
গাইবান্ধা প্রতিনিধি

গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে একই পরিবারের চাচা-ভাতিজাসহ তিনজনের মৃত্যু হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৫ মে) সকাল ১০টার দিকে সাঘাটা উপজেলার কামালের পাড়া ইউনিয়নের কামালের পাড়া গ্রামে এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।
বিদ্যুৎস্পৃষ্টে নিহতরা হলেন—কামালের পাড়া গ্রামের মকবুল হোসেনের ছেলে মিলন মিয়া (২৮), একরামুল হকের ছেলে মোশারফ হোসেন এবং মৃত সাহেব উদ্দিনের ছেলে আফজাল হোসেন (৬০)।
স্বজনরা জানান, সকালে মিলন মিয়া তার ঘরের চালায় উঠে গাছের পাতা পরিষ্কার করছিলেন। একপর্যায়ে তিনি পাশের আরেকটি ঘরের টিনের চালায় পা রাখলে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন। তাকে বাঁচাতে চাচা আফজাল হোসেন ও মোশারফ হোসেন এগিয়ে গেলে তারাও বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন।
পরে স্থানীয়রা আহত অবস্থায় তিনজনকেই উদ্ধার করে সাঘাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।
কামালের পাড়া ইউনিয়ন পরিষদের সংরক্ষিত নারী সদস্য আলেয়া বেগমের স্বামী আব্দুল মান্নান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘একই পরিবারের তিনজনের মৃত্যু খুবই হৃদয়বিদারক ঘটনা।’
এ বিষয়ে সাঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বাদশা আলম জানান, খবর পেয়ে আমরা হাসপাতাল গিয়ে নিহত তিনজনের মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করি। পরবর্তীতে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলায় বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে একই পরিবারের চাচা-ভাতিজাসহ তিনজনের মৃত্যু হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৫ মে) সকাল ১০টার দিকে সাঘাটা উপজেলার কামালের পাড়া ইউনিয়নের কামালের পাড়া গ্রামে এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।
বিদ্যুৎস্পৃষ্টে নিহতরা হলেন—কামালের পাড়া গ্রামের মকবুল হোসেনের ছেলে মিলন মিয়া (২৮), একরামুল হকের ছেলে মোশারফ হোসেন এবং মৃত সাহেব উদ্দিনের ছেলে আফজাল হোসেন (৬০)।
স্বজনরা জানান, সকালে মিলন মিয়া তার ঘরের চালায় উঠে গাছের পাতা পরিষ্কার করছিলেন। একপর্যায়ে তিনি পাশের আরেকটি ঘরের টিনের চালায় পা রাখলে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন। তাকে বাঁচাতে চাচা আফজাল হোসেন ও মোশারফ হোসেন এগিয়ে গেলে তারাও বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন।
পরে স্থানীয়রা আহত অবস্থায় তিনজনকেই উদ্ধার করে সাঘাটা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষণা করেন।
কামালের পাড়া ইউনিয়ন পরিষদের সংরক্ষিত নারী সদস্য আলেয়া বেগমের স্বামী আব্দুল মান্নান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘একই পরিবারের তিনজনের মৃত্যু খুবই হৃদয়বিদারক ঘটনা।’
এ বিষয়ে সাঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বাদশা আলম জানান, খবর পেয়ে আমরা হাসপাতাল গিয়ে নিহত তিনজনের মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করি। পরবর্তীতে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

শনিবার (২০ জুন) সকালে উপজেলার টেলকি জলই এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে । নিহতরা হলেন জলই গ্রামের বাবুল হাদিমা (৪৮), তার ১০ বছর বয়সী ছেলে নেইমার ম্রং, রতন নকরেক (২৪) ও গাবরিয়েল নকরেক (৩২)। তারা সবাই ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সম্প্রদায়ের সদস্য।
১৫ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে ওই চারজন আন্তর্জাতিক সীমান্ত পিলার ১৫ ও ১৬-এর মধ্যবর্তী এলাকায় নো-ম্যানস ল্যান্ডে অবস্থান করছেন। তাদের মধ্যে একজন পুরুষ ও তিনজন নারী রয়েছেন বলে জানা গেছে। তবে এখন পর্যন্ত তাদের পরিচয় বা জাতীয়তা সম্পর্কে কোনো ধারণা পাওয়া যায়নি।
১ দিন আগে
স্থানীয়রা বলছেন, রৌমারীর গয়টাপাড়া সীমান্তে ছয়জন ও ইজলামারী ভন্দুরচর সীমান্তে তিনজনকে বুধবার (১৭ জুন) রাত পর্যন্ত অবস্থান করতে দেখা গেছে। তবে বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সকাল থেকে দুই শিশুসহ চারজনকে আর সেখানে দেখা যায়নি।
২ দিন আগে
সুনামগঞ্জে প্রায় এক হাজার পিস ইয়াবাসহ ‘জুলাই যোদ্ধা’ পরিচয় দেওয়া নাজমুল হাসান হিমেল নামে এক তরুণকে আটক করে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছেন স্থানীয়রা। পরে পুলিশ তাকে মাদক মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছে। তাহিরপুর উপজেলার সীমান্তবর্তী গ্রাম পুরান লাউড়েরগড়ে এ ঘটনা ঘটে।
২ দিন আগে