
নেত্রকোনা প্রতিনিধি

টংক আন্দোলনের মহানায়ক, মুক্তিযুদ্ধকালীন প্রবাসী সরকারের উপদেষ্টা, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি কমরেড মণি সিংহয়ের ৩৫তম প্রয়াণ দিবস পালিত হয়েছে।
বুধবার (৩১ডিসেম্বর) সকাল থেকে নানান আয়োজনে দিনব্যাপী এ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়।
এ উপলক্ষে স্থানীয় টংক শহীদ স্মৃতিস্তম্ভ ও কমরেড মণি সিংহ স্মৃতি জাদুঘর চত্বরে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন শেষে কমরেড মণি সিংহের প্রতিকৃতিতে সর্বস্তরের অংশগ্রহণে পুষ্পস্তবক অর্পণ, শোক র্যালি, চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়।
বিকেলে আলোচনা সভায় মেলা উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক ডা. দিবালোক সিংহের সভাপতিত্বে সিপিবি উপজেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক মোরশেদ আলমের সঞ্চালনায় কমরেড মণি সিংহের জীবনীর উপর আলোচনা করেন, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপক ড. তাইয়েবুল হাসান, বীর মুক্তিযোদ্ধা সোহরাব হোসেন তালুকদার, মেলা উদযাপন কমিটির যুগ্ম-আহ্বায়ক অজয় সাহা, উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ও মেলা কমিটির যুগ্ম-আহ্বায়ক আব্দুল্লাহ্ আল-মামুন মুকুল, সিপিবি উপজেলা কমিটির সভাপতি আলকাছ উদ্দীন মীর, উদীচী শিল্পী গোষ্ঠীর উপজেলা সংসদের সভাপতি শামছুল আলম খান, কমরেড মনিসিংহ ট্রাষ্টি বোর্ডের সদস্য ডা. সাকি খন্দকার, মেলা কমিটির সদস্য শফিউল আলম স্বপন, কবি বিদ্যুৎ সরকার সহ ছাত্র ইউনিয়ন, যুব ইউনিয়ন ও ক্ষেত মজুর সমিতির নেতৃবৃন্দ।
আলোচনার শুরুতেই প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনা করা হয়। পরবর্তীতে কমরেড মণি সিংহের জীবনীর ওপর আলোচনায় বক্তারা বলেন, ১৯২৮ খ্রিষ্টাব্দে কলকাতার মেটিয়াবুরুজে কেশরাম কটন মিলে শ্রমিকদের ১৩ দিনব্যাপী ধর্মঘটে নেতৃত্ব দিয়ে দাবি আদায়ের মাধ্যমে মণি সিংহ রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে প্রথম সফলতা অর্জন করেন। ১৯৩০ খ্রিষ্টাব্দে তিনি গ্রেপ্তার হন এবং ১৯৩৭ খ্রিষ্টাব্দের নভেম্বর মাসে জেল থেকে মুক্তি পেয়ে তিনি সুসং-দুর্গাপুরে আসেন। সেখানে অবস্থানকালে কৃষকদের সংগঠিত করে টংক প্রথার বিরুদ্ধে কৃষক আন্দোলন পরিচালনা করেন। ১৯৪৫ খ্রিষ্টাব্দে নেত্রকোনায় অনুষ্ঠিত নিখিল ভারত কিষাণ সভার মহাসম্মেলনের তিনি অন্যতম সংগঠক ও অভ্যর্থনা কমিটির সভাপতি ছিলেন।
সারাজীবন মেহনতি মানুষের পক্ষে বৈষম্যবিরোধী রাজনীতি করে গেছেন। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় প্রবাসী সরকারের অন্যতম উপদেষ্টা ছিলেন। নতুন প্রজন্মের কাছে এই মহান নেতার জীবনী তুলে ধরতে সকলকে এগিয়ে আসতে হবে। ১৯৯০ খ্রিষ্টাব্দের আজকের এই দিনে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

