
নেত্রকোনা প্রতিনিধি

নেত্রকোনা জেলা বিএনপির দ্বিবার্ষিক কাউন্সিলে দলীয় গঠনতন্ত্র অনুযায়ী উপজেলা কমিটিতে ২০ শতাংশ নারী কাউন্সিলর অন্তর্ভুক্ত করার জন্য লিখিত আবেদন নারী নেতারা। আগামী ৩০ আগস্ট এই দ্বিবার্ষিক কাউন্সিল ও সম্মেলন হওয়ার কথা রয়েছে।
মঙ্গলবার (২৬ আগস্ট) দুপুরের দিকে নেত্রকোনা জেলা বিএনপির দ্বিবার্ষিক কাউন্সিল অধিবেশনের দায়িত্বে থাকা প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও সহকারী নির্বাচন কমিশনারের কাছে লিখিত আবেদন জমা দেওয়া হয়েছে।
লিখিত আবেদনে নারী নেতারা বলেন, নেত্রকোনা জেলার দ্বিবার্ষিক সম্মেলন উপলক্ষে গঠিত বিভিন্ন উপজেলা ও পৌর কমিটিতে কমপক্ষে ২০ শতাংশ নারীদের কাউন্সিলর করা একান্ত আবশ্যক। জেলার প্রতিটি উপজেলায় বিএনপির অনেক ত্যাগী নারী নেতৃত্ব রয়েছেন, যারা পাহাড় সমান বাধাবিপত্তি পেরিয়ে আন্দোলন-সংগ্রামে রাজপথে গ্রেপ্তার হয়েছেন, পুলিশের নির্যাতনের শিকার হয়েছেন।
নারী নেতারা বলেন, মামলার আসামি হয়ে অনেক নারী নেতা জেল খেটেছেন। ত্যাগী, সংগ্রামী এসব নারী নেতাদের কাউন্সিলর না করায় তাদের প্রতি অবিচার করা হয়েছে। রাজনৈতিক জীবনের অপমৃত্যু ঘটানো হয়েছে।
লিখিত আবেদনে নারী নেতারা আরও বলেন, দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান রাষ্ট্র কাঠামো মেরামতের ২৪ নম্বর দফায় নারী ক্ষমতায়নের বিষয়টি উল্লেখ করেছেন। বিএনপি'র সংবিধানে ২০ শতাংশ নারীকে প্রতিটি ক্ষেত্রে অন্তর্ভুক্ত করার বিধান উল্লেখ করা রয়েছে। নেত্রকোনা জেলার ১০টি উপজেলায় ২ শতাংশ নারীকেও কাউন্সিলর করা হয়নি। দ্বিবার্ষিক সম্মেলনের আগেই প্রতিটি উপজেলা কমিটিতে ২০ শতাংশ নারী কাউন্সিলর অন্তর্ভুক্ত করা একান্ত আবশ্যক। তা না করলে সংগঠন ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
লিখিত আবেদনে সই করেছেন নেত্রকোনা সদর উপজেলার বিএনপির নেতা সাবিনা দেওয়ান, জেলা শহরের কাটলী এলাকার পারভীন আক্তার, বারহাট্টা উপজেলার হাজেরা আক্তার, মোহনগঞ্জ উপজেলার ইউপি সদস্য রুবী আক্তার, কলমাকান্দা উপজেলার ইউপি সদস্য রেখা আক্তার, খালিয়াজুরী উপজেলার ইউপি সদস্য শাহীনুর বেগম, আটপাড়া উপজেলার জলি আক্তার, জেলা শহরের মোক্তারপাড়া এলাকার শতাব্দী বাধন, ও মাহমুদা খানম, কেন্দুয়া উপজেলার রহিমা নাসরিন, বারহাট্টা উপজেলার রাহেলা আক্তারসহ অন্যরা।
শতাব্দী বাঁধন বলেন, বিএনপির দুঃসময়ে অসংখ্য নারী নেতা হামলা-মামলাসহ বিভিন্ন হয়রানি ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। এসব বিবেচনায় ত্যাগী সংগ্রামী ও বিএনপির গঠনতন্ত্র অনুযায়ী ২০ শতাংশ নারী কাউন্সিলর অর্ন্তভুক্ত করার জন্যে লিখিত আবেদন জমা দেওয়া হয়েছে।
জানতে চাইলে জেলা বিএনপির দ্বিবার্ষিক কাউন্সিল অধিবেশনের সহকারী নির্বাচন কমিশনার আব্দুল কাইয়ূম খান উথান মঙ্গলবার রাতে বলেন, জেলা ও উপজেলা বিএনপির নারী নেতারা আগামী ৩০ আগস্ট জেলা বিএনপির দ্বিবার্ষিক কাউন্সিল তালিকায় বিএনপির গঠনতন্ত্র অনুযায়ী নাম অন্তর্ভুক্ত করার জন্যে লিখিত আবেদন জমা দিয়েছেন।

