
নান্দাইল (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি

ময়মনসিংহের নান্দাইলের পল্লীতে জমি দখলে নেওয়ার জন্য প্রতিবেশী কর্তৃক শারীরিক প্রতিবন্ধী এক ব্যক্তির দোকানঘর ও বসতঘর ভেঙে গুড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। গতকাল সোমবার সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত ভাঙচুর ও লুটপাট চালানো হয়। পরে খালি ভিটার মাটি কোদাল চালিয়ে সমান করে দেওয়া হয়েছে।
ভুক্তভোগীর নাম মো. আনোয়ার হোসেন (৩৫)। তিনি নান্দাইল উপজেলার সদর ইউনিয়নের কালেঙ্গা গ্রামের আবদুল হেলিমের ছেলে। দোকান ও মাথা গোঁজার ঠাঁই হারিয়ে আনোয়ারের পুরো পরিবার এখন পথে বসেছে।
আজ মঙ্গলবার (১৪ অক্টেবর) দুপুরে সরেজমিনে কালেঙ্গা গ্রামে দেখা যায়, ভেঙে গুড়িয়ে দেওয়া দোকানের খালি ভিটাতে বসে এক ভাই ও মাকে নিয়ে কাঁদছেন আনোয়ার হোসেন।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, প্রতিবেশী মো. আদম আলীর ছেলে মাসুদ ও সোহরাব আলী তাঁর দোকান ও বসতঘর ভেঙে জমি দখল করে নিয়েছে। দখল করা জমিতে প্লস্টিকের জাল দিয়ে বেড়া দিয়েছে। ওদের পক্ষে লোকজন বেশি থাকায় আমার চেয়ে দেখা ছাড়া কোনো উপায় ছিল না।
আনোয়ার ভূমি অফিসের কিছু নথিপত্র বের করে এ প্রতিবেদকের হাতে দিয়ে দাবি করেন, বেদখল হওয়ার জমির মালিক বাবা আবদুল হেলিম। মাঠ পরচায় আনোয়ার হোসেন ও তাঁর অন্য ভাইবোনদের নাম রয়েছে। তিনি এ জমির খাজনাপাতি পরিশোধ করছেন।
কাগজপত্রগুলো ঘেঁটে দেখা যায়, আনোয়ার হোসেন ছাড়াও তাঁর তিনভাই ও দুই বোনের নাম জমির মাঠ পরচায় উল্লেখ রয়েছে। জমির পরিমাণ ৪.২৫ শতক। জমির নামজারির কাগজপত্রে তাঁদের নাম রয়েছে। তিনি নিয়মিত খাজনাও পরিশোধ করে আসছেন।
বসতবাড়ি ও দোকান ভাঙচুরের ঘটনায় আনোয়ার বাদী হয়ে নান্দাইল মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ করছেন।
অভিযোগটি তদন্ত করার জন্য আজ মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) থানা থেকে উপপরিদর্শক (এসআই) মো. সাইদুল ইসলাম ঘটনাস্থলে গেছেন। এসআই সাইদুল ইসলাম বলেন, জমিজমা সংক্রান্ত দুইপক্ষের মধ্যে যেসব অভিযোগ রয়েছে, তা কাগজপত্র দেখে সমাধান করতে হবে। কিন্তু ভাঙচুরের অভিযোগটি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
অভিযুক্ত সোহরাব আলীও একটি দলিলের অনুলিপি ও নাম খারিজের কিছু কাগজপত্র দেখিয়ে বিতর্কিত জমি তাঁদের নিজেদের বলে দাবি করেন। তাঁরা নিজেদের জমি দখলের নেওয়ার জন্য দোকানপাঠ ও বসতঘর সরিয়ে দিয়েছেন। বসতঘর ও দোকানঘর গুড়িয়ে দিয়ে এভাবে জোর করে জমি দখল করা বে-আইনি কিনা জানতে চাইলে সোহরাব আলী কোনো উত্তর দেননি।
এ বিষয়ে নান্দাইল মডেল থানার ওসি খন্দকার জালাল উদ্দিন মাহমুদ বলেন, অভিযোগ তদন্ত করার জন্য একজন কর্মকর্তাকে ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে। তিনি প্রতিবেদন দেওয়ার পর এ বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ময়মনসিংহের নান্দাইলের পল্লীতে জমি দখলে নেওয়ার জন্য প্রতিবেশী কর্তৃক শারীরিক প্রতিবন্ধী এক ব্যক্তির দোকানঘর ও বসতঘর ভেঙে গুড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। গতকাল সোমবার সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত ভাঙচুর ও লুটপাট চালানো হয়। পরে খালি ভিটার মাটি কোদাল চালিয়ে সমান করে দেওয়া হয়েছে।
ভুক্তভোগীর নাম মো. আনোয়ার হোসেন (৩৫)। তিনি নান্দাইল উপজেলার সদর ইউনিয়নের কালেঙ্গা গ্রামের আবদুল হেলিমের ছেলে। দোকান ও মাথা গোঁজার ঠাঁই হারিয়ে আনোয়ারের পুরো পরিবার এখন পথে বসেছে।
আজ মঙ্গলবার (১৪ অক্টেবর) দুপুরে সরেজমিনে কালেঙ্গা গ্রামে দেখা যায়, ভেঙে গুড়িয়ে দেওয়া দোকানের খালি ভিটাতে বসে এক ভাই ও মাকে নিয়ে কাঁদছেন আনোয়ার হোসেন।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, প্রতিবেশী মো. আদম আলীর ছেলে মাসুদ ও সোহরাব আলী তাঁর দোকান ও বসতঘর ভেঙে জমি দখল করে নিয়েছে। দখল করা জমিতে প্লস্টিকের জাল দিয়ে বেড়া দিয়েছে। ওদের পক্ষে লোকজন বেশি থাকায় আমার চেয়ে দেখা ছাড়া কোনো উপায় ছিল না।
আনোয়ার ভূমি অফিসের কিছু নথিপত্র বের করে এ প্রতিবেদকের হাতে দিয়ে দাবি করেন, বেদখল হওয়ার জমির মালিক বাবা আবদুল হেলিম। মাঠ পরচায় আনোয়ার হোসেন ও তাঁর অন্য ভাইবোনদের নাম রয়েছে। তিনি এ জমির খাজনাপাতি পরিশোধ করছেন।
কাগজপত্রগুলো ঘেঁটে দেখা যায়, আনোয়ার হোসেন ছাড়াও তাঁর তিনভাই ও দুই বোনের নাম জমির মাঠ পরচায় উল্লেখ রয়েছে। জমির পরিমাণ ৪.২৫ শতক। জমির নামজারির কাগজপত্রে তাঁদের নাম রয়েছে। তিনি নিয়মিত খাজনাও পরিশোধ করে আসছেন।
বসতবাড়ি ও দোকান ভাঙচুরের ঘটনায় আনোয়ার বাদী হয়ে নান্দাইল মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ করছেন।
অভিযোগটি তদন্ত করার জন্য আজ মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) থানা থেকে উপপরিদর্শক (এসআই) মো. সাইদুল ইসলাম ঘটনাস্থলে গেছেন। এসআই সাইদুল ইসলাম বলেন, জমিজমা সংক্রান্ত দুইপক্ষের মধ্যে যেসব অভিযোগ রয়েছে, তা কাগজপত্র দেখে সমাধান করতে হবে। কিন্তু ভাঙচুরের অভিযোগটি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।
অভিযুক্ত সোহরাব আলীও একটি দলিলের অনুলিপি ও নাম খারিজের কিছু কাগজপত্র দেখিয়ে বিতর্কিত জমি তাঁদের নিজেদের বলে দাবি করেন। তাঁরা নিজেদের জমি দখলের নেওয়ার জন্য দোকানপাঠ ও বসতঘর সরিয়ে দিয়েছেন। বসতঘর ও দোকানঘর গুড়িয়ে দিয়ে এভাবে জোর করে জমি দখল করা বে-আইনি কিনা জানতে চাইলে সোহরাব আলী কোনো উত্তর দেননি।
এ বিষয়ে নান্দাইল মডেল থানার ওসি খন্দকার জালাল উদ্দিন মাহমুদ বলেন, অভিযোগ তদন্ত করার জন্য একজন কর্মকর্তাকে ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে। তিনি প্রতিবেদন দেওয়ার পর এ বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১টা ১৫ মিনিট থেকে ২০ মিনিটের মধ্যে সুপ্রিম কোর্টে প্রধান বিচারপতি ও অন্য বিচারপতিদের প্রবেশপথে ককটেলটি বিস্ফোরণ করা হয়। তবে কে বা কারা ককটেলটি ছুড়ে পালিয়েছে, তা তাৎক্ষণিকভাবে বলতে পারেননি সেখানে দায়িত্বে থাকা পুলিশ সদস্যরা।
৬ ঘণ্টা আগে
ধাক্কায় শুভঙ্কর মোটরসাইকেল থেকে ছিটকে সড়কে পড়ে যান। এ সময় বাসটির পেছনের একটি চাকা তার মাথার ওপর দিয়ে চলে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয় বলে জানান এসআই অনিরুদ্ধ।
৭ ঘণ্টা আগে
ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) তেজগাঁও বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার জুয়েল রানা বলেন, ছাত্রদলের স্থানীয় নেতাকর্মীদের সহযোগিতায় আজিজুল হককে আটক করা হয়। পরে তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে।
৭ ঘণ্টা আগে
কর্ণফুলী থানার ওসি নুর আহমদ জানান, রাত ৮টা ১৫ মিনিটের দিকে আন্দোলনকারীরা অবরোধ কর্মসূচি শেষ করে চলে যান। তিনি বলেন, “আন্দোলকারীরা তাদের কর্মসূচি শেষ করে চলে গেছেন। এখন যান চলাচল শুরু হয়েছে। যানজট কমাতে আমরা কাজ করছি।”
১ দিন আগে