
পঞ্চগড় প্রতিনিধি

বাংলাদেশে পুশ-ইনের চেষ্টা ব্যর্থ হওয়ার পর পঞ্চগড়ের বড়বাড়ি সীমান্তে শূন্যরেখার কাছে তিনদিন ধরে অবস্থান করা ১০ জনকে সরিয়ে নিয়েছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। তাদের মধ্যে নারী, পুরুষ ও শিশু রয়েছেন। গত
রোববার (৮ জুন) বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) জানিয়েছে, দিনগত রাত আড়াইটার দিকে সীমান্তের ফ্লাডলাইট বন্ধ করে বিএসএফ ওই ব্যক্তিদের অন্যত্র নিয়ে যায়। তবে বর্তমানে তারা কোথায় অবস্থান করছেন, সে বিষয়ে নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
স্থানীয় সূত্র জানায়, গত শুক্রবার ভোরে পঞ্চগড় সদর উপজেলার হাড়িভাসা ইউনিয়নের বড়বাড়ি সীমান্ত দিয়ে তিন শিশু, দুই নারী ও পাঁচ পুরুষকে বাংলাদেশে প্রবেশ করানোর চেষ্টা করে বিএসএফ। বিজিবির বাধার মুখে তারা বাংলাদেশে ঢুকতে না পেরে ভারতীয় অংশের শূন্যরেখার কাছে অবস্থান নিতে বাধ্য হন।
তিন দিন ধরে খোলা আকাশের নিচে অবস্থানকালে রোদ, বৃষ্টি ও খাদ্যসংকটের মধ্যে মানবেতর জীবনযাপন করতে হয় তাদের। নারী ও শিশুরা সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েন। বিষয়টি সীমান্তবর্তী এলাকায়ও উদ্বেগের সৃষ্টি করে।
রোববার দুপুরে বিএসএফ আবারও ওই ১০ জনকে বাংলাদেশের দিকে পাঠানোর চেষ্টা করলে বিজিবি বাধা দেয়। এ সময় সীমান্তে দুই বাহিনীর মধ্যে উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। পরে বিএসএফ পিছু হটলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।
সম্ভাব্য অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি মোকাবিলায় সীমান্ত এলাকায় অতিরিক্ত বিজিবি সদস্য মোতায়েন করা হয়। বিজিবির ঘাগড়া কোম্পানি কমান্ডার সুবেদার আজাদ বলেন, সীমান্তে বিজিবি সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে এবং যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুত আছে।
এর আগে শুক্রবার কোম্পানি কমান্ডার পর্যায়ে এবং শনিবার ব্যাটালিয়ন কমান্ডার পর্যায়ে বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে পৃথক পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। তবে এসব বৈঠকে কোনো সমাধান হয়নি। বিজিবির দাবি, আলোচনায় বিএসএফ আটকে থাকা ব্যক্তিদের নিজেদের হেফাজতে ফিরিয়ে নিতে রাজি হয়নি।
সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে পুশইনের একাধিক অভিযোগের মধ্যে বড়বাড়ি সীমান্তের ঘটনাটি নতুন করে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। সীমান্ত পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে বিজিবি।
রাজনীতি/আরআইআর

