
সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি

সুনামগঞ্জের ‘দেখার হাওর’ ও এর পার্শ্ববর্তী ছোট ছোট হাওরগুলোতে জলাবদ্ধতার কারণে তলিয়ে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে অন্তত ৫০০ একর বোরো জমি। শান্তিগঞ্জ উপজেলার উথারিয়া বাঁধে পানি নিষ্কাশনের পথ বন্ধ থাকায় প্রতি বছরই বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে এমন সংকটে পড়ছেন স্থানীয় কৃষকরা। এর আগে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ ও সাবেক কৃষিমন্ত্রীর আশ্বাসের পরও স্লুইসগেট নির্মাণ না হওয়ায় চরম ক্ষোভ ও অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন এই অঞ্চলের কয়েক হাজার মানুষ।
সুনামগঞ্জ সদর, শান্তিগঞ্জ, দোয়ারাবাজার ও ছাতক—এসব উপজেলার বিশাল এলাকাজুড়ে বিস্তৃত ঐতিহ্যবাহী ‘দেখার হাওর’। ৯ হাজার ২৬১ হেক্টর আবাদি জমির এই বিশাল হাওরের রয়েছে আরও ছোট ছোট হাওর। এর মধ্যে বইসা, পাও ধোঁয়া, মিয়ারটেকা, ডাক বন্ধ, ঘুঙ্গিয়ার হাওর, ভিতরের বইসা, গছিয়ারাম, ঝাউয়া ও শিয়ালমারাসহ বিভিন্ন উপ-হাওরে অন্তত ৫০০ একর আবাদি জমি রয়েছে।
সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার মোল্লাপাড়া ইউনিয়নের ইছাগরি, হরিপুর, কলাউরা, রৌয়ার পাড়, দরিয়াবাজ ও আব্দুল্লাহপুরসহ পার্শ্ববর্তী গ্রামগুলোর হাজারো কৃষক এসব ছোট ছোট হাওরে বোরো ধান আবাদ করেন। কিন্তু প্রতি বছর আগাম বৃষ্টি ও উজান থেকে আসা পাহাড়ি ঢলে এখানে স্থায়ী জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। ফলে কৃষকের ঘামঝরানো কাঁচা-পাকা ধান চোখের পলকেই পানির নিচে তলিয়ে যায়। প্রাকৃতিক এই বিপর্যয়ে বারবার ফসল হারিয়ে চরম আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন স্থানীয় কৃষকরা।
২০২৪ সালে দেখার হাওরের জলাবদ্ধতা ভয়াবহ আকার ধারণ করলে স্থানীয় এলাকাবাসী মানববন্ধনসহ নানা কর্মসূচি পালন করেন। সেই প্রেক্ষাপটে জেলা ও উপজেলা প্রশাসন, পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) এবং কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এলাকাটি পরিদর্শন করেন। তৎকালীন কৃষিমন্ত্রী দ্রুত একটি স্লুইসগেট নির্মাণের নির্দেশ দিলেও আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় তা আজও বাস্তবায়ন হয়নি। ফলে চলতি মৌসুমেও আগাম বৃষ্টিতে হাওরে জলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে, যাতে অন্তত ৫০০ একর বোরো জমি তলিয়ে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে।
মোল্লাপাড়া ইউনিয়নের সাবেক ইউপি সদস্য রেদওয়ান আলী এ বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, পার্শ্ববর্তী শান্তিগঞ্জ উপজেলার আস্তমা গ্রামের পাশে মহাশিং নদীর নিকট উথারিয়া বাঁধ নির্মাণের কারণে পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা মারাত্মকভাবে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। জলাবদ্ধতা নিরসনে বর্তমানে উথারিয়া বাঁধে তিনটি পাইপ থাকলেও রহস্যজনকভাবে দুটি পাইপ বন্ধ করে রাখা হয়েছে। সচল থাকা মাত্র একটি পাইপ দিয়ে ধীরগতিতে পানি নিষ্কাশন হলেও তা কোনো কাজেই আসছে না।
