
পটুয়াখালী প্রতিনিধি

পটুয়াখালী জেলা বিএনপির বহুদিনের অভ্যন্তরীণ বিরোধ নতুন করে প্রকাশ্যে এসেছে। পটুয়াখালী–১ আসনে বিএনপির দলীয় মনোনীত প্রার্থী আলতাফ হোসেন চৌধুরীর সাম্প্রতিক মন্তব্যকে কেন্দ্র করে জেলা বিএনপির দুই পক্ষ এখন প্রকাশ্যে মুখোমুখি। পাল্টাপাল্টি সংবাদ সম্মেলনে এক পক্ষ অপর পক্ষের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ তুলছেন, এতে তৃণমূলে অসন্তোষ বাড়ছে। নেতাকর্মীদের আশঙ্কা, এই বিরোধ জাতীয় নির্বাচনে বিরূপ প্রভাব ফেলতে পারে।
দীর্ঘদিন ধরেই জেলা বিএনপিতে অভ্যন্তরীণ বিরোধ চলে আসছিল। গত ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর দল পুনর্গঠনের তেমন কোনো কার্যক্রম দৃশ্যমান না হলেও, জাতীয় নির্বাচনে আলতাফ হোসেন চৌধুরী মনোনয়ন পাওয়ার পর পুরোনো বিরোধ আবার জেগে ওঠে।
এরই ধারাবাহিকতায় ২৬ নভেম্বর সদর উপজেলার বদরপুর ইউনিয়নের এক সভায় আলতাফ চৌধুরীর বক্তব্যকে ঘিরে দুই পক্ষের সম্পর্ক আরও তিক্ত হয়ে ওঠে। জেলা বিএনপির দাবি—সভায় আলতাফ চৌধুরী জেলা নেতৃত্বকে উদ্দেশে ‘অশোভন ও দায়িত্বহীন’ মন্তব্য করেন।
বৃহস্পতিবার বিকেলে শহরের দলীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করেন জেলা বিএনপির সভাপতি স্নেহাংশু সরকার কুট্টি ও সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মো. মজিবুর রহমান টোটন।
লিখিত বক্তব্যে টোটন বলেন, আলতাফ চৌধুরী সভায় ‘চোরায় না শোনে ধর্মের কাহিনী’, ‘জেলা কমিটি ফ্রিজ হয়ে গেছে’ এবং নির্বাচনী প্রস্তুতিতে ‘১০০ কোটি টাকার বাজেট’–এমন মন্তব্য করেছেন, যা তিনি ‘ভিত্তিহীন, অশোভন ও দায়িত্বহীন’ বলে দাবি করেন।
এ সময় দলটির নেতারা আরও বলেন, মনোনয়ন ঘোষণার আগ থেকেই তিন উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে ধানের শীষের পক্ষে ধারাবাহিক প্রচারণা চালানো হয়েছে। তাই ‘উদাসীনতার’ অভিযোগ সত্য নয়। মনোনয়ন পাওয়ার পর প্রার্থী স্থানীয় নেতৃত্বের সঙ্গে আলোচনা না করেই নিজ বাসা থেকে নির্বাচনী কার্যক্রম পরিচালনা করছেন বলেও অভিযোগ করা হয়।
তাদের দাবি, এমন একজনকে প্রধান নির্বাচনী সমন্বয়কারী করা হয়েছে, যিনি এখন দলীয় কোনো পদে নেই এবং সাম্প্রতিক আন্দোলনেও সক্রিয় ছিলেন না। এতে ত্যাগী কর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে।
এ অভিযোগের জবাব দিতে শুক্রবার বিকেলে প্রার্থীর বাসভবন সুরাইয়া ভিলায় সংবাদ সম্মেলন করেন প্রধান নির্বাচন সমন্বয়কারী মাকসুদ আহমেদ বায়েজিদ পান্না মিয়া।
লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, জেলা বিএনপি সভাপতি স্নেহাংশু সরকার কুট্টি ও সাধারণ সম্পাদক টোটনের অভিযোগ ‘মিথ্যা, বানোয়াট ও বিভ্রান্তিকর’। তাকে ‘পদবিহীন’ বা ‘আন্দোলনে অনুপস্থিত’ বলা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলেও দাবি করেন তিনি।
তিনি জানান, অতীতে যুবদল ও বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ে তিনি সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন।
পান্না মিয়া অভিযোগ করেন, মনোনয়ন পাওয়ার পর ৪ নভেম্বর জেলা বিএনপি সভাপতির আমন্ত্রণে প্রার্থী তাঁর ব্যবসায়িক কার্যালয়ে গেলেও যথাযথ সম্মান দেয়া হয়নি। তিনি প্রশ্ন তোলেন— ‘জেলা কার্যালয় থাকতে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক ব্যবসায়িক অফিসে কেন?’
