
নেত্রকোনা প্রতিনিধি

বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-ধর্মবিষয়ক সম্পাদক ও নেত্রকোণা-২ সংসদীয় আসনের মনোনয়নপ্রত্যাশী এটিএম আব্দুল বারী ড্যানী বলেছেন, ‘বিএনপিকে যারা রাজনীতি থেকে সরানোর চেষ্টা করেছে তারাই হারিয়ে গেছে। নেতা-কর্মীরা নিজের জীবন বাজি রেখে রাজনীতি করেছেন। নির্যাতনের শিকার হয়েছে তাদেরকে কিন্তু মানুষ এখনো শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন।’ বুধবার (১৯ মার্চ) সন্ধ্যায় নেত্রকোণা জেলা শহরের পুরাতন কালেক্টরেট মাঠে নিজ উদ্যোগে আয়োজিত দোয়া ও ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের সর্বস্তরের জনগণ আপনাদের সমর্থন দিয়েছে। সেই সমর্থন প্রত্যাহার করার সময় চলে এসেছে কি-না আমরা বলব না। নিজেদেরকে বিতর্কিত করবেন না। মানুষের প্রত্যাশিত যে সংস্কার সেটাকে বিলম্বিত করা এবং মানুষের হারিয়ে যাওয়া ভোটের অধিকার পুনরায় প্রতিষ্ঠা করার জন্য যে মূল দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে সেই দায়িত্ব বাদ দিয়ে কোনো কৌশল বা পন্থা অবলম্বন যদি করেন, তাহলে দেশের মানুষ মানবে না। কখনো বলা হচ্ছে ডিসেম্বর, কখনো সংস্কার। সংস্কারের জনক তো বিএনপি।’
তিনি আরও বলেন, ‘দীর্ঘ সময় বাংলাদেশে একটা ফ্যাসিস্ট সরকার ক্ষমতায় ছিল। যার কারণে এভাবে একত্র হওয়ার সুযোগ ছিল না। আমি আপনাদের ভাই, আমি আপনাদের সম্মানে আজকের ইফতার পার্টির আয়োজন করেছি। আমি আপনাদের সন্তান হিসেবে, আপনাদের ভাই হিসেবে আমৃত্যু পর্যন্ত পাশে থাকতে চাই।’
সম্মানিত ওলামা-মশায়েখ, এতিম, বিভিন্ন পেশাজীবী ও রাজনীতিবিদদের সম্মানে দোয়া ও ইফতার মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন সাবেক সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আশরাফ উদ্দীন খাঁন, কেন্দ্রীয় বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও ময়মনসিংহ বিভাগীয় জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট ডক্টর আরিফা জেসমিন নাহীন, জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট মাহফুজুল হক, জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি নুরুজ্জামান নুরু, জেলা বিএনপির সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি মান্নান তালুকদার, জেলা বিএনপির যুগ্ম আহব্বায়ক ও জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি আমিনুল হক খান মকুল, জেলা জজকোর্টের পিপি অ্যাডভোকেট আবুল হাসেম, জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি ও বারহাট্টা উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান খান রিজভী।
ইফতার মাহফিলে আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক এসএম শফিকুল কাদের সুজা, জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক জিএস মাসুদ রানা চৌধরী, জেলা প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি সাংবাদিক জাহিদ হাসান, সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক মাহবুবুল কিবরিয়া চৌধুরী হেলিম, জেলা ছাত্রদলের সাবেক দুইবারের সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম খান মাসুদ, জেলা যুবদলের সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মোস্তফা মাসুদ, পৌর বিএনপির সাবেক সভাপতি মুহাম্মদ টিটু, সাবেক সাধারণ সম্পাদক আমিনুল হক আমিন, জেলা বিএনপির সাবেক প্রচার সম্পাদক ও জেলা যুবদলের সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি ওয়ারেস উদ্দিন ফারাস, সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহিদ আহমেদ আনছারী, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক হাসানাত হাসান সৈকত, পৌর যুবদলের সভাপতি মোকাম্মেল রানাসহ বিভিন্ন শ্রেণপেশার মানুষ।

বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-ধর্মবিষয়ক সম্পাদক ও নেত্রকোণা-২ সংসদীয় আসনের মনোনয়নপ্রত্যাশী এটিএম আব্দুল বারী ড্যানী বলেছেন, ‘বিএনপিকে যারা রাজনীতি থেকে সরানোর চেষ্টা করেছে তারাই হারিয়ে গেছে। নেতা-কর্মীরা নিজের জীবন বাজি রেখে রাজনীতি করেছেন। নির্যাতনের শিকার হয়েছে তাদেরকে কিন্তু মানুষ এখনো শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন।’ বুধবার (১৯ মার্চ) সন্ধ্যায় নেত্রকোণা জেলা শহরের পুরাতন কালেক্টরেট মাঠে নিজ উদ্যোগে আয়োজিত দোয়া ও ইফতার মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের সর্বস্তরের জনগণ আপনাদের সমর্থন দিয়েছে। সেই সমর্থন প্রত্যাহার করার সময় চলে এসেছে কি-না আমরা বলব না। নিজেদেরকে বিতর্কিত করবেন না। মানুষের প্রত্যাশিত যে সংস্কার সেটাকে বিলম্বিত করা এবং মানুষের হারিয়ে যাওয়া ভোটের অধিকার পুনরায় প্রতিষ্ঠা করার জন্য যে মূল দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে সেই দায়িত্ব বাদ দিয়ে কোনো কৌশল বা পন্থা অবলম্বন যদি করেন, তাহলে দেশের মানুষ মানবে না। কখনো বলা হচ্ছে ডিসেম্বর, কখনো সংস্কার। সংস্কারের জনক তো বিএনপি।’
তিনি আরও বলেন, ‘দীর্ঘ সময় বাংলাদেশে একটা ফ্যাসিস্ট সরকার ক্ষমতায় ছিল। যার কারণে এভাবে একত্র হওয়ার সুযোগ ছিল না। আমি আপনাদের ভাই, আমি আপনাদের সম্মানে আজকের ইফতার পার্টির আয়োজন করেছি। আমি আপনাদের সন্তান হিসেবে, আপনাদের ভাই হিসেবে আমৃত্যু পর্যন্ত পাশে থাকতে চাই।’
সম্মানিত ওলামা-মশায়েখ, এতিম, বিভিন্ন পেশাজীবী ও রাজনীতিবিদদের সম্মানে দোয়া ও ইফতার মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন সাবেক সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আশরাফ উদ্দীন খাঁন, কেন্দ্রীয় বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও ময়মনসিংহ বিভাগীয় জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট ডক্টর আরিফা জেসমিন নাহীন, জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট মাহফুজুল হক, জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি নুরুজ্জামান নুরু, জেলা বিএনপির সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি মান্নান তালুকদার, জেলা বিএনপির যুগ্ম আহব্বায়ক ও জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি আমিনুল হক খান মকুল, জেলা জজকোর্টের পিপি অ্যাডভোকেট আবুল হাসেম, জেলা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি ও বারহাট্টা উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান খান রিজভী।
ইফতার মাহফিলে আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক এসএম শফিকুল কাদের সুজা, জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক জিএস মাসুদ রানা চৌধরী, জেলা প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি সাংবাদিক জাহিদ হাসান, সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক মাহবুবুল কিবরিয়া চৌধুরী হেলিম, জেলা ছাত্রদলের সাবেক দুইবারের সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম খান মাসুদ, জেলা যুবদলের সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মোস্তফা মাসুদ, পৌর বিএনপির সাবেক সভাপতি মুহাম্মদ টিটু, সাবেক সাধারণ সম্পাদক আমিনুল হক আমিন, জেলা বিএনপির সাবেক প্রচার সম্পাদক ও জেলা যুবদলের সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি ওয়ারেস উদ্দিন ফারাস, সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহিদ আহমেদ আনছারী, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক হাসানাত হাসান সৈকত, পৌর যুবদলের সভাপতি মোকাম্মেল রানাসহ বিভিন্ন শ্রেণপেশার মানুষ।

বগুড়ার শিবগঞ্জ ও মোকামতলা উপজেলায় স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের দুই ছেলে ও পৈতৃক বাড়ির নামে নবগঠিত ‘মীরবাড়ী’, ‘সীমান্ত’ ও ‘দিগন্ত’ ইউনিয়নের নাম পরিবর্তন করতে এবার জেলা প্রশাসককে (ডিসি) চিঠি দিয়েছে প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর। এর আগে প্রধানমন্ত্রী নিজে ডিসিকে ফোন করেও ওই তিন ইউনিয়নের নাম পালটাতে
১ দিন আগে
রাজধানীর মিরপুরের মুসলিম বাজার খাল থেকে ৪৫০ ট্রাক বর্জ্য অপসারণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। আজ শনিবার মুসলিম বাজার খালের পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিদর্শনকালে তিনি এ কথা বলেন।
১ দিন আগে
মন্ত্রী বলেন, “আমাদের কাজ শুরু হয়ে গেছে। আপনাদের এলাকায় যত রাস্তাঘাট ও সেতু রয়েছে, ইনশাআল্লাহ পাঁচ বছরের মধ্যে সব সম্পন্ন করা হবে। তিন মাসে যে কাজ হয়েছে, আওয়ামী লীগের ১৫ বছরেও তা হয়নি।”
১ দিন আগে
বিজিবি জানায়, শুক্রবার গভীর রাতে চৌকা সীমান্ত দিয়ে ২০ জনকে বাংলাদেশে প্রবেশ করানোর চেষ্টা করা হয়। তাদের মধ্যে ১১ জন পুরুষ, পাঁচজন নারী ও চারজন শিশু রয়েছে।
২ দিন আগে