
নান্দাইল (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি

মাদরাসার গভর্নিং বডির কয়েকজন সদস্যের স্বজনদের নিয়োগ না দেওয়ায় মানহানিকর অপপ্রচারের অভিযোগ তুলেছেন ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার আচারগাঁও ফাজিল মাদরাসার অধ্যক্ষ মো. আবদুল হাই।
শুক্রবার (৩১ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে নান্দাইল পুরাতন বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অবস্থিত একটি ভবনের দোতলায় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে অধ্যক্ষ আবদুল হাই বলেন, মাদরাসার পরিচালনা পর্ষদের সহসভাপতি আবদুল হান্নান, সদস্য আশিকুর রহমান কাজল ও আরেক সদস্য ফজলুল করিম তাদের একাধিক সন্তান ও স্বজনদের মাদরাসায় চাকরি দেওয়ার জন্য তাকে চাপ দেন। তবে অধ্যক্ষ জানিয়ে দেন, নিয়োগ কমিটি বিধি অনুযায়ী প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার মাধ্যমে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করবে। এ বিষয়ে তার পক্ষে কিছু করার নেই।
আবদু হাই বলেন, তিনি এ কথা বলার পর গভর্নিং বডির সহসভাপতি আবদুল হান্নান বাদী হয়ে নিয়োগ প্রক্রিয়ার বিরুদ্ধে আদালতে মামলা (২৬১/২৫) করেন। পরে তার বিরুদ্ধে অনেক আগে নিষ্পত্তি হওয়া কিছু মিথ্যা ও বানোয়াট অভিযোগ নতুন করে উত্থাপন করে তাকে জনসমক্ষে হেয় করার চেষ্টা করছেন। অথচ একাধিকবার তদন্তে এসব অভিযোগ মিথ্যা বলে প্রমাণিত হয়েছে। সে প্রমাণও তার কাছে রয়েছে।
অধ্যক্ষ আবদুল হাই আরও বলেন, আবদুল হান্নান মাদরাসার কাছাকাছি এলাকার স্থানীয় বাসিন্দা। তিনি প্রায়ই শিক্ষকদের সঙ্গে অসদাচরণ ও তাদের হেনস্থা করেন। প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র হাতিয়ে নিয়ে প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। আচারগাঁও ফাজিল মাদরাসাটি ১৯৬০ সালে প্রতিষ্ঠিত। ওই সময় আবদুল হান্নানের জন্ম না হলেও তিনি এখন নিজেকে মাদরাসার প্রতিষ্ঠাতা সদস্য বলে দাবি করে নানা প্রভাব খাটিয়ে আসছেন। তার প্রতিটি অভিযোগ মিথ্যা ও বানোয়াট। এসব অভিযোগের দালিলিক উত্তর ও প্রমাণ আমার কাছে রয়েছে।
আগামী ৩১ ডিসেম্বর অধ্যক্ষ পদ থেকে অবসর বেন জানিয়ে আবদুল হাই বলেন, এর আগে হান্নান সাহেব তার ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিল করতে না পেরে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা ও বানোয়াট অভিযোগ করে আমাকে সামাজিকভাবে আমাকে হেয় করার চেষ্টা করছেন।
এসব বিষয়ে সাংবাদিকদের মাধ্যমে মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন অধ্যক্ষ আবদুল হাই।
এসব বিষয়ে জানতে চাইলে মাদরাসা পরিচালনা পর্ষদের সহসভাপতি আবদুল হান্নান মোবাইল ফোনে বলেন, অধ্যক্ষ আবদুল হাই নানা অনিয়মের সঙ্গে জড়িত রয়েছেন। এসব প্রমাণ আমার কাছে রয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে নান্দাইলের কাটলীপাড়া আলীম মাদরাসার অধ্যক্ষ ওয়াকিব মিয়া, বাকচান্দা ফাজিল মাদরাসার অদ্যক্ষ মো. আসাদুল্লাহ, ধুরুয়া ডিএস মাদরাসার অধ্যক্ষ মো. তাজুল ইসলাম, ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলনের সহসভাপতি আবদুল আহাদসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।