তিনি আরও দাবি করেন, কুট্টির রাজনৈতিক আচরণের কারণে ২০০২ সালে তিনি বহিষ্কৃত হয়েছিলেন। এছাড়া মোশতাক আহমেদ পিনু অতীতে আওয়ামী লীগে যোগ দিয়ে মেয়র হয়েছিলেন এবং অ্যাডভোকেট টোটন ছিলেন ১/১১–এর ‘সুবিধাভোগী’—এমন অভিযোগও তোলেন তিনি।
তৃণমূল নেতাকর্মীরা বলছেন, নির্বাচনের আগমুহূর্তে নিজেদের মধ্যে এমন প্রকাশ্য বিরোধে দলীয় মনোবল ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। তাঁদের আশঙ্কা, এই কোন্দল জাতীয় নির্বাচনে বিএনপির সম্ভাবনায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

পটুয়াখালী জেলা বিএনপির বহুদিনের অভ্যন্তরীণ বিরোধ নতুন করে প্রকাশ্যে এসেছে। পটুয়াখালী–১ আসনে বিএনপির দলীয় মনোনীত প্রার্থী আলতাফ হোসেন চৌধুরীর সাম্প্রতিক মন্তব্যকে কেন্দ্র করে জেলা বিএনপির দুই পক্ষ এখন প্রকাশ্যে মুখোমুখি। পাল্টাপাল্টি সংবাদ সম্মেলনে এক পক্ষ অপর পক্ষের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ তুলছেন, এতে তৃণমূলে অসন্তোষ বাড়ছে। নেতাকর্মীদের আশঙ্কা, এই বিরোধ জাতীয় নির্বাচনে বিরূপ প্রভাব ফেলতে পারে।
দীর্ঘদিন ধরেই জেলা বিএনপিতে অভ্যন্তরীণ বিরোধ চলে আসছিল। গত ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর দল পুনর্গঠনের তেমন কোনো কার্যক্রম দৃশ্যমান না হলেও, জাতীয় নির্বাচনে আলতাফ হোসেন চৌধুরী মনোনয়ন পাওয়ার পর পুরোনো বিরোধ আবার জেগে ওঠে।
এরই ধারাবাহিকতায় ২৬ নভেম্বর সদর উপজেলার বদরপুর ইউনিয়নের এক সভায় আলতাফ চৌধুরীর বক্তব্যকে ঘিরে দুই পক্ষের সম্পর্ক আরও তিক্ত হয়ে ওঠে। জেলা বিএনপির দাবি—সভায় আলতাফ চৌধুরী জেলা নেতৃত্বকে উদ্দেশে ‘অশোভন ও দায়িত্বহীন’ মন্তব্য করেন।
বৃহস্পতিবার বিকেলে শহরের দলীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করেন জেলা বিএনপির সভাপতি স্নেহাংশু সরকার কুট্টি ও সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মো. মজিবুর রহমান টোটন।
লিখিত বক্তব্যে টোটন বলেন, আলতাফ চৌধুরী সভায় ‘চোরায় না শোনে ধর্মের কাহিনী’, ‘জেলা কমিটি ফ্রিজ হয়ে গেছে’ এবং নির্বাচনী প্রস্তুতিতে ‘১০০ কোটি টাকার বাজেট’–এমন মন্তব্য করেছেন, যা তিনি ‘ভিত্তিহীন, অশোভন ও দায়িত্বহীন’ বলে দাবি করেন।
এ সময় দলটির নেতারা আরও বলেন, মনোনয়ন ঘোষণার আগ থেকেই তিন উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ে ধানের শীষের পক্ষে ধারাবাহিক প্রচারণা চালানো হয়েছে। তাই ‘উদাসীনতার’ অভিযোগ সত্য নয়। মনোনয়ন পাওয়ার পর প্রার্থী স্থানীয় নেতৃত্বের সঙ্গে আলোচনা না করেই নিজ বাসা থেকে নির্বাচনী কার্যক্রম পরিচালনা করছেন বলেও অভিযোগ করা হয়।
তাদের দাবি, এমন একজনকে প্রধান নির্বাচনী সমন্বয়কারী করা হয়েছে, যিনি এখন দলীয় কোনো পদে নেই এবং সাম্প্রতিক আন্দোলনেও সক্রিয় ছিলেন না। এতে ত্যাগী কর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে।
এ অভিযোগের জবাব দিতে শুক্রবার বিকেলে প্রার্থীর বাসভবন সুরাইয়া ভিলায় সংবাদ সম্মেলন করেন প্রধান নির্বাচন সমন্বয়কারী মাকসুদ আহমেদ বায়েজিদ পান্না মিয়া।
লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, জেলা বিএনপি সভাপতি স্নেহাংশু সরকার কুট্টি ও সাধারণ সম্পাদক টোটনের অভিযোগ ‘মিথ্যা, বানোয়াট ও বিভ্রান্তিকর’। তাকে ‘পদবিহীন’ বা ‘আন্দোলনে অনুপস্থিত’ বলা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলেও দাবি করেন তিনি।
তিনি জানান, অতীতে যুবদল ও বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ে তিনি সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন।
পান্না মিয়া অভিযোগ করেন, মনোনয়ন পাওয়ার পর ৪ নভেম্বর জেলা বিএনপি সভাপতির আমন্ত্রণে প্রার্থী তাঁর ব্যবসায়িক কার্যালয়ে গেলেও যথাযথ সম্মান দেয়া হয়নি। তিনি প্রশ্ন তোলেন— ‘জেলা কার্যালয় থাকতে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক ব্যবসায়িক অফিসে কেন?’
তিনি আরও দাবি করেন, কুট্টির রাজনৈতিক আচরণের কারণে ২০০২ সালে তিনি বহিষ্কৃত হয়েছিলেন। এছাড়া মোশতাক আহমেদ পিনু অতীতে আওয়ামী লীগে যোগ দিয়ে মেয়র হয়েছিলেন এবং অ্যাডভোকেট টোটন ছিলেন ১/১১–এর ‘সুবিধাভোগী’—এমন অভিযোগও তোলেন তিনি।
তৃণমূল নেতাকর্মীরা বলছেন, নির্বাচনের আগমুহূর্তে নিজেদের মধ্যে এমন প্রকাশ্য বিরোধে দলীয় মনোবল ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। তাঁদের আশঙ্কা, এই কোন্দল