
রাবি প্রতিনিধি

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) তিন শিক্ষার্থীকে মারধরের ঘটনাকে কেন্দ্র করে তদন্তে নেমেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। রাকসুর জিএস সালাউদ্দিন আম্মার ও ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ খতিয়ে দেখতে পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। একই ঘটনায় জড়িতদের বিচারের দাবিতে সরব হয়েছে বিভিন্ন ছাত্রসংগঠন।
সোমবার রাতেই প্রাণরসায়ন ও অণুপ্রাণবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক মো. রেজাউল করিমকে আহ্বায়ক করে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। মঙ্গলবার সকালে কমিটির সদস্যরা কেন্দ্রীয় লাইব্রেরি ও রাকসু ভবন পরিদর্শন করে আলামত সংগ্রহ করেন।
পরিদর্শন শেষে অধ্যাপক রেজাউল করিম বলেন, লাইব্রেরির রিডিং রুম বন্ধ থাকায় দ্রুত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। তদন্তে পাওয়া সব ধরনের আলামত ও তথ্য বিবেচনায় নিয়েই প্রতিবেদন তৈরি করা হবে। নির্দিষ্ট সময়সীমা না থাকলেও দ্রুত প্রতিবেদন জমা দিতে প্রশাসনের নির্দেশ রয়েছে।
এদিকে ছাত্রদল, ছাত্র ফেডারেশন এবং বামপন্থী সংগঠনগুলোর জোট ‘গণতান্ত্রিক ছাত্রজোট’ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দায়ীদের শাস্তির দাবি জানিয়েছে। অন্যদিকে ক্যাম্পাসে সক্রিয় কয়েকটি ছাত্রসংগঠন এ ঘটনাকে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টা বলে মন্তব্য করেছে।
প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, সোমবার সকালে এক নারী শিক্ষার্থীকে হয়রানির অভিযোগ নিয়ে প্রক্টর দপ্তরে বৈঠক চলাকালে রাকসুর জিএস সালাউদ্দিন আম্মার ও এজিএস সালমান সাব্বির সেখানে উপস্থিত হন। পরে রোববার রাতে প্রক্টরের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগে শিক্ষার্থী আনাসকে ডেকে এনে তাঁর সঙ্গে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে চড়-থাপ্পড় মারেন এবং তাঁকে ‘ছাত্রলীগ কর্মী’ আখ্যা দিয়ে গ্রেপ্তারের দাবি জানান। তবে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ না থাকায় প্রক্টর আনাসকে ছেড়ে দেন।
এরপর আনাস কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে রাকসু কার্যালয়ে হামলা চালান বলে দাবি করেন জিএস সালাউদ্দিন আম্মার। তাঁর দাবি, পরে রাকসু ও ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীরা ধাওয়া দিলে আনাস ও তাঁর সঙ্গীরা কেন্দ্রীয় লাইব্রেরিতে আশ্রয় নেন।
অভিযোগ রয়েছে, সেখানে রাকসুর জিএস, এজিএস, কয়েকজন রাকসু প্রতিনিধি এবং বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবিরের সাধারণ সম্পাদকের নেতৃত্বে তিন শিক্ষার্থীকে মারধর করা হয়। এ সময় রিডিং রুমে থাকা শিক্ষার্থীরা বাধা দিতে গেলে তাঁদেরও হুমকি দেওয়া হয়।
আরও অভিযোগ, আহত শিক্ষার্থীদের উদ্ধার করে অ্যাম্বুলেন্সে তোলার সময়ও তাদের নামিয়ে আবার মারধর করা হয়।
ঘটনার কয়েক ঘণ্টা পর পুলিশ জানায়, চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইতিহাস বিভাগের শিক্ষার্থী মো. আনাস এবং সংস্কৃত বিভাগের শিক্ষার্থী মাহমুদুল হাসানকে ছাত্রলীগের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড-সংক্রান্ত একটি আগের মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) তিন শিক্ষার্থীকে মারধরের ঘটনাকে কেন্দ্র করে তদন্তে নেমেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। রাকসুর জিএস সালাউদ্দিন আম্মার ও ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ খতিয়ে দেখতে পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। একই ঘটনায় জড়িতদের বিচারের দাবিতে সরব হয়েছে বিভিন্ন ছাত্রসংগঠন।
