
নান্দাইল (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি

ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার এক সোয়েটার কারখানার সহকারী ব্যবস্থাপকের (এএম) বিরুদ্ধে নারী শ্রমিকদের যৌন নিপীড়নের অভিযোগ পাওয়া গেছে। নিপীড়নের ঘটনায় এক নারী কর্মী চাকরি ছেড়ে চলে গেলেও কর্তৃপক্ষ অভিযুক্ত সহকারী ব্যবস্থাপকের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেননি বলে শ্রমিকদের অভিযোগ।
অভিযুক্ত ব্যবস্থাপকের প্রত্যাহার চেয়ে আজ রোববার প্রায় ঘণ্টাব্যাপী কয়েকশ শ্রমিক ওই কারখানার ভেতরে ও বাইরে শ্রমিকরা বিক্ষোভ করেন। খবর পেয়ে থানা-পুলিশ ওই কারখানায় গিয়ে অভিযুক্তকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে। পুলিশি তৎপরতার কারণে শ্রমিকদের বিক্ষোভ নিয়ন্ত্রণের বাইরে যেতে পারেনি।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, কারখানাটি নাম ম্যাজিক সোয়েটার লিমিটেড। এটি নান্দাইল উপজেলার নান্দাইল-কেন্দুয়া সড়কের বাঁশহাটি গ্রামে অবস্থিত। কারখানার মালিকপক্ষ চাইনিজ বলে শ্রমিকরা জানিয়েছেন। তাঁরা তেমন একটা বাইরে বের হন না।
ওই কারখানায় প্রায় আড়াইবছর ধরে সহকারী ব্যবস্থাপক পদে চাকরি করেন মো. রেজাউল ইসলাম। তিনি ঝালকাটি জেলার রাজাপুর উপজেলার নৈকাটি গ্রামের বাসিন্দা।
শ্রমিকরা জানান, এক নারী কর্মীকে রেজাউল ইসলামের শয়নকক্ষে অপ্রীতিকর অবস্থায় দেখতে পান কয়েকজন শ্রমিক। এ নিয়ে কারখানায় তোলপাড় শুরু হলে ওই নারী কর্মী চাকরি থেকে ইস্তফা দিয়ে চলে যান। এ ঘটনার পর কারখানার আরও কয়েকজন নারী শ্রমিক নিপীড়নের অভিযোগ তুলেন। পরে এ নিয়ে শ্রমিক অসন্তোষ দেখা দেয়। পরে এসব অভিযোগ কারখানার ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের (চাইনিজ মালিকপক্ষ) দৃষ্টিগোচর হওয়ার পর সহকারী ব্যবস্থাপককে সরিয়ে দেওয়া হবে বলে শ্রমিকদের আশ্বাস দেওয়া হয়। কিন্তু সহকারী ব্যবস্থাপক অভিযোগ ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা চালালে কারখানার শ্রমিকরা বিক্ষুদ্ধ হয়ে পড়েন।
নাম ও পরিচয় প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন নারী শ্রমিক বলেন, আমরা এখানে চাকরি করতে এসেছি সম্মান হারাতে নয়। অভিযুক্ত ব্যক্তি কারখানার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা। তাই তার বিরুদ্ধে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া না হলে শ্রমিক অসন্তোষ দেখা দিতে পারে।
কারখানার প্রোডাকশান ম্যানেজার মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, বিষয়টি খুবই স্পর্শকাতর। তাই তিনি এ বিষয়ে মন্তব্য করতে রাজি হননি।
অভিযুক্ত সহকারী ব্যবস্থাপক মো. রেজাউল ইসলাম বলেন, ব্যবস্থাপকের অনুপস্থিতিতে তিনি দায়িত্ব পালন করছেন। শ্রমিকদের উপস্থিতি বা অনুপস্থিতি তিনি পুঙ্খানুপঙ্খভাবে দেখে থাকেন। এ ছাড়া পান-সিগারেট ও মোবাইল ফোন কারখানার ভেতরে আনতে দেন না। তাই শ্রমিকরা তাঁর ওপর কিছুটা ক্ষুদ্ধ হয়ে এ ধরনের মিথ্যা অভিযোগ করছেন। তাছাড়া যে নারী কর্মীকে নিয়ে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলা হচ্ছে তিনি তো সজ্ঞানে চাকরি থেকে ইস্তফা দিয়ে চলে গেছেন। তার বিরুদ্ধে নারী নিপীড়নের অভিযোগটি ঠিক নয়।
