
ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরে বিড়ির ধোঁয়াকে কেন্দ্র করে দু’পক্ষের সংঘর্ষে অন্তত ৭ জন আহত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) বিকেলে উপজেলার চর ইসলামপুর ইউনিয়নের নাজিরা বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বৃহস্পতিবার বিকেলে চান্দুরা ইউনিয়নের রামপুর বাজারে রোজাদার ছাবিদ মিয়ার সামনে আলাল মিয়া বিড়ি খাওয়ার সময় ধোঁয়া ছুড়লে দুজনের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয় এবং উভয় পক্ষ উত্তেজিত হয়ে উঠে।
এরপর ইফতারের আগমুহূর্তে নিজ এলাকায় গিয়ে ছাবিদ পক্ষ ও আলাল পক্ষ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষতে জড়ায়। এতে সময় দুই পক্ষের ৭ জন আহত হন।
বিজয়নগর থানার ওসি রাজিব চন্দ্র সরকার ঘটনার বিষয় নিশ্চিত বলেন, ইফতারের মুহূর্তে খবর পেয়ে পর্যাপ্ত ফোর্স পাঠিয়ে পরিস্থিতি আনা হয়েছে। সংঘর্ষের ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষই অভিযোগ দায়ের করেনি বলে জানান তিনি।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরে বিড়ির ধোঁয়াকে কেন্দ্র করে দু’পক্ষের সংঘর্ষে অন্তত ৭ জন আহত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) বিকেলে উপজেলার চর ইসলামপুর ইউনিয়নের নাজিরা বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বৃহস্পতিবার বিকেলে চান্দুরা ইউনিয়নের রামপুর বাজারে রোজাদার ছাবিদ মিয়ার সামনে আলাল মিয়া বিড়ি খাওয়ার সময় ধোঁয়া ছুড়লে দুজনের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয় এবং উভয় পক্ষ উত্তেজিত হয়ে উঠে।
এরপর ইফতারের আগমুহূর্তে নিজ এলাকায় গিয়ে ছাবিদ পক্ষ ও আলাল পক্ষ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষতে জড়ায়। এতে সময় দুই পক্ষের ৭ জন আহত হন।
বিজয়নগর থানার ওসি রাজিব চন্দ্র সরকার ঘটনার বিষয় নিশ্চিত বলেন, ইফতারের মুহূর্তে খবর পেয়ে পর্যাপ্ত ফোর্স পাঠিয়ে পরিস্থিতি আনা হয়েছে। সংঘর্ষের ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষই অভিযোগ দায়ের করেনি বলে জানান তিনি।

প্রধান অভিযুক্ত লিটুকে যুবদল নেতা হিসেবে প্রচার করা হলেও বরিশাল যুবদল এক সংবাদ সম্মেলনে স্পষ্ট জানিয়েছে, অভিযুক্ত লিটুর সঙ্গে যুবদলের কোনো সাংগঠনিক সম্পৃক্ততা নেই এবং তিনি দলের কোনো পদেও ছিলেন না।
১১ ঘণ্টা আগে
সোমবার (৬ জুলাই) দিবাগত রাতে উপজেলার জামতলী, কুতুপালং এবং বালুখালী ক্যাম্পে এই দুর্ঘটনাগুলো ঘটে। ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবকদের সহায়তায় নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
১২ ঘণ্টা আগে
গণমাধ্যমে পাঠানো এক বার্তায় র্যাব জানায়, মহরম দীর্ঘদিন ধরে কারওয়ান বাজারসহ রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় ছিনতাই, চুরি ও মাদক ব্যবসাসহ নানা অপরাধে জড়িত ছিলেন।
১ দিন আগে
মন্দিরের দেখভাল করা পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়রা বাধা দিতে গেলে তাদের ওপর হামলা চালানো হয়। এ সময় দেশীয় অস্ত্র দিয়ে সঞ্জিব বণিককে কুপিয়ে জখম করা হয়। এ ছাড়া বণিক পরিবারের অন্যান্য সদস্যের ওপরও হামলা চালানো হয়। এতে সঞ্জিব বণিক, অপূর্ব বণিক, রত্না বণিক, শিল্পী চৌধুরীসহ মোট পাঁচজন আহত হন।
২ দিন আগে