
রাজশাহী ব্যুরো

শীতকালীন প্রকৃতি ও লোকজ সংস্কৃতির আবহে রাজশাহী নিউ গভর্নমেন্ট ডিগ্রি কলেজ প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হয়েছে ব্যতিক্রমধর্মী আয়োজন ‘রোদ পোহানো উৎসব’। আজ মঙ্গলবার কলেজের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের উদ্যোগে দিনব্যাপী এই উৎসব অনুষ্ঠিত হয়।
উৎসবকে ঘিরে কলেজ মাঠে তৈরি হয় উৎসবমুখর পরিবেশ। শীতের মিঠে রোদ, খোলা মাঠ আর পিঠার সুবাসে মুখর হয়ে ওঠে পুরো প্রাঙ্গণ। শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে বসানো হয় বিভিন্ন পিঠার স্টল, যেখানে শীতের ঐতিহ্যবাহী নানান ধরনের পিঠা পরিবেশন করা হয়। পাশাপাশি কলেজ মাঠে সারি সারি চেয়ার বসিয়ে শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অতিথিদের রোদ পোহানোর ব্যবস্থা করা হয়।
আয়োজকরা জানান, উৎসবের মূল উদ্দেশ্য ছিল শীতকালকে ঘিরে ভিন্নধর্মী সাংস্কৃতিক আয়োজনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মানসিক প্রশান্তি ও সামাজিক বন্ধন জোরদার করা। প্রাণিবিদ্যা বিভাগের প্রফেসর ড. মো. সাইদুর রহমান বলেন, আমাদের দেশে বৈশাখ, বর্ষা কিংবা চৈত্র সংক্রান্তিকে ঘিরে নানা উৎসব থাকলেও শীত মৌসুমে পিঠা উৎসব ছাড়া তেমন আয়োজন দেখা যায় না। শীতের রোদ, প্রকৃতি আর আনন্দ—এই তিনটি বিষয়কে একসঙ্গে উপভোগ করতেই ‘রোদ পোহানো উৎসব’-এর আয়োজন করা হয়েছে।
উৎসবে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরাও এই উদ্যোগকে স্বাগত জানান। প্রাণিবিদ্যা বিভাগের শিক্ষার্থী মাইনুল ইসলাম তোহা বলেন, এ ধরনের আয়োজন সত্যিই ব্যতিক্রম। খোলা মাঠে পিঠার স্টল সাজিয়ে রোদ পোহানোর অভিজ্ঞতা আমাদের জন্য নতুন ও উপভোগ্য।
আরেক শিক্ষার্থী ওয়াহিদা মেঘলা জানান, পড়াশোনার একঘেয়েমি কাটিয়ে এ ধরনের উৎসব শিক্ষার্থীদের মানসিক সতেজতা বাড়ায়। তিনি বলেন, বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটানোর পাশাপাশি নতুন একটি অভিজ্ঞতা অর্জন করতে পেরে ভালো লাগছে।
শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে দিনব্যাপী এই উৎসব প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে। আয়োজকদের আশা, ভবিষ্যতেও এমন ব্যতিক্রমধর্মী আয়োজন শিক্ষাঙ্গনে শীতকালীন সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যচর্চায় নতুন মাত্রা যোগ করবে।

