
পাবনা প্রতিনিধি

এক দশকের পথচলার পর অবশেষে রূপপুরের পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিট প্রস্তুত হয়েছে জ্বালানি লোডিংয়ের জন্য। আজ মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হবে এ প্রক্রিয়া। প্রথম ইউনিটটিতে জ্বালানি লোডিং শেষ করতে সময় লাগবে অন্তত ৪৫ দিন। লোডিং শুরুর তিন মাসের মাথায় পরীক্ষামূলকভাবে এ কেন্দ্রে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হবে।
এর মধ্য দিয়ে পারমাণবিক বিদ্যুতের দেশের তালিকায় বাংলাদেশের নাম লেখানোর পথও প্রশস্ত হতে যাচ্ছে। সেই সঙ্গে জ্বালানি নিরাপত্তার পথেও একধাপ এগিয়ে যাবে বাংলাদেশ।
পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের চূড়ান্ত প্রস্তুতির পথে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধাপ জ্বালানি ইউরেনিয়াম লোডিং, আজ মঙ্গলবার বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম উপস্থিত থেকে যার সূচনা করবেন। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী জুলাইয়ের শেষ বা আগস্টের শুরুতে এ কেন্দ্র থেকে পরীক্ষামূলকভাবে উৎপাদিত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে।
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ ও রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পারমাণবিক সংস্থা রোসাটমের মহাপরিচালক আলেক্সি লিখাচেভ ইউরেনিয়াম লোডিংয়ের সূচনালগ্নে উপস্থিত থাকবেন। এ ছাড়া আন্তর্জাতিক পারমাণবিক শক্তি সংস্থা (আইএইএ) ও রুশ সরকারের উচ্চপদস্থ প্রতিনিধিদেরও উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে।
পাবনার জেলা প্রশাসক আমিনুল ইসলাম বলেন, জ্বালানি লোডিংয়ের জন্য সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। এ প্রকল্প চালু হলে এ অঞ্চলসহ সারা দেশ একটি টেকসই বিদ্যুতের উৎস পাবে।
প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, জ্বালানি লোডিংয়ের পরবর্তী তিন মাসের মধ্যে প্রথম ইউনিট থেকে পরীক্ষামূলক বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু হবে। শুরুতে প্রায় ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে। পর্যায়ক্রমে উৎপাদন বাড়িয়ে ২০২৭ সালের জানুয়ারির মধ্যে প্রথম ইউনিটের পূর্ণ সক্ষমতা ১২০০ মেগাওয়াটে পৌঁছানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আমদানিনির্ভর জ্বালানির ওপর চাপ কমিয়ে দেশীয় জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে রূপপুর অনন্য ভূমিকা রাখবে। সেই সঙ্গে এটি দেশের অর্থনৈতিক ভিতকে আরও শক্তিশালী করবে। তবে এর নিরাপত্তার দিকটিও পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে বিশ্লেষণ করার তাগিদ দিয়েছেন তারা।
পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের নিউক্লিয়ার ফিজিক্স বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক প্রীতম কুমার দাস বলেন, জ্বালানি নিরাপত্তার জন্য পরমাণু বিদ্যুৎ একটি ভালো সমাধান। তবে একই সঙ্গে এটি অত্যন্ত স্পর্শকাতরও। ফলে আন্তর্জাতিক পারমাণবিক শক্তি সংস্থার প্রটোকল অত্যন্ত কঠোরভাবে অনুসরণ করতে হবে।
এর আগে গত ১৬ এপ্রিল বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (বায়রা) প্রথম ইউনিটের কার্যক্রম শুরুর লাইসেন্স প্রদান এবং ৫২ জন বিশেষজ্ঞের কাজ করার অনুমোদন দেয়। কারিগরি কিছু জটিলতায় পূর্বনির্ধারিত তারিখ কিছুটা পিছিয়ে আজ ইউরেনিয়াম লোডিংয়ের নতুন সময়সূচি ঠিক করা হয়।
পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলার রূপপুরে পদ্মা নদীর তীরে প্রায় ১২ দশমিক ৬৫ বিলিয়ন ডলার ব্যয়ে নির্মিত এই মেগা প্রকল্প থেকে দুটি ইউনিটে মোট ২৪০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হবে।

এক দশকের পথচলার পর অবশেষে রূপপুরের পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিট প্রস্তুত হয়েছে জ্বালানি লোডিংয়ের জন্য। আজ মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হবে এ প্রক্রিয়া। প্রথম ইউনিটটিতে জ্বালানি লোডিং শেষ করতে সময় লাগবে অন্তত ৪৫ দিন। লোডিং শুরুর তিন মাসের মাথায় পরীক্ষামূলকভাবে এ কেন্দ্রে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হবে।
এর মধ্য দিয়ে পারমাণবিক বিদ্যুতের দেশের তালিকায় বাংলাদেশের নাম লেখানোর পথও প্রশস্ত হতে যাচ্ছে। সেই সঙ্গে জ্বালানি নিরাপত্তার পথেও একধাপ এগিয়ে যাবে বাংলাদেশ।
পরমাণু বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের চূড়ান্ত প্রস্তুতির পথে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধাপ জ্বালানি ইউরেনিয়াম লোডিং, আজ মঙ্গলবার বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম উপস্থিত থেকে যার সূচনা করবেন। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী জুলাইয়ের শেষ বা আগস্টের শুরুতে এ কেন্দ্র থেকে পরীক্ষামূলকভাবে উৎপাদিত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে।
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ ও রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পারমাণবিক সংস্থা রোসাটমের মহাপরিচালক আলেক্সি লিখাচেভ ইউরেনিয়াম লোডিংয়ের সূচনালগ্নে উপস্থিত থাকবেন। এ ছাড়া আন্তর্জাতিক পারমাণবিক শক্তি সংস্থা (আইএইএ) ও রুশ সরকারের উচ্চপদস্থ প্রতিনিধিদেরও উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে।
পাবনার জেলা প্রশাসক আমিনুল ইসলাম বলেন, জ্বালানি লোডিংয়ের জন্য সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। এ প্রকল্প চালু হলে এ অঞ্চলসহ সারা দেশ একটি টেকসই বিদ্যুতের উৎস পাবে।
প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, জ্বালানি লোডিংয়ের পরবর্তী তিন মাসের মধ্যে প্রথম ইউনিট থেকে পরীক্ষামূলক বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু হবে। শুরুতে প্রায় ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে। পর্যায়ক্রমে উৎপাদন বাড়িয়ে ২০২৭ সালের জানুয়ারির মধ্যে প্রথম ইউনিটের পূর্ণ সক্ষমতা ১২০০ মেগাওয়াটে পৌঁছানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আমদানিনির্ভর জ্বালানির ওপর চাপ কমিয়ে দেশীয় জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে রূপপুর অনন্য ভূমিকা রাখবে। সেই সঙ্গে এটি দেশের অর্থনৈতিক ভিতকে আরও শক্তিশালী করবে। তবে এর নিরাপত্তার দিকটিও পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে বিশ্লেষণ করার তাগিদ দিয়েছেন তারা।
পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের নিউক্লিয়ার ফিজিক্স বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক প্রীতম কুমার দাস বলেন, জ্বালানি নিরাপত্তার জন্য পরমাণু বিদ্যুৎ একটি ভালো সমাধান। তবে একই সঙ্গে এটি অত্যন্ত স্পর্শকাতরও। ফলে আন্তর্জাতিক পারমাণবিক শক্তি সংস্থার প্রটোকল অত্যন্ত কঠোরভাবে অনুসরণ করতে হবে।
এর আগে গত ১৬ এপ্রিল বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (বায়রা) প্রথম ইউনিটের কার্যক্রম শুরুর লাইসেন্স প্রদান এবং ৫২ জন বিশেষজ্ঞের কাজ করার অনুমোদন দেয়। কারিগরি কিছু জটিলতায় পূর্বনির্ধারিত তারিখ কিছুটা পিছিয়ে আজ ইউরেনিয়াম লোডিংয়ের নতুন সময়সূচি ঠিক করা হয়।
পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলার রূপপুরে পদ্মা নদীর তীরে প্রায় ১২ দশমিক ৬৫ বিলিয়ন ডলার ব্যয়ে নির্মিত এই মেগা প্রকল্প থেকে দুটি ইউনিটে মোট ২৪০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করা হবে।

পঞ্চগড়ের বাংলাবান্ধা স্থলবন্দরে ২৪ হাজার ৬০০ ইউএস ডলারসহ এক ভারতীয় নাগরিককে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। আজ সোমবার (২৭ এপ্রিল) বাংলাবান্ধা জিরো পয়েন্ট এলাকায় চেকপোস্টে তল্লাশির সময় তাকে আটক করা হয়।
১ দিন আগে
শার্শা উপজেলার উলশী থেকে যদুনাথপুর পর্যন্ত প্রায় ৪ কিলোমিটার দীর্ঘ এই খাল ১৯৭৬ সালের ১ নভেম্বর স্বেচ্ছাশ্রমে খননের উদ্বোধন করেছিলেন জিয়াউর রহমান। যা ‘জিয়া খাল’ নামে পরিচিত। পাঁচ দশক বাদে খালটি বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের মাধ্যমে পুনঃখনন করা হচ্ছে। ১৯৭৬ সালের ১ নভেম্বর ‘বেতনা নদী’ পুনঃখনন কাজ যখন উদ
১ দিন আগে
দেওয়ান শামসুল আবেদীন ছিলেন মরমী কবি দেওয়ান হাসন রাজার নাতির ছেলে। তিনি ১৯৭৯ সালে সুনামগঞ্জ-৩ আসন থেকে বিএনপির মনোনয়নে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৯৩ সালে তিনি সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপির সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন।
১ দিন আগে
কিশোরগঞ্জের হাওরাঞ্চলে সোনালি ধানের সমারোহে চোখ জুড়ালেও কৃষকদের মনে লোকসানের শঙ্কা। বাম্পার ফলনে চারদিকে উৎসবের আমেজ থাকলেও তাদের মুখে নেই স্বস্তির হাসি। উৎপাদন বেড়েছে, কিন্তু বাজারে ধানের দাম কমে যাওয়ায় এবং উৎপাদন ব্যয় বেড়ে যাওয়ায় চরম বিপাকে পড়েছেন চাষিরা।
১ দিন আগে