
বেনাপোল (যশোর) প্রতিনিধি

ভারতে যাওয়ার সময় বগুড়ার আওয়ামীগ কর্মী রিপন সরকারকে (৩২) গ্রেপ্তার করেছে যশোরের বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশন পুলিশ। বগুড়া সদর থানায় তার বিরুদ্ধে বিস্ফোরক ও নারী নির্যাতনের পৃথক দুটি মামলা রয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৯ জুন) বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে বেনাপোল ইমিগ্রেশন দিয়ে ভারতে যাওয়ার সময় গ্রেপ্তার হন রিপন সরকার। তিনি বগুড়া সদরের ঠেংগামারী গ্রামের সাজু সরকারের ছেলে।
ইমিগ্রেশন সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার বিকেলে ভারতে যাওয়ার সময় ইমিগ্রেশনের ডেস্কে পাসপোর্ট জমা দেন রিপন। তার পাসপোর্টে স্টপ লিস্ট থাকায় ইমিগ্রেশন পুলিশ তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করে। পরে তার বিরুদ্ধে বগুড়া সদর থানার দুটি মামলার তথ্য পাওয়া গেলে তাকে বেনাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশ গ্রেপ্তার দেখায়। পরে তাকে বেনাপোল পোর্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
বেনাপোল ইমিগ্রেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইলিয়াস হোসেন মুন্সী বলেন, রিপন সরকার বেনাপোল হয়ে ভারতে যেতে পারেন বলে তথ্য ছিল। সে অনুযায়ী বহির্গমন বিভাগের সব কর্মকর্তাকে সতর্ক করা হয়। বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে রিপন ইমিগ্রেশনে পাসপোর্ট জমা দিলে কর্মকর্তারা তাকে জিজ্ঞাসাবাদ ও পরে গ্রেপ্তার করেন।
বেনাপোল পোর্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রাসেল মিয়া বলেন, ইমিগ্রেশনে আটক আওয়ামী লীগ কর্মীকে আমাদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। যেহেতু বগুড়া জেলা সদর থানায় তার নামে বিস্ফোরক ও নারী নির্যাতনের মামলা রয়েছে, সেহেতু তাকে বগুড়া থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
বেনাপোল বন্দর দিয়ে ভারতে যাওয়ার চেষ্টা করতে গিয়ে সাম্প্রতিক সময়ে আওয়ামী লীগের অন্তত ১৫ জন নেতাকর্মী গ্রেপ্তার হয়েছেন। এর মধ্যে গত ১০ জুন গ্রেপ্তার হন গোপালগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জি এম সাহাবউদ্দিন আজম। ৫ জুন গ্রেপ্তার হন বাগেরহাটের মোল্লাহাট উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ রেজাউল কবির।
পুলিশ জানিয়েছে, বেনাপোল ইমিগ্রেশন থেকে গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের অধিকাংশই ৫ আগস্টের পর জুলাই-আগস্ট অভ্যুত্থান ঘিরে দায়ের হওয়া হত্যা ও অন্যান্য ফৌজদারি মামলার আসামি।

