
রাজশাহী ব্যুরো

রাজশাহী-৩ (পবা-মোহনপুর) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী হাবিবা বেগমকে ভোটকেন্দ্রের সামনে চড়-থাপ্পড় মারার অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) বেলা তিনটার দিকে পবা উপজেলার নলখোলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
হাবিবা বেগম ফুটবল প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তিনি মোহনপুর উপজেলা পরিষদের সাবেক মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান এবং উপজেলা কৃষক লীগের মহিলা বিষয়ক সম্পাদক ছিলেন।
ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। ওই ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, দাঁড়িয়ে কথা বলার সময় হঠাৎ এক ব্যক্তি তাকে সজোরে থাপ্পড় মারেন। এতে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। পরে উঠে দাঁড়ানোর চেষ্টা করলে আবারও তাকে থাপ্পড় মারা হয়। এ সময় তার সঙ্গে থাকা লোকজন এগিয়ে এসে তাকে রক্ষা করেন। পরে আরেক ব্যক্তি অভিযুক্তকে সেখান থেকে সরিয়ে নেন।
স্থানীয়দের দাবি, অভিযুক্ত ব্যক্তির নাম রজব আলী, তিনি পবা উপজেলার হরিয়ান ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সভাপতি।
ঘটনার পর দুই বছরের সন্তানকে কোলে নিয়ে হাবিবা বেগম কেন্দ্রের সামনে একটি চেয়ারে বসেছিলেন। তখন ঘটনার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ভোটারদের সঙ্গে কুশল বিনিময় ও ভোট প্রার্থনা করছিলেন। আগে নির্বাচনি প্রচারে আসতে না পারায় ভোটারদের কাছে ফুটবল প্রতীকে ভোট চান। এ সময় বিএনপি নেতা রজব আলী তার প্রচারে বাধা দেন। কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে তাকে চড়-থাপ্পড় মারা হয়।
হাবিবার প্রধান নির্বাচনি এজেন্ট আকবর হোসেন বলেন, ‘একজন নারী প্রার্থীর গায়ে এভাবে হাত তোলা কোনোভাবেই সমর্থনযোগ্য নয়। বিষয়টি প্রিজাইডিং অফিসারকে জানানো হলেও তিনি কেন্দ্রের বাইরের ঘটনা বলে দায় এড়িয়ে গেছেন। আমরা রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছেও অভিযোগ জানাব।’
বিকেল চারটার দিকে হাবিবা বেগমকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নেওয়া হয়। তিনি জানান, মারধরের পর থেকে তার কানে শুনতে সমস্যা হচ্ছে এবং কথা বলতে কষ্ট হচ্ছে।
এদিকে অভিযোগের বিষয়ে জানতে গিয়ে ঘটনাস্থলে রজব আলীকে পাওয়া যায়নি। পরে মুঠোফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ না করায় ফলে তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
হরিয়ান ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হাবিবুর রহমানের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, রজব আলী তাদের দলের নেতা হলেও ঘটনাটি কে বা কারা ঘটিয়েছে তা তিনি জানেন না।
কাটাখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুমন কাদেরী বলেন, ভোটারদের কাছে ভোট চাওয়া নিয়ে একজন প্রার্থীর সঙ্গে বাগবিতণ্ডার কথা শুনেছেন, তবে মারধরের বিষয়ে তিনি অবগত নন।