সোমবার রাতেই প্রাণরসায়ন ও অণুপ্রাণবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক মো. রেজাউল করিমকে আহ্বায়ক করে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। মঙ্গলবার সকালে কমিটির সদস্যরা কেন্দ্রীয় লাইব্রেরি ও রাকসু ভবন পরিদর্শন করে আলামত সংগ্রহ করেন।
পরিদর্শন শেষে অধ্যাপক রেজাউল করিম বলেন, লাইব্রেরির রিডিং রুম বন্ধ থাকায় দ্রুত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। তদন্তে পাওয়া সব ধরনের আলামত ও তথ্য বিবেচনায় নিয়েই প্রতিবেদন তৈরি করা হবে। নির্দিষ্ট সময়সীমা না থাকলেও দ্রুত প্রতিবেদন জমা দিতে প্রশাসনের নির্দেশ রয়েছে।
এদিকে ছাত্রদল, ছাত্র ফেডারেশন এবং বামপন্থী সংগঠনগুলোর জোট ‘গণতান্ত্রিক ছাত্রজোট’ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দায়ীদের শাস্তির দাবি জানিয়েছে। অন্যদিকে ক্যাম্পাসে সক্রিয় কয়েকটি ছাত্রসংগঠন এ ঘটনাকে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টা বলে মন্তব্য করেছে।
প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, সোমবার সকালে এক নারী শিক্ষার্থীকে হয়রানির অভিযোগ নিয়ে প্রক্টর দপ্তরে বৈঠক চলাকালে রাকসুর জিএস সালাউদ্দিন আম্মার ও এজিএস সালমান সাব্বির সেখানে উপস্থিত হন। পরে রোববার রাতে প্রক্টরের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগে শিক্ষার্থী আনাসকে ডেকে এনে তাঁর সঙ্গে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে চড়-থাপ্পড় মারেন এবং তাঁকে ‘ছাত্রলীগ কর্মী’ আখ্যা দিয়ে গ্রেপ্তারের দাবি জানান। তবে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ না থাকায় প্রক্টর আনাসকে ছেড়ে দেন।
এরপর আনাস কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে রাকসু কার্যালয়ে হামলা চালান বলে দাবি করেন জিএস সালাউদ্দিন আম্মার। তাঁর দাবি, পরে রাকসু ও ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীরা ধাওয়া দিলে আনাস ও তাঁর সঙ্গীরা কেন্দ্রীয় লাইব্রেরিতে আশ্রয় নেন।
অভিযোগ রয়েছে, সেখানে রাকসুর জিএস, এজিএস, কয়েকজন রাকসু প্রতিনিধি এবং বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবিরের সাধারণ সম্পাদকের নেতৃত্বে তিন শিক্ষার্থীকে মারধর করা হয়। এ সময় রিডিং রুমে থাকা শিক্ষার্থীরা বাধা দিতে গেলে তাঁদেরও হুমকি দেওয়া হয়।
আরও অভিযোগ, আহত শিক্ষার্থীদের উদ্ধার করে অ্যাম্বুলেন্সে তোলার সময়ও তাদের নামিয়ে আবার মারধর করা হয়।
ঘটনার কয়েক ঘণ্টা পর পুলিশ জানায়, চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইতিহাস বিভাগের শিক্ষার্থী মো. আনাস এবং সংস্কৃত বিভাগের শিক্ষার্থী মাহমুদুল হাসানকে ছাত্রলীগের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড-সংক্রান্ত একটি আগের মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

হাসপাতালে পৌঁছানোর কিছুক্ষণ পর সেখানে হাজির হন ফরহাদ। হাসপাতালের ভেতরে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বাগ্বিতণ্ডার একপর্যায়ে তিনি ধারালো অস্ত্র দিয়ে মনিরার বুকে ও পেটে উপর্যুপরি ছুরিকাঘাত করেন। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে জয়পুরহাট জেনারেল হাসপাতালে নেওয়ার পথে মৃত্যু হয়।
১ দিন আগে
সোমবার (২৭ জুলাই) সকাল ১০টার দিকে উপজেলার কালিকাপ্রসাদ ইউনিয়নের মিরারচর ও আকবরনগর এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ভৈরব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লিমন বোস।
১ দিন আগে
রোববার (২৬ জুলাই) সকাল ১০টার দিকে পূর্ব সুন্দরবনের শরণখোলা রেঞ্জের কচিখালী অভয়ারণ্যের টাইগার পয়েন্ট এলাকায় ক্যামেরায় ধরা পড়ে বাঘটি।
১ দিন আগে
সোমবার (২৭ জুলাই) আনোয়ারার বেলচূড়া এলাকায় বাংলাদেশ-চীন অর্থনৈতিক অঞ্চলের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
১ দিন আগে