
রংপুর প্রতিনিধি

তিন দিন ধরে মৃদু দাবদাহের পর সোমবার (২৩ সেপ্টেম্বর) বিকালে আকস্মিক কালো মেঘের আনাগোনা। দু-চার ফোঁটা বৃষ্টি শুরুর আগে চলে আকাশে মেঘের গর্জন। এমন পরিস্থিতিতে কুড়িগ্রাম সদরের পাঁচগাছী ইউনিয়নে গরু নিয়ে মাঠে গিয়ে বজ্রাঘাতে দুই কৃষক প্রাণ হারিয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও এক কৃষক। সোমবার বেলা সাড়ে ৩টার দিকে ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের কদমতলা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
কুড়িগ্রাম সদর থানার অফিসার ইন চার্জ (ওসি) মাসুদুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
নিহত কৃষকের নাম আয়নুল (৬০) ও আসাদ (৫০)। তারা দুজন প্রতিবেশী। আয়নুল কদমতলা গ্রামের সাহাদত আলীর ছেলে। আর আসাদ একই গ্রামের বসমনের ছেলে। আহত কৃষকের নাম আব্দুল করিম (৫০)।
৩নং ওয়ার্ডের গ্রামপুলিশ মকবুল হোসেন স্থানীয়দের বরাতে জানান, গরু নিয়ে কদমতলা চরের মাঠে গিয়ে আয়নুল ও আসাদ বসে গল্প করছিলেন। সে সময় হঠাৎ আকাশ মেঘলা হয়ে আসে। বেলা সাড়ে ৩টার দিকে আকস্মিক বজ্রাঘাতে আয়নুল ও আসাদ গুরুতর আহত হন। তাদের থেকে সামান্য দূরে থাকা আব্দুল করিমও চেতনা হারিয়ে ফেলেন। গুরুতর আহত আয়নুল ও আসাদকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার পথে আসাদ মারা যান। আয়নুলকে হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
মকবুল হোসেন বলেন, ‘আহত আব্দুল করিম পরে সুস্থ হয়েছেন। তবে আয়নাল ও আসাদকে বাঁচানো যায়নি। তাদের লাশ বাড়িতে এনে দাফনের ব্যবস্থা করা হয়েছে।’
ওসি মাসুদুর রহমান বলেন, ‘মারা যাওয়া দুই কৃষকের দাফনের ব্যবস্থা পারিবারিকভাবে করা হয়েছে।’

তিন দিন ধরে মৃদু দাবদাহের পর সোমবার (২৩ সেপ্টেম্বর) বিকালে আকস্মিক কালো মেঘের আনাগোনা। দু-চার ফোঁটা বৃষ্টি শুরুর আগে চলে আকাশে মেঘের গর্জন। এমন পরিস্থিতিতে কুড়িগ্রাম সদরের পাঁচগাছী ইউনিয়নে গরু নিয়ে মাঠে গিয়ে বজ্রাঘাতে দুই কৃষক প্রাণ হারিয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও এক কৃষক। সোমবার বেলা সাড়ে ৩টার দিকে ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের কদমতলা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
কুড়িগ্রাম সদর থানার অফিসার ইন চার্জ (ওসি) মাসুদুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
নিহত কৃষকের নাম আয়নুল (৬০) ও আসাদ (৫০)। তারা দুজন প্রতিবেশী। আয়নুল কদমতলা গ্রামের সাহাদত আলীর ছেলে। আর আসাদ একই গ্রামের বসমনের ছেলে। আহত কৃষকের নাম আব্দুল করিম (৫০)।
৩নং ওয়ার্ডের গ্রামপুলিশ মকবুল হোসেন স্থানীয়দের বরাতে জানান, গরু নিয়ে কদমতলা চরের মাঠে গিয়ে আয়নুল ও আসাদ বসে গল্প করছিলেন। সে সময় হঠাৎ আকাশ মেঘলা হয়ে আসে। বেলা সাড়ে ৩টার দিকে আকস্মিক বজ্রাঘাতে আয়নুল ও আসাদ গুরুতর আহত হন। তাদের থেকে সামান্য দূরে থাকা আব্দুল করিমও চেতনা হারিয়ে ফেলেন। গুরুতর আহত আয়নুল ও আসাদকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার পথে আসাদ মারা যান। আয়নুলকে হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
মকবুল হোসেন বলেন, ‘আহত আব্দুল করিম পরে সুস্থ হয়েছেন। তবে আয়নাল ও আসাদকে বাঁচানো যায়নি। তাদের লাশ বাড়িতে এনে দাফনের ব্যবস্থা করা হয়েছে।’
ওসি মাসুদুর রহমান বলেন, ‘মারা যাওয়া দুই কৃষকের দাফনের ব্যবস্থা পারিবারিকভাবে করা হয়েছে।’

বিজিবি জানায়, শুক্রবার গভীর রাতে চৌকা সীমান্ত দিয়ে ২০ জনকে বাংলাদেশে প্রবেশ করানোর চেষ্টা করা হয়। তাদের মধ্যে ১১ জন পুরুষ, পাঁচজন নারী ও চারজন শিশু রয়েছে।
১ দিন আগে
শনিবার (২০ জুন) সকালে উপজেলার টেলকি জলই এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে । নিহতরা হলেন জলই গ্রামের বাবুল হাদিমা (৪৮), তার ১০ বছর বয়সী ছেলে নেইমার ম্রং, রতন নকরেক (২৪) ও গাবরিয়েল নকরেক (৩২)। তারা সবাই ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সম্প্রদায়ের সদস্য।
১ দিন আগে
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে ওই চারজন আন্তর্জাতিক সীমান্ত পিলার ১৫ ও ১৬-এর মধ্যবর্তী এলাকায় নো-ম্যানস ল্যান্ডে অবস্থান করছেন। তাদের মধ্যে একজন পুরুষ ও তিনজন নারী রয়েছেন বলে জানা গেছে। তবে এখন পর্যন্ত তাদের পরিচয় বা জাতীয়তা সম্পর্কে কোনো ধারণা পাওয়া যায়নি।
২ দিন আগে
স্থানীয়রা বলছেন, রৌমারীর গয়টাপাড়া সীমান্তে ছয়জন ও ইজলামারী ভন্দুরচর সীমান্তে তিনজনকে বুধবার (১৭ জুন) রাত পর্যন্ত অবস্থান করতে দেখা গেছে। তবে বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সকাল থেকে দুই শিশুসহ চারজনকে আর সেখানে দেখা যায়নি।
৩ দিন আগে