
নেত্রকোনা প্রতিনিধি

নেত্রকোনা-৩ (আটপাড়া-কেন্দুয়া) সংসদীয় আসনে বিএনপির মনোনয়ন চান স্থানীয় নেতা মুহাম্মদ বশির। এ তথ্য জানিয়ে স্থানীয় সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন তিনি।
রোববার (৩ আগস্ট) দুপুরের দিকে নেত্রকোনা জেলা প্রেস ক্লাবের হলরুমে এ মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় জেলা যুবদলের সাবেক সহসভাপতি ওয়ারেছ উদ্দিন ফারাসসহ আটপাড়া কেন্দুয়ার বিএনপি এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
মতবিনিময়ে মুহাম্মদ বশির বলেন, বিএনপির দুঃসময়ে কেন্দ্রীয় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশে কাজ করেছি। এর জন্য বিগত সময়ে আমি ও আমার পরিবার বিভিন্নভাবে হয়রানি-নির্যাতনের শিকার হয়েছি।
তিনি বলেন, যদি বিএনপির মনোনয়ন পাই, তাহলে অবহেলিত আটপাড়া-কেন্দুয়া জনপদ উন্নয়নে নিয়োজিত থাকব। শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতের মানোন্নয়নে কাজ করব।
এরই মধ্যে একাধিক মসজিদ, মাদরাসা করেছেন বলে জানান বশির। বলেন, ভবিষ্যতে নিজ অর্থায়নে আটপাড়া উপজেলায় আধুনিক মানসম্মত উচ্চ বিদ্যালয় করব, তা নিয়ে পরিকল্পনা করছি। আটপাড়া-কেন্দুয়া উপজেলার ভগ্ন যোগাযোগব্যবস্থাসহ সার্বিক উন্নয়ন করার প্রতিশ্রুতিও দেন তিনি।

নেত্রকোনা-৩ (আটপাড়া-কেন্দুয়া) সংসদীয় আসনে বিএনপির মনোনয়ন চান স্থানীয় নেতা মুহাম্মদ বশির। এ তথ্য জানিয়ে স্থানীয় সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেছেন তিনি।
রোববার (৩ আগস্ট) দুপুরের দিকে নেত্রকোনা জেলা প্রেস ক্লাবের হলরুমে এ মতবিনিময় অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় জেলা যুবদলের সাবেক সহসভাপতি ওয়ারেছ উদ্দিন ফারাসসহ আটপাড়া কেন্দুয়ার বিএনপি এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
মতবিনিময়ে মুহাম্মদ বশির বলেন, বিএনপির দুঃসময়ে কেন্দ্রীয় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশে কাজ করেছি। এর জন্য বিগত সময়ে আমি ও আমার পরিবার বিভিন্নভাবে হয়রানি-নির্যাতনের শিকার হয়েছি।
তিনি বলেন, যদি বিএনপির মনোনয়ন পাই, তাহলে অবহেলিত আটপাড়া-কেন্দুয়া জনপদ উন্নয়নে নিয়োজিত থাকব। শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতের মানোন্নয়নে কাজ করব।
এরই মধ্যে একাধিক মসজিদ, মাদরাসা করেছেন বলে জানান বশির। বলেন, ভবিষ্যতে নিজ অর্থায়নে আটপাড়া উপজেলায় আধুনিক মানসম্মত উচ্চ বিদ্যালয় করব, তা নিয়ে পরিকল্পনা করছি। আটপাড়া-কেন্দুয়া উপজেলার ভগ্ন যোগাযোগব্যবস্থাসহ সার্বিক উন্নয়ন করার প্রতিশ্রুতিও দেন তিনি।

বিজিবি জানায়, শুক্রবার গভীর রাতে চৌকা সীমান্ত দিয়ে ২০ জনকে বাংলাদেশে প্রবেশ করানোর চেষ্টা করা হয়। তাদের মধ্যে ১১ জন পুরুষ, পাঁচজন নারী ও চারজন শিশু রয়েছে।
১ দিন আগে
শনিবার (২০ জুন) সকালে উপজেলার টেলকি জলই এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে । নিহতরা হলেন জলই গ্রামের বাবুল হাদিমা (৪৮), তার ১০ বছর বয়সী ছেলে নেইমার ম্রং, রতন নকরেক (২৪) ও গাবরিয়েল নকরেক (৩২)। তারা সবাই ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সম্প্রদায়ের সদস্য।
১ দিন আগে
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে ওই চারজন আন্তর্জাতিক সীমান্ত পিলার ১৫ ও ১৬-এর মধ্যবর্তী এলাকায় নো-ম্যানস ল্যান্ডে অবস্থান করছেন। তাদের মধ্যে একজন পুরুষ ও তিনজন নারী রয়েছেন বলে জানা গেছে। তবে এখন পর্যন্ত তাদের পরিচয় বা জাতীয়তা সম্পর্কে কোনো ধারণা পাওয়া যায়নি।
২ দিন আগে
স্থানীয়রা বলছেন, রৌমারীর গয়টাপাড়া সীমান্তে ছয়জন ও ইজলামারী ভন্দুরচর সীমান্তে তিনজনকে বুধবার (১৭ জুন) রাত পর্যন্ত অবস্থান করতে দেখা গেছে। তবে বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সকাল থেকে দুই শিশুসহ চারজনকে আর সেখানে দেখা যায়নি।
৩ দিন আগে