
নিজস্ব প্রতিবেদক

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১ (শিবগঞ্জ) আসনে জামায়াত প্রার্থী বিজয়ী হওয়ার পর তাকে ভোট দেওয়াকে কেন্দ্র করে প্রায় ৩১ বছরের দাম্পত্য জীবনের ইতি টেনেছেন এক স্বামী। তিন সন্তানের জননী তারাফুল বেগমকে (৪৮) ধর্মীয় রীতিতে মৌখিক তালাক দিয়েছেন স্বামী সইবুর রহমান (৫৬)।
গত শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) শিবগঞ্জ পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের শেখটোলা মহল্লায় এ ঘটনা ঘটে। বিষয়টি জানাজানি হলে দম্পতির পৃথক বক্তব্যের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে।
ভিডিও বার্তায় তারাফুল বেগম দাবি করেন, নিজের পছন্দের প্রার্থী ও প্রতীকে ভোট দেওয়ায় তাকে তালাক দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া তাদের মধ্যে অন্য কোনো পারিবারিক বিরোধ বা সাম্প্রতিক ঝগড়া ছিল না বলেও জানান তিনি। পূর্বেও তিনি দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ভোট দিয়েছেন উল্লেখ করে এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবি করেন এবং ভবিষ্যতে স্বাবলম্বী হওয়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
অন্যদিকে স্বামী সইবুর রহমান নিজেকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) কর্মী দাবি করে বলেন, দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের বিজয়ের পর শুক্রবার বাড়িতে উৎসব করার ঘটনায় তিনি ক্ষুব্ধ হন। মানসিকভাবে বিপর্যস্ত অবস্থায় রাগের মাথায় স্ত্রীকে তালাক দেন বলে জানান তিনি। পরে এ ঘটনাকে অন্যায় বলে মন্তব্য করেন।
স্থানীয় সূত্র জানায়, পরিবারটি দরিদ্র। দম্পতির দুই মেয়ের বিয়ে হয়েছে এবং তাদের নাতি-নাতনি রয়েছে। একমাত্র ছেলে বাবা-মায়ের সঙ্গেই থাকেন। বর্তমানে তারাফুল বেগম স্বামীর বাড়ির অদূরে ননদের বাড়িতে অবস্থান করছেন। তারাফুল বেগম আগে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন। তিনি শিবগঞ্জের পনেরশিয়া গ্রামের লোকমান আলীর মেয়ে।
তবে স্থানীয় আরেকটি সূত্রের দাবি, রাজনৈতিক উৎসব নয়— অসুস্থ নাতির জন্য দোয়া উপলক্ষ্যে কয়েকজন ফকিরকে খাবার দেওয়া হয়েছিল। এ নিয়ে ভুল বোঝাবুঝি থেকেই এ ঘটনা ঘটতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
উপজেলা বিএনপির সদস্যসচিব তসিকুল ইসলাম এবং উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি বাবুল ইসলাম ঘটনাটির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। জামায়াত নেতার ভাষ্য অনুযায়ী, রাগের মাথায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে এবং সামাজিকভাবে বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা চলছে।
এ বিষয়ে শিবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আশিক আহমেদ বলেন, ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেখেছেন। খোঁজ নিয়ে সত্যতা পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
শিবগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হুমায়ন কবির জানান, লোকমুখে ঘটনা শুনেছেন। এটি পারিবারিক বিষয় বলে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এ পর্যন্ত কেউ লিখিত অভিযোগ করেননি।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১ (শিবগঞ্জ) আসনে জামায়াত প্রার্থী বিজয়ী হওয়ার পর তাকে ভোট দেওয়াকে কেন্দ্র করে প্রায় ৩১ বছরের দাম্পত্য জীবনের ইতি টেনেছেন এক স্বামী। তিন সন্তানের জননী তারাফুল বেগমকে (৪৮) ধর্মীয় রীতিতে মৌখিক তালাক দিয়েছেন স্বামী সইবুর রহমান (৫৬)।
গত শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) শিবগঞ্জ পৌরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের শেখটোলা মহল্লায় এ ঘটনা ঘটে। বিষয়টি জানাজানি হলে দম্পতির পৃথক বক্তব্যের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে।
