
গাজীপুর প্রতিনিধি

প্রতারণার মামলায় জামিনের একদিন পর কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন সাবেক সামরিক শাসক প্রয়াত হুসেইন মোহাম্মদ এরশাদের দ্বিতীয় স্ত্রী বিদিশা সিদ্দিক।
মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) বিকেলে গাজীপুরের কাশিমপুর নারী হাইসিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগার জামিনে মুক্ত হন তিনি।
কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার মো. নজরুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেন, বিদিশার জামিনের সব কাগজপত্র কারাগারে আসার পর যাচাই-বাছাই করা হয়েছে। সব নথিপত্র ঠিকঠাক থাকায় তাকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে।
এর আগে ফ্ল্যাট বিক্রি নিয়ে প্রতারণার অভিযোগের একটি মামলায় গত ২৫ আগস্ট রাতে গুলশানের একটি রেস্তোরাঁ থেকে বিদিশাকে সিদ্দিককে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। ২০০৮ সালে দায়ের করা এ মামলায় গত মে মাসে বিচারক বিদিশাকে দুই বছরের কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও এক মাসের কারাদণ্ড সাজা দেন।
গ্রেপ্তারের পরদিন ২৬ আগস্ট বিদিশাকে সাজা পরোয়ানা মূলে ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে হাজির করে পুলিশ। আদালতে বিদিশার পক্ষে জামিন আবেদন করেন তার আইনজীবী। ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনায়েদ সে আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠান।
পরে দুই বছরের কারাদণ্ড রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করেন বিদিশা। গত ২ সেপ্টেম্বর ঢাকা মহানগর দায়রা জজ শাহজাহান কবির বিদিশার আপিল গ্রহণ করলেও জামিন আবেদনের নাকচ করে দেন। পরে গত রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) হাইকোর্ট বিদিশাকে জামিন দেন। এই আদেশের অনুলিপি কারাগারে পৌঁছানোর পর মঙ্গলবার জামিনে মুক্ত হলেন তিনি।
বিদিশার বিরুদ্ধে মোশাররফ হোসেন নামে এক ব্যবসায়ী গুলশান থানায় মামলাটি করেন সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে, ২০০৮ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি। মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, বাদী মোশাররফ হোসেনকে ২০০১ সালের ১ জুলাই বিদিশা বারিধারায় একটি ফ্ল্যাট দেখান এবং বিক্রির প্রস্তাব দেন। বারিধারা এলাকার প্রেসিডেন্ট পার্কের ওই ফ্ল্যাট বিক্রির জন্য ৮০ লাখ টাকায় চুক্তি হয় তাদের মধ্যে।
এজাহারে উল্লেখ, ২০০১ সালের ১০ জুলাই বিদিশা তাকে বনানীর রজনীগন্ধা অফিসে ডেকে নেন। পরে তার বন্ধু আব্দুর রাজ্জাকের নামে ৭৫ লাখ টাকার পে-অর্ডার দিতে বলেন। তিনি স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকের কাওরান বাজার শাখার মাধ্যমে ওই টাকা পরিশোধ করলে বায়নানামা সম্পাদিত হয়। চুক্তি অনুযায়ী, রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের অনুমোদন নিয়ে বাকি টাকা পরিশোধের পর ফ্ল্যাটের রেজিস্ট্রি করে দেওয়ার কথা ছিল।
বাদীর অভিযোগ, ২০০২ সালের ১০ জুলাইয়ের মধ্যে ফ্ল্যাট বুঝিয়ে দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু দীর্ঘ সময় পরেও ফ্ল্যাট বুঝিয়ে দেওয়া হয়নি। এ বিষয়ে চাপ দিলে বিদিশা টাকা ফেরত দেওয়ার আশ্বাস দেন। ২০০৫ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি ৭২ লাখ টাকার একটি চেক দেওয়া হয়। তবে নির্ধারিত সময়ে ব্যাংকে জমা দিলে হিসাবে পর্যাপ্ত টাকা না থাকায় চেকটি ডিজঅনার হয়।
এজাহারে আরও বলা হয়েছে, বিভিন্ন অজুহাতে সময়ক্ষেপণ করে টাকা কিংবা ফ্ল্যাট কোনোটিই তাকে বুঝিয়ে দেওয়া হয়নি। একই সঙ্গে টাকা ফেরত বা ফ্ল্যাট বুঝিয়ে দেওয়ার দাবি করলে তাকে হত্যার হুমকিও দেওয়া হয়।
চলতি বছরের ২০ মে এ মামলার রায় ঘোষণা করেন ঢাকার মহানগর হাকিম জামসেদ আলম। রায়ে বিদিশাকে দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেন বিচারক। পাশাপাশি তাকে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও এক মাসের কারাদণ্ড সাজা দেন। বিদিশা পলাতক থাকায় তার বিরুদ্ধে সেদিনই সাজা পরোয়ানাসহ গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়।

