
রাজশাহী ব্যুরো

বিএনপি ক্ষমতায় গেলে পদ্মা নদীর ওপর উজানে ভারত নির্মিত ফারাক্কা ব্যারেজের বিপরীতে পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণ করবে বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। পাশাপাশি উত্তরাঞ্চলের দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে থাকা গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়নেরও প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তিনি।
তারেক রহমান বলেন, পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণ সম্ভব হলে রাজশাহী, নাটোর ও চাঁপাইনবাবগঞ্জসহ পুরো উত্তরাঞ্চলের মানুষের জীবন ও জীবিকা বদলে যাবে। কৃষি উৎপাদন বাড়বে, কর্মসংস্থান তৈরি হবে এবং অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।
বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) রাজশাহীর ঐতিহাসিক মাদরাসা ময়দানে আয়োজিত বিশাল নির্বাচনি জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। দীর্ঘ ২২ বছর পর তার রাজশাহী আগমন ঘিরে সকাল থেকেই মাদরাসা ময়দান ও আশপাশের এলাকা পরিণত হয় জনসমুদ্রে।
তারেক রহমান বলেন, উত্তরাঞ্চলের কৃষি ও সেচব্যবস্থাকে শক্তিশালী করতে শহিদ জিয়ার খাল খনন কর্মসূচি পুনরায় চালু করা হবে এবং বরেন্দ্র প্রকল্পকে আরও কার্যকর করা হবে। কৃষি উৎপাদন বাড়লে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম স্বাভাবিকভাবেই কমবে। এতে কৃষক যেমন লাভবান হবেন, তেমনি সাধারণ মানুষও উপকৃত হবে।
আম উৎপাদনে রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জের গুরুত্ব তুলে ধরে বিএনপির চেয়ারম্যান বলেন, এ অঞ্চলে আম সংরক্ষণের জন্য আধুনিক হিমাগারের অভাব রয়েছে। সরকার গঠন করলে আম সংরক্ষণের জন্য বিশেষ হিমাগার নির্মাণ করা হবে, যেন কৃষকরা ন্যায্যমূল্য পান এবং অপচয় কমে।
রাজশাহীর ‘শিক্ষানগরী’ পরিচয়ের কথা উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, আইটি পার্ক আছে, কিন্তু কাজ নেই। আইটি পার্ককে কার্যকর করে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে তরুণ ও উচ্চশিক্ষিতদের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করা হবে।
পাশাপাশি নারী ও পুরুষ উভয়ের জন্য ভোকেশনাল ইনস্টিটিউট স্থাপন করে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ শ্রমশক্তি গড়ে তোলার পরিকল্পনার কথাও জানান তারেক রহমান। এসব প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দেশের ভেতরে ও বিদেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
নারী উন্নয়ন প্রসঙ্গে বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার সময়ে মেয়েদের শিক্ষা বিনামূল্যে চালু হওয়ায় দেশে নারী শিক্ষার হার উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। তবে শুধু শিক্ষা নয়, নারীদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করাও জরুরি। এ জন্য প্রত্যেক মায়ের হাতে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ পৌঁছে দেওয়ার ঘোষণা দেন তিনি। এই কার্ডের মাধ্যমে দল-মত নির্বিশেষে ন্যূনতম রাষ্ট্রীয় সহায়তা নিশ্চিত করা হবে বলেও জানান।
কৃষকদের জন্য ‘কৃষক কার্ড’ চালুর ঘোষণা দিয়ে তারেক রহমান বলেন, এই কার্ডের মাধ্যমে কৃষকরা সহজে ব্যাংক ঋণ, সার, বীজ ও কীটনাশক পাবেন। এ ছাড়া সরকার গঠন করলে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ সুদসহ মওকুফ করা হবে বলেও ঘোষণা দেন তিনি।
