
রাজশাহী ব্যুরো

রাজশাহী ও নাটোরের সীমান্তবর্তী পদ্মার চরে এবার ঘরে ঢুকে গুলি করে সোহেল রানা (৩৫) নামে এক যুবককে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। দুই মাসের ব্যবধানে শনিবার রাতে আবারও গুলির ঘটনায় এক যুবক নিহত হলো। এসময় গুলিতে সোহেল রানার স্ত্রী স্বাধীনা খাতুনও (৩০) আহত হয়েছেন।
নিহত সোহেল রানা রাজশাহীর বাঘা উপজেলার পলাশী ফতেপুর করালি নওশারা গ্রামের কালু মন্ডলের ছেলে। ঘটনার পর এলাকায় নতুন করে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
জানা যায়, দুর্বৃত্তদের হামলার পর হতাহতদের উদ্ধার করে বাঘা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে সোহেল রানাকে মৃত ঘোষণা করেন কর্মরত চিকিৎসক হুমাইরা খাতুন। তবে গুলিতে আহত স্বাধীনা খাতুনকে ভর্তি করা হয়েছে।
নিহতের স্ত্রী স্বাধীনা খাতুন জানান, রাতের বেলা বাড়ির টিনের বেড়ায় আঘাত করে বাইরে থেকে নিজেদের প্রশাসনের লোক পরিচয় দেওয়া হয়। একপর্যায়ে দুর্বৃত্তরা টিনের বেড়া ভেঙে ঘরের ভেতরে ঢুকে পড়ে। তিনি তাঁর স্বামীকে কম্বল দিয়ে জড়িয়ে লুকিয়ে রাখার চেষ্টা করেন। কিন্তু দুর্বৃত্তরা কম্বলের ওপর দিয়েই একাধিক গুলি ছোড়ে। এতে ঘটনাস্থলেই তার স্বামী মারা যান।
তিনি আরও বলেন, তিনি হাতজোড় করে হামলাকারীদের অনুরোধ করে বলেছেন, তার স্বামী অতীতে যা-ই করুক, এখন ভালো পথে আছেন। কিন্তু দুর্বৃত্তরা কোনো কথাই শোনেনি। হামলাকারীদের কাউকেই তিনি চিনতে পারেননি।
বাঘা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক হুমায়রা খাতুন জানান, রাত দেড়টার দিকে সোহেল রানাকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়। আহত স্বাধীনা খাতুন বর্তমানে সেখানে চিকিৎসাধীন।
এদিকে বাঘা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সেরাজুল হক রোববার সকালে জানান, ঘটনাস্থলটি বাঘা ও নাটোরের লালপুর থানার সীমান্তবর্তী এলাকায় হওয়ায় কোন থানার আওতায় ঘটনাটি পড়েছে—তা নিয়ে বিভ্রান্তি রয়েছে। নিহতের স্বজনেরা মরদেহ বাঘা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসায় বাঘা থানা-পুলিশই প্রাথমিক আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করছে। ঘটনাস্থল নির্ধারণের পর সংশ্লিষ্ট থানায় মামলা রেকর্ড করা হবে।
উল্লেখ্য, এর আগে গত ২৭ অক্টোবর বাঘা উপজেলার চর পলাশী ফতেপুরে ফসল কাটা নিয়ে সংঘর্ষে গুলিতে তিন কৃষক নিহত হন। ওই ঘটনার পর লাশ বাঘা থানায় আনা হলেও পরে ঘটনাস্থল কুষ্টিয়ার দৌলতপুর থানার আওতাভুক্ত বলে নির্ধারিত হয়। এ ঘটনায় হাসিনুজ্জামান কাকনসহ একটি বাহিনীর সদস্যদের বিরুদ্ধে মামলা হয়।
ওই ঘটনার পর পদ্মার চরে পুলিশ, র্যাব ও এপিবিএনের সমন্বয়ে পরিচালিত ‘অপারেশন ফার্স্ট লাইট’-এ ৫৮ জনকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং ১০টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়। অভিযান শেষে রাজশাহী রেঞ্জের উপমহাপুলিশ পরিদর্শক (ডিআইজি) মোহাম্মদ শাহজাহান এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, পদ্মার চরে কাকন বাহিনীসহ মোট ১১টি সন্ত্রাসী বাহিনী সক্রিয় রয়েছে এবং অভিযানে তাদের একাধিক সদস্যকে আটক করা হয়েছে। দুই মাসের মাথায় নতুন করে এই হত্যাকাণ্ড পদ্মার চরাঞ্চলের নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