রাজশাহী-৩ (পবা-মোহনপুর) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী হাবিবা বেগমকে ভোটকেন্দ্রের সামনে চড়-থাপ্পড় মারার অভিযোগ উঠেছে। বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) বেলা তিনটার দিকে পবা উপজেলার নলখোলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
হাবিবা বেগম ফুটবল প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তিনি মোহনপুর উপজেলা পরিষদের সাবেক মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান এবং উপজেলা কৃষক লীগের মহিলা বিষয়ক সম্পাদক ছিলেন।
ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। ওই ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, দাঁড়িয়ে কথা বলার সময় হঠাৎ এক ব্যক্তি তাকে সজোরে থাপ্পড় মারেন। এতে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। পরে উঠে দাঁড়ানোর চেষ্টা করলে আবারও তাকে থাপ্পড় মারা হয়। এ সময় তার সঙ্গে থাকা লোকজন এগিয়ে এসে তাকে রক্ষা করেন। পরে আরেক ব্যক্তি অভিযুক্তকে সেখান থেকে সরিয়ে নেন।
স্থানীয়দের দাবি, অভিযুক্ত ব্যক্তির নাম রজব আলী, তিনি পবা উপজেলার হরিয়ান ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সভাপতি।
ঘটনার পর দুই বছরের সন্তানকে কোলে নিয়ে হাবিবা বেগম কেন্দ্রের সামনে একটি চেয়ারে বসেছিলেন। তখন ঘটনার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ভোটারদের সঙ্গে কুশল বিনিময় ও ভোট প্রার্থনা করছিলেন। আগে নির্বাচনি প্রচারে আসতে না পারায় ভোটারদের কাছে ফুটবল প্রতীকে ভোট চান। এ সময় বিএনপি নেতা রজব আলী তার প্রচারে বাধা দেন। কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে তাকে চড়-থাপ্পড় মারা হয়।
হাবিবার প্রধান নির্বাচনি এজেন্ট আকবর হোসেন বলেন, ‘একজন নারী প্রার্থীর গায়ে এভাবে হাত তোলা কোনোভাবেই সমর্থনযোগ্য নয়। বিষয়টি প্রিজাইডিং অফিসারকে জানানো হলেও তিনি কেন্দ্রের বাইরের ঘটনা বলে দায় এড়িয়ে গেছেন। আমরা রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছেও অভিযোগ জানাব।’
বিকেল চারটার দিকে হাবিবা বেগমকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নেওয়া হয়। তিনি জানান, মারধরের পর থেকে তার কানে শুনতে সমস্যা হচ্ছে এবং কথা বলতে কষ্ট হচ্ছে।
এদিকে অভিযোগের বিষয়ে জানতে গিয়ে ঘটনাস্থলে রজব আলীকে পাওয়া যায়নি। পরে মুঠোফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ না করায় ফলে তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
হরিয়ান ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হাবিবুর রহমানের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, রজব আলী তাদের দলের নেতা হলেও ঘটনাটি কে বা কারা ঘটিয়েছে তা তিনি জানেন না।
কাটাখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুমন কাদেরী বলেন, ভোটারদের কাছে ভোট চাওয়া নিয়ে একজন প্রার্থীর সঙ্গে বাগবিতণ্ডার কথা শুনেছেন, তবে মারধরের বিষয়ে তিনি অবগত নন।

নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘কেন আমাদের গাড়ি আটকে দেওয়া হয়েছে? আমরা হবিগঞ্জে যেতে চাই। সেখানে গিয়ে আমরা আইনি পদক্ষেপ নেব।’
১ দিন আগে
জব্দ করা দুটি ট্রলার রাজীবপুর ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ওয়াদুদ জামান মানিক ও যুগ্ম আহ্বায়ক মোশাররফ হোসেন এবং উচাখিলা ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক হাদীউল বাশার সুমনের জিম্মায় দিয়েছিল প্রশাসন। ট্রলারে ছিলেন ঈশ্বরগঞ্জ থানার এএসআই জীবন চন্দ্র বৈশ্য, কনস্টেবল বিমল চন্দ্র পাল এবং গ্রাম পুলিশ উজ্জ্বল ও
১ দিন আগে
একপর্যায়ে হাসনাত বলেন, তিনি নিজেসহ আরও দুই সংসদ সদস্য নাহিদ ইসলাম ও মাহমুদা মিতু (সংরক্ষিত আসনে) এবং এনসিপির দুজন কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সদস্য কেবল মামলা করতে যাবেন। প্রয়োজনে তারা গাড়ির চালককেও নেবেন না। পুলিশ চালক দিলে তাকে নিয়েই যাবেন তারা। তবে পুলিশ সে প্রস্তাবও মানেনি। পরে এনসিপি নেতারা ব্যারিক
১ দিন আগে
বুধবার (২২ জুলাই) পটুয়াখালী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল আদালতে বাদী হিসেবে মামলাটি দায়ের করেন ওই বিধবা। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে পটুয়াখালী সদর থানায় এজাহার রেকর্ড করে আসামির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।
১ দিন আগে