কঠোর নিরাপত্তায় রূপপুর পৌঁছাল দ্বিতীয় ইউনিটের প্রথম ইউরেনিয়াম চালান
-547330-480x270.webp)
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিটের জন্য আনা ইউরেনিয়ামের প্রথম চালান এবং প্রথম ইউনিটের রিফুয়েলিংয়ের জ্বালানি সড়কপথে প্রকল্প এলাকায় পৌঁছেছে।
শনিবার (৩ অক্টোবর) দুপুর ১২টা ২০ মিনিটে কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে ইউরেনিয়াম বহনকারী বহরটি রূপপুর বিদ্যুৎকেন্দ্রে প্রবেশ করে।
পাবনার জেলা প্রশাসক আমিনুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, দ্বিতীয় ইউনিটের প্রথম ইউরেনিয়ামের চালান দুপুর ১২টা ২০ মিনিটের দিকে রূপপুরে পৌঁছায়। বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি), পুলিশ ও বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা বহরটির নিরাপত্তা নিশ্চিত করেন।
এর আগে শুক্রবার রাতে রাশিয়া থেকে ইউরেনিয়াম নিয়ে একটি বিশেষ কার্গো বিমান ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। শনিবার সকালে তিনটি বিশেষ লরির বহর কড়া নিরাপত্তায় ঢাকা থেকে রূপপুরের উদ্দেশে রওনা হয়।
প্রকল্প সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ইউরেনিয়ামের চালানটি ২৪ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশে পৌঁছানোর কথা ছিল। তবে ইউরেনিয়াম বহনকারী কার্গো বিমানকে পাকিস্তানের আকাশসীমা ব্যবহারের অনুমতি না দেওয়ায় নির্ধারিত সময়ে ফ্লাইটটি পরিচালনা করা সম্ভব হয়নি।
২০২৩ সালে রূপপুরের প্রথম ইউনিটের জন্য প্রথম দফায় জ্বালানি দেশে আনা হয়। চলতি বছরের মে মাসে সেই জ্বালানি পারমাণবিক চুল্লিতে স্থাপন করা হয়েছে। শিগগিরই প্রথম ইউনিটে উৎপাদিত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
রূপপুর বিদ্যুৎকেন্দ্রে ১ হাজার ২০০ মেগাওয়াট করে দুটি ইউনিট রয়েছে। অর্থাৎ কেন্দ্রটির মোট উৎপাদনক্ষমতা ২ হাজার ৪০০ মেগাওয়াট। ২০১৩ সালে রাশিয়ার সহযোগিতায় প্রকল্পটির নির্মাণকাজ শুরু হয়। এর নির্মাণ ব্যয় ধরা হয়েছে ১ লাখ ১৩ হাজার কোটি টাকার বেশি।

















-635c44-256x144.webp)