রাজশাহী ও নাটোরের সীমান্তবর্তী পদ্মার চরে এবার ঘরে ঢুকে গুলি করে সোহেল রানা (৩৫) নামে এক যুবককে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। দুই মাসের ব্যবধানে শনিবার রাতে আবারও গুলির ঘটনায় এক যুবক নিহত হলো। এসময় গুলিতে সোহেল রানার স্ত্রী স্বাধীনা খাতুনও (৩০) আহত হয়েছেন।
নিহত সোহেল রানা রাজশাহীর বাঘা উপজেলার পলাশী ফতেপুর করালি নওশারা গ্রামের কালু মন্ডলের ছেলে। ঘটনার পর এলাকায় নতুন করে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
জানা যায়, দুর্বৃত্তদের হামলার পর হতাহতদের উদ্ধার করে বাঘা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে সোহেল রানাকে মৃত ঘোষণা করেন কর্মরত চিকিৎসক হুমাইরা খাতুন। তবে গুলিতে আহত স্বাধীনা খাতুনকে ভর্তি করা হয়েছে।
নিহতের স্ত্রী স্বাধীনা খাতুন জানান, রাতের বেলা বাড়ির টিনের বেড়ায় আঘাত করে বাইরে থেকে নিজেদের প্রশাসনের লোক পরিচয় দেওয়া হয়। একপর্যায়ে দুর্বৃত্তরা টিনের বেড়া ভেঙে ঘরের ভেতরে ঢুকে পড়ে। তিনি তাঁর স্বামীকে কম্বল দিয়ে জড়িয়ে লুকিয়ে রাখার চেষ্টা করেন। কিন্তু দুর্বৃত্তরা কম্বলের ওপর দিয়েই একাধিক গুলি ছোড়ে। এতে ঘটনাস্থলেই তার স্বামী মারা যান।
তিনি আরও বলেন, তিনি হাতজোড় করে হামলাকারীদের অনুরোধ করে বলেছেন, তার স্বামী অতীতে যা-ই করুক, এখন ভালো পথে আছেন। কিন্তু দুর্বৃত্তরা কোনো কথাই শোনেনি। হামলাকারীদের কাউকেই তিনি চিনতে পারেননি।
বাঘা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক হুমায়রা খাতুন জানান, রাত দেড়টার দিকে সোহেল রানাকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়। আহত স্বাধীনা খাতুন বর্তমানে সেখানে চিকিৎসাধীন।
এদিকে বাঘা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সেরাজুল হক রোববার সকালে জানান, ঘটনাস্থলটি বাঘা ও নাটোরের লালপুর থানার সীমান্তবর্তী এলাকায় হওয়ায় কোন থানার আওতায় ঘটনাটি পড়েছে—তা নিয়ে বিভ্রান্তি রয়েছে। নিহতের স্বজনেরা মরদেহ বাঘা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসায় বাঘা থানা-পুলিশই প্রাথমিক আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করছে। ঘটনাস্থল নির্ধারণের পর সংশ্লিষ্ট থানায় মামলা রেকর্ড করা হবে।
উল্লেখ্য, এর আগে গত ২৭ অক্টোবর বাঘা উপজেলার চর পলাশী ফতেপুরে ফসল কাটা নিয়ে সংঘর্ষে গুলিতে তিন কৃষক নিহত হন। ওই ঘটনার পর লাশ বাঘা থানায় আনা হলেও পরে ঘটনাস্থল কুষ্টিয়ার দৌলতপুর থানার আওতাভুক্ত বলে নির্ধারিত হয়। এ ঘটনায় হাসিনুজ্জামান কাকনসহ একটি বাহিনীর সদস্যদের বিরুদ্ধে মামলা হয়।
ওই ঘটনার পর পদ্মার চরে পুলিশ, র্যাব ও এপিবিএনের সমন্বয়ে পরিচালিত ‘অপারেশন ফার্স্ট লাইট’-এ ৫৮ জনকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং ১০টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়। অভিযান শেষে রাজশাহী রেঞ্জের উপমহাপুলিশ পরিদর্শক (ডিআইজি) মোহাম্মদ শাহজাহান এক সংবাদ সম্মেলনে জানান, পদ্মার চরে কাকন বাহিনীসহ মোট ১১টি সন্ত্রাসী বাহিনী সক্রিয় রয়েছে এবং অভিযানে তাদের একাধিক সদস্যকে আটক করা হয়েছে। দুই মাসের মাথায় নতুন করে এই হত্যাকাণ্ড পদ্মার চরাঞ্চলের নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

শনিবার (২০ জুন) সকালে উপজেলার টেলকি জলই এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে । নিহতরা হলেন জলই গ্রামের বাবুল হাদিমা (৪৮), তার ১০ বছর বয়সী ছেলে নেইমার ম্রং, রতন নকরেক (২৪) ও গাবরিয়েল নকরেক (৩২)। তারা সবাই ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সম্প্রদায়ের সদস্য।
২১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে ওই চারজন আন্তর্জাতিক সীমান্ত পিলার ১৫ ও ১৬-এর মধ্যবর্তী এলাকায় নো-ম্যানস ল্যান্ডে অবস্থান করছেন। তাদের মধ্যে একজন পুরুষ ও তিনজন নারী রয়েছেন বলে জানা গেছে। তবে এখন পর্যন্ত তাদের পরিচয় বা জাতীয়তা সম্পর্কে কোনো ধারণা পাওয়া যায়নি।
২ দিন আগে
স্থানীয়রা বলছেন, রৌমারীর গয়টাপাড়া সীমান্তে ছয়জন ও ইজলামারী ভন্দুরচর সীমান্তে তিনজনকে বুধবার (১৭ জুন) রাত পর্যন্ত অবস্থান করতে দেখা গেছে। তবে বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সকাল থেকে দুই শিশুসহ চারজনকে আর সেখানে দেখা যায়নি।
৩ দিন আগে
সুনামগঞ্জে প্রায় এক হাজার পিস ইয়াবাসহ ‘জুলাই যোদ্ধা’ পরিচয় দেওয়া নাজমুল হাসান হিমেল নামে এক তরুণকে আটক করে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছেন স্থানীয়রা। পরে পুলিশ তাকে মাদক মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছে। তাহিরপুর উপজেলার সীমান্তবর্তী গ্রাম পুরান লাউড়েরগড়ে এ ঘটনা ঘটে।
৩ দিন আগে