
ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি

বিএনপির সঙ্গে আসন সমঝোতার অংশ হিসেবে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ (বাঞ্ছারামপুর) আসনটি গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকিকে ছেড়ে দিয়েছে বিএনপি। তবে দলের সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে আসনটিতে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছিলেন বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য আবদুল খালেক।
স্থানীয়রা বলছিলেন, আবদুল খালেক ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী হিসেবে ভোটের মাঠে থেকে গেলে জোনায়েদ সাকির জন্য নির্বাচন কঠিন হয়ে দাঁড়াবে। সবশেষ তথ্য বলছে, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠকের পর ভোট থেকে সরে দাঁড়াচ্ছেন আবদুল খালেক।
গত মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) তারেক রহমানের সঙ্গে আবদুল খালেকের বৈঠক হয়। সে বৈঠকের ছবি বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ আসনের ভোটের হিসাব নিয়ে নতুন করে আলোচনা ছড়িয়ে পড়েছে।
এ নিয়ে নানা গুঞ্জনের মধ্যে আবদুল খালেক একটি বেসরকারি টেলিভিশনকে জানিয়েছেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান তাকে কিছু নির্দেশনা দিয়েছেন। তার পরিপ্রেক্ষিতেই তিনি ভোট থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে আলোচনা করে চূড়ান্তভাবে ঘোষণা দেবেন ব জানান তিনি।
স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে দলের নির্দেশ অমান্য করায় বিএনপির আরও কয়েকজনের মতো আবদুল খালেককেও বহিষ্কার করা হয়। তবে ভোট থেকে সরে দাঁড়ালে বহিষ্কারাদেশ উঠে যাবে বলে জানিয়েছেন আবদুল খালেক। তিনি জানান, রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে তারেক রহমানের সঙ্গে প্রায় ৪০ মিনিট বৈঠক হয়েছে। ভোট থেকে সরে দাঁড়িয়ে সংসদ সদস্য হওয়ার সুযোগ হাতছাড়া হলেও তারেক রহমান তার জন্য ‘সম্মানজনক ব্যবস্থা’ করবেন বলে আশ্বস্ত করেছেন।
আবদুল খালেক ২০০১ সালের নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ আসন থেকে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। এবার দলের মনোনয়ন না পেলেও স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছিলেন তিনি। এ ছাড়া বাঞ্ছারামপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি কৃষিবিদ মেহেদী হাসানও এ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছিলেন, তিনি বাছাইয়ে বাদ পড়েছেন।
জোনায়েদ সাকি ও আবদুল খালেক ছাড়াও এ আসনে আরও আটজনের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেছেন রিটার্নিং কর্মকর্তা। তারা হলেন— ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সাঈদ উদ্দিন খান, ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের মো. হাবিবুর রহমান, ন্যাশনাল পিপলস পার্টির মো. সফিকুল ইসলাম, গণঅধিকার পরিষদের সফিকুল ইসলাম, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের আবু নাসের, স্বতন্ত্র ড. মে. সাইদুজ্জামান কামাল, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জেএসডি) কে এম জাবির ও বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামের মো. মহসীন।