এলাকাবাসীর দাবি, আপাতত বন্ধ থাকা দুটি পাইপ দ্রুত খুলে দেওয়া হলে পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হবে। তবে সমস্যাটির স্থায়ী সমাধানের জন্য একটি আধুনিক স্লুইসগেট নির্মাণ করা এখন সময়ের দাবি বলে মনে করছেন স্থানীয় ভুক্তভোগী কৃষকরা।
এ বিষয়ে সুনামগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) নির্বাহী প্রকৌশলী মামুন হাওলাদার জানান, জমি অধিগ্রহণ সংক্রান্ত জটিলতা এবং প্রয়োজনীয় বরাদ্দের অভাবে এখন পর্যন্ত স্লুইসগেট নির্মাণের কাজ এগোয়নি।
সুনামগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) সুলতানা জেরিন জানান, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে আগে অবগত ছিলেন না। তিনি আরও বলেন, যেহেতু উথারিয়া বাঁধটি পার্শ্ববর্তী শান্তিগঞ্জ উপজেলার অন্তর্ভুক্ত, তাই ওই উপজেলার নির্বাহী অফিসারের সঙ্গে সমন্বয় করে দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

সুনামগঞ্জের ‘দেখার হাওর’ ও এর পার্শ্ববর্তী ছোট ছোট হাওরগুলোতে জলাবদ্ধতার কারণে তলিয়ে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে অন্তত ৫০০ একর বোরো জমি। শান্তিগঞ্জ উপজেলার উথারিয়া বাঁধে পানি নিষ্কাশনের পথ বন্ধ থাকায় প্রতি বছরই বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে এমন সংকটে পড়ছেন স্থানীয় কৃষকরা। এর আগে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ ও সাবেক কৃষিমন্ত্রীর আশ্বাসের পরও স্লুইসগেট নির্মাণ না হওয়ায় চরম ক্ষোভ ও অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন এই অঞ্চলের কয়েক হাজার মানুষ।
সুনামগঞ্জ সদর, শান্তিগঞ্জ, দোয়ারাবাজার ও ছাতক—এসব উপজেলার বিশাল এলাকাজুড়ে বিস্তৃত ঐতিহ্যবাহী ‘দেখার হাওর’। ৯ হাজার ২৬১ হেক্টর আবাদি জমির এই বিশাল হাওরের রয়েছে আরও ছোট ছোট হাওর। এর মধ্যে বইসা, পাও ধোঁয়া, মিয়ারটেকা, ডাক বন্ধ, ঘুঙ্গিয়ার হাওর, ভিতরের বইসা, গছিয়ারাম, ঝাউয়া ও শিয়ালমারাসহ বিভিন্ন উপ-হাওরে অন্তত ৫০০ একর আবাদি জমি রয়েছে।
সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার মোল্লাপাড়া ইউনিয়নের ইছাগরি, হরিপুর, কলাউরা, রৌয়ার পাড়, দরিয়াবাজ ও আব্দুল্লাহপুরসহ পার্শ্ববর্তী গ্রামগুলোর হাজারো কৃষক এসব ছোট ছোট হাওরে বোরো ধান আবাদ করেন। কিন্তু প্রতি বছর আগাম বৃষ্টি ও উজান থেকে আসা পাহাড়ি ঢলে এখানে স্থায়ী জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। ফলে কৃষকের ঘামঝরানো কাঁচা-পাকা ধান চোখের পলকেই পানির নিচে তলিয়ে যায়। প্রাকৃতিক এই বিপর্যয়ে বারবার ফসল হারিয়ে চরম আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন স্থানীয় কৃষকরা।
২০২৪ সালে দেখার হাওরের জলাবদ্ধতা ভয়াবহ আকার ধারণ করলে স্থানীয় এলাকাবাসী মানববন্ধনসহ নানা কর্মসূচি পালন করেন। সেই প্রেক্ষাপটে জেলা ও উপজেলা প্রশাসন, পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) এবং কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এলাকাটি পরিদর্শন করেন। তৎকালীন কৃষিমন্ত্রী দ্রুত একটি স্লুইসগেট নির্মাণের নির্দেশ দিলেও আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় তা আজও বাস্তবায়ন হয়নি। ফলে চলতি মৌসুমেও আগাম বৃষ্টিতে হাওরে জলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে, যাতে অন্তত ৫০০ একর বোরো জমি তলিয়ে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে।