স্বাস্থ্য খাতে রাজশাহীতে একটি বিশেষায়িত হাসপাতাল নির্মাণের পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন তারেক রহমান। বলেন, প্রতি বছর এ অঞ্চল থেকে বহু মানুষ চিকিৎসার জন্য বিদেশে যান। এতে বিপুল বৈদেশিক মুদ্রা বাইরে চলে যায়। দেশে মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করতে পারলে এই অর্থ দেশেই রাখা সম্ভব হবে।
বিগত ১৬-১৭ বছরের রাজনৈতিক পরিস্থিতির সমালোচনা করে বিএনপির চেয়ারম্যান বলেন, দীর্ঘ সময় ধরে মানুষের ভোটাধিকার ও বাকস্বাধীনতা হরণ করা হয়েছে। তিনি বলেন, গণতন্ত্র ছাড়া জনগণের উন্নয়ন সম্ভব নয়। জনগণের প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে হলে গণতন্ত্রের ভিত্তি মজবুত করতে হবে। তিনি সব ধর্ম ও সম্প্রদায়ের মানুষের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের আহ্বান জানিয়ে বলেন, বাংলাদেশি পরিচয়ই সবার বড় পরিচয়।
এর আগে দুপুর ২টার দিকে লাল রঙের বুলেটপ্রুফ গাড়িবহর নিয়ে জনসভাস্থলে প্রবেশ করেন তারেক রহমান। এ সময় স্লোগান ও করতালিতে মুখর হয়ে ওঠে পুরো মাঠ। মঞ্চে উঠে তিনি হাত নেড়ে উপস্থিত নেতাকর্মী ও সমর্থকদের শুভেচ্ছা জানান।
দুপুর ১২টা ১৮ মিনিটে ঢাকার একটি বিশেষ ফ্লাইটে করে রাজশাহীর হজরত শাহ মখদুম বিমানবন্দরে অবতরণ করেন। তার সঙ্গে ছিলেন স্ত্রী ডা. জোবাইদা রহমান। বিমানবন্দর থেকে সড়কপথে শহরের উদ্দেশে রওনা হয়ে দুপুর দেড়টার দিকে তিনি হজরত শাহ মখদুম (রহ.)-এর মাজার জিয়ারত করেন এবং দেশ ও জাতির শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনায় মোনাজাতে অংশ নেন।
তারেক রহমান রাজশাহীতে পৌঁছানোর আগেই সকাল সাড়ে ১০টায় কোরআন তেলাওয়াতের মধ্য দিয়ে জনসভার আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয়। রাজশাহী মহানগর ও জেলার বিভিন্ন থানা-উপজেলা ছাড়াও চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও নাটোর জেলার নানা এলাকা থেকে খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে নেতাকর্মীরা সমাবেশস্থলে জড়ো হন। বিপুল জনসমাগমে মাদরাসা ময়দান কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যায় এবং আশপাশের সড়কে যান চলাচল সীমিত হয়ে পড়ে।
জনসভা ঘিরে কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থা নিয়েছে পুলিশ, র্যাব ও বিজিবি। গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশপথে ডগ স্কোয়াড দিয়ে তল্লাশি চালানো হয় এবং আকাশে ড্রোন উড়িয়ে সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হয়।
জনসভা শেষে বিকেল সাড়ে ৫টায় নওগাঁর এটিএম মাঠে এবং সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় বগুড়ার আলতাফুন্নেসা খেলার মাঠে নির্বাচনি জনসভায় বক্তব্য দেওয়ার কথা রয়েছে তারেক রহমানের। তিনি রাত্রিযাপন করবেন বগুড়ার হোটেল নাজ গার্ডেনে।

বিএনপি ক্ষমতায় গেলে পদ্মা নদীর ওপর উজানে ভারত নির্মিত ফারাক্কা ব্যারেজের বিপরীতে পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণ করবে বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। পাশাপাশি উত্তরাঞ্চলের দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে থাকা গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়নেরও প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তিনি।
তারেক রহমান বলেন, পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণ সম্ভব হলে রাজশাহী, নাটোর ও চাঁপাইনবাবগঞ্জসহ পুরো উত্তরাঞ্চলের মানুষের জীবন ও জীবিকা বদলে যাবে। কৃষি উৎপাদন বাড়বে, কর্মসংস্থান তৈরি হবে এবং অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।
বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) রাজশাহীর ঐতিহাসিক মাদরাসা ময়দানে আয়োজিত বিশাল নির্বাচনি জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। দীর্ঘ ২২ বছর পর তার রাজশাহী আগমন ঘিরে সকাল থেকেই মাদরাসা ময়দান ও আশপাশের এলাকা পরিণত হয় জনসমুদ্রে।
তারেক রহমান বলেন, উত্তরাঞ্চলের কৃষি ও সেচব্যবস্থাকে শক্তিশালী করতে শহিদ জিয়ার খাল খনন কর্মসূচি পুনরায় চালু করা হবে এবং বরেন্দ্র প্রকল্পকে আরও কার্যকর করা হবে। কৃষি উৎপাদন বাড়লে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম স্বাভাবিকভাবেই কমবে। এতে কৃষক যেমন লাভবান হবেন, তেমনি সাধারণ মানুষও উপকৃত হবে।
আম উৎপাদনে রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জের গুরুত্ব তুলে ধরে বিএনপির চেয়ারম্যান বলেন, এ অঞ্চলে আম সংরক্ষণের জন্য আধুনিক হিমাগারের অভাব রয়েছে। সরকার গঠন করলে আম সংরক্ষণের জন্য বিশেষ হিমাগার নির্মাণ করা হবে, যেন কৃষকরা ন্যায্যমূল্য পান এবং অপচয় কমে।
রাজশাহীর ‘শিক্ষানগরী’ পরিচয়ের কথা উল্লেখ করে তারেক রহমান বলেন, আইটি পার্ক আছে, কিন্তু কাজ নেই। আইটি পার্ককে কার্যকর করে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে তরুণ ও উচ্চশিক্ষিতদের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করা হবে।
পাশাপাশি নারী ও পুরুষ উভয়ের জন্য ভোকেশনাল ইনস্টিটিউট স্থাপন করে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ শ্রমশক্তি গড়ে তোলার পরিকল্পনার কথাও জানান তারেক রহমান। এসব প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দেশের ভেতরে ও বিদেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
নারী উন্নয়ন প্রসঙ্গে বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার সময়ে মেয়েদের শিক্ষা বিনামূল্যে চালু হওয়ায় দেশে নারী শিক্ষার হার উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। তবে শুধু শিক্ষা নয়, নারীদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করাও জরুরি। এ জন্য প্রত্যেক মায়ের হাতে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ পৌঁছে দেওয়ার ঘোষণা দেন তিনি। এই কার্ডের মাধ্যমে দল-মত নির্বিশেষে ন্যূনতম রাষ্ট্রীয় সহায়তা নিশ্চিত করা হবে বলেও জানান।
কৃষকদের জন্য ‘কৃষক কার্ড’ চালুর ঘোষণা দিয়ে তারেক রহমান বলেন, এই কার্ডের মাধ্যমে কৃষকরা সহজে ব্যাংক ঋণ, সার, বীজ ও কীটনাশক পাবেন। এ ছাড়া সরকার গঠন করলে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ সুদসহ মওকুফ করা হবে বলেও ঘোষণা দেন তিনি।
স্বাস্থ্য খাতে রাজশাহীতে একটি বিশেষায়িত হাসপাতাল নির্মাণের পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন তারেক রহমান। বলেন, প্রতি বছর এ অঞ্চল থেকে বহু মানুষ চিকিৎসার জন্য বিদেশে যান। এতে বিপুল বৈদেশিক মুদ্রা বাইরে চলে যায়। দেশে মানসম্মত চিকিৎসা নিশ্চিত করতে পারলে এই অর্থ দেশেই রাখা সম্ভব হবে।
বিগত ১৬-১৭ বছরের রাজনৈতিক পরিস্থিতির সমালোচনা করে বিএনপির চেয়ারম্যান বলেন, দীর্ঘ সময় ধরে মানুষের ভোটাধিকার ও বাকস্বাধীনতা হরণ করা হয়েছে। তিনি বলেন, গণতন্ত্র ছাড়া জনগণের উন্নয়ন সম্ভব নয়। জনগণের প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে হলে গণতন্ত্রের ভিত্তি মজবুত করতে হবে। তিনি সব ধর্ম ও সম্প্রদায়ের মানুষের শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের আহ্বান জানিয়ে বলেন, বাংলাদেশি পরিচয়ই সবার বড় পরিচয়।
