নারায়ণগঞ্জে যুব আন্দোলন নেতা হত্যা: মহাসড়ক অবরোধের ২ ঘণ্টা পর প্রত্যাহার

নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি
শুক্রবার সকাল ৯টা থেকে বেলা ১১টা পর্যন্ত মহাসড়ক অবরোধ করে রাখেন ইসলামী যুব আন্দোলনের নেতাকর্মীরা। ছবি: সংগৃহীত
শুক্রবার সকাল ৯টা থেকে বেলা ১১টা পর্যন্ত মহাসড়ক অবরোধ করে রাখেন ইসলামী যুব আন্দোলনের নেতাকর্মীরা। ছবি: সংগৃহীত

নারায়ণগঞ্জের বন্দরে ইসলামী যুব আন্দোলনের এক নেতাকে হত্যার প্রতিবাদে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেছেন সংগঠনটির নেতাকর্মীরা। প্রায় দুই ঘণ্টা পর তারা মহাসড়ক থেকে সরে গেলে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।

শুক্রবার (২১ আগস্ট) সকাল ৯টার দিকে বন্দরের মদনপুর এলাকায় মহাসড়ক অবরোধ করেন ইসলামী যুব আন্দোলনের নেতাকর্মীরা। এতে মহাসড়কের দুই পাশে কয়েক কিলোমিটার দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়।

বেলা ১১টার দিকে অবরোধ তুলে নেওয়ার পর মহাসড়কে যান চলাচল শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন কাঁচপুর হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামীম শেখ।

এর আগে বৃহস্পতিবার রাতে বন্দরের সালেহনগর এলাকায় ইসলামী যুব আন্দোলনের নেতা বুলবুল আহমেদ খুন হন। ৩৫ বছর বয়সী বুলবুল পাশের শাহী মসজিদ এলাকার রাজা মাস্টারের ছেলে। যে এলাকায় বুলবুলের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে, সেটি নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের ২১ নম্বর ওয়ার্ডের আওতাধীন।

ইসলামী আন্দোলন নারায়ণগঞ্জ মহানগরের সহসভাপতি মুফতি মাছুম বিল্লাহ জানিয়েছেন, বুলবুল ইসলামী যুব আন্দোলনের বন্দর থানা (পশ্চিম) শাখার যুগ্ম সম্পাদক ছিলেন।

বুলবুল হত্যার প্রতিবাদে মহাসড়ক অবরোধের সময় ইসলামী আন্দোলনের কর্মীরা ফেসবুক লাইভে বলেন, হত্যার বিচার দাবিতেই তারা মহাসড়ক অবরোধ করেছেন। হত্যায় জড়িতদের প্রকাশ্যে ফাঁসি দাবি করে তারা বলেন, প্রশাসনের কোনো আশ্বাসে নয়, ‘স্পষ্ট কমিটমেন্ট’ ছাড়া তারা অবরোধ প্রত্যাহার করবেন না।

মুফতি মাছুম বিল্লাহর ভাষ্য, ‘বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় বুলবুলের গ্যারেজে হামলা ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে। ওই ঘটনায় পরে মামলা করেন বুলবুল। মামলায় স্থানীয় একটি ‘কিশোর গ্যাং’-এর নেতা শেখ সিফাত ও তার বাহিনীর সদস্যদের আসামি করা হয়।’

মাছুম বিল্লাহ অভিযোগ করেন, ওই মামলার জেরেই সালেহনগর এলাকায় সিফাত ও তার বাহিনীর সদস্যরা বুলবুলের ওপর হামলা চালান।

Ad
ad
Ad 300x250

এ সম্পর্কিত আরও পড়ুন

Ad 300x250
ad
Advertisement