প্রতারণার মামলায় জামিনের একদিন পর কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছেন সাবেক সামরিক শাসক প্রয়াত হুসেইন মোহাম্মদ এরশাদের দ্বিতীয় স্ত্রী বিদিশা সিদ্দিক।
মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) বিকেলে গাজীপুরের কাশিমপুর নারী হাইসিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগার জামিনে মুক্ত হন তিনি।
কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার মো. নজরুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেন, বিদিশার জামিনের সব কাগজপত্র কারাগারে আসার পর যাচাই-বাছাই করা হয়েছে। সব নথিপত্র ঠিকঠাক থাকায় তাকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে।
এর আগে ফ্ল্যাট বিক্রি নিয়ে প্রতারণার অভিযোগের একটি মামলায় গত ২৫ আগস্ট রাতে গুলশানের একটি রেস্তোরাঁ থেকে বিদিশাকে সিদ্দিককে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। ২০০৮ সালে দায়ের করা এ মামলায় গত মে মাসে বিচারক বিদিশাকে দুই বছরের কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও এক মাসের কারাদণ্ড সাজা দেন।
গ্রেপ্তারের পরদিন ২৬ আগস্ট বিদিশাকে সাজা পরোয়ানা মূলে ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে হাজির করে পুলিশ। আদালতে বিদিশার পক্ষে জামিন আবেদন করেন তার আইনজীবী। ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনায়েদ সে আবেদন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠান।
পরে দুই বছরের কারাদণ্ড রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করেন বিদিশা। গত ২ সেপ্টেম্বর ঢাকা মহানগর দায়রা জজ শাহজাহান কবির বিদিশার আপিল গ্রহণ করলেও জামিন আবেদনের নাকচ করে দেন। পরে গত রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) হাইকোর্ট বিদিশাকে জামিন দেন। এই আদেশের অনুলিপি কারাগারে পৌঁছানোর পর মঙ্গলবার জামিনে মুক্ত হলেন তিনি।
বিদিশার বিরুদ্ধে মোশাররফ হোসেন নামে এক ব্যবসায়ী গুলশান থানায় মামলাটি করেন সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে, ২০০৮ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি। মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, বাদী মোশাররফ হোসেনকে ২০০১ সালের ১ জুলাই বিদিশা বারিধারায় একটি ফ্ল্যাট দেখান এবং বিক্রির প্রস্তাব দেন। বারিধারা এলাকার প্রেসিডেন্ট পার্কের ওই ফ্ল্যাট বিক্রির জন্য ৮০ লাখ টাকায় চুক্তি হয় তাদের মধ্যে।
এজাহারে উল্লেখ, ২০০১ সালের ১০ জুলাই বিদিশা তাকে বনানীর রজনীগন্ধা অফিসে ডেকে নেন। পরে তার বন্ধু আব্দুর রাজ্জাকের নামে ৭৫ লাখ টাকার পে-অর্ডার দিতে বলেন। তিনি স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকের কাওরান বাজার শাখার মাধ্যমে ওই টাকা পরিশোধ করলে বায়নানামা সম্পাদিত হয়। চুক্তি অনুযায়ী, রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের অনুমোদন নিয়ে বাকি টাকা পরিশোধের পর ফ্ল্যাটের রেজিস্ট্রি করে দেওয়ার কথা ছিল।
বাদীর অভিযোগ, ২০০২ সালের ১০ জুলাইয়ের মধ্যে ফ্ল্যাট বুঝিয়ে দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু দীর্ঘ সময় পরেও ফ্ল্যাট বুঝিয়ে দেওয়া হয়নি। এ বিষয়ে চাপ দিলে বিদিশা টাকা ফেরত দেওয়ার আশ্বাস দেন। ২০০৫ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি ৭২ লাখ টাকার একটি চেক দেওয়া হয়। তবে নির্ধারিত সময়ে ব্যাংকে জমা দিলে হিসাবে পর্যাপ্ত টাকা না থাকায় চেকটি ডিজঅনার হয়।
এজাহারে আরও বলা হয়েছে, বিভিন্ন অজুহাতে সময়ক্ষেপণ করে টাকা কিংবা ফ্ল্যাট কোনোটিই তাকে বুঝিয়ে দেওয়া হয়নি। একই সঙ্গে টাকা ফেরত বা ফ্ল্যাট বুঝিয়ে দেওয়ার দাবি করলে তাকে হত্যার হুমকিও দেওয়া হয়।
চলতি বছরের ২০ মে এ মামলার রায় ঘোষণা করেন ঢাকার মহানগর হাকিম জামসেদ আলম। রায়ে বিদিশাকে দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দেন বিচারক। পাশাপাশি তাকে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও এক মাসের কারাদণ্ড সাজা দেন। বিদিশা পলাতক থাকায় তার বিরুদ্ধে সেদিনই সাজা পরোয়ানাসহ গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়।

গত এপ্রিলে ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে প্রকল্পের জরুরি পাইপলাইন স্থানান্তরকাজের জন্য আশুলিয়া ও সাভারের বিভিন্ন এলাকায় ২৪ ঘণ্টা গ্যাস সরবরাহ বন্ধ রাখা হয়েছিল। এ ছাড়া গত জুলাইয়ে পুরোনো বিতরণ ও সার্ভিস লাইন প্রতিস্থাপনের জন্য হাতিরপুল ও ধানমন্ডির কয়েকটি এলাকায় আট ঘণ্টা গ্যাস সরবরাহ বন্ধ ছিল।
৭ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর উত্তরায় বিমানবন্দরের পাশে সেন্টারপয়েন্ট শপিং মলের একটি রেস্তোরাঁয় অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের ছয়টি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রায় ৩৫ মিনিটের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
৮ ঘণ্টা আগে
মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) সকালে গোপালগঞ্জ সদর থানা-পুলিশ হাফিজুর রহমানকে গ্রেপ্তার করে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সন্ত্রাসবিরোধী আইনে আগে করা একটি মামলায় হাফিজুরকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। পরে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
১ দিন আগে
বিটিসিএলের ওই কার্যালয়ের অফিস সহকারী মো. সাইফুল বলেন, সকালে তিনজন যুবক বিটিসিএল অফিসের দেয়াল টপকে ‘চুরির উদ্দেশ্যে’ ভেতরে প্রবেশ করে। এ সময় অফিসের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা টের পেয়ে তাদের ধাওয়া করেন। এতে দুজন পালিয়ে যেতে পারলেও একজন ধরা পড়ে।
১ দিন আগে