
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলায় যুবদলের কর্মীসভায় ককটেল বিস্ফোরণের অভিযোগে দায়ের হাওয়া মামলায় দুই আওয়ামী লীগে নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (৫ নভেম্বর) ভোরের দিকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয় বলে জানিয়েছেন বোদা থানার ওসি মো. আজিম উদ্দিন।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- উপজেলার চন্দনবাড়ি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাইদুল হাসান হিরু (৪০) ও বোদা পৌর আওয়ামী লীগের সদস্য জুয়েল ইসলাম।
এলাকাবাসী জানানা, গতকাল সোমবার (৪ নভেম্বর) রাতে উপজেলার বেংহারি বনগ্রাম ইউনিয়নের মানিকপীর বেংহারী ফাজিল মাদরাসা মাঠে যুবদলের কর্মীসভা চলছিল। সেসময় সেখানে তিনটি ককটের বিস্ফোরিত হয়। এতে বিএনপি ও যুবদলের তিন নেতাকর্মী আহত হন। পরে মাঠের পাশ থেকে অবিস্ফোরিত চারটি ককটেল উদ্ধার করে পুলিশ। রাতেই বেংহারী বনগ্রাম ইউনিয়ন বিএনপির দপ্তর সম্পাদক সোহাগ হোসেন বাদী হয়ে বোদা থানায় মামলা করেন।
পুলিশ জানায়, গতকাল রাতে মানিকপীর বেংহারী ফাজিল মাদরাসা মাঠে যুবদলের কর্মীসভা চলছিল। মাদরাসার অধ্যক্ষের কক্ষের পাশে টিনের বেড়ার পেছন থেকে কে বা কারা কর্মীসভা লক্ষ্য করে তিনটি ককটেল নিক্ষেপ করে। ককটেলগুলো গাছে লেগে বিস্ফোরিত হয়। এতে বেংহারী বনগ্রাম ইউনিয়ন বিএনপির দপ্তর সম্পাদক ও মামলা বাদী সোহাগ হোসেন (২০), ইউনিয়ন যুবদল কর্মী জাহাঙ্গীর আলম (৩২) ও বাবু (৩৫) আহত হন। পরে তাদের বোদা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।
বোদা থানার ওসি মো. আজিম উদ্দিন জানান, ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় ৮৪ জনের নাম উল্লেখ করে ও অজ্ঞাতনামা ২০০ থেকে ২৫০ জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলায় যুবদলের কর্মীসভায় ককটেল বিস্ফোরণের অভিযোগে দায়ের হাওয়া মামলায় দুই আওয়ামী লীগে নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (৫ নভেম্বর) ভোরের দিকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয় বলে জানিয়েছেন বোদা থানার ওসি মো. আজিম উদ্দিন।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- উপজেলার চন্দনবাড়ি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাইদুল হাসান হিরু (৪০) ও বোদা পৌর আওয়ামী লীগের সদস্য জুয়েল ইসলাম।
এলাকাবাসী জানানা, গতকাল সোমবার (৪ নভেম্বর) রাতে উপজেলার বেংহারি বনগ্রাম ইউনিয়নের মানিকপীর বেংহারী ফাজিল মাদরাসা মাঠে যুবদলের কর্মীসভা চলছিল। সেসময় সেখানে তিনটি ককটের বিস্ফোরিত হয়। এতে বিএনপি ও যুবদলের তিন নেতাকর্মী আহত হন। পরে মাঠের পাশ থেকে অবিস্ফোরিত চারটি ককটেল উদ্ধার করে পুলিশ। রাতেই বেংহারী বনগ্রাম ইউনিয়ন বিএনপির দপ্তর সম্পাদক সোহাগ হোসেন বাদী হয়ে বোদা থানায় মামলা করেন।
পুলিশ জানায়, গতকাল রাতে মানিকপীর বেংহারী ফাজিল মাদরাসা মাঠে যুবদলের কর্মীসভা চলছিল। মাদরাসার অধ্যক্ষের কক্ষের পাশে টিনের বেড়ার পেছন থেকে কে বা কারা কর্মীসভা লক্ষ্য করে তিনটি ককটেল নিক্ষেপ করে। ককটেলগুলো গাছে লেগে বিস্ফোরিত হয়। এতে বেংহারী বনগ্রাম ইউনিয়ন বিএনপির দপ্তর সম্পাদক ও মামলা বাদী সোহাগ হোসেন (২০), ইউনিয়ন যুবদল কর্মী জাহাঙ্গীর আলম (৩২) ও বাবু (৩৫) আহত হন। পরে তাদের বোদা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।
বোদা থানার ওসি মো. আজিম উদ্দিন জানান, ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় ৮৪ জনের নাম উল্লেখ করে ও অজ্ঞাতনামা ২০০ থেকে ২৫০ জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

শনিবার (২০ জুন) সকালে উপজেলার টেলকি জলই এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে । নিহতরা হলেন জলই গ্রামের বাবুল হাদিমা (৪৮), তার ১০ বছর বয়সী ছেলে নেইমার ম্রং, রতন নকরেক (২৪) ও গাবরিয়েল নকরেক (৩২)। তারা সবাই ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সম্প্রদায়ের সদস্য।
২১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে ওই চারজন আন্তর্জাতিক সীমান্ত পিলার ১৫ ও ১৬-এর মধ্যবর্তী এলাকায় নো-ম্যানস ল্যান্ডে অবস্থান করছেন। তাদের মধ্যে একজন পুরুষ ও তিনজন নারী রয়েছেন বলে জানা গেছে। তবে এখন পর্যন্ত তাদের পরিচয় বা জাতীয়তা সম্পর্কে কোনো ধারণা পাওয়া যায়নি।
২ দিন আগে
স্থানীয়রা বলছেন, রৌমারীর গয়টাপাড়া সীমান্তে ছয়জন ও ইজলামারী ভন্দুরচর সীমান্তে তিনজনকে বুধবার (১৭ জুন) রাত পর্যন্ত অবস্থান করতে দেখা গেছে। তবে বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সকাল থেকে দুই শিশুসহ চারজনকে আর সেখানে দেখা যায়নি।
৩ দিন আগে
সুনামগঞ্জে প্রায় এক হাজার পিস ইয়াবাসহ ‘জুলাই যোদ্ধা’ পরিচয় দেওয়া নাজমুল হাসান হিমেল নামে এক তরুণকে আটক করে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছেন স্থানীয়রা। পরে পুলিশ তাকে মাদক মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছে। তাহিরপুর উপজেলার সীমান্তবর্তী গ্রাম পুরান লাউড়েরগড়ে এ ঘটনা ঘটে।
৩ দিন আগে