নান্দাইল মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সম্রাজ মিয়া বলেন, কারখানা কতৃপক্ষ সহকারী ব্যবস্থাপকের বিরুদ্ধে অভিযোগের বিষয়টি সম্পর্কে অবগত রয়েছে। তারা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন বলে জানিয়েছেন। তবে নিপীড়নের বিষয়ে পুলিশের কাছে কেউ অভিযোগ করেননি। যাকে নিপীড়ন করা নিয়ে শ্রমিকরা বিক্ষোভ করছেন সেই নারী কর্মীর সঙ্গে পুলিশ কথা বলেছে। তিনি এ বিষয়ে কোনো কথা বলতে চাননি। তিনি চাকরি ছেড়ে দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন।

ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার এক সোয়েটার কারখানার সহকারী ব্যবস্থাপকের (এএম) বিরুদ্ধে নারী শ্রমিকদের যৌন নিপীড়নের অভিযোগ পাওয়া গেছে। নিপীড়নের ঘটনায় এক নারী কর্মী চাকরি ছেড়ে চলে গেলেও কর্তৃপক্ষ অভিযুক্ত সহকারী ব্যবস্থাপকের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেননি বলে শ্রমিকদের অভিযোগ।
অভিযুক্ত ব্যবস্থাপকের প্রত্যাহার চেয়ে আজ রোববার প্রায় ঘণ্টাব্যাপী কয়েকশ শ্রমিক ওই কারখানার ভেতরে ও বাইরে শ্রমিকরা বিক্ষোভ করেন। খবর পেয়ে থানা-পুলিশ ওই কারখানায় গিয়ে অভিযুক্তকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে। পুলিশি তৎপরতার কারণে শ্রমিকদের বিক্ষোভ নিয়ন্ত্রণের বাইরে যেতে পারেনি।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, কারখানাটি নাম ম্যাজিক সোয়েটার লিমিটেড। এটি নান্দাইল উপজেলার নান্দাইল-কেন্দুয়া সড়কের বাঁশহাটি গ্রামে অবস্থিত। কারখানার মালিকপক্ষ চাইনিজ বলে শ্রমিকরা জানিয়েছেন। তাঁরা তেমন একটা বাইরে বের হন না।
ওই কারখানায় প্রায় আড়াইবছর ধরে সহকারী ব্যবস্থাপক পদে চাকরি করেন মো. রেজাউল ইসলাম। তিনি ঝালকাটি জেলার রাজাপুর উপজেলার নৈকাটি গ্রামের বাসিন্দা।
শ্রমিকরা জানান, এক নারী কর্মীকে রেজাউল ইসলামের শয়নকক্ষে অপ্রীতিকর অবস্থায় দেখতে পান কয়েকজন শ্রমিক। এ নিয়ে কারখানায় তোলপাড় শুরু হলে ওই নারী কর্মী চাকরি থেকে ইস্তফা দিয়ে চলে যান। এ ঘটনার পর কারখানার আরও কয়েকজন নারী শ্রমিক নিপীড়নের অভিযোগ তুলেন। পরে এ নিয়ে শ্রমিক অসন্তোষ দেখা দেয়। পরে এসব অভিযোগ কারখানার ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের (চাইনিজ মালিকপক্ষ) দৃষ্টিগোচর হওয়ার পর সহকারী ব্যবস্থাপককে সরিয়ে দেওয়া হবে বলে শ্রমিকদের আশ্বাস দেওয়া হয়। কিন্তু সহকারী ব্যবস্থাপক অভিযোগ ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা চালালে কারখানার শ্রমিকরা বিক্ষুদ্ধ হয়ে পড়েন।
