
নান্দাইল (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি

ময়মনসিংহ ৯ (নান্দাইল) আসনে বিএনপি তাদের দলীয় প্রার্থীর নাম ঘোষণা করার চারদিন পর সেই মনোনয়ন পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়েছেন দলটির মনোনয়ন প্রত্যাশী চার নেতা ও তাদের অনুসারীরা।
শুক্রবার (৭ নভেভম্বর) জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে নান্দাইল সরকারি শহীদ স্মৃতি আদর্শ ডিগ্রি কলেজ মাঠে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠন কর্তৃক আয়োজিত এক সমাবেশে নেতৃবৃন্দ এ দাবি জানান।
ওই সমাবেশে মনোনয়ন প্রত্যাশী চারজনের মধ্যে মেজর জেনারেল (অব) আনোয়ারুল মোমেন, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মামুন বিন আবদুল মান্নান উপস্থিত ছিলেন। তবে বাকি দুজন মনোনয়ন প্রত্যাশী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব) একেএম শামছুল ইসলাম শামস (সূর্য) ও নাসের খান চৌধুরীর পক্ষে তাদের অনুসারী বিএনপির নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
সমাবেশে মেজর জেনারেল (অব) আনোয়ারুল মোমেন বলেন, বাংলাদেশে ঐক্যের প্রতীক হচ্ছেন বেগম খালেদা। আর নান্দাইল আসনেও বিএনপির ঐক্যের প্রয়োজন রয়েছে। যে নেতাকে নান্দাইল বিএনপিকে ঐক্যবদ্ধ করার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল তিনি তা করতে পারেননি। বরং আরও অনৈক্যের সৃষ্টি হয়েছে। কাজেই আমরা ঐক্যবদ্ধ বিএনপির জন্য দলীয় প্রার্থীর মনোনয়ন পুনর্বিবেচনার দাবি জানাচ্ছি।
নান্দাইল উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মামুন বিন আবদুল মান্নান বলেন, যিনি দলে ঐক্য সৃষ্টি করতে পারেননি তিনি নির্বাচনে কীভাবে কর্মীদের ঐক্যবদ্ধ করবেন। তাই দলের স্বার্থে মনোনয়ন পুনর্বিবেচনার দাবি জানান তিনি।
সমাবেশে অন্যান্যদের মধ্যে নান্দাইল পৌরসভার সাবেক মেয়র এএফএম আজিজুল ইসলাম পিকুল, বিএনপি নেতা আবুল কালাম আজাদ প্রমূখ নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন।
সমাবেশ শেষে বিএনপির হাজারো নেতাকর্মী ও সমর্থককে সাথে নিয়ে নেতৃবৃন্দ নানা স্লোগান দিয়ে একটি মিছিল নিয়ে ময়মনসিংহ-কিশোরগঞ্জ সড়কসহ নান্দাইল পৌর শহরের বিভিন্ন অলিগলি প্রদক্ষিণ করেন।
মনোনয়ন পুনর্বিবেচনার দাবি করা প্রসঙ্গে বিএনপি প্রার্থী ইয়াসের খান চৌধুরী বলেন, বিএনপির তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীরা অতীতের যে কোনো সময়ের তুলনায় ঐক্যবদ্ধ রয়েছেন। তারা সকলেই ধানের শীষের পক্ষে কাজ করছেন।
তিনি আরও বলেন, ময়মনসিংহ বিভাগীয় সম্মেলনে নান্দাইল আসনে বিএনপির সকল মনোনয়ন প্রত্যাশীরা উপস্থিত ছিলেন। তারা আমাদের দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে দলের সিদ্ধান্ত মেনে নেবেন বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। কিন্তু এখন তারা কেন সেই প্রতিশ্রুতির বরখেলাপ করছেন তা আমার বোধগম্য নয়। দলের নেতৃবৃন্দ অনেককিছু বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে থাকে। সকলকে সেই সিদ্ধান্তের প্রতি সম্মান দেখানো উচিত।

ময়মনসিংহ ৯ (নান্দাইল) আসনে বিএনপি তাদের দলীয় প্রার্থীর নাম ঘোষণা করার চারদিন পর সেই মনোনয়ন পুনর্বিবেচনার দাবি জানিয়েছেন দলটির মনোনয়ন প্রত্যাশী চার নেতা ও তাদের অনুসারীরা।
শুক্রবার (৭ নভেভম্বর) জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে নান্দাইল সরকারি শহীদ স্মৃতি আদর্শ ডিগ্রি কলেজ মাঠে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠন কর্তৃক আয়োজিত এক সমাবেশে নেতৃবৃন্দ এ দাবি জানান।
ওই সমাবেশে মনোনয়ন প্রত্যাশী চারজনের মধ্যে মেজর জেনারেল (অব) আনোয়ারুল মোমেন, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মামুন বিন আবদুল মান্নান উপস্থিত ছিলেন। তবে বাকি দুজন মনোনয়ন প্রত্যাশী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব) একেএম শামছুল ইসলাম শামস (সূর্য) ও নাসের খান চৌধুরীর পক্ষে তাদের অনুসারী বিএনপির নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
সমাবেশে মেজর জেনারেল (অব) আনোয়ারুল মোমেন বলেন, বাংলাদেশে ঐক্যের প্রতীক হচ্ছেন বেগম খালেদা। আর নান্দাইল আসনেও বিএনপির ঐক্যের প্রয়োজন রয়েছে। যে নেতাকে নান্দাইল বিএনপিকে ঐক্যবদ্ধ করার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল তিনি তা করতে পারেননি। বরং আরও অনৈক্যের সৃষ্টি হয়েছে। কাজেই আমরা ঐক্যবদ্ধ বিএনপির জন্য দলীয় প্রার্থীর মনোনয়ন পুনর্বিবেচনার দাবি জানাচ্ছি।
নান্দাইল উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মামুন বিন আবদুল মান্নান বলেন, যিনি দলে ঐক্য সৃষ্টি করতে পারেননি তিনি নির্বাচনে কীভাবে কর্মীদের ঐক্যবদ্ধ করবেন। তাই দলের স্বার্থে মনোনয়ন পুনর্বিবেচনার দাবি জানান তিনি।
সমাবেশে অন্যান্যদের মধ্যে নান্দাইল পৌরসভার সাবেক মেয়র এএফএম আজিজুল ইসলাম পিকুল, বিএনপি নেতা আবুল কালাম আজাদ প্রমূখ নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন।
সমাবেশ শেষে বিএনপির হাজারো নেতাকর্মী ও সমর্থককে সাথে নিয়ে নেতৃবৃন্দ নানা স্লোগান দিয়ে একটি মিছিল নিয়ে ময়মনসিংহ-কিশোরগঞ্জ সড়কসহ নান্দাইল পৌর শহরের বিভিন্ন অলিগলি প্রদক্ষিণ করেন।
মনোনয়ন পুনর্বিবেচনার দাবি করা প্রসঙ্গে বিএনপি প্রার্থী ইয়াসের খান চৌধুরী বলেন, বিএনপির তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীরা অতীতের যে কোনো সময়ের তুলনায় ঐক্যবদ্ধ রয়েছেন। তারা সকলেই ধানের শীষের পক্ষে কাজ করছেন।
তিনি আরও বলেন, ময়মনসিংহ বিভাগীয় সম্মেলনে নান্দাইল আসনে বিএনপির সকল মনোনয়ন প্রত্যাশীরা উপস্থিত ছিলেন। তারা আমাদের দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে দলের সিদ্ধান্ত মেনে নেবেন বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। কিন্তু এখন তারা কেন সেই প্রতিশ্রুতির বরখেলাপ করছেন তা আমার বোধগম্য নয়। দলের নেতৃবৃন্দ অনেককিছু বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে থাকে। সকলকে সেই সিদ্ধান্তের প্রতি সম্মান দেখানো উচিত।

শনিবার (২০ জুন) সকালে উপজেলার টেলকি জলই এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে । নিহতরা হলেন জলই গ্রামের বাবুল হাদিমা (৪৮), তার ১০ বছর বয়সী ছেলে নেইমার ম্রং, রতন নকরেক (২৪) ও গাবরিয়েল নকরেক (৩২)। তারা সবাই ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সম্প্রদায়ের সদস্য।
১৫ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে ওই চারজন আন্তর্জাতিক সীমান্ত পিলার ১৫ ও ১৬-এর মধ্যবর্তী এলাকায় নো-ম্যানস ল্যান্ডে অবস্থান করছেন। তাদের মধ্যে একজন পুরুষ ও তিনজন নারী রয়েছেন বলে জানা গেছে। তবে এখন পর্যন্ত তাদের পরিচয় বা জাতীয়তা সম্পর্কে কোনো ধারণা পাওয়া যায়নি।
১ দিন আগে
স্থানীয়রা বলছেন, রৌমারীর গয়টাপাড়া সীমান্তে ছয়জন ও ইজলামারী ভন্দুরচর সীমান্তে তিনজনকে বুধবার (১৭ জুন) রাত পর্যন্ত অবস্থান করতে দেখা গেছে। তবে বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সকাল থেকে দুই শিশুসহ চারজনকে আর সেখানে দেখা যায়নি।
২ দিন আগে
সুনামগঞ্জে প্রায় এক হাজার পিস ইয়াবাসহ ‘জুলাই যোদ্ধা’ পরিচয় দেওয়া নাজমুল হাসান হিমেল নামে এক তরুণকে আটক করে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছেন স্থানীয়রা। পরে পুলিশ তাকে মাদক মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছে। তাহিরপুর উপজেলার সীমান্তবর্তী গ্রাম পুরান লাউড়েরগড়ে এ ঘটনা ঘটে।
২ দিন আগে