
রাজশাহী ব্যুরো

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে রাজশাহী বিভাগের ৫ হাজার ৫০৪টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ১ হাজার ৭৬৭টি কেন্দ্রকে গুরুত্বপূর্ণ (ঝুঁকিপূর্ণ) হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
আজ বুধবার দুপুরে নিজ কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার ড. আ.ন.ম. বজলুর রশীদ এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, বিভাগের ৩৯টি সংসদীয় আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ১ কোটি ৬৩ লাখ ৭৭ হাজার ৯৬ জন। নির্বাচনে দায়িত্ব পালনের জন্য ২১৮ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও ৩৯ জন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োজিত থাকবেন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় মোট ১ লাখ ৪ হাজার ৬৬ জন সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। এর মধ্যে সেনাবাহিনীর ১০ হাজার, বিজিবির ৪ হাজার ১২৩, রেঞ্জ পুলিশের ১৩ হাজার ৭৯৬, আরএমপির ২ হাজার ৪০৫, র্যাবের ১ হাজার ৬ এবং আনসারের ৭২ হাজার ৭৩৬ জন সদস্য রয়েছেন। প্রতি সংসদীয় আসনে গড়ে ২ হাজার ৬৬৮ জন সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন।
বিভাগীয় কমিশনার জানান, কোনো ভোটকেন্দ্রে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটলে পাঁচ মিনিটের মধ্যে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী উপস্থিত হবে। যদিও প্রযুক্তির মাধ্যমে পর্যবেক্ষণ ও কৌশলগত মোতায়েনের কারণে অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটার সম্ভাবনা কম বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
তিনি আরও জানান, ভোটকেন্দ্রের স্বচ্ছতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ৫ হাজার ২৬৬টি কেন্দ্রে সিসিটিভি এবং ২ হাজার ৩১৮টি বডি-ওর্ন ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে।
ড. বজলুর রশীদ বলেন, নির্বাচন হবে নির্বিঘ্ন ও শান্তিপূর্ণ। দায়িত্বপ্রাপ্তরা নিরপেক্ষভাবে কাজ করবেন। কোনো পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তিনি সতর্ক করে বলেন, প্রার্থী বা কর্মী—যেই হোক না কেন, আচরণবিধি লঙ্ঘন করলে সর্বোচ্চ আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ভোটগ্রহণে বিঘ্ন ঘটানোর যে কোনো অপচেষ্টা কঠোরভাবে দমন করা হবে।
সংবাদ সম্মেলনে বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে একটি মিডিয়া সেল গঠনের কথাও জানানো হয়। জেলা ও উপজেলা পর্যায় থেকে তথ্য সংগ্রহ করে পিআইডির মাধ্যমে সাংবাদিকদের সরবরাহ করা হবে। গুজব প্রতিরোধে সাংবাদিকদের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি। একই সঙ্গে অপতথ্য প্রচারের বিরুদ্ধে প্রকৃত সাংবাদিকদের সোচ্চার থাকার আহ্বান জানান।
সংবাদ সম্মেলনে রাজশাহী রেঞ্জের অতিরিক্ত উপ-মহাপুলিশ পরিদর্শক খন্দকার মো. শামীম হোসেন, আরএমপির অতিরিক্ত কমিশনার মো. ফারুক হোসেন, বিভাগীয় এনএসআইয়ের অতিরিক্ত পরিচালক মো. ইসমাইল হোসেন, আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মো. আনিছুর রহমান এবং অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার মোহাম্মদ হাবিবুর রহমানসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে সামনে রেখে রাজশাহী বিভাগের ৫ হাজার ৫০৪টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ১ হাজার ৭৬৭টি কেন্দ্রকে গুরুত্বপূর্ণ (ঝুঁকিপূর্ণ) হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
