
চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি

চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর সীমান্ত দিয়ে নারী ও শিশুসহ ১৭ জন বাংলাদেশিকে পুশইন করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। পরে সীমান্তে অবৈধ অনুপ্রবেশের অভিযোগে তাদের আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
বুধবার (আজ) সকাল ৬টার দিকে গোমস্তাপুর উপজেলার চাড়ালডাঙ্গা সীমান্তের ২১৯/২৯-আর নম্বর সীমান্ত পিলারের কাছ দিয়ে তাদের বাংলাদেশে ঠেলে পাঠানো হয়। আটককৃতদের মধ্যে ৮ জন পুরুষ, ৫ জন নারী ও ৪ জন শিশু রয়েছে।
নওগাঁ ব্যাটালিয়ন (১৬ বিজিবি) এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ আরিফুল ইসলাম মাসুম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, চাড়ালডাঙ্গা বিওপির একটি টহল দল সীমান্ত পিলার এলাকা থেকে আনুমানিক তিন কিলোমিটার বাংলাদেশের অভ্যন্তরে শিবনগর বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করে।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, আটক সবাই বাংলাদেশের খুলনা ও যশোর জেলার বাসিন্দা। তারা গত পাঁচ থেকে ছয় বছর ধরে ভারতের আগ্রা জেলায় বসবাস করছিল। এক পর্যায়ে ভারতীয় পুলিশ তাদের আটক করে আগ্রা জেলা কারাগারে প্রায় তিন বছর কারাভোগ করায়।
কারাভোগ শেষে সম্প্রতি মুক্তি পেলে ভারতীয় পুলিশ তাদের বিএসএফের কাছে হস্তান্তর করে। পরে ১২ ব্যাটালিয়ন বিএসএফের অধীনস্থ টিলাশন বিএসএফ ক্যাম্পের সদস্যরা সীমান্ত পিলার ২১৯/২৯-আর এলাকা দিয়ে তাদের বাংলাদেশে পুশইন করে।
বিজিবি অধিনায়ক জানান, আটকদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য গোমস্তাপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
এ বিষয়ে গোমস্তাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল বারিক বলেন, বিজিবির মাধ্যমে হস্তান্তরকৃত ব্যক্তিদের নাম-পরিচয় যাচাই-বাছাইয়ের কাজ চলছে। যাচাই শেষে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর সীমান্ত দিয়ে নারী ও শিশুসহ ১৭ জন বাংলাদেশিকে পুশইন করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। পরে সীমান্তে অবৈধ অনুপ্রবেশের অভিযোগে তাদের আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
বুধবার (আজ) সকাল ৬টার দিকে গোমস্তাপুর উপজেলার চাড়ালডাঙ্গা সীমান্তের ২১৯/২৯-আর নম্বর সীমান্ত পিলারের কাছ দিয়ে তাদের বাংলাদেশে ঠেলে পাঠানো হয়। আটককৃতদের মধ্যে ৮ জন পুরুষ, ৫ জন নারী ও ৪ জন শিশু রয়েছে।
নওগাঁ ব্যাটালিয়ন (১৬ বিজিবি) এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ আরিফুল ইসলাম মাসুম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, চাড়ালডাঙ্গা বিওপির একটি টহল দল সীমান্ত পিলার এলাকা থেকে আনুমানিক তিন কিলোমিটার বাংলাদেশের অভ্যন্তরে শিবনগর বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করে।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, আটক সবাই বাংলাদেশের খুলনা ও যশোর জেলার বাসিন্দা। তারা গত পাঁচ থেকে ছয় বছর ধরে ভারতের আগ্রা জেলায় বসবাস করছিল। এক পর্যায়ে ভারতীয় পুলিশ তাদের আটক করে আগ্রা জেলা কারাগারে প্রায় তিন বছর কারাভোগ করায়।
কারাভোগ শেষে সম্প্রতি মুক্তি পেলে ভারতীয় পুলিশ তাদের বিএসএফের কাছে হস্তান্তর করে। পরে ১২ ব্যাটালিয়ন বিএসএফের অধীনস্থ টিলাশন বিএসএফ ক্যাম্পের সদস্যরা সীমান্ত পিলার ২১৯/২৯-আর এলাকা দিয়ে তাদের বাংলাদেশে পুশইন করে।
বিজিবি অধিনায়ক জানান, আটকদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য গোমস্তাপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
এ বিষয়ে গোমস্তাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল বারিক বলেন, বিজিবির মাধ্যমে হস্তান্তরকৃত ব্যক্তিদের নাম-পরিচয় যাচাই-বাছাইয়ের কাজ চলছে। যাচাই শেষে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শনিবার (২০ জুন) সকালে উপজেলার টেলকি জলই এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে । নিহতরা হলেন জলই গ্রামের বাবুল হাদিমা (৪৮), তার ১০ বছর বয়সী ছেলে নেইমার ম্রং, রতন নকরেক (২৪) ও গাবরিয়েল নকরেক (৩২)। তারা সবাই ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সম্প্রদায়ের সদস্য।
২১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে ওই চারজন আন্তর্জাতিক সীমান্ত পিলার ১৫ ও ১৬-এর মধ্যবর্তী এলাকায় নো-ম্যানস ল্যান্ডে অবস্থান করছেন। তাদের মধ্যে একজন পুরুষ ও তিনজন নারী রয়েছেন বলে জানা গেছে। তবে এখন পর্যন্ত তাদের পরিচয় বা জাতীয়তা সম্পর্কে কোনো ধারণা পাওয়া যায়নি।
২ দিন আগে
স্থানীয়রা বলছেন, রৌমারীর গয়টাপাড়া সীমান্তে ছয়জন ও ইজলামারী ভন্দুরচর সীমান্তে তিনজনকে বুধবার (১৭ জুন) রাত পর্যন্ত অবস্থান করতে দেখা গেছে। তবে বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সকাল থেকে দুই শিশুসহ চারজনকে আর সেখানে দেখা যায়নি।
৩ দিন আগে
সুনামগঞ্জে প্রায় এক হাজার পিস ইয়াবাসহ ‘জুলাই যোদ্ধা’ পরিচয় দেওয়া নাজমুল হাসান হিমেল নামে এক তরুণকে আটক করে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছেন স্থানীয়রা। পরে পুলিশ তাকে মাদক মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছে। তাহিরপুর উপজেলার সীমান্তবর্তী গ্রাম পুরান লাউড়েরগড়ে এ ঘটনা ঘটে।
৩ দিন আগে