বিএনপির সঙ্গে আসন সমঝোতার অংশ হিসেবে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ (বাঞ্ছারামপুর) আসনটি গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকিকে ছেড়ে দিয়েছে বিএনপি। তবে দলের সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে আসনটিতে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছিলেন বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য আবদুল খালেক।
স্থানীয়রা বলছিলেন, আবদুল খালেক ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী হিসেবে ভোটের মাঠে থেকে গেলে জোনায়েদ সাকির জন্য নির্বাচন কঠিন হয়ে দাঁড়াবে। সবশেষ তথ্য বলছে, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠকের পর ভোট থেকে সরে দাঁড়াচ্ছেন আবদুল খালেক।
গত মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) তারেক রহমানের সঙ্গে আবদুল খালেকের বৈঠক হয়। সে বৈঠকের ছবি বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ আসনের ভোটের হিসাব নিয়ে নতুন করে আলোচনা ছড়িয়ে পড়েছে।
এ নিয়ে নানা গুঞ্জনের মধ্যে আবদুল খালেক একটি বেসরকারি টেলিভিশনকে জানিয়েছেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান তাকে কিছু নির্দেশনা দিয়েছেন। তার পরিপ্রেক্ষিতেই তিনি ভোট থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে আলোচনা করে চূড়ান্তভাবে ঘোষণা দেবেন ব জানান তিনি।
স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে দলের নির্দেশ অমান্য করায় বিএনপির আরও কয়েকজনের মতো আবদুল খালেককেও বহিষ্কার করা হয়। তবে ভোট থেকে সরে দাঁড়ালে বহিষ্কারাদেশ উঠে যাবে বলে জানিয়েছেন আবদুল খালেক। তিনি জানান, রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে তারেক রহমানের সঙ্গে প্রায় ৪০ মিনিট বৈঠক হয়েছে। ভোট থেকে সরে দাঁড়িয়ে সংসদ সদস্য হওয়ার সুযোগ হাতছাড়া হলেও তারেক রহমান তার জন্য ‘সম্মানজনক ব্যবস্থা’ করবেন বলে আশ্বস্ত করেছেন।
আবদুল খালেক ২০০১ সালের নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ আসন থেকে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন। এবার দলের মনোনয়ন না পেলেও স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছিলেন তিনি। এ ছাড়া বাঞ্ছারামপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি কৃষিবিদ মেহেদী হাসানও এ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছিলেন, তিনি বাছাইয়ে বাদ পড়েছেন।
জোনায়েদ সাকি ও আবদুল খালেক ছাড়াও এ আসনে আরও আটজনের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেছেন রিটার্নিং কর্মকর্তা। তারা হলেন— ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সাঈদ উদ্দিন খান, ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের মো. হাবিবুর রহমান, ন্যাশনাল পিপলস পার্টির মো. সফিকুল ইসলাম, গণঅধিকার পরিষদের সফিকুল ইসলাম, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের আবু নাসের, স্বতন্ত্র ড. মে. সাইদুজ্জামান কামাল, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জেএসডি) কে এম জাবির ও বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামের মো. মহসীন।

প্রধান অভিযুক্ত লিটুকে যুবদল নেতা হিসেবে প্রচার করা হলেও বরিশাল যুবদল এক সংবাদ সম্মেলনে স্পষ্ট জানিয়েছে, অভিযুক্ত লিটুর সঙ্গে যুবদলের কোনো সাংগঠনিক সম্পৃক্ততা নেই এবং তিনি দলের কোনো পদেও ছিলেন না।
২০ ঘণ্টা আগে
সোমবার (৬ জুলাই) দিবাগত রাতে উপজেলার জামতলী, কুতুপালং এবং বালুখালী ক্যাম্পে এই দুর্ঘটনাগুলো ঘটে। ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবকদের সহায়তায় নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
২১ ঘণ্টা আগে
গণমাধ্যমে পাঠানো এক বার্তায় র্যাব জানায়, মহরম দীর্ঘদিন ধরে কারওয়ান বাজারসহ রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় ছিনতাই, চুরি ও মাদক ব্যবসাসহ নানা অপরাধে জড়িত ছিলেন।
২ দিন আগে
মন্দিরের দেখভাল করা পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়রা বাধা দিতে গেলে তাদের ওপর হামলা চালানো হয়। এ সময় দেশীয় অস্ত্র দিয়ে সঞ্জিব বণিককে কুপিয়ে জখম করা হয়। এ ছাড়া বণিক পরিবারের অন্যান্য সদস্যের ওপরও হামলা চালানো হয়। এতে সঞ্জিব বণিক, অপূর্ব বণিক, রত্না বণিক, শিল্পী চৌধুরীসহ মোট পাঁচজন আহত হন।
২ দিন আগে