
দিনাজপুর প্রতিনিধি

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনকারীদের ওপর হামলা, গুলি বর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় করা মামলায় ছাত্রলীগের সাত নেতাকর্মীকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। রোববার (২৭ অক্টোবর) বিকেলে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়।
এর আগে শনিবার (২৬ অক্টোবর) থেকে রোববার সকাল পর্যন্ত জেলার বিভিন্ন স্থান থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- দিনাজপুর সরকারি কলেজ ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি সাব্বির আহমেদ সুজন, সদরের ৯ নম্বর আস্করপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান জিয়াউর রহমান, চেহেলগাজী ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি জীবন হোসেন, যুবলীগ কর্মী আল মামুন প্রিন্স, কৃষক লীগের মমিনুল ইসলাম, ঘোড়াঘাট উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান ও খালিদী।
পুলিশ জানায়, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে গত জুলাই ও আগস্ট মাসে আসামিরা ছাত্র-জনতার ওপর অস্ত্রসহ হামলা করেন। এছাড়া ছাত্র-জনতার ওপর হামলা, মারধর, গুলি বর্ষণ করেন তারা। এতে করে বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী গুলিবিদ্ধ ও আহত হন। তাদের মধ্যে গুলিবিদ্ধ রবিউল ইসলাম রাহুল নামে এক শিক্ষার্থী চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন। এছাড়া হাকিমপুরে দুই শিক্ষার্থীকে পুড়িয়ে হত্যার ঘটনা ঘটে। এসব ঘটনায় বেশ কয়েকটি মামলা হয়েছে জেলার বিভিন্ন থানায়। এসব মামলায় অভিযান চালিয়ে এ সাতজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে অন্য আসামিদেরও গ্রেপ্তার করা হবে।
দিনাজপুর কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মতিউর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনকারীদের ওপর হামলা, গুলি বর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় করা মামলায় ছাত্রলীগের সাত নেতাকর্মীকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। রোববার (২৭ অক্টোবর) বিকেলে তাদের কারাগারে পাঠানো হয়।
এর আগে শনিবার (২৬ অক্টোবর) থেকে রোববার সকাল পর্যন্ত জেলার বিভিন্ন স্থান থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- দিনাজপুর সরকারি কলেজ ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি সাব্বির আহমেদ সুজন, সদরের ৯ নম্বর আস্করপুর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান জিয়াউর রহমান, চেহেলগাজী ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি জীবন হোসেন, যুবলীগ কর্মী আল মামুন প্রিন্স, কৃষক লীগের মমিনুল ইসলাম, ঘোড়াঘাট উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান ও খালিদী।
পুলিশ জানায়, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে গত জুলাই ও আগস্ট মাসে আসামিরা ছাত্র-জনতার ওপর অস্ত্রসহ হামলা করেন। এছাড়া ছাত্র-জনতার ওপর হামলা, মারধর, গুলি বর্ষণ করেন তারা। এতে করে বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী গুলিবিদ্ধ ও আহত হন। তাদের মধ্যে গুলিবিদ্ধ রবিউল ইসলাম রাহুল নামে এক শিক্ষার্থী চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন। এছাড়া হাকিমপুরে দুই শিক্ষার্থীকে পুড়িয়ে হত্যার ঘটনা ঘটে। এসব ঘটনায় বেশ কয়েকটি মামলা হয়েছে জেলার বিভিন্ন থানায়। এসব মামলায় অভিযান চালিয়ে এ সাতজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে অন্য আসামিদেরও গ্রেপ্তার করা হবে।
দিনাজপুর কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মতিউর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

শনিবার (২০ জুন) সকালে উপজেলার টেলকি জলই এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে । নিহতরা হলেন জলই গ্রামের বাবুল হাদিমা (৪৮), তার ১০ বছর বয়সী ছেলে নেইমার ম্রং, রতন নকরেক (২৪) ও গাবরিয়েল নকরেক (৩২)। তারা সবাই ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সম্প্রদায়ের সদস্য।
২১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে ওই চারজন আন্তর্জাতিক সীমান্ত পিলার ১৫ ও ১৬-এর মধ্যবর্তী এলাকায় নো-ম্যানস ল্যান্ডে অবস্থান করছেন। তাদের মধ্যে একজন পুরুষ ও তিনজন নারী রয়েছেন বলে জানা গেছে। তবে এখন পর্যন্ত তাদের পরিচয় বা জাতীয়তা সম্পর্কে কোনো ধারণা পাওয়া যায়নি।
২ দিন আগে
স্থানীয়রা বলছেন, রৌমারীর গয়টাপাড়া সীমান্তে ছয়জন ও ইজলামারী ভন্দুরচর সীমান্তে তিনজনকে বুধবার (১৭ জুন) রাত পর্যন্ত অবস্থান করতে দেখা গেছে। তবে বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সকাল থেকে দুই শিশুসহ চারজনকে আর সেখানে দেখা যায়নি।
৩ দিন আগে
সুনামগঞ্জে প্রায় এক হাজার পিস ইয়াবাসহ ‘জুলাই যোদ্ধা’ পরিচয় দেওয়া নাজমুল হাসান হিমেল নামে এক তরুণকে আটক করে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছেন স্থানীয়রা। পরে পুলিশ তাকে মাদক মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছে। তাহিরপুর উপজেলার সীমান্তবর্তী গ্রাম পুরান লাউড়েরগড়ে এ ঘটনা ঘটে।
৩ দিন আগে