
নেত্রকোনা প্রতিনিধি

নেত্রকোনা জেলা শহরের ছোট বাজার এলাকায় শহীদ তিতাস সড়কে অবস্থিত জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ের সামনে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের একটি ব্যানার টাঙানো হয়েছে। তবে এটি টাঙানোর সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের নাম-পরিচয় জানা যায়নি।
শুক্রবার (৬ মার্চ) সকালে ওই ব্যানারটি দেখতে পান স্থানীয়রা। নেত্রকোনা জেলা ছাত্রলীগের পক্ষে টাঙানো এই ব্যানারে ছাত্রলীগের স্লোগান ‘শিক্ষা-শান্তি-প্রগতি’সহ আরও লেখা আছে, ‘মুক্ত করো ভয়, দুরূহ কাজে নিজেরি দিয়ো কঠিন পরিচয়’।
স্থানীয়রা জানান, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর থেকে আওয়ামী লীগের এই কার্যালয়টির দরজা–জানালা ভাঙাচোরা পড়ে আছে, ভেতরে ময়লা-আবর্জনার স্তূপ।
নাম প্রকাশের অনিচ্ছুক স্থানীয় একাধিক দোকান কর্মচারী জানান, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত সেখানে কোনো ব্যানার দেখা যায়নি। শুক্রবার সকালেই তারা সেটি দেখতে পান। তবে কে বা কারা ব্যানারটি টাঙিয়েছে, তা তারা দেখেননি।
এ বিষয়ে মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আল মামুন সরকার জানান, তারা বিষয়টি খতিয়ে দেখছেন এবং ঘটনাস্থলে পুলিশ সদস্য পাঠানো হয়েছে।

নেত্রকোনা জেলা শহরের ছোট বাজার এলাকায় শহীদ তিতাস সড়কে অবস্থিত জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ের সামনে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগের একটি ব্যানার টাঙানো হয়েছে। তবে এটি টাঙানোর সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের নাম-পরিচয় জানা যায়নি।
শুক্রবার (৬ মার্চ) সকালে ওই ব্যানারটি দেখতে পান স্থানীয়রা। নেত্রকোনা জেলা ছাত্রলীগের পক্ষে টাঙানো এই ব্যানারে ছাত্রলীগের স্লোগান ‘শিক্ষা-শান্তি-প্রগতি’সহ আরও লেখা আছে, ‘মুক্ত করো ভয়, দুরূহ কাজে নিজেরি দিয়ো কঠিন পরিচয়’।
স্থানীয়রা জানান, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর থেকে আওয়ামী লীগের এই কার্যালয়টির দরজা–জানালা ভাঙাচোরা পড়ে আছে, ভেতরে ময়লা-আবর্জনার স্তূপ।
নাম প্রকাশের অনিচ্ছুক স্থানীয় একাধিক দোকান কর্মচারী জানান, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত সেখানে কোনো ব্যানার দেখা যায়নি। শুক্রবার সকালেই তারা সেটি দেখতে পান। তবে কে বা কারা ব্যানারটি টাঙিয়েছে, তা তারা দেখেননি।
এ বিষয়ে মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আল মামুন সরকার জানান, তারা বিষয়টি খতিয়ে দেখছেন এবং ঘটনাস্থলে পুলিশ সদস্য পাঠানো হয়েছে।

নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘কেন আমাদের গাড়ি আটকে দেওয়া হয়েছে? আমরা হবিগঞ্জে যেতে চাই। সেখানে গিয়ে আমরা আইনি পদক্ষেপ নেব।’
১ দিন আগে
জব্দ করা দুটি ট্রলার রাজীবপুর ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ওয়াদুদ জামান মানিক ও যুগ্ম আহ্বায়ক মোশাররফ হোসেন এবং উচাখিলা ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হাদীউল বাশার সুমনের জিম্মায় দিয়েছিল প্রশাসন। ট্রলারে ছিলেন ঈশ্বরগঞ্জ থানার এএসআই জীবন চন্দ্র বৈশ্য, কনস্টেবল বিমল চন্দ্র পাল এবং গ্রাম পুলিশ উজ্জ্বল ও
১ দিন আগে
একপর্যায়ে হাসনাত বলেন, তিনি নিজেসহ আরও দুই সংসদ সদস্য নাহিদ ইসলাম ও মাহমুদা মিতু (সংরক্ষিত আসনে) এবং এনসিপির দুজন কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সদস্য কেবল মামলা করতে যাবেন। প্রয়োজনে তারা গাড়ির চালককেও নেবেন না। পুলিশ চালক দিলে তাকে নিয়েই যাবেন তারা। তবে পুলিশ সে প্রস্তাবও মানেনি। পরে এনসিপি নেতারা ব্যারিক
১ দিন আগে
বুধবার (২২ জুলাই) পটুয়াখালী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতে বাদী হিসেবে মামলাটি দায়ের করেন ওই বিধবা। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে পটুয়াখালী সদর থানায় এজাহার রেকর্ড করে আসামির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
১ দিন আগে