
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

তেঁতুলিয়া সীমান্ত দিয়ে ভারতে অনুপ্রবেশের চেষ্টা করতে গিয়ে বিজিবির হাতে আটক হয়েছেন নারী-শিশুসহ ৯ বাংলাদেশি। আটকের পর বৃহস্পতিবার বিকেলে তেঁতুলিয়া মডেল থানায় তাদের সোপর্দ করা হয়। পরে সাইদুর রহমান নামে একজনকে আটক রেখে বাকিদের ছেড়ে দেওয়া হয়।
প্রাথমিকভাবে আটকরা হলেন- খানসামা উপজেলার বিঞ্চুপুর গ্রামের মদন দাসের ছেলে রমেশ দাস (৩৮), রমেশের ছেলে পল্লব দাস (১২), সুশীল দাসের ছেলে প্রশান্ত দাস (১০), মদন দাসের ছেলে সুশীল দাস (৩৯), অধীর দাসের মেয়ে পাতলী রাণী দাস (৩৪), অধীকান্ত দাসের মেয়ে আরতী দাস (৩৭), সুশীল দাসের মেয়ে সুবর্ণা দাস (১৮), অলিল দাসের ছেলে পরিমল দাস (২৮) এবং তেঁতুলিয়া উপজেলার ভজনপুর ইউনিয়নের গোলাপদীগছ গ্রামের মৃত. ইসলাম আলীর ছেলে সাইদুর রহমান হনু (৪৪)।
এর আগে বুধবার গভীর রাতে উপজেলার ভজনপুর ইউনিয়নের গোলাপদীগছ এলাকায় নীলফামারী ৫৬ বিজিবির আওতাধীন শুকানী বিওপির টহল দল তাদের আটক করে।
বিজিবি জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শুকানী বিওপির ৬ সদস্যের একটি দল সীমান্ত পিলার ৭৩৯/৪-এস এর বাংলাদেশের অভ্যন্তরে গোলাপদীগছ গ্রাম থেকে ভারতে অনুপ্রবেশ চেষ্টা করা হচ্ছে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে তাদের আটক করা হয়। পরে ভজনপুর শুকানী বিওপিতে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করে দুপুরে তেঁতুলিয়া মডেল থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়। এদের মধ্যে সাইদুর ইসলাম হনু নামের একজন দালাল রয়েছে। সাইদুরের সাহায্যে তারা ভারতে যাওয়ার চেষ্টা করছিলেন।
তেঁতুলিয়া মডেল থানার ওসি সুজয় কুমার রায় বলেন, বৃহস্পতিবার দুপুরে বিজিবি ৯ বাংলাদেশীকে তেঁতুলিয়া থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করে। তারা আতঙ্কিত হয়ে ভারতে যাওয়ার চেষ্টা করছিলেন বলে জানতে পারি। আটককৃতদের পরিবার যোগাযোগ করলে তাদের মধ্যে সাইদুর রহমান হনুকে আটক দেখিয়ে বাকিদের তাদের স্বজনদের কাছে তুলে দেয়া দেয়া হয়েছে। আটককৃত সাইদুর রহমানের বিরুদ্ধে অভিযোগসহ মামলা রয়েছে। এ কারণে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করা হবে।