বাংলাদেশে পুশ-ইনের চেষ্টা ব্যর্থ হওয়ার পর পঞ্চগড়ের বড়বাড়ি সীমান্তে শূন্যরেখার কাছে তিনদিন ধরে অবস্থান করা ১০ জনকে সরিয়ে নিয়েছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। তাদের মধ্যে নারী, পুরুষ ও শিশু রয়েছেন। গত
রোববার (৮ জুন) বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) জানিয়েছে, দিনগত রাত আড়াইটার দিকে সীমান্তের ফ্লাডলাইট বন্ধ করে বিএসএফ ওই ব্যক্তিদের অন্যত্র নিয়ে যায়। তবে বর্তমানে তারা কোথায় অবস্থান করছেন, সে বিষয়ে নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
স্থানীয় সূত্র জানায়, গত শুক্রবার ভোরে পঞ্চগড় সদর উপজেলার হাড়িভাসা ইউনিয়নের বড়বাড়ি সীমান্ত দিয়ে তিন শিশু, দুই নারী ও পাঁচ পুরুষকে বাংলাদেশে প্রবেশ করানোর চেষ্টা করে বিএসএফ। বিজিবির বাধার মুখে তারা বাংলাদেশে ঢুকতে না পেরে ভারতীয় অংশের শূন্যরেখার কাছে অবস্থান নিতে বাধ্য হন।
তিন দিন ধরে খোলা আকাশের নিচে অবস্থানকালে রোদ, বৃষ্টি ও খাদ্যসংকটের মধ্যে মানবেতর জীবনযাপন করতে হয় তাদের। নারী ও শিশুরা সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েন। বিষয়টি সীমান্তবর্তী এলাকায়ও উদ্বেগের সৃষ্টি করে।
রোববার দুপুরে বিএসএফ আবারও ওই ১০ জনকে বাংলাদেশের দিকে পাঠানোর চেষ্টা করলে বিজিবি বাধা দেয়। এ সময় সীমান্তে দুই বাহিনীর মধ্যে উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। পরে বিএসএফ পিছু হটলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।
সম্ভাব্য অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি মোকাবিলায় সীমান্ত এলাকায় অতিরিক্ত বিজিবি সদস্য মোতায়েন করা হয়। বিজিবির ঘাগড়া কোম্পানি কমান্ডার সুবেদার আজাদ বলেন, সীমান্তে বিজিবি সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে এবং যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুত আছে।
এর আগে শুক্রবার কোম্পানি কমান্ডার পর্যায়ে এবং শনিবার ব্যাটালিয়ন কমান্ডার পর্যায়ে বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে পৃথক পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। তবে এসব বৈঠকে কোনো সমাধান হয়নি। বিজিবির দাবি, আলোচনায় বিএসএফ আটকে থাকা ব্যক্তিদের নিজেদের হেফাজতে ফিরিয়ে নিতে রাজি হয়নি।
সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে পুশইনের একাধিক অভিযোগের মধ্যে বড়বাড়ি সীমান্তের ঘটনাটি নতুন করে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। সীমান্ত পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে বিজিবি।
রাজনীতি/আরআইআর

সকালে বুড়িচং উপজেলার বালিখাড়া, ভান্তি ও কামারখাড়া এলাকায় সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, চরাঞ্চলের শত শত একর সবজি ক্ষেত পানির নিচে তলিয়ে গেছে। পানির ওপর ভেসে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের শাকসবজি। লোকসান কিছুটা কমাতে স্থানীয় কৃষকদের কোমর সমান পানিতে নেমে অপরিপক্ব ফসল কেটে ঘরে তোলার আপ্রাণ চেষ্টা করতে দেখা গেছে।
১ দিন আগে
রাতের আঁধারে প্রবল স্রোতে নদীর পানি লোকালয়ে প্রবেশ করতে শুরু করলে মুহূর্তের মধ্যে ইসলামপুর, মাধবপুর ও আদমপুর ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়। এতে মোখাবিল, গোলের হাওর, ভান্ডারিগাঁও, গঙ্গানগর, কোনাগাঁও, বেরীগাঁও, শ্রীপুর, পাতারিগাঁও, কালারায়বিল, আধকানী, ছনগাঁও, বন্দেরগাঁও, তেইতইগাঁও, ভানুবিল ও ঘোর
১ দিন আগে
ভুক্তভোগী সদরঞ্জন দাস জানান, তিনি সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলার যাত্রাপুর গ্রাম থেকে অন্য এক ব্যক্তিসহ নৌকায় করে হাঁসের বাচ্চা কিনতে কিশোরগঞ্জের তাড়াইল উপজেলার দামিহা এলাকায় যাচ্ছিলেন। পথে বর্শিকুড়া-শেরপুর সেতু সংলগ্ন এলাকায় পৌঁছালে মাথায় হেলমেট পরিহিত সাতজনের একটি সশস্ত্র দল দেশীয় অস্ত্রের মুখে তাদের
১ দিন আগে
টানা কয়েক দিনের ভারী বৃষ্টিতে বান্দরবানের বিভিন্ন নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। সাঙ্গু নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় শহরের একাধিক এলাকায় পানি ঢুকে পড়েছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় জেলার সাত উপজেলায় ২২০টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে।
২ দিন আগে