আজ বুধবার দুপুরে নিজ কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার ড. আ.ন.ম. বজলুর রশীদ এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, বিভাগের ৩৯টি সংসদীয় আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ১ কোটি ৬৩ লাখ ৭৭ হাজার ৯৬ জন। নির্বাচনে দায়িত্ব পালনের জন্য ২১৮ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও ৩৯ জন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োজিত থাকবেন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় মোট ১ লাখ ৪ হাজার ৬৬ জন সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। এর মধ্যে সেনাবাহিনীর ১০ হাজার, বিজিবির ৪ হাজার ১২৩, রেঞ্জ পুলিশের ১৩ হাজার ৭৯৬, আরএমপির ২ হাজার ৪০৫, র্যাবের ১ হাজার ৬ এবং আনসারের ৭২ হাজার ৭৩৬ জন সদস্য রয়েছেন। প্রতি সংসদীয় আসনে গড়ে ২ হাজার ৬৬৮ জন সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন।
বিভাগীয় কমিশনার জানান, কোনো ভোটকেন্দ্রে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটলে পাঁচ মিনিটের মধ্যে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী উপস্থিত হবে। যদিও প্রযুক্তির মাধ্যমে পর্যবেক্ষণ ও কৌশলগত মোতায়েনের কারণে অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটার সম্ভাবনা কম বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
তিনি আরও জানান, ভোটকেন্দ্রের স্বচ্ছতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ৫ হাজার ২৬৬টি কেন্দ্রে সিসিটিভি এবং ২ হাজার ৩১৮টি বডি-ওর্ন ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে।
ড. বজলুর রশীদ বলেন, নির্বাচন হবে নির্বিঘ্ন ও শান্তিপূর্ণ। দায়িত্বপ্রাপ্তরা নিরপেক্ষভাবে কাজ করবেন। কোনো পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তিনি সতর্ক করে বলেন, প্রার্থী বা কর্মী—যেই হোক না কেন, আচরণবিধি লঙ্ঘন করলে সর্বোচ্চ আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ভোটগ্রহণে বিঘ্ন ঘটানোর যে কোনো অপচেষ্টা কঠোরভাবে দমন করা হবে।
সংবাদ সম্মেলনে বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে একটি মিডিয়া সেল গঠনের কথাও জানানো হয়। জেলা ও উপজেলা পর্যায় থেকে তথ্য সংগ্রহ করে পিআইডির মাধ্যমে সাংবাদিকদের সরবরাহ করা হবে। গুজব প্রতিরোধে সাংবাদিকদের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি। একই সঙ্গে অপতথ্য প্রচারের বিরুদ্ধে প্রকৃত সাংবাদিকদের সোচ্চার থাকার আহ্বান জানান।
সংবাদ সম্মেলনে রাজশাহী রেঞ্জের অতিরিক্ত উপ-মহাপুলিশ পরিদর্শক খন্দকার মো. শামীম হোসেন, আরএমপির অতিরিক্ত কমিশনার মো. ফারুক হোসেন, বিভাগীয় এনএসআইয়ের অতিরিক্ত পরিচালক মো. ইসমাইল হোসেন, আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মো. আনিছুর রহমান এবং অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার মোহাম্মদ হাবিবুর রহমানসহ বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

শনিবার (২০ জুন) সকালে উপজেলার টেলকি জলই এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে । নিহতরা হলেন জলই গ্রামের বাবুল হাদিমা (৪৮), তার ১০ বছর বয়সী ছেলে নেইমার ম্রং, রতন নকরেক (২৪) ও গাবরিয়েল নকরেক (৩২)। তারা সবাই ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সম্প্রদায়ের সদস্য।
১৭ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে ওই চারজন আন্তর্জাতিক সীমান্ত পিলার ১৫ ও ১৬-এর মধ্যবর্তী এলাকায় নো-ম্যানস ল্যান্ডে অবস্থান করছেন। তাদের মধ্যে একজন পুরুষ ও তিনজন নারী রয়েছেন বলে জানা গেছে। তবে এখন পর্যন্ত তাদের পরিচয় বা জাতীয়তা সম্পর্কে কোনো ধারণা পাওয়া যায়নি।
২ দিন আগে
স্থানীয়রা বলছেন, রৌমারীর গয়টাপাড়া সীমান্তে ছয়জন ও ইজলামারী ভন্দুরচর সীমান্তে তিনজনকে বুধবার (১৭ জুন) রাত পর্যন্ত অবস্থান করতে দেখা গেছে। তবে বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সকাল থেকে দুই শিশুসহ চারজনকে আর সেখানে দেখা যায়নি।
২ দিন আগে
সুনামগঞ্জে প্রায় এক হাজার পিস ইয়াবাসহ ‘জুলাই যোদ্ধা’ পরিচয় দেওয়া নাজমুল হাসান হিমেল নামে এক তরুণকে আটক করে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছেন স্থানীয়রা। পরে পুলিশ তাকে মাদক মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছে। তাহিরপুর উপজেলার সীমান্তবর্তী গ্রাম পুরান লাউড়েরগড়ে এ ঘটনা ঘটে।
২ দিন আগে