
নান্দাইল (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি

ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার মোয়াজ্জেমপুর ইউনিয়নের সরকারি উপস্বাস্থ্যকেন্দ্রটি জলাবদ্ধতার কবলে পড়েছে। স্বাস্থ্যকেন্দ্রের চারপাশে বৃষ্টির পানি জমে থাকায় রোগীদের চিকিৎসাসেবা নিতে চরম দুর্ভোগে পড়তে হচ্ছে। যাতায়াতের একমাত্র কাঁচা রাস্তাটিও সম্পূর্ণ পানিতে তলিয়ে গেছে। এতে রোগী ও কর্মরত স্টাফদের একটি পরিত্যক্ত ভবনের ভেতর দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে স্বাস্থ্যকেন্দ্রে যাতায়াত করতে হচ্ছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, উপজেলার মোয়াজ্জেমপুর ইউনিয়ন উপস্বাস্থ্যকেন্দ্রটি একটি দোতলা ভবন। এখানে রোগীদের চিকিৎসাসেবা দেওয়ার পাশাপাশি ওষুধও সরবরাহ করা হয়। ভবনটির অবকাঠামো বিবেচনায় এটিতে হাসপাতালের কার্যক্রম চালানোর মতো সক্ষমতা রয়েছে। তবে সংস্কার, চিকিৎসক ও জনবল নিয়োগ দিলে এ ভবনে হাসপাতালের কার্যক্রম চালানোর মতো অবকাঠামো রয়েছে।
উপস্বাস্থ্যকেন্দ্রের সামনে রয়েছে একটি মজাপুকুর। পুকুরটি স্বাস্থ্য কেন্দ্রের মালিকানাধীন। তবে পুকুরে মাছ চাষ করেন স্থানীয় প্রভাবশালীরা। স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, পুকুরের পাড় দিয়ে রোগীরা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে যাতায়াত করতেন। কিন্তু পুকুরে মাছ চাষ করে লাভবান হলেও বছরের পর বছর ধরে পুকুরের পাড় রক্ষার উদ্যোগ নেননি কেউ। ফলে পাড় ভাঙনের ফলে পায়ে চলার কাঁচা রাস্তাটুকুর পুকুরে বিলীন হয়ে পড়ে। এরপর যাতায়াত করার জন্য পুরাতন পরিত্যক্ত ভবনের দেয়াল ঘেঁষে রোগীরা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে প্রবেশ করতেন। কিন্তু বর্ষাকালে সেই পথ পানিতে ডুবে যায়। বর্তমানে রোগীরা পরিত্যাক্ত ভবনের ভেতর দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে চলাফেরা করছেন।
এখানে কর্মরত কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার (স্যাকমো) মো. আকরাম উল্লাহ বলেন, প্রতিদিন এই স্বাস্থ্য কেন্দ্রে চিকিৎসা নিতে শতাধিক রোগীর আগমন ঘটে। কিন্তু স্বাস্থ্য কেন্দ্রে প্রবেশ করার কোনো রাস্তা নেই। যে কয়েকজন স্টাফ এখানে কর্মরত আছেন তারা একটি পরিত্যাক্ত ভবনের ভেতর দিয়ে স্বাস্থ্য কেন্দ্রে প্রবেশ করেন। রোগীরাও ঝুঁকি নিয়ে ওই জায়গা দিয়ে যাতায়াত করে থাকেন। কয়েকদিন আগে একজন রোগী স্বাস্থ্য কেন্দ্রে প্রবেশের সময় পড়ে গিয়ে গুরুতর আহত হয়েছেন। পরে তাকে চিকিৎসার জন্যে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠাতে হয়েছে।
স্বাস্থ্য কেন্দ্রের সামনে রয়েছে একটি মজাপুকুর। সেই পুকুরে স্থানীয় প্রভাবশালীরা মাছ চাষ করে থাকেন। কিন্তু পুকুরটি সংস্কার না করায় চারপাশের পাড় ভেঙে গেছে। পাড় ভাঙার কারণে স্বাস্থ্য কেন্দ্রে প্রবেশের রাস্তাটি পুকুরে নিমজ্জিত হয়ে পড়েছে।
স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা জানান, সরকারিভাবে কচুরিপানায় পরিপূর্ণ পুকুরটি সংস্কার করে চারপাশে পাড় পাকা করে বাঁধাই করে দিলে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের যেমন সৌন্দর্য বৃদ্ধি হতো তেমনি রোগীদের প্রবেশের জন্য একটি রাস্তাও হয়ে যেত।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে নান্দাইল উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. শামীমা সুলতানা বলেন, ইউনিয়ন উপস্বাস্থ্যকেন্দ্রে প্রবেশের একটি রাস্তা তৈরি করে দেওয়ার জন্য মোয়াজ্জেমপুর ইউনিয়ন পরিষদে (ইউপি) একটি প্রস্তাব পাঠানো হবে।

ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার মোয়াজ্জেমপুর ইউনিয়নের সরকারি উপস্বাস্থ্যকেন্দ্রটি জলাবদ্ধতার কবলে পড়েছে। স্বাস্থ্যকেন্দ্রের চারপাশে বৃষ্টির পানি জমে থাকায় রোগীদের চিকিৎসাসেবা নিতে চরম দুর্ভোগে পড়তে হচ্ছে। যাতায়াতের একমাত্র কাঁচা রাস্তাটিও সম্পূর্ণ পানিতে তলিয়ে গেছে। এতে রোগী ও কর্মরত স্টাফদের একটি পরিত্যক্ত ভবনের ভেতর দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে স্বাস্থ্যকেন্দ্রে যাতায়াত করতে হচ্ছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, উপজেলার মোয়াজ্জেমপুর ইউনিয়ন উপস্বাস্থ্যকেন্দ্রটি একটি দোতলা ভবন। এখানে রোগীদের চিকিৎসাসেবা দেওয়ার পাশাপাশি ওষুধও সরবরাহ করা হয়। ভবনটির অবকাঠামো বিবেচনায় এটিতে হাসপাতালের কার্যক্রম চালানোর মতো সক্ষমতা রয়েছে। তবে সংস্কার, চিকিৎসক ও জনবল নিয়োগ দিলে এ ভবনে হাসপাতালের কার্যক্রম চালানোর মতো অবকাঠামো রয়েছে।
উপস্বাস্থ্যকেন্দ্রের সামনে রয়েছে একটি মজাপুকুর। পুকুরটি স্বাস্থ্য কেন্দ্রের মালিকানাধীন। তবে পুকুরে মাছ চাষ করেন স্থানীয় প্রভাবশালীরা। স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, পুকুরের পাড় দিয়ে রোগীরা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে যাতায়াত করতেন। কিন্তু পুকুরে মাছ চাষ করে লাভবান হলেও বছরের পর বছর ধরে পুকুরের পাড় রক্ষার উদ্যোগ নেননি কেউ। ফলে পাড় ভাঙনের ফলে পায়ে চলার কাঁচা রাস্তাটুকুর পুকুরে বিলীন হয়ে পড়ে। এরপর যাতায়াত করার জন্য পুরাতন পরিত্যক্ত ভবনের দেয়াল ঘেঁষে রোগীরা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে প্রবেশ করতেন। কিন্তু বর্ষাকালে সেই পথ পানিতে ডুবে যায়। বর্তমানে রোগীরা পরিত্যাক্ত ভবনের ভেতর দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে চলাফেরা করছেন।
এখানে কর্মরত কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার (স্যাকমো) মো. আকরাম উল্লাহ বলেন, প্রতিদিন এই স্বাস্থ্য কেন্দ্রে চিকিৎসা নিতে শতাধিক রোগীর আগমন ঘটে। কিন্তু স্বাস্থ্য কেন্দ্রে প্রবেশ করার কোনো রাস্তা নেই। যে কয়েকজন স্টাফ এখানে কর্মরত আছেন তারা একটি পরিত্যাক্ত ভবনের ভেতর দিয়ে স্বাস্থ্য কেন্দ্রে প্রবেশ করেন। রোগীরাও ঝুঁকি নিয়ে ওই জায়গা দিয়ে যাতায়াত করে থাকেন। কয়েকদিন আগে একজন রোগী স্বাস্থ্য কেন্দ্রে প্রবেশের সময় পড়ে গিয়ে গুরুতর আহত হয়েছেন। পরে তাকে চিকিৎসার জন্যে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে পাঠাতে হয়েছে।
স্বাস্থ্য কেন্দ্রের সামনে রয়েছে একটি মজাপুকুর। সেই পুকুরে স্থানীয় প্রভাবশালীরা মাছ চাষ করে থাকেন। কিন্তু পুকুরটি সংস্কার না করায় চারপাশের পাড় ভেঙে গেছে। পাড় ভাঙার কারণে স্বাস্থ্য কেন্দ্রে প্রবেশের রাস্তাটি পুকুরে নিমজ্জিত হয়ে পড়েছে।
স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা জানান, সরকারিভাবে কচুরিপানায় পরিপূর্ণ পুকুরটি সংস্কার করে চারপাশে পাড় পাকা করে বাঁধাই করে দিলে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের যেমন সৌন্দর্য বৃদ্ধি হতো তেমনি রোগীদের প্রবেশের জন্য একটি রাস্তাও হয়ে যেত।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে নান্দাইল উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. শামীমা সুলতানা বলেন, ইউনিয়ন উপস্বাস্থ্যকেন্দ্রে প্রবেশের একটি রাস্তা তৈরি করে দেওয়ার জন্য মোয়াজ্জেমপুর ইউনিয়ন পরিষদে (ইউপি) একটি প্রস্তাব পাঠানো হবে।

বিজিবি জানায়, শুক্রবার গভীর রাতে চৌকা সীমান্ত দিয়ে ২০ জনকে বাংলাদেশে প্রবেশ করানোর চেষ্টা করা হয়। তাদের মধ্যে ১১ জন পুরুষ, পাঁচজন নারী ও চারজন শিশু রয়েছে।
১ দিন আগে
শনিবার (২০ জুন) সকালে উপজেলার টেলকি জলই এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে । নিহতরা হলেন জলই গ্রামের বাবুল হাদিমা (৪৮), তার ১০ বছর বয়সী ছেলে নেইমার ম্রং, রতন নকরেক (২৪) ও গাবরিয়েল নকরেক (৩২)। তারা সবাই ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সম্প্রদায়ের সদস্য।
১ দিন আগে
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে ওই চারজন আন্তর্জাতিক সীমান্ত পিলার ১৫ ও ১৬-এর মধ্যবর্তী এলাকায় নো-ম্যানস ল্যান্ডে অবস্থান করছেন। তাদের মধ্যে একজন পুরুষ ও তিনজন নারী রয়েছেন বলে জানা গেছে। তবে এখন পর্যন্ত তাদের পরিচয় বা জাতীয়তা সম্পর্কে কোনো ধারণা পাওয়া যায়নি।
২ দিন আগে
স্থানীয়রা বলছেন, রৌমারীর গয়টাপাড়া সীমান্তে ছয়জন ও ইজলামারী ভন্দুরচর সীমান্তে তিনজনকে বুধবার (১৭ জুন) রাত পর্যন্ত অবস্থান করতে দেখা গেছে। তবে বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সকাল থেকে দুই শিশুসহ চারজনকে আর সেখানে দেখা যায়নি।
৩ দিন আগে