মাদরাসার গভর্নিং বডির কয়েকজন সদস্যের স্বজনদের নিয়োগ না দেওয়ায় মানহানিকর অপপ্রচারের অভিযোগ তুলেছেন ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার আচারগাঁও ফাজিল মাদরাসার অধ্যক্ষ মো. আবদুল হাই।
শুক্রবার (৩১ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে নান্দাইল পুরাতন বাসস্ট্যান্ড এলাকায় অবস্থিত একটি ভবনের দোতলায় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ অভিযোগ করেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে অধ্যক্ষ আবদুল হাই বলেন, মাদরাসার পরিচালনা পর্ষদের সহসভাপতি আবদুল হান্নান, সদস্য আশিকুর রহমান কাজল ও আরেক সদস্য ফজলুল করিম তাদের একাধিক সন্তান ও স্বজনদের মাদরাসায় চাকরি দেওয়ার জন্য তাকে চাপ দেন। তবে অধ্যক্ষ জানিয়ে দেন, নিয়োগ কমিটি বিধি অনুযায়ী প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার মাধ্যমে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করবে। এ বিষয়ে তার পক্ষে কিছু করার নেই।
আবদু হাই বলেন, তিনি এ কথা বলার পর গভর্নিং বডির সহসভাপতি আবদুল হান্নান বাদী হয়ে নিয়োগ প্রক্রিয়ার বিরুদ্ধে আদালতে মামলা (২৬১/২৫) করেন। পরে তার বিরুদ্ধে অনেক আগে নিষ্পত্তি হওয়া কিছু মিথ্যা ও বানোয়াট অভিযোগ নতুন করে উত্থাপন করে তাকে জনসমক্ষে হেয় করার চেষ্টা করছেন। অথচ একাধিকবার তদন্তে এসব অভিযোগ মিথ্যা বলে প্রমাণিত হয়েছে। সে প্রমাণও তার কাছে রয়েছে।
অধ্যক্ষ আবদুল হাই আরও বলেন, আবদুল হান্নান মাদরাসার কাছাকাছি এলাকার স্থানীয় বাসিন্দা। তিনি প্রায়ই শিক্ষকদের সঙ্গে অসদাচরণ ও তাদের হেনস্থা করেন। প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র হাতিয়ে নিয়ে প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। আচারগাঁও ফাজিল মাদরাসাটি ১৯৬০ সালে প্রতিষ্ঠিত। ওই সময় আবদুল হান্নানের জন্ম না হলেও তিনি এখন নিজেকে মাদরাসার প্রতিষ্ঠাতা সদস্য বলে দাবি করে নানা প্রভাব খাটিয়ে আসছেন। তার প্রতিটি অভিযোগ মিথ্যা ও বানোয়াট। এসব অভিযোগের দালিলিক উত্তর ও প্রমাণ আমার কাছে রয়েছে।
আগামী ৩১ ডিসেম্বর অধ্যক্ষ পদ থেকে অবসর বেন জানিয়ে আবদুল হাই বলেন, এর আগে হান্নান সাহেব তার ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিল করতে না পেরে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা ও বানোয়াট অভিযোগ করে আমাকে সামাজিকভাবে আমাকে হেয় করার চেষ্টা করছেন।
এসব বিষয়ে সাংবাদিকদের মাধ্যমে মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন অধ্যক্ষ আবদুল হাই।
এসব বিষয়ে জানতে চাইলে মাদরাসা পরিচালনা পর্ষদের সহসভাপতি আবদুল হান্নান মোবাইল ফোনে বলেন, অধ্যক্ষ আবদুল হাই নানা অনিয়মের সঙ্গে জড়িত রয়েছেন। এসব প্রমাণ আমার কাছে রয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে নান্দাইলের কাটলীপাড়া আলীম মাদরাসার অধ্যক্ষ ওয়াকিব মিয়া, বাকচান্দা ফাজিল মাদরাসার অদ্যক্ষ মো. আসাদুল্লাহ, ধুরুয়া ডিএস মাদরাসার অধ্যক্ষ মো. তাজুল ইসলাম, ইসলামী শাসনতন্ত্র আন্দোলনের সহসভাপতি আবদুল আহাদসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।

শনিবার (২০ জুন) সকালে উপজেলার টেলকি জলই এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে । নিহতরা হলেন জলই গ্রামের বাবুল হাদিমা (৪৮), তার ১০ বছর বয়সী ছেলে নেইমার ম্রং, রতন নকরেক (২৪) ও গাবরিয়েল নকরেক (৩২)। তারা সবাই ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সম্প্রদায়ের সদস্য।
১৫ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে ওই চারজন আন্তর্জাতিক সীমান্ত পিলার ১৫ ও ১৬-এর মধ্যবর্তী এলাকায় নো-ম্যানস ল্যান্ডে অবস্থান করছেন। তাদের মধ্যে একজন পুরুষ ও তিনজন নারী রয়েছেন বলে জানা গেছে। তবে এখন পর্যন্ত তাদের পরিচয় বা জাতীয়তা সম্পর্কে কোনো ধারণা পাওয়া যায়নি।
১ দিন আগে
স্থানীয়রা বলছেন, রৌমারীর গয়টাপাড়া সীমান্তে ছয়জন ও ইজলামারী ভন্দুরচর সীমান্তে তিনজনকে বুধবার (১৭ জুন) রাত পর্যন্ত অবস্থান করতে দেখা গেছে। তবে বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সকাল থেকে দুই শিশুসহ চারজনকে আর সেখানে দেখা যায়নি।
২ দিন আগে
সুনামগঞ্জে প্রায় এক হাজার পিস ইয়াবাসহ ‘জুলাই যোদ্ধা’ পরিচয় দেওয়া নাজমুল হাসান হিমেল নামে এক তরুণকে আটক করে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছেন স্থানীয়রা। পরে পুলিশ তাকে মাদক মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছে। তাহিরপুর উপজেলার সীমান্তবর্তী গ্রাম পুরান লাউড়েরগড়ে এ ঘটনা ঘটে।
২ দিন আগে