এর আগে দুপুর ২টার দিকে লাল রঙের বুলেটপ্রুফ গাড়িবহর নিয়ে জনসভাস্থলে প্রবেশ করেন তারেক রহমান। এ সময় স্লোগান ও করতালিতে মুখর হয়ে ওঠে পুরো মাঠ। মঞ্চে উঠে তিনি হাত নেড়ে উপস্থিত নেতাকর্মী ও সমর্থকদের শুভেচ্ছা জানান।
দুপুর ১২টা ১৮ মিনিটে ঢাকার একটি বিশেষ ফ্লাইটে করে রাজশাহীর হজরত শাহ মখদুম বিমানবন্দরে অবতরণ করেন। তার সঙ্গে ছিলেন স্ত্রী ডা. জোবাইদা রহমান। বিমানবন্দর থেকে সড়কপথে শহরের উদ্দেশে রওনা হয়ে দুপুর দেড়টার দিকে তিনি হজরত শাহ মখদুম (রহ.)-এর মাজার জিয়ারত করেন এবং দেশ ও জাতির শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনায় মোনাজাতে অংশ নেন।
তারেক রহমান রাজশাহীতে পৌঁছানোর আগেই সকাল সাড়ে ১০টায় কোরআন তেলাওয়াতের মধ্য দিয়ে জনসভার আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয়। রাজশাহী মহানগর ও জেলার বিভিন্ন থানা-উপজেলা ছাড়াও চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও নাটোর জেলার নানা এলাকা থেকে খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে নেতাকর্মীরা সমাবেশস্থলে জড়ো হন। বিপুল জনসমাগমে মাদরাসা ময়দান কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যায় এবং আশপাশের সড়কে যান চলাচল সীমিত হয়ে পড়ে।
জনসভা ঘিরে কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থা নিয়েছে পুলিশ, র্যাব ও বিজিবি। গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশপথে ডগ স্কোয়াড দিয়ে তল্লাশি চালানো হয় এবং আকাশে ড্রোন উড়িয়ে সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হয়।
জনসভা শেষে বিকেল সাড়ে ৫টায় নওগাঁর এটিএম মাঠে এবং সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় বগুড়ার আলতাফুন্নেসা খেলার মাঠে নির্বাচনি জনসভায় বক্তব্য দেওয়ার কথা রয়েছে তারেক রহমানের। তিনি রাত্রিযাপন করবেন বগুড়ার হোটেল নাজ গার্ডেনে।

শনিবার (২০ জুন) সকালে উপজেলার টেলকি জলই এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে । নিহতরা হলেন জলই গ্রামের বাবুল হাদিমা (৪৮), তার ১০ বছর বয়সী ছেলে নেইমার ম্রং, রতন নকরেক (২৪) ও গাবরিয়েল নকরেক (৩২)। তারা সবাই ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সম্প্রদায়ের সদস্য।
১৭ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে ওই চারজন আন্তর্জাতিক সীমান্ত পিলার ১৫ ও ১৬-এর মধ্যবর্তী এলাকায় নো-ম্যানস ল্যান্ডে অবস্থান করছেন। তাদের মধ্যে একজন পুরুষ ও তিনজন নারী রয়েছেন বলে জানা গেছে। তবে এখন পর্যন্ত তাদের পরিচয় বা জাতীয়তা সম্পর্কে কোনো ধারণা পাওয়া যায়নি।
২ দিন আগে
স্থানীয়রা বলছেন, রৌমারীর গয়টাপাড়া সীমান্তে ছয়জন ও ইজলামারী ভন্দুরচর সীমান্তে তিনজনকে বুধবার (১৭ জুন) রাত পর্যন্ত অবস্থান করতে দেখা গেছে। তবে বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সকাল থেকে দুই শিশুসহ চারজনকে আর সেখানে দেখা যায়নি।
২ দিন আগে
সুনামগঞ্জে প্রায় এক হাজার পিস ইয়াবাসহ ‘জুলাই যোদ্ধা’ পরিচয় দেওয়া নাজমুল হাসান হিমেল নামে এক তরুণকে আটক করে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছেন স্থানীয়রা। পরে পুলিশ তাকে মাদক মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছে। তাহিরপুর উপজেলার সীমান্তবর্তী গ্রাম পুরান লাউড়েরগড়ে এ ঘটনা ঘটে।
২ দিন আগে