তেঁতুলিয়া সীমান্ত দিয়ে ভারতে অনুপ্রবেশের চেষ্টা করতে গিয়ে বিজিবির হাতে আটক হয়েছেন নারী-শিশুসহ ৯ বাংলাদেশি। আটকের পর বৃহস্পতিবার বিকেলে তেঁতুলিয়া মডেল থানায় তাদের সোপর্দ করা হয়। পরে সাইদুর রহমান নামে একজনকে আটক রেখে বাকিদের ছেড়ে দেওয়া হয়।
প্রাথমিকভাবে আটকরা হলেন- খানসামা উপজেলার বিঞ্চুপুর গ্রামের মদন দাসের ছেলে রমেশ দাস (৩৮), রমেশের ছেলে পল্লব দাস (১২), সুশীল দাসের ছেলে প্রশান্ত দাস (১০), মদন দাসের ছেলে সুশীল দাস (৩৯), অধীর দাসের মেয়ে পাতলী রাণী দাস (৩৪), অধীকান্ত দাসের মেয়ে আরতী দাস (৩৭), সুশীল দাসের মেয়ে সুবর্ণা দাস (১৮), অলিল দাসের ছেলে পরিমল দাস (২৮) এবং তেঁতুলিয়া উপজেলার ভজনপুর ইউনিয়নের গোলাপদীগছ গ্রামের মৃত. ইসলাম আলীর ছেলে সাইদুর রহমান হনু (৪৪)।
এর আগে বুধবার গভীর রাতে উপজেলার ভজনপুর ইউনিয়নের গোলাপদীগছ এলাকায় নীলফামারী ৫৬ বিজিবির আওতাধীন শুকানী বিওপির টহল দল তাদের আটক করে।
বিজিবি জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শুকানী বিওপির ৬ সদস্যের একটি দল সীমান্ত পিলার ৭৩৯/৪-এস এর বাংলাদেশের অভ্যন্তরে গোলাপদীগছ গ্রাম থেকে ভারতে অনুপ্রবেশ চেষ্টা করা হচ্ছে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে তাদের আটক করা হয়। পরে ভজনপুর শুকানী বিওপিতে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করে দুপুরে তেঁতুলিয়া মডেল থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়। এদের মধ্যে সাইদুর ইসলাম হনু নামের একজন দালাল রয়েছে। সাইদুরের সাহায্যে তারা ভারতে যাওয়ার চেষ্টা করছিলেন।
তেঁতুলিয়া মডেল থানার ওসি সুজয় কুমার রায় বলেন, বৃহস্পতিবার দুপুরে বিজিবি ৯ বাংলাদেশীকে তেঁতুলিয়া থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করে। তারা আতঙ্কিত হয়ে ভারতে যাওয়ার চেষ্টা করছিলেন বলে জানতে পারি। আটককৃতদের পরিবার যোগাযোগ করলে তাদের মধ্যে সাইদুর রহমান হনুকে আটক দেখিয়ে বাকিদের তাদের স্বজনদের কাছে তুলে দেয়া দেয়া হয়েছে। আটককৃত সাইদুর রহমানের বিরুদ্ধে অভিযোগসহ মামলা রয়েছে। এ কারণে তাকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে প্রেরণ করা হবে।

বিজিবি জানায়, শুক্রবার গভীর রাতে চৌকা সীমান্ত দিয়ে ২০ জনকে বাংলাদেশে প্রবেশ করানোর চেষ্টা করা হয়। তাদের মধ্যে ১১ জন পুরুষ, পাঁচজন নারী ও চারজন শিশু রয়েছে।
১ দিন আগে
শনিবার (২০ জুন) সকালে উপজেলার টেলকি জলই এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে । নিহতরা হলেন জলই গ্রামের বাবুল হাদিমা (৪৮), তার ১০ বছর বয়সী ছেলে নেইমার ম্রং, রতন নকরেক (২৪) ও গাবরিয়েল নকরেক (৩২)। তারা সবাই ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সম্প্রদায়ের সদস্য।
১ দিন আগে
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে ওই চারজন আন্তর্জাতিক সীমান্ত পিলার ১৫ ও ১৬-এর মধ্যবর্তী এলাকায় নো-ম্যানস ল্যান্ডে অবস্থান করছেন। তাদের মধ্যে একজন পুরুষ ও তিনজন নারী রয়েছেন বলে জানা গেছে। তবে এখন পর্যন্ত তাদের পরিচয় বা জাতীয়তা সম্পর্কে কোনো ধারণা পাওয়া যায়নি।
২ দিন আগে
স্থানীয়রা বলছেন, রৌমারীর গয়টাপাড়া সীমান্তে ছয়জন ও ইজলামারী ভন্দুরচর সীমান্তে তিনজনকে বুধবার (১৭ জুন) রাত পর্যন্ত অবস্থান করতে দেখা গেছে। তবে বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সকাল থেকে দুই শিশুসহ চারজনকে আর সেখানে দেখা যায়নি।
৩ দিন আগে