নেত্রকোনা জেলা বিএনপির দ্বিবার্ষিক কাউন্সিলে দলীয় গঠনতন্ত্র অনুযায়ী উপজেলা কমিটিতে ২০ শতাংশ নারী কাউন্সিলর অন্তর্ভুক্ত করার জন্য লিখিত আবেদন নারী নেতারা। আগামী ৩০ আগস্ট এই দ্বিবার্ষিক কাউন্সিল ও সম্মেলন হওয়ার কথা রয়েছে।
মঙ্গলবার (২৬ আগস্ট) দুপুরের দিকে নেত্রকোনা জেলা বিএনপির দ্বিবার্ষিক কাউন্সিল অধিবেশনের দায়িত্বে থাকা প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও সহকারী নির্বাচন কমিশনারের কাছে লিখিত আবেদন জমা দেওয়া হয়েছে।
লিখিত আবেদনে নারী নেতারা বলেন, নেত্রকোনা জেলার দ্বিবার্ষিক সম্মেলন উপলক্ষে গঠিত বিভিন্ন উপজেলা ও পৌর কমিটিতে কমপক্ষে ২০ শতাংশ নারীদের কাউন্সিলর করা একান্ত আবশ্যক। জেলার প্রতিটি উপজেলায় বিএনপির অনেক ত্যাগী নারী নেতৃত্ব রয়েছেন, যারা পাহাড় সমান বাধাবিপত্তি পেরিয়ে আন্দোলন-সংগ্রামে রাজপথে গ্রেপ্তার হয়েছেন, পুলিশের নির্যাতনের শিকার হয়েছেন।
নারী নেতারা বলেন, মামলার আসামি হয়ে অনেক নারী নেতা জেল খেটেছেন। ত্যাগী, সংগ্রামী এসব নারী নেতাদের কাউন্সিলর না করায় তাদের প্রতি অবিচার করা হয়েছে। রাজনৈতিক জীবনের অপমৃত্যু ঘটানো হয়েছে।
লিখিত আবেদনে নারী নেতারা আরও বলেন, দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান রাষ্ট্র কাঠামো মেরামতের ২৪ নম্বর দফায় নারী ক্ষমতায়নের বিষয়টি উল্লেখ করেছেন। বিএনপি'র সংবিধানে ২০ শতাংশ নারীকে প্রতিটি ক্ষেত্রে অন্তর্ভুক্ত করার বিধান উল্লেখ করা রয়েছে। নেত্রকোনা জেলার ১০টি উপজেলায় ২ শতাংশ নারীকেও কাউন্সিলর করা হয়নি। দ্বিবার্ষিক সম্মেলনের আগেই প্রতিটি উপজেলা কমিটিতে ২০ শতাংশ নারী কাউন্সিলর অন্তর্ভুক্ত করা একান্ত আবশ্যক। তা না করলে সংগঠন ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
লিখিত আবেদনে সই করেছেন নেত্রকোনা সদর উপজেলার বিএনপির নেতা সাবিনা দেওয়ান, জেলা শহরের কাটলী এলাকার পারভীন আক্তার, বারহাট্টা উপজেলার হাজেরা আক্তার, মোহনগঞ্জ উপজেলার ইউপি সদস্য রুবী আক্তার, কলমাকান্দা উপজেলার ইউপি সদস্য রেখা আক্তার, খালিয়াজুরী উপজেলার ইউপি সদস্য শাহীনুর বেগম, আটপাড়া উপজেলার জলি আক্তার, জেলা শহরের মোক্তারপাড়া এলাকার শতাব্দী বাধন, ও মাহমুদা খানম, কেন্দুয়া উপজেলার রহিমা নাসরিন, বারহাট্টা উপজেলার রাহেলা আক্তারসহ অন্যরা।
শতাব্দী বাঁধন বলেন, বিএনপির দুঃসময়ে অসংখ্য নারী নেতা হামলা-মামলাসহ বিভিন্ন হয়রানি ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। এসব বিবেচনায় ত্যাগী সংগ্রামী ও বিএনপির গঠনতন্ত্র অনুযায়ী ২০ শতাংশ নারী কাউন্সিলর অর্ন্তভুক্ত করার জন্যে লিখিত আবেদন জমা দেওয়া হয়েছে।
জানতে চাইলে জেলা বিএনপির দ্বিবার্ষিক কাউন্সিল অধিবেশনের সহকারী নির্বাচন কমিশনার আব্দুল কাইয়ূম খান উথান মঙ্গলবার রাতে বলেন, জেলা ও উপজেলা বিএনপির নারী নেতারা আগামী ৩০ আগস্ট জেলা বিএনপির দ্বিবার্ষিক কাউন্সিল তালিকায় বিএনপির গঠনতন্ত্র অনুযায়ী নাম অন্তর্ভুক্ত করার জন্যে লিখিত আবেদন জমা দিয়েছেন।

বিজিবি জানায়, শুক্রবার গভীর রাতে চৌকা সীমান্ত দিয়ে ২০ জনকে বাংলাদেশে প্রবেশ করানোর চেষ্টা করা হয়। তাদের মধ্যে ১১ জন পুরুষ, পাঁচজন নারী ও চারজন শিশু রয়েছে।
১ দিন আগে
শনিবার (২০ জুন) সকালে উপজেলার টেলকি জলই এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে । নিহতরা হলেন জলই গ্রামের বাবুল হাদিমা (৪৮), তার ১০ বছর বয়সী ছেলে নেইমার ম্রং, রতন নকরেক (২৪) ও গাবরিয়েল নকরেক (৩২)। তারা সবাই ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সম্প্রদায়ের সদস্য।
১ দিন আগে
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে ওই চারজন আন্তর্জাতিক সীমান্ত পিলার ১৫ ও ১৬-এর মধ্যবর্তী এলাকায় নো-ম্যানস ল্যান্ডে অবস্থান করছেন। তাদের মধ্যে একজন পুরুষ ও তিনজন নারী রয়েছেন বলে জানা গেছে। তবে এখন পর্যন্ত তাদের পরিচয় বা জাতীয়তা সম্পর্কে কোনো ধারণা পাওয়া যায়নি।
২ দিন আগে
স্থানীয়রা বলছেন, রৌমারীর গয়টাপাড়া সীমান্তে ছয়জন ও ইজলামারী ভন্দুরচর সীমান্তে তিনজনকে বুধবার (১৭ জুন) রাত পর্যন্ত অবস্থান করতে দেখা গেছে। তবে বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সকাল থেকে দুই শিশুসহ চারজনকে আর সেখানে দেখা যায়নি।
৩ দিন আগে