ভিডিও বার্তায় তারাফুল বেগম দাবি করেন, নিজের পছন্দের প্রার্থী ও প্রতীকে ভোট দেওয়ায় তাকে তালাক দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া তাদের মধ্যে অন্য কোনো পারিবারিক বিরোধ বা সাম্প্রতিক ঝগড়া ছিল না বলেও জানান তিনি। পূর্বেও তিনি দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ভোট দিয়েছেন উল্লেখ করে এ ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবি করেন এবং ভবিষ্যতে স্বাবলম্বী হওয়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
অন্যদিকে স্বামী সইবুর রহমান নিজেকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) কর্মী দাবি করে বলেন, দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের বিজয়ের পর শুক্রবার বাড়িতে উৎসব করার ঘটনায় তিনি ক্ষুব্ধ হন। মানসিকভাবে বিপর্যস্ত অবস্থায় রাগের মাথায় স্ত্রীকে তালাক দেন বলে জানান তিনি। পরে এ ঘটনাকে অন্যায় বলে মন্তব্য করেন।
স্থানীয় সূত্র জানায়, পরিবারটি দরিদ্র। দম্পতির দুই মেয়ের বিয়ে হয়েছে এবং তাদের নাতি-নাতনি রয়েছে। একমাত্র ছেলে বাবা-মায়ের সঙ্গেই থাকেন। বর্তমানে তারাফুল বেগম স্বামীর বাড়ির অদূরে ননদের বাড়িতে অবস্থান করছেন। তারাফুল বেগম আগে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর রাজনীতিতে সক্রিয় ছিলেন। তিনি শিবগঞ্জের পনেরশিয়া গ্রামের লোকমান আলীর মেয়ে।
তবে স্থানীয় আরেকটি সূত্রের দাবি, রাজনৈতিক উৎসব নয়— অসুস্থ নাতির জন্য দোয়া উপলক্ষ্যে কয়েকজন ফকিরকে খাবার দেওয়া হয়েছিল। এ নিয়ে ভুল বোঝাবুঝি থেকেই এ ঘটনা ঘটতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
উপজেলা বিএনপির সদস্যসচিব তসিকুল ইসলাম এবং উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি বাবুল ইসলাম ঘটনাটির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। জামায়াত নেতার ভাষ্য অনুযায়ী, রাগের মাথায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে এবং সামাজিকভাবে বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা চলছে।
এ বিষয়ে শিবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আশিক আহমেদ বলেন, ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেখেছেন। খোঁজ নিয়ে সত্যতা পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
শিবগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হুমায়ন কবির জানান, লোকমুখে ঘটনা শুনেছেন। এটি পারিবারিক বিষয় বলে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এ পর্যন্ত কেউ লিখিত অভিযোগ করেননি।

নারায়ণগঞ্জের বন্দরে ইসলামী যুব আন্দোলনের নেতা বুলবুল আহমেদ হত্যার প্রতিবাদে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ করেছেন সংগঠনটির নেতা-কর্মীরা।
২১ ঘণ্টা আগে
গত ৩ আগস্ট রাতে ৪২ জন অভিবাসনপ্রত্যাশীকে নিয়ে একটি ইঞ্জিনচালিত নৌকা গ্রিসের উদ্দেশে লিবিয়ার তাবারুক উপকূল থেকে যাত্রা করে। জানা গেছে, নৌকায় থাকা ৪২ জনের মধ্যে ৩৮ জনই বাংলাদেশি।
১ দিন আগে
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) রাত সাড়ে ১১টার দিকে শহরের পশ্চিম মেড্ডা এলাকার পুলিশ লাইন্সের ভেতরে এ ঘটনা ঘটে। আহতদের ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালসহ বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
৩ দিন আগে
আহতদের মধ্যে রয়েছেন রায়পুরা সরকারি কলেজের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আমির হোসেন, উপজেলা যুবদল সদস্য রাসেল ভূইয়া, ছাত্রদল নেতা সাইফুল ইসলাম পলাশ, উপজেলা জিয়া মঞ্চের সাধারণ সম্পাদক দ্বীন ইসলাম ও উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ফরিদ উদ্দিন।
৩ দিন আগে