রাজশাহীর দুই উপজেলায় ঈদ উদযাপিত

সৌদি আরবে পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপিত হচ্ছে আজ রোববার। সৌদির সঙ্গে মিল রেখে আজ রাজশাহীর পুঠিয়া ও চারঘাট উপজেলার কয়েকটি পরিবারে পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপিত হয়েছে। সকাল সাড়ে ৮টায় পৃথক জামায়াতে ঈদের নামাজ আদায় করেন তারা।
জানা যায়, রোববার পুঠিয়া উপজেলার কৃষ্ণপুর মুসলিম জামে মসজিদে ঈদুল ফিতরের নামাজের ইমামতি করেন স্থানীয় মসজিদের ইমাম আব্দুর রহিম গাজী। নামাজে মোট ১৯ জন মুসল্লি উপস্থিত ছিলেন। এদের মধ্যে পুরুষ মুসল্লি ১৬ জন এবং মহিলা মুসল্লি ৩ জন।
এদিকে চারঘাট উপজেলার সাদিপুর গ্রামে একটি পতিত জমিতে ঈদের নামাজ অনুষ্ঠিত হয়েছে। নামাজে ইমামতি করেন আবু হানিফ। নামাজে ১৫ থেকে ২০ জন মুসল্লি অংশ নেন।
নামাজ আদায়কারী একাধিক ব্যক্তি জানান, সৌদি আরবের সাথে মিল রেখে ঈদ উদযাপন করছেন তারা। তবে একদিন আগেই ঈদ উদযাপন করলেও আনন্দে কমতি ছিল না। সবাই আনন্দ ভাগাভাগি করে ঈদ উদযাপন করছেন।
পুঠিয়ার কৃষ্ণপুর মুসলিম জামে মসজিদের ঈদ জামাতের ইমাম আব্দুর রহিম গাজী বলেন, মানুষ মনে করে সৌদি আরবে ঈদ হচ্ছে তাই আমাদের এই স্থানে ঈদ হচ্ছে। আসলে ব্যাপারটা তা না। চাঁদ শুধু বাংলাদেশ বা সৌদি আরবের জন্য উঠে না । চাঁদ উঠে সারা পৃথিবীর জন্য। যেদিন চাঁদ উঠে সেদিন থেকেই রমজান মাস শুরু হয়। পৃথিবীর পরিসীমা যেহেতু অনেক বড় তাই বিভিন্ন দেশ থেকে আমরা চাঁদ দেখতে পাই না। সেটা আমাদের ব্যর্থতা।
সৌদি আরব পৃথিবীর মূল কেন্দ্র সে কারণে সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে ঈদ পালন করা হয় একথা বলা হয়। আমরা ঈদ পালন করে আসছি ৮ থেকে ১০ বছর আগে থেকে। আগে মুসল্লি কম থাকায় আমরা নিজ বাড়িতেই নামাজ আদায় করতাম। বর্তমানে সংখ্যা বেশি হওয়ায় দুই তিন বছর থেকে কৃষ্ণপুর মুসলিম মসজিদে ঈদের নামাজ আদায় করা হয় বলেও জানান তিনি।