
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ঢাকার চাঁনখারপুল এলাকার একটি মেস থেকে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) এক শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছেন তার সহপাঠীরা। অনিক চন্দ্র পাল নামের ওই তরুণ সম্প্রতি হতাশায় ভুগছিলেন বলে জানিয়েছেন তার সহপাঠী ও পুলিশ।
মঙ্গলবার (১৬ সেপ্টেম্বর) রাত সোয়া ১০টার দিকে চাঁনখারপুল এলাকার বি কে গাঙ্গুলী লেইনের একটি ভবনের চতুর্থ তলার মেস থেকে অনিকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে সহপাঠীরা তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে জরুরি বিভাগের চিকিৎসকেরা মৃত ঘোষণা করেন।
অনিক চন্দ্র পাল জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের ড্রয়িং অ্যান্ড পেইন্টিং বিভাগের শিক্ষার্থী ছিলেন। তার বয়স ২১ বছর। গ্রামের বাড়ি সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে। তার পরিবার সিলেটের শিবগঞ্জ এলাকার একটি ভাড়া বাসায় থাকে।
বংশাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশিক ইকবাল বলেন, ঠিক কী কারণে অনিকের মৃত্যু হয়েছে, তা এখনো স্পষ্ট নয়। তবে ছেলেটি শারীরিক ও মানসিকভাবে অসুস্থ ছিল বলে জানা গেছে। দীর্ঘদিন ধরে হতাশায় ভুগছিল বলেও তারা জানতে পেরেছেন। এ কারণে প্রাথমিকভাবে এটি আত্মহত্যা বলে ধারণা করা হচ্ছে।
ওসি বলেন, মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। নিহতের পরিবারকে খবর দেওয়া হয়েছে। তারা এসে লিখিত আবেদন করলে মরদেহ হস্তান্তর করা হবে। পরিবারের সদস্যরা ঢাকায় পৌঁছানোর পর ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ত্রিমাত্রিক ও নকশা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ও সহকারী প্রক্টর সুবাস পাল ঘটনার খবর পেয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যান। তিনি বলেন, ঘরে ফ্যান ঝোলানোর রডের সঙ্গে কাপড় পেঁচিয়ে অনিককে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া যায়।
সুবাস পাল বলেন, ‘ঘটনা শোনার পরপরই আমি মেডিকেলে যাই। তার পরিবারকে জানানো হলে তারা ঢাকার পথে রওয়ানা দেন। প্রাথমিকভাবে পুলিশ আত্মহত্যা হিসেবেই ধারণা করছে। সকল প্রক্রিয়া সেরে মৃতদেহ সৎকারের জন্য গ্রামের বাড়িতে পাঠানো হবে।’
অনিকের মেসমেট ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী জয় ভূঁইয়া বলেন, অনিক বেশ কিছুদিন ধরে হতাশায় ভুগছিলেন। পারিবারিক ও আর্থিক সমস্যার পাশাপাশি প্রেমিকার সঙ্গে বিচ্ছেদের পর তিনি আরও চুপচাপ হয়ে পড়েছিলেন। জয় বলেন, ‘বিচ্ছেদের পর অনিকের মোবাইল ফোন বন্ধ ও ভাঙা অবস্থায় পাওয়া যায়। এরপর থেকেই তিনি মেসে একা চুপচাপ থাকতেন।’
অনিকের সহপাঠী, ড্রয়িং অ্যান্ড পেইন্টিং বিভাগের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী পায়েল দাস বলেন, অনিক চুপচাপ স্বভাবের ছিলেন। প্রায় সময়ই কানে হেডফোন লাগিয়ে দীর্ঘ সময় নিজের মতো করে রুমের মধ্যে থাকতেন। পায়েল বলেন, ‘মেসমেটরা দুপুরে নক করে ওর সাড়া না পেয়ে সেটি স্বাভাবিক বলেই ধরে নিয়েছিল। আর ওর রুমমেটও বাসায় ছিল না, সে ভারতে গেছে।’
তার ভাষ্য, রাতে অনিককে ফোনে না পেয়ে তার বান্ধবী মেসমেটদের বিষয়টি জানান। এরপর দীর্ঘক্ষণ দরজায় নক করেও কোনো সাড়া না পাওয়ায় তাদের সন্দেহ হয়। পরে জানালা ভেঙে ঘরের ভেতরে অনিককে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান তারা।