ভারতে যাওয়ার সময় বগুড়ার আওয়ামীগ কর্মী রিপন সরকারকে (৩২) গ্রেপ্তার করেছে যশোরের বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশন পুলিশ। বগুড়া সদর থানায় তার বিরুদ্ধে বিস্ফোরক ও নারী নির্যাতনের পৃথক দুটি মামলা রয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৯ জুন) বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে বেনাপোল ইমিগ্রেশন দিয়ে ভারতে যাওয়ার সময় গ্রেপ্তার হন রিপন সরকার। তিনি বগুড়া সদরের ঠেংগামারী গ্রামের সাজু সরকারের ছেলে।
ইমিগ্রেশন সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার বিকেলে ভারতে যাওয়ার সময় ইমিগ্রেশনের ডেস্কে পাসপোর্ট জমা দেন রিপন। তার পাসপোর্টে স্টপ লিস্ট থাকায় ইমিগ্রেশন পুলিশ তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করে। পরে তার বিরুদ্ধে বগুড়া সদর থানার দুটি মামলার তথ্য পাওয়া গেলে তাকে বেনাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশ গ্রেপ্তার দেখায়। পরে তাকে বেনাপোল পোর্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
বেনাপোল ইমিগ্রেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইলিয়াস হোসেন মুন্সী বলেন, রিপন সরকার বেনাপোল হয়ে ভারতে যেতে পারেন বলে তথ্য ছিল। সে অনুযায়ী বহির্গমন বিভাগের সব কর্মকর্তাকে সতর্ক করা হয়। বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে রিপন ইমিগ্রেশনে পাসপোর্ট জমা দিলে কর্মকর্তারা তাকে জিজ্ঞাসাবাদ ও পরে গ্রেপ্তার করেন।
বেনাপোল পোর্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রাসেল মিয়া বলেন, ইমিগ্রেশনে আটক আওয়ামী লীগ কর্মীকে আমাদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। যেহেতু বগুড়া জেলা সদর থানায় তার নামে বিস্ফোরক ও নারী নির্যাতনের মামলা রয়েছে, সেহেতু তাকে বগুড়া থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
বেনাপোল বন্দর দিয়ে ভারতে যাওয়ার চেষ্টা করতে গিয়ে সাম্প্রতিক সময়ে আওয়ামী লীগের অন্তত ১৫ জন নেতাকর্মী গ্রেপ্তার হয়েছেন। এর মধ্যে গত ১০ জুন গ্রেপ্তার হন গোপালগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জি এম সাহাবউদ্দিন আজম। ৫ জুন গ্রেপ্তার হন বাগেরহাটের মোল্লাহাট উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ রেজাউল কবির।
পুলিশ জানিয়েছে, বেনাপোল ইমিগ্রেশন থেকে গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের অধিকাংশই ৫ আগস্টের পর জুলাই-আগস্ট অভ্যুত্থান ঘিরে দায়ের হওয়া হত্যা ও অন্যান্য ফৌজদারি মামলার আসামি।

বিজিবি জানায়, শুক্রবার গভীর রাতে চৌকা সীমান্ত দিয়ে ২০ জনকে বাংলাদেশে প্রবেশ করানোর চেষ্টা করা হয়। তাদের মধ্যে ১১ জন পুরুষ, পাঁচজন নারী ও চারজন শিশু রয়েছে।
১ দিন আগে
শনিবার (২০ জুন) সকালে উপজেলার টেলকি জলই এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে । নিহতরা হলেন জলই গ্রামের বাবুল হাদিমা (৪৮), তার ১০ বছর বয়সী ছেলে নেইমার ম্রং, রতন নকরেক (২৪) ও গাবরিয়েল নকরেক (৩২)। তারা সবাই ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সম্প্রদায়ের সদস্য।
১ দিন আগে
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে ওই চারজন আন্তর্জাতিক সীমান্ত পিলার ১৫ ও ১৬-এর মধ্যবর্তী এলাকায় নো-ম্যানস ল্যান্ডে অবস্থান করছেন। তাদের মধ্যে একজন পুরুষ ও তিনজন নারী রয়েছেন বলে জানা গেছে। তবে এখন পর্যন্ত তাদের পরিচয় বা জাতীয়তা সম্পর্কে কোনো ধারণা পাওয়া যায়নি।
২ দিন আগে
স্থানীয়রা বলছেন, রৌমারীর গয়টাপাড়া সীমান্তে ছয়জন ও ইজলামারী ভন্দুরচর সীমান্তে তিনজনকে বুধবার (১৭ জুন) রাত পর্যন্ত অবস্থান করতে দেখা গেছে। তবে বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সকাল থেকে দুই শিশুসহ চারজনকে আর সেখানে দেখা যায়নি।
৩ দিন আগে