
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বগুড়ায় দিনমজুর রিপন ফকিরকে (৫০) হত্যার অভিযোগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তার বোন শেখ রেহেনা, ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান কামাল, সাবেক সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, পুলিশের সাবেক আইজিপি আব্দুল্লাহ আল মামুনসহ ১০৩ জনের নামে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৭ সেপ্টেম্বর) বগুড়া সদর থানায় মামলাটি দায়ের করেন নিহত রিপন ফকিরের স্ত্রী মাবিয়া বেগম। মামলায় শেখ হাসিনাসহ ১৩ জনকে হুকুমের আসামি করা হয়েছে।
বগুড়া সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইহান ওলিউল্লাহ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
মামলায় বগুড়া জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সাধারণ সম্পাদক, আওয়ামী লীগ, জাসদ ও জাতীয় পার্টির কয়েকজন সাবেক সংসদ সদস্য, আওয়ামী লীগ ও তার অঙ্গ সংগঠনের নেতা-কর্মী ছাড়াও অজ্ঞাত ২০০ থেকে ৩০০ জনকে আসামি করা হয়েছে।
মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে, রিপন ফকির ৪ আগস্ট সকালে বাড়ি থেকে বের হন। বেলা ১১টার দিকে তিনি ছাত্র-জনতার সাথে আন্দোলনে যোগ দেন। তারা মিছিল নিয়ে সাতমাথায় যাওয়ার সময় শহরের ঝাউতলা এলাকায় গেলে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ হুকুমের আসামিদের নির্দেশে অপর আসামিরা মিছিলটি ঘেরাও করে। এরপর তারা লাঠিসোঁটা, কাটা রাইফেল, রিভলভার, চাইনিজ কুড়াল হাতে নিয়ে পেট্রোল বোমা, ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে ত্রাস সৃষ্টি করে।
এ সময় মিছিলটি ছত্রভঙ্গ হয়ে গেলে রিপন ফকির রক্তাক্ত অবস্থায় রাস্তায় পড়ে থাকে। পরে রিকশাযোগে রিপন ফকিরকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথে মৃত্যুবরণ করে। পরে মরদেহ ময়নাতদন্ত ছাড়াই বাড়িতে নিয়ে গিয়ে দাফন করা হয়।

বগুড়ায় দিনমজুর রিপন ফকিরকে (৫০) হত্যার অভিযোগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তার বোন শেখ রেহেনা, ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান কামাল, সাবেক সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, পুলিশের সাবেক আইজিপি আব্দুল্লাহ আল মামুনসহ ১০৩ জনের নামে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৭ সেপ্টেম্বর) বগুড়া সদর থানায় মামলাটি দায়ের করেন নিহত রিপন ফকিরের স্ত্রী মাবিয়া বেগম। মামলায় শেখ হাসিনাসহ ১৩ জনকে হুকুমের আসামি করা হয়েছে।
বগুড়া সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইহান ওলিউল্লাহ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
মামলায় বগুড়া জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সাধারণ সম্পাদক, আওয়ামী লীগ, জাসদ ও জাতীয় পার্টির কয়েকজন সাবেক সংসদ সদস্য, আওয়ামী লীগ ও তার অঙ্গ সংগঠনের নেতা-কর্মী ছাড়াও অজ্ঞাত ২০০ থেকে ৩০০ জনকে আসামি করা হয়েছে।
মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে, রিপন ফকির ৪ আগস্ট সকালে বাড়ি থেকে বের হন। বেলা ১১টার দিকে তিনি ছাত্র-জনতার সাথে আন্দোলনে যোগ দেন। তারা মিছিল নিয়ে সাতমাথায় যাওয়ার সময় শহরের ঝাউতলা এলাকায় গেলে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ হুকুমের আসামিদের নির্দেশে অপর আসামিরা মিছিলটি ঘেরাও করে। এরপর তারা লাঠিসোঁটা, কাটা রাইফেল, রিভলভার, চাইনিজ কুড়াল হাতে নিয়ে পেট্রোল বোমা, ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে ত্রাস সৃষ্টি করে।
এ সময় মিছিলটি ছত্রভঙ্গ হয়ে গেলে রিপন ফকির রক্তাক্ত অবস্থায় রাস্তায় পড়ে থাকে। পরে রিকশাযোগে রিপন ফকিরকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথে মৃত্যুবরণ করে। পরে মরদেহ ময়নাতদন্ত ছাড়াই বাড়িতে নিয়ে গিয়ে দাফন করা হয়।

মামলার বাদী খোকন তালুকদার নিজেকে কুমিল্লা মহানগরীর ২৬ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে পরিচয় দিলেও মহানগর যুবদল সেই দাবি অস্বীকার করেছে। সংগঠনটির সদস্যসচিব রোমান হাসান বলেন, খোকন যুবদলের কোনো পর্যায়ের নেতা বা কর্মী নন। অতীতে তিনি যুবলীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
১০ ঘণ্টা আগে
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, সকালে উড়ালসড়কের সিঁড়ির কাছে এক যুবককে ছিনতাইকারী সন্দেহে আটক করেন কয়েকজন। তাঁর বয়স আনুমানিক ২২ থেকে ২৫ বছরের মধ্যে বলে ধারণা করা হচ্ছে। পরে তাকে ঘিরে জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে মারধর শুরু হয়। একপর্যায়ে গুরুতর আহত হয়ে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
১১ ঘণ্টা আগে
চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার ইকবাল হোসেন বলেন, প্রাথমিকভাবে চিকিৎসকদের ধারণা, নুরুল আলম ‘ম্যাসিভ হার্ট অ্যাটাকে’ মারা গেছেন। ময়নাতদন্ত শেষে তার মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
১২ ঘণ্টা আগে