শীতকালীন প্রকৃতি ও লোকজ সংস্কৃতির আবহে রাজশাহী নিউ গভর্নমেন্ট ডিগ্রি কলেজ প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হয়েছে ব্যতিক্রমধর্মী আয়োজন ‘রোদ পোহানো উৎসব’। আজ মঙ্গলবার কলেজের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের উদ্যোগে দিনব্যাপী এই উৎসব অনুষ্ঠিত হয়।
উৎসবকে ঘিরে কলেজ মাঠে তৈরি হয় উৎসবমুখর পরিবেশ। শীতের মিঠে রোদ, খোলা মাঠ আর পিঠার সুবাসে মুখর হয়ে ওঠে পুরো প্রাঙ্গণ। শিক্ষার্থীদের উদ্যোগে বসানো হয় বিভিন্ন পিঠার স্টল, যেখানে শীতের ঐতিহ্যবাহী নানান ধরনের পিঠা পরিবেশন করা হয়। পাশাপাশি কলেজ মাঠে সারি সারি চেয়ার বসিয়ে শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অতিথিদের রোদ পোহানোর ব্যবস্থা করা হয়।
আয়োজকরা জানান, উৎসবের মূল উদ্দেশ্য ছিল শীতকালকে ঘিরে ভিন্নধর্মী সাংস্কৃতিক আয়োজনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মানসিক প্রশান্তি ও সামাজিক বন্ধন জোরদার করা। প্রাণিবিদ্যা বিভাগের প্রফেসর ড. মো. সাইদুর রহমান বলেন, আমাদের দেশে বৈশাখ, বর্ষা কিংবা চৈত্র সংক্রান্তিকে ঘিরে নানা উৎসব থাকলেও শীত মৌসুমে পিঠা উৎসব ছাড়া তেমন আয়োজন দেখা যায় না। শীতের রোদ, প্রকৃতি আর আনন্দ—এই তিনটি বিষয়কে একসঙ্গে উপভোগ করতেই ‘রোদ পোহানো উৎসব’-এর আয়োজন করা হয়েছে।
উৎসবে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরাও এই উদ্যোগকে স্বাগত জানান। প্রাণিবিদ্যা বিভাগের শিক্ষার্থী মাইনুল ইসলাম তোহা বলেন, এ ধরনের আয়োজন সত্যিই ব্যতিক্রম। খোলা মাঠে পিঠার স্টল সাজিয়ে রোদ পোহানোর অভিজ্ঞতা আমাদের জন্য নতুন ও উপভোগ্য।
আরেক শিক্ষার্থী ওয়াহিদা মেঘলা জানান, পড়াশোনার একঘেয়েমি কাটিয়ে এ ধরনের উৎসব শিক্ষার্থীদের মানসিক সতেজতা বাড়ায়। তিনি বলেন, বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটানোর পাশাপাশি নতুন একটি অভিজ্ঞতা অর্জন করতে পেরে ভালো লাগছে।
শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে দিনব্যাপী এই উৎসব প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে। আয়োজকদের আশা, ভবিষ্যতেও এমন ব্যতিক্রমধর্মী আয়োজন শিক্ষাঙ্গনে শীতকালীন সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যচর্চায় নতুন মাত্রা যোগ করবে।

শনিবার (২০ জুন) সকালে উপজেলার টেলকি জলই এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে । নিহতরা হলেন জলই গ্রামের বাবুল হাদিমা (৪৮), তার ১০ বছর বয়সী ছেলে নেইমার ম্রং, রতন নকরেক (২৪) ও গাবরিয়েল নকরেক (৩২)। তারা সবাই ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সম্প্রদায়ের সদস্য।
১৯ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে ওই চারজন আন্তর্জাতিক সীমান্ত পিলার ১৫ ও ১৬-এর মধ্যবর্তী এলাকায় নো-ম্যানস ল্যান্ডে অবস্থান করছেন। তাদের মধ্যে একজন পুরুষ ও তিনজন নারী রয়েছেন বলে জানা গেছে। তবে এখন পর্যন্ত তাদের পরিচয় বা জাতীয়তা সম্পর্কে কোনো ধারণা পাওয়া যায়নি।
২ দিন আগে
স্থানীয়রা বলছেন, রৌমারীর গয়টাপাড়া সীমান্তে ছয়জন ও ইজলামারী ভন্দুরচর সীমান্তে তিনজনকে বুধবার (১৭ জুন) রাত পর্যন্ত অবস্থান করতে দেখা গেছে। তবে বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সকাল থেকে দুই শিশুসহ চারজনকে আর সেখানে দেখা যায়নি।
২ দিন আগে
সুনামগঞ্জে প্রায় এক হাজার পিস ইয়াবাসহ ‘জুলাই যোদ্ধা’ পরিচয় দেওয়া নাজমুল হাসান হিমেল নামে এক তরুণকে আটক করে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছেন স্থানীয়রা। পরে পুলিশ তাকে মাদক মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছে। তাহিরপুর উপজেলার সীমান্তবর্তী গ্রাম পুরান লাউড়েরগড়ে এ ঘটনা ঘটে।
৩ দিন আগে