মোল্লাপাড়া ইউনিয়নের সাবেক ইউপি সদস্য রেদওয়ান আলী এ বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, পার্শ্ববর্তী শান্তিগঞ্জ উপজেলার আস্তমা গ্রামের পাশে মহাশিং নদীর নিকট উথারিয়া বাঁধ নির্মাণের কারণে পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা মারাত্মকভাবে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। জলাবদ্ধতা নিরসনে বর্তমানে উথারিয়া বাঁধে তিনটি পাইপ থাকলেও রহস্যজনকভাবে দুটি পাইপ বন্ধ করে রাখা হয়েছে। সচল থাকা মাত্র একটি পাইপ দিয়ে ধীরগতিতে পানি নিষ্কাশন হলেও তা কোনো কাজেই আসছে না।
এলাকাবাসীর দাবি, আপাতত বন্ধ থাকা দুটি পাইপ দ্রুত খুলে দেওয়া হলে পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হবে। তবে সমস্যাটির স্থায়ী সমাধানের জন্য একটি আধুনিক স্লুইসগেট নির্মাণ করা এখন সময়ের দাবি বলে মনে করছেন স্থানীয় ভুক্তভোগী কৃষকরা।
এ বিষয়ে সুনামগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) নির্বাহী প্রকৌশলী মামুন হাওলাদার জানান, জমি অধিগ্রহণ সংক্রান্ত জটিলতা এবং প্রয়োজনীয় বরাদ্দের অভাবে এখন পর্যন্ত স্লুইসগেট নির্মাণের কাজ এগোয়নি।
সুনামগঞ্জ সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) সুলতানা জেরিন জানান, তিনি বিষয়টি সম্পর্কে আগে অবগত ছিলেন না। তিনি আরও বলেন, যেহেতু উথারিয়া বাঁধটি পার্শ্ববর্তী শান্তিগঞ্জ উপজেলার অন্তর্ভুক্ত, তাই ওই উপজেলার নির্বাহী অফিসারের সঙ্গে সমন্বয় করে দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে ওই চারজন আন্তর্জাতিক সীমান্ত পিলার ১৫ ও ১৬-এর মধ্যবর্তী এলাকায় নো-ম্যানস ল্যান্ডে অবস্থান করছেন। তাদের মধ্যে একজন পুরুষ ও তিনজন নারী রয়েছেন বলে জানা গেছে। তবে এখন পর্যন্ত তাদের পরিচয় বা জাতীয়তা সম্পর্কে কোনো ধারণা পাওয়া যায়নি।
১ দিন আগে
স্থানীয়রা বলছেন, রৌমারীর গয়টাপাড়া সীমান্তে ছয়জন ও ইজলামারী ভন্দুরচর সীমান্তে তিনজনকে বুধবার (১৭ জুন) রাত পর্যন্ত অবস্থান করতে দেখা গেছে। তবে বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সকাল থেকে দুই শিশুসহ চারজনকে আর সেখানে দেখা যায়নি।
২ দিন আগে
সুনামগঞ্জে প্রায় এক হাজার পিস ইয়াবাসহ ‘জুলাই যোদ্ধা’ পরিচয় দেওয়া নাজমুল হাসান হিমেল নামে এক তরুণকে আটক করে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছেন স্থানীয়রা। পরে পুলিশ তাকে মাদক মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছে। তাহিরপুর উপজেলার সীমান্তবর্তী গ্রাম পুরান লাউড়েরগড়ে এ ঘটনা ঘটে।
২ দিন আগে
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার ভোরে শামসুল হুদা মাছ ধরার উদ্দেশ্যে নিজ গ্রামের পাশের মোড়াইল বিলে যান। সকাল সাড়ে ৬টার দিকে হঠাৎ বজ্রপাত হলে ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়।
২ দিন আগে