নাম ও পরিচয় প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন নারী শ্রমিক বলেন, আমরা এখানে চাকরি করতে এসেছি সম্মান হারাতে নয়। অভিযুক্ত ব্যক্তি কারখানার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা। তাই তার বিরুদ্ধে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া না হলে শ্রমিক অসন্তোষ দেখা দিতে পারে।
কারখানার প্রোডাকশান ম্যানেজার মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, বিষয়টি খুবই স্পর্শকাতর। তাই তিনি এ বিষয়ে মন্তব্য করতে রাজি হননি।
অভিযুক্ত সহকারী ব্যবস্থাপক মো. রেজাউল ইসলাম বলেন, ব্যবস্থাপকের অনুপস্থিতিতে তিনি দায়িত্ব পালন করছেন। শ্রমিকদের উপস্থিতি বা অনুপস্থিতি তিনি পুঙ্খানুপঙ্খভাবে দেখে থাকেন। এ ছাড়া পান-সিগারেট ও মোবাইল ফোন কারখানার ভেতরে আনতে দেন না। তাই শ্রমিকরা তাঁর ওপর কিছুটা ক্ষুদ্ধ হয়ে এ ধরনের মিথ্যা অভিযোগ করছেন। তাছাড়া যে নারী কর্মীকে নিয়ে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলা হচ্ছে তিনি তো সজ্ঞানে চাকরি থেকে ইস্তফা দিয়ে চলে গেছেন। তার বিরুদ্ধে নারী নিপীড়নের অভিযোগটি ঠিক নয়।
নান্দাইল মডেল থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সম্রাজ মিয়া বলেন, কারখানা কতৃপক্ষ সহকারী ব্যবস্থাপকের বিরুদ্ধে অভিযোগের বিষয়টি সম্পর্কে অবগত রয়েছে। তারা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন বলে জানিয়েছেন। তবে নিপীড়নের বিষয়ে পুলিশের কাছে কেউ অভিযোগ করেননি। যাকে নিপীড়ন করা নিয়ে শ্রমিকরা বিক্ষোভ করছেন সেই নারী কর্মীর সঙ্গে পুলিশ কথা বলেছে। তিনি এ বিষয়ে কোনো কথা বলতে চাননি। তিনি চাকরি ছেড়ে দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন।

বিজিবি জানায়, শুক্রবার গভীর রাতে চৌকা সীমান্ত দিয়ে ২০ জনকে বাংলাদেশে প্রবেশ করানোর চেষ্টা করা হয়। তাদের মধ্যে ১১ জন পুরুষ, পাঁচজন নারী ও চারজন শিশু রয়েছে।
১ দিন আগে
শনিবার (২০ জুন) সকালে উপজেলার টেলকি জলই এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে । নিহতরা হলেন জলই গ্রামের বাবুল হাদিমা (৪৮), তার ১০ বছর বয়সী ছেলে নেইমার ম্রং, রতন নকরেক (২৪) ও গাবরিয়েল নকরেক (৩২)। তারা সবাই ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সম্প্রদায়ের সদস্য।
১ দিন আগে
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে ওই চারজন আন্তর্জাতিক সীমান্ত পিলার ১৫ ও ১৬-এর মধ্যবর্তী এলাকায় নো-ম্যানস ল্যান্ডে অবস্থান করছেন। তাদের মধ্যে একজন পুরুষ ও তিনজন নারী রয়েছেন বলে জানা গেছে। তবে এখন পর্যন্ত তাদের পরিচয় বা জাতীয়তা সম্পর্কে কোনো ধারণা পাওয়া যায়নি।
২ দিন আগে
স্থানীয়রা বলছেন, রৌমারীর গয়টাপাড়া সীমান্তে ছয়জন ও ইজলামারী ভন্দুরচর সীমান্তে তিনজনকে বুধবার (১৭ জুন) রাত পর্যন্ত অবস্থান করতে দেখা গেছে। তবে বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সকাল থেকে দুই শিশুসহ চারজনকে আর সেখানে দেখা যায়নি।
৩ দিন আগে