
নওগাঁ প্রতিনিধি

নওগাঁর ধামইরহাটে পারিবারিক কলহের জেরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় স্ত্রীকে ছুরিকাঘাতে হত্যার অভিযোগ উঠেছে স্বামীর বিরুদ্ধে। সোমবার বেলা ১১টার দিকে ধামইরহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর অভিযুক্ত স্বামী ফরহাদ হোসেনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
নিহত মনিরা বেগম (২৬) উপজেলার উমার ইউনিয়নের অমরপুর গ্রামের মো. মাসুদ হোসেনের মেয়ে। গ্রেপ্তার ফরহাদ হোসেন জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার আটুল গ্রামের হেলাল উদ্দিনের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সোমবার ভোরে ঢাকা থেকে শ্বশুরবাড়িতে এসে স্ত্রী মনিরাকে মারধর করেন ফরহাদ। এতে আহত হলে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ছোট বোন মহসিনা বেগমকে সঙ্গে নিয়ে চিকিৎসার জন্য ধামইরহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যান মনিরা।
হাসপাতালে পৌঁছানোর কিছুক্ষণ পর সেখানে হাজির হন ফরহাদ। হাসপাতালের ভেতরে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বাগ্বিতণ্ডার একপর্যায়ে তিনি ধারালো অস্ত্র দিয়ে মনিরার বুকে ও পেটে উপর্যুপরি ছুরিকাঘাত করেন। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে জয়পুরহাট জেনারেল হাসপাতালে নেওয়ার পথে মৃত্যু হয়।
নিহতের বোন মহসিনা বেগম বলেন, ভোরে বাড়িতে এসে তার দুলাভাই প্রথমে মনিরাকে মারধর করেন। পরে হাসপাতালে গিয়ে আবারও ঝগড়ার একপর্যায়ে ছুরিকাঘাত করেন।
স্বজনরা জানান, মনিরা ও ফরহাদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক কলহ চলছিল। দুই সন্তানকে নিয়ে মনিরা বাবার বাড়িতে থাকতেন। আর ফরহাদ ঢাকায় রিকশা চালাতেন।
ধামইরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মিন্টু রহমান বলেন, পারিবারিক কলহের জেরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য নওগাঁ জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
ওসি মিন্টু বলেন, ঘটনার পরপরই হাসপাতাল এলাকা থেকে ফরহাদকে আটক করা হয়। নিহতের বাবা বাদী হয়ে থানায় হত্যা মামলা করেছেন। ওই মামলায় ফরহাদকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে এবং আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।

নওগাঁর ধামইরহাটে পারিবারিক কলহের জেরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় স্ত্রীকে ছুরিকাঘাতে হত্যার অভিযোগ উঠেছে স্বামীর বিরুদ্ধে। সোমবার বেলা ১১টার দিকে ধামইরহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর অভিযুক্ত স্বামী ফরহাদ হোসেনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
নিহত মনিরা বেগম (২৬) উপজেলার উমার ইউনিয়নের অমরপুর গ্রামের মো. মাসুদ হোসেনের মেয়ে। গ্রেপ্তার ফরহাদ হোসেন জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার আটুল গ্রামের হেলাল উদ্দিনের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সোমবার ভোরে ঢাকা থেকে শ্বশুরবাড়িতে এসে স্ত্রী মনিরাকে মারধর করেন ফরহাদ। এতে আহত হলে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ছোট বোন মহসিনা বেগমকে সঙ্গে নিয়ে চিকিৎসার জন্য ধামইরহাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যান মনিরা।
হাসপাতালে পৌঁছানোর কিছুক্ষণ পর সেখানে হাজির হন ফরহাদ। হাসপাতালের ভেতরে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বাগ্বিতণ্ডার একপর্যায়ে তিনি ধারালো অস্ত্র দিয়ে মনিরার বুকে ও পেটে উপর্যুপরি ছুরিকাঘাত করেন। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে জয়পুরহাট জেনারেল হাসপাতালে নেওয়ার পথে মৃত্যু হয়।
নিহতের বোন মহসিনা বেগম বলেন, ভোরে বাড়িতে এসে তার দুলাভাই প্রথমে মনিরাকে মারধর করেন। পরে হাসপাতালে গিয়ে আবারও ঝগড়ার একপর্যায়ে ছুরিকাঘাত করেন।
স্বজনরা জানান, মনিরা ও ফরহাদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিক কলহ চলছিল। দুই সন্তানকে নিয়ে মনিরা বাবার বাড়িতে থাকতেন। আর ফরহাদ ঢাকায় রিকশা চালাতেন।
ধামইরহাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মিন্টু রহমান বলেন, পারিবারিক কলহের জেরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য নওগাঁ জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
ওসি মিন্টু বলেন, ঘটনার পরপরই হাসপাতাল এলাকা থেকে ফরহাদকে আটক করা হয়। নিহতের বাবা বাদী হয়ে থানায় হত্যা মামলা করেছেন। ওই মামলায় ফরহাদকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে এবং আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) তেজগাঁও বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার জুয়েল রানা বলেন, ছাত্রদলের স্থানীয় নেতাকর্মীদের সহযোগিতায় আজিজুল হককে আটক করা হয়। পরে তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে।
৫ ঘণ্টা আগে
কর্ণফুলী থানার ওসি নুর আহমদ জানান, রাত ৮টা ১৫ মিনিটের দিকে আন্দোলনকারীরা অবরোধ কর্মসূচি শেষ করে চলে যান। তিনি বলেন, “আন্দোলকারীরা তাদের কর্মসূচি শেষ করে চলে গেছেন। এখন যান চলাচল শুরু হয়েছে। যানজট কমাতে আমরা কাজ করছি।”
২০ ঘণ্টা আগে
সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ না করে নোংরা জারে পানি সরবরাহ করছিল। পাশাপাশি বিএসটিআইয়ের মান সনদ ছাড়াই অস্বাস্থ্যকর ও নিম্নমানের পানি বাজারজাত করা হচ্ছিল। জনস্বাস্থ্য ও ভোক্তা নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে অভিযানে ৬ শতাধিক পানির জার ধ্বংস করা হয়।
১ দিন আগে
রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) রাতে মাদারগঞ্জ থানায় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান জামালপুরের সহকারী পুলিশ সুপার (মাদারগঞ্জ সার্কেল) মোস্তাফিজুর রহমান। তিনি বলেন, আদালতে দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে জামিনুর ইসলাম ঘটনার বিস্তারিত জানিয়েছেন।
১ দিন আগে