
নড়াইল প্রতিনিধি

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের এক দফা দাবি ‘স্বৈরাচারী সরকারের পতন’ বাস্তবায়িত হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।
তিনি বলেন, স্বৈরাচার শেখ হাসিনা সরকারের পতনই মূল লক্ষ্যই ছিল আমাদের। ‘দফা এক দাবি এক, খুনি হাসিনার পদত্যাগ’ আজ বাস্তবায়িত হয়েছে। দেশের মানুষ তীব্র ঘৃণায় স্বৈরাচারী সরকারকে ছুড়ে ফেলে দিয়েছে। শেখ হাসিনাসহ আওয়ামী লীগ এখন সিগারেটের মতো পুড়ে ছাই হয়ে যাবে।
বিচার, সংস্কার ও নতুন সংবিধানের দাবিতে দেশব্যাপী পথসভার দশম দিন বৃহস্পতিবার (১০ জুলাই) বিকেলে নড়াইল পুরান বাস টার্মিনাল চত্বরে এক পথসভায় এসব কথা বলেন তিনি। পথসভায় সভাপতিত্ব করেন নড়াইল জেলা এনসিপির প্রধান সমন্বয়ক লেফেটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) শাব্বির আহমেদ।
নাহিদ ইসলাম বলেন, গত বছরের জুলাই ছিল আন্দোলনের। আর এ বছরের জুলাই স্বৈরাচার সরকারের বিচার ও সংস্কারের। কয়েক শ শহিদের রক্ত আর হাজা হাজার আহত মানুষের ত্যাগে এ আন্দোলন সফল হয়েছে। স্বৈরাচার শেখ হাসিনাকে উচিত শিক্ষা দিতে পেরেছি আমরা।
জুলাই আন্দোলনের সময়কার হত্যাকাণ্ডের বিচারের প্রত্যয় তুলে ধরে এনসিপি আহ্বায়ক বলেন, বিবিসি শেখ হাসিনার গুমর ফাঁস করে দিয়েছে। তার নির্দেশে আওয়ামী লীগসহ পুলিশ দেশে এই হত্যাযজ্ঞ চালিয়েছে। যারা গণহত্যা করেছে, আমরা তাদের বিচার করব। এ বাংলার মাটিতে শেখ হাসিনাসহ আওয়ামী লীগ আর যেসব পুলিশ গুলি চালিয়ে আমাদের ভাইদের মেরেছে, আমরা তাদের বিচার নিশ্চিত করব।
বিচার ও সংস্কারের পর জাতীয় নির্বাচনের কথা তুলে ধরে নাহিদ বলেন, গণহত্যার বিচার ও সংস্কার হতে হবে। তারপরই নির্বাচন। বিচার দৃশ্যমান হতে হবে। এরপর নির্বাচনে যে সরকারই আসুক না কেন, এ বিচারে কেউ হাত দিতে পারবে না।
আওয়ামী লীগের ১৬ বছরের শাসনামলে যারা গুম-খুন, নির্যাতন-অত্যাচার ও হামলা-মামলার শিকার হয়েছেন তাদের পরিবারের সদস্যরাও এ সমাবেশে অংশ নেন।
পথসভায় জুলাই আন্দোলনের শহিদদের পরিবারের পাশে থাকার অঙ্গীকার জানিয়ে নাহিদ ইসলাম বলেন, আমরা আপনাদের পাশে থাকতে চাই। শহিদ পরিবারগুলোর রাজনৈতিক, সামাজিক ও অর্থনৈতিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা সরকারকে করতে হবে। শুধু এ সরকার না, যে সরকারই ক্ষমতায় আসুক এটা করতে হবে।
এটি নিশ্চিত করার জন্যই জুলাই ঘোষণাপত্রের কথা বলা হয়েছে বলে জানান নাহিদ। বলেন, জুলাই ঘোষণাপত্রে শহিদদের কথা থাকবে। তাদের পরিবারের কথা থাকবে। সেটা সংবিধানে যুক্ত করা হবে। বাংলাদেশের কী কী সংস্কার লাগবে, সে কথা জুলাই ঘোষণাপত্রে থাকবে। আমরা এ দুটি দাবিতে সারা দেশে পদযাত্রা করছি।
পথসভায় আরও বক্তব্য দেন এনসিপির দক্ষিণাঞ্চল খুলনার মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ, উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম, কেন্দ্রীয় মুখ্য সমন্বয়ক নাছির উদ্দীন পাটোয়ারী, জাতীয় যুব শক্তির যুগ্ম সম্পাদক মাহামুদা সুলতানা রিমসহ অন্যরা।

জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের এক দফা দাবি ‘স্বৈরাচারী সরকারের পতন’ বাস্তবায়িত হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।
তিনি বলেন, স্বৈরাচার শেখ হাসিনা সরকারের পতনই মূল লক্ষ্যই ছিল আমাদের। ‘দফা এক দাবি এক, খুনি হাসিনার পদত্যাগ’ আজ বাস্তবায়িত হয়েছে। দেশের মানুষ তীব্র ঘৃণায় স্বৈরাচারী সরকারকে ছুড়ে ফেলে দিয়েছে। শেখ হাসিনাসহ আওয়ামী লীগ এখন সিগারেটের মতো পুড়ে ছাই হয়ে যাবে।
বিচার, সংস্কার ও নতুন সংবিধানের দাবিতে দেশব্যাপী পথসভার দশম দিন বৃহস্পতিবার (১০ জুলাই) বিকেলে নড়াইল পুরান বাস টার্মিনাল চত্বরে এক পথসভায় এসব কথা বলেন তিনি। পথসভায় সভাপতিত্ব করেন নড়াইল জেলা এনসিপির প্রধান সমন্বয়ক লেফেটেন্যান্ট কর্নেল (অব.) শাব্বির আহমেদ।
নাহিদ ইসলাম বলেন, গত বছরের জুলাই ছিল আন্দোলনের। আর এ বছরের জুলাই স্বৈরাচার সরকারের বিচার ও সংস্কারের। কয়েক শ শহিদের রক্ত আর হাজা হাজার আহত মানুষের ত্যাগে এ আন্দোলন সফল হয়েছে। স্বৈরাচার শেখ হাসিনাকে উচিত শিক্ষা দিতে পেরেছি আমরা।
জুলাই আন্দোলনের সময়কার হত্যাকাণ্ডের বিচারের প্রত্যয় তুলে ধরে এনসিপি আহ্বায়ক বলেন, বিবিসি শেখ হাসিনার গুমর ফাঁস করে দিয়েছে। তার নির্দেশে আওয়ামী লীগসহ পুলিশ দেশে এই হত্যাযজ্ঞ চালিয়েছে। যারা গণহত্যা করেছে, আমরা তাদের বিচার করব। এ বাংলার মাটিতে শেখ হাসিনাসহ আওয়ামী লীগ আর যেসব পুলিশ গুলি চালিয়ে আমাদের ভাইদের মেরেছে, আমরা তাদের বিচার নিশ্চিত করব।
বিচার ও সংস্কারের পর জাতীয় নির্বাচনের কথা তুলে ধরে নাহিদ বলেন, গণহত্যার বিচার ও সংস্কার হতে হবে। তারপরই নির্বাচন। বিচার দৃশ্যমান হতে হবে। এরপর নির্বাচনে যে সরকারই আসুক না কেন, এ বিচারে কেউ হাত দিতে পারবে না।
আওয়ামী লীগের ১৬ বছরের শাসনামলে যারা গুম-খুন, নির্যাতন-অত্যাচার ও হামলা-মামলার শিকার হয়েছেন তাদের পরিবারের সদস্যরাও এ সমাবেশে অংশ নেন।
পথসভায় জুলাই আন্দোলনের শহিদদের পরিবারের পাশে থাকার অঙ্গীকার জানিয়ে নাহিদ ইসলাম বলেন, আমরা আপনাদের পাশে থাকতে চাই। শহিদ পরিবারগুলোর রাজনৈতিক, সামাজিক ও অর্থনৈতিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা সরকারকে করতে হবে। শুধু এ সরকার না, যে সরকারই ক্ষমতায় আসুক এটা করতে হবে।
এটি নিশ্চিত করার জন্যই জুলাই ঘোষণাপত্রের কথা বলা হয়েছে বলে জানান নাহিদ। বলেন, জুলাই ঘোষণাপত্রে শহিদদের কথা থাকবে। তাদের পরিবারের কথা থাকবে। সেটা সংবিধানে যুক্ত করা হবে। বাংলাদেশের কী কী সংস্কার লাগবে, সে কথা জুলাই ঘোষণাপত্রে থাকবে। আমরা এ দুটি দাবিতে সারা দেশে পদযাত্রা করছি।
পথসভায় আরও বক্তব্য দেন এনসিপির দক্ষিণাঞ্চল খুলনার মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহ, উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম, কেন্দ্রীয় মুখ্য সমন্বয়ক নাছির উদ্দীন পাটোয়ারী, জাতীয় যুব শক্তির যুগ্ম সম্পাদক মাহামুদা সুলতানা রিমসহ অন্যরা।

শনিবার (২০ জুন) সকালে উপজেলার টেলকি জলই এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে । নিহতরা হলেন জলই গ্রামের বাবুল হাদিমা (৪৮), তার ১০ বছর বয়সী ছেলে নেইমার ম্রং, রতন নকরেক (২৪) ও গাবরিয়েল নকরেক (৩২)। তারা সবাই ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সম্প্রদায়ের সদস্য।
১৯ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে ওই চারজন আন্তর্জাতিক সীমান্ত পিলার ১৫ ও ১৬-এর মধ্যবর্তী এলাকায় নো-ম্যানস ল্যান্ডে অবস্থান করছেন। তাদের মধ্যে একজন পুরুষ ও তিনজন নারী রয়েছেন বলে জানা গেছে। তবে এখন পর্যন্ত তাদের পরিচয় বা জাতীয়তা সম্পর্কে কোনো ধারণা পাওয়া যায়নি।
২ দিন আগে
স্থানীয়রা বলছেন, রৌমারীর গয়টাপাড়া সীমান্তে ছয়জন ও ইজলামারী ভন্দুরচর সীমান্তে তিনজনকে বুধবার (১৭ জুন) রাত পর্যন্ত অবস্থান করতে দেখা গেছে। তবে বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সকাল থেকে দুই শিশুসহ চারজনকে আর সেখানে দেখা যায়নি।
২ দিন আগে
সুনামগঞ্জে প্রায় এক হাজার পিস ইয়াবাসহ ‘জুলাই যোদ্ধা’ পরিচয় দেওয়া নাজমুল হাসান হিমেল নামে এক তরুণকে আটক করে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছেন স্থানীয়রা। পরে পুলিশ তাকে মাদক মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছে। তাহিরপুর উপজেলার সীমান্তবর্তী গ্রাম পুরান লাউড়েরগড়ে এ ঘটনা ঘটে।
৩ দিন আগে