক্ষকের বিরুদ্ধে ১০ বছর বয়সী এক ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার পর ভুক্তভোগী শিশুর পরিবার আইনি পদক্ষেপ নিতে গেলে মামলা গ্রহণ নিয়ে কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রাম ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল থানার মধ্যে এখতিয়ার-সংক্রান্ত জটিলতার মুখে পড়ে।
এদিকে স্থানীয় একটি মহল বিষয়টি আপস-মীমাংসার চেষ্টা চালাচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। ফলে ঘটনার এক সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও মূল থানায় এখনো মামলা বা অভিযোগ নথিভুক্ত হয়নি।
ভুক্তভোগী শিশুটি বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। অভিযুক্ত শিক্ষকের বাড়ি কিশোরগঞ্জের অষ্টগ্রাম উপজেলার বাঙ্গালপাড়া ইউনিয়নে।
লিখিত অভিযোগে বলা হয়েছে, গত ২২ জুন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার বিশ্বরোড কুট্টাপাড়া এলাকার নূরে মদিনা হাফিজিয়া মাদরাসায় এ ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত শিক্ষক অষ্টগ্রাম উপজেলার বাঙ্গালপাড়া ইউনিয়নের রতানী গ্রামের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা একবর মিয়ার ছেলে মো. আব্দুল হান্নান (২৫)।
নির্যাতনের পর শিশুটি অসুস্থ হয়ে পড়লে গত ২৪ জুন তাকে অষ্টগ্রাম উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে সে সেখানে চিকিৎসাধীন। পরদিন ২৫ জুন ভুক্তভোগী শিশুর বাবা অষ্টগ্রাম থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দেন। এরপর ছয় দিন পার হলেও কোনো সুরাহা হয়নি বলে দাবি করেছেন তিনি।
মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে শিশুটির বাবা বলেন, ‘অভিযোগ দেওয়ার ছয় দিন হয়ে গেল, এখনো কোনো বিচার পেলাম না। দুই থানার ঠেলাঠেলিতে শেষ পর্যন্ত আদৌ বিচার পাব কি না, তা নিয়েই শঙ্কায় আছি।’
অষ্টগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ রুকনুজ্জামান বলেন, ঘটনাস্থল ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল থানা এলাকায় হওয়ায় ভুক্তভোগী পরিবারকে সেখানে লিখিত অভিযোগ দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। তিনি জানান, তিনি নিজে হাসপাতালে গিয়ে চিকিৎসাধীন শিশুর খোঁজখবর নিয়েছেন এবং ঘটনার প্রয়োজনীয় তথ্য সরাইল থানার ওসির কাছে পাঠিয়েছেন।
অন্যদিকে সরাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনজুরুল কাদের ভূঁইয়া বলেন, ‘ঘটনাটি সম্পর্কে আমরা অবগত আছি। ভুক্তভোগী শিশুর বাবা অভিযোগ নিয়ে থানায় এসেছিলেন। তবে স্থানীয়ভাবে আপস-মীমাংসার চেষ্টা চলায় তারা এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযোগ জমা দেননি। লিখিত অভিযোগ পেলেই দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
এদিকে ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত শিক্ষক মো. আব্দুল হান্নান পলাতক রয়েছেন। তার মোবাইল ফোন বন্ধ থাকায় এ বিষয়ে তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে এক কিশোরীর মরদেহ রেখে পালিয়েছেন সঙ্গে আসা দুই ব্যক্তি। ওই কিশোরীর বয়স আনুমানিক ১৬ বছর। তার গলায় কালো দাগ ও দুই হাতে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।
১১ ঘণ্টা আগে
বরিশাল জেলা ও দায়রা জজ আদালত চত্বরে ককটেলসদৃশ একটি বস্তুর বিস্ফোরণ ঘটেছে। আজ বুধবার বেলা পৌনে ১১টার দিকে আদালতের মূল ফটকের কাছে জুডিশিয়াল ভবনের সামনে এ ঘটনা ঘটে। এতে কোনো হতাহত না হলেও বিচারপ্রার্থীসহ অন্যদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
১১ ঘণ্টা আগে
বুধবার (১২ আগস্ট) চট্টগ্রামের হাটহাজারী থানায় করা একটি চাঁদাবাজির মামলায় চট্টগ্রাম জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট লোকমান হাকিমের আদালত এ আদেশ দেন।
১১ ঘণ্টা আগে
ঢাকার সাভারের তেঁতুলঝড়া ইউনিয়নের শ্যামপুর এলাকায় কিছু হাতবোমা ও বোমা তৈরির উপকরণ উদ্ধারের কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে বনগাঁও ইউনিয়নেও বোমাসদৃশ একটি প্রেসার কুকার উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় আশপাশের এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।
১৩ ঘণ্টা আগে