টংক আন্দোলনের মহানায়ক, মুক্তিযুদ্ধকালীন প্রবাসী সরকারের উপদেষ্টা, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি কমরেড মণি সিংহয়ের ৩৫তম প্রয়াণ দিবস পালিত হয়েছে।
বুধবার (৩১ডিসেম্বর) সকাল থেকে নানান আয়োজনে দিনব্যাপী এ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়।
এ উপলক্ষে স্থানীয় টংক শহীদ স্মৃতিস্তম্ভ ও কমরেড মণি সিংহ স্মৃতি জাদুঘর চত্বরে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন শেষে কমরেড মণি সিংহের প্রতিকৃতিতে সর্বস্তরের অংশগ্রহণে পুষ্পস্তবক অর্পণ, শোক র্যালি, চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়।
বিকেলে আলোচনা সভায় মেলা উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক ডা. দিবালোক সিংহের সভাপতিত্বে সিপিবি উপজেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক মোরশেদ আলমের সঞ্চালনায় কমরেড মণি সিংহের জীবনীর উপর আলোচনা করেন, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপক ড. তাইয়েবুল হাসান, বীর মুক্তিযোদ্ধা সোহরাব হোসেন তালুকদার, মেলা উদযাপন কমিটির যুগ্ম-আহ্বায়ক অজয় সাহা, উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ও মেলা কমিটির যুগ্ম-আহ্বায়ক আব্দুল্লাহ্ আল-মামুন মুকুল, সিপিবি উপজেলা কমিটির সভাপতি আলকাছ উদ্দীন মীর, উদীচী শিল্পী গোষ্ঠীর উপজেলা সংসদের সভাপতি শামছুল আলম খান, কমরেড মনিসিংহ ট্রাষ্টি বোর্ডের সদস্য ডা. সাকি খন্দকার, মেলা কমিটির সদস্য শফিউল আলম স্বপন, কবি বিদ্যুৎ সরকার সহ ছাত্র ইউনিয়ন, যুব ইউনিয়ন ও ক্ষেত মজুর সমিতির নেতৃবৃন্দ।
আলোচনার শুরুতেই প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনা করা হয়। পরবর্তীতে কমরেড মণি সিংহের জীবনীর ওপর আলোচনায় বক্তারা বলেন, ১৯২৮ খ্রিষ্টাব্দে কলকাতার মেটিয়াবুরুজে কেশরাম কটন মিলে শ্রমিকদের ১৩ দিনব্যাপী ধর্মঘটে নেতৃত্ব দিয়ে দাবি আদায়ের মাধ্যমে মণি সিংহ রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে প্রথম সফলতা অর্জন করেন। ১৯৩০ খ্রিষ্টাব্দে তিনি গ্রেপ্তার হন এবং ১৯৩৭ খ্রিষ্টাব্দের নভেম্বর মাসে জেল থেকে মুক্তি পেয়ে তিনি সুসং-দুর্গাপুরে আসেন। সেখানে অবস্থানকালে কৃষকদের সংগঠিত করে টংক প্রথার বিরুদ্ধে কৃষক আন্দোলন পরিচালনা করেন। ১৯৪৫ খ্রিষ্টাব্দে নেত্রকোনায় অনুষ্ঠিত নিখিল ভারত কিষাণ সভার মহাসম্মেলনের তিনি অন্যতম সংগঠক ও অভ্যর্থনা কমিটির সভাপতি ছিলেন।
সারাজীবন মেহনতি মানুষের পক্ষে বৈষম্যবিরোধী রাজনীতি করে গেছেন। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের সময় প্রবাসী সরকারের অন্যতম উপদেষ্টা ছিলেন। নতুন প্রজন্মের কাছে এই মহান নেতার জীবনী তুলে ধরতে সকলকে এগিয়ে আসতে হবে। ১৯৯০ খ্রিষ্টাব্দের আজকের এই দিনে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

শনিবার (২০ জুন) সকালে উপজেলার টেলকি জলই এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে । নিহতরা হলেন জলই গ্রামের বাবুল হাদিমা (৪৮), তার ১০ বছর বয়সী ছেলে নেইমার ম্রং, রতন নকরেক (২৪) ও গাবরিয়েল নকরেক (৩২)। তারা সবাই ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সম্প্রদায়ের সদস্য।
১১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে ওই চারজন আন্তর্জাতিক সীমান্ত পিলার ১৫ ও ১৬-এর মধ্যবর্তী এলাকায় নো-ম্যানস ল্যান্ডে অবস্থান করছেন। তাদের মধ্যে একজন পুরুষ ও তিনজন নারী রয়েছেন বলে জানা গেছে। তবে এখন পর্যন্ত তাদের পরিচয় বা জাতীয়তা সম্পর্কে কোনো ধারণা পাওয়া যায়নি।
১ দিন আগে
স্থানীয়রা বলছেন, রৌমারীর গয়টাপাড়া সীমান্তে ছয়জন ও ইজলামারী ভন্দুরচর সীমান্তে তিনজনকে বুধবার (১৭ জুন) রাত পর্যন্ত অবস্থান করতে দেখা গেছে। তবে বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সকাল থেকে দুই শিশুসহ চারজনকে আর সেখানে দেখা যায়নি।
২ দিন আগে
সুনামগঞ্জে প্রায় এক হাজার পিস ইয়াবাসহ ‘জুলাই যোদ্ধা’ পরিচয় দেওয়া নাজমুল হাসান হিমেল নামে এক তরুণকে আটক করে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছেন স্থানীয়রা। পরে পুলিশ তাকে মাদক মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছে। তাহিরপুর উপজেলার সীমান্তবর্তী গ্রাম পুরান লাউড়েরগড়ে এ ঘটনা ঘটে।
২ দিন আগে