মেসমেট জয় ভূঁইয়া বলেন, সোমবার থেকেই অনিকের তেমন কোনো সাড়াশব্দ পাওয়া যাচ্ছিল না। মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে অনিকের এক ব্যাচমেট তাকে ফোন করে জানান, অনিককে কল করেও পাওয়া যাচ্ছে না। পরে তিনি আরেক বন্ধুকে নিয়ে অনিকের কক্ষে যান।
জয় বলেন, ‘অনেকক্ষণ দরজায় কড়া নাড়লেও কোনো সাড়া পাইনি। দরজা ভেতর থেকে বন্ধ থাকায় সন্দেহ হয়। পরে জানালার কাঁচ ভেঙে ভেতরে তাকিয়ে অনিককে ফ্যানের সঙ্গে গলায় গামছা প্যাঁচানো অবস্থায় ঝুলতে দেখি।’ তিনি বলেন, ‘এরপর দরজা ভেঙে তাকে উদ্ধার করে কয়েকজন বন্ধু মিলে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে যাই।’
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসকেরা অনিককে মৃত ঘোষণা করেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর সুবাস পাল বলেন, নিহতের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। স্বজনরা পৌঁছালে আইনি প্রক্রিয়া শেষ করে মরদেহ হস্তান্তর করা হবে।

ঢাকার চাঁনখারপুল এলাকার একটি মেস থেকে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) এক শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছেন তার সহপাঠীরা। অনিক চন্দ্র পাল নামের ওই তরুণ সম্প্রতি হতাশায় ভুগছিলেন বলে জানিয়েছেন তার সহপাঠী ও পুলিশ।
মঙ্গলবার (১৬ সেপ্টেম্বর) রাত সোয়া ১০টার দিকে চাঁনখারপুল এলাকার বি কে গাঙ্গুলী লেইনের একটি ভবনের চতুর্থ তলার মেস থেকে অনিকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে সহপাঠীরা তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে জরুরি বিভাগের চিকিৎসকেরা মৃত ঘোষণা করেন।
অনিক চন্দ্র পাল জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের ড্রয়িং অ্যান্ড পেইন্টিং বিভাগের শিক্ষার্থী ছিলেন। তার বয়স ২১ বছর। গ্রামের বাড়ি সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে। তার পরিবার সিলেটের শিবগঞ্জ এলাকার একটি ভাড়া বাসায় থাকে।
বংশাল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশিক ইকবাল বলেন, ঠিক কী কারণে অনিকের মৃত্যু হয়েছে, তা এখনো স্পষ্ট নয়। তবে ছেলেটি শারীরিক ও মানসিকভাবে অসুস্থ ছিল বলে জানা গেছে। দীর্ঘদিন ধরে হতাশায় ভুগছিল বলেও তারা জানতে পেরেছেন। এ কারণে প্রাথমিকভাবে এটি আত্মহত্যা বলে ধারণা করা হচ্ছে।
ওসি বলেন, মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। নিহতের পরিবারকে খবর দেওয়া হয়েছে। তারা এসে লিখিত আবেদন করলে মরদেহ হস্তান্তর করা হবে। পরিবারের সদস্যরা ঢাকায় পৌঁছানোর পর ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ত্রিমাত্রিক ও নকশা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ও সহকারী প্রক্টর সুবাস পাল ঘটনার খবর পেয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যান। তিনি বলেন, ঘরে ফ্যান ঝোলানোর রডের সঙ্গে কাপড় পেঁচিয়ে অনিককে ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া যায়।
সুবাস পাল বলেন, ‘ঘটনা শোনার পরপরই আমি মেডিকেলে যাই। তার পরিবারকে জানানো হলে তারা ঢাকার পথে রওয়ানা দেন। প্রাথমিকভাবে পুলিশ আত্মহত্যা হিসেবেই ধারণা করছে। সকল প্রক্রিয়া সেরে মৃতদেহ সৎকারের জন্য গ্রামের বাড়িতে পাঠানো হবে।’
অনিকের মেসমেট ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী জয় ভূঁইয়া বলেন, অনিক বেশ কিছুদিন ধরে হতাশায় ভুগছিলেন। পারিবারিক ও আর্থিক সমস্যার পাশাপাশি প্রেমিকার সঙ্গে বিচ্ছেদের পর তিনি আরও চুপচাপ হয়ে পড়েছিলেন। জয় বলেন, ‘বিচ্ছেদের পর অনিকের মোবাইল ফোন বন্ধ ও ভাঙা অবস্থায় পাওয়া যায়। এরপর থেকেই তিনি মেসে একা চুপচাপ থাকতেন।’
অনিকের সহপাঠী, ড্রয়িং অ্যান্ড পেইন্টিং বিভাগের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী পায়েল দাস বলেন, অনিক চুপচাপ স্বভাবের ছিলেন। প্রায় সময়ই কানে হেডফোন লাগিয়ে দীর্ঘ সময় নিজের মতো করে রুমের মধ্যে থাকতেন। পায়েল বলেন, ‘মেসমেটরা দুপুরে নক করে ওর সাড়া না পেয়ে সেটি স্বাভাবিক বলেই ধরে নিয়েছিল। আর ওর রুমমেটও বাসায় ছিল না, সে ভারতে গেছে।’
তার ভাষ্য, রাতে অনিককে ফোনে না পেয়ে তার বান্ধবী মেসমেটদের বিষয়টি জানান। এরপর দীর্ঘক্ষণ দরজায় নক করেও কোনো সাড়া না পাওয়ায় তাদের সন্দেহ হয়। পরে জানালা ভেঙে ঘরের ভেতরে অনিককে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান তারা।
মেসমেট জয় ভূঁইয়া বলেন, সোমবার থেকেই অনিকের তেমন কোনো সাড়াশব্দ পাওয়া যাচ্ছিল না। মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে অনিকের এক ব্যাচমেট তাকে ফোন করে জানান, অনিককে কল করেও পাওয়া যাচ্ছে না। পরে তিনি আরেক বন্ধুকে নিয়ে অনিকের কক্ষে যান।
জয় বলেন, ‘অনেকক্ষণ দরজায় কড়া নাড়লেও কোনো সাড়া পাইনি। দরজা ভেতর থেকে বন্ধ থাকায় সন্দেহ হয়। পরে জানালার কাঁচ ভেঙে ভেতরে তাকিয়ে অনিককে ফ্যানের সঙ্গে গলায় গামছা প্যাঁচানো অবস্থায় ঝুলতে দেখি।’ তিনি বলেন, ‘এরপর দরজা ভেঙে তাকে উদ্ধার করে কয়েকজন বন্ধু মিলে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে যাই।’
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসকেরা অনিককে মৃত ঘোষণা করেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর সুবাস পাল বলেন, নিহতের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। স্বজনরা পৌঁছালে আইনি প্রক্রিয়া শেষ করে মরদেহ হস্তান্তর করা হবে।

সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ৯টার দিকে পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই স্কুলছাত্রীর মৃত্যু হয়। পঞ্চগড় সদর উপজেলার বাসিন্দা ওই ছাত্রী স্থানীয় একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণিতে পড়ত। কীটনাশক পানের পর পরিবারের সদস্যরা তাকে হাসপাতালে ভর্তি করেছিলেন।
১৯ ঘণ্টা আগে
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুর আড়াইটার দিকে আরশিনগর এলাকার একটি সেলুনে চুল কাটাতে গিয়েছিলেন ফরহাদ। সেখানে কয়েকজন তরুণ তার ওপর হামলা চালান। গুলিবিদ্ধ ও ধারালো অস্ত্রের আঘাতে গুরুতর আহত ফরহাদকে স্থানীয় লোকজন ও তার বন্ধুরা উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান।
২০ ঘণ্টা আগে
কর্ণফুলী নদীর তীরে আনোয়ারা উপজেলার রাঙ্গাদিয়া এলাকায় কাফকোর পাশে সিইউএফএলের অবস্থান। দেশের গুরুত্বপূর্ণ এ সার কারখানাটিতে দীর্ঘদিন ধরে গ্যাসসংকট ও যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে উৎপাদন ব্যাহত হয়ে আসছে। গত আড়াই বছরে এসব কারণে অন্তত ছয় দফা কারখানাটি বন্ধ হয়েছে।
১ দিন আগে
মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) বেলা পৌনে ১২টার দিকে ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের গোয়ালখালী এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। খুলনা থেকে ৪০ থেকে ৪২ জন যাত্রী নিয়ে বাসটি ঢাকার দিকে যাচ্ছিল। পথে ওভারটেক করার সময় চালক নিয়ন্ত্রণ হারালে বাসটি মহাসড়কের পাশের পানিভরা খাদে পড়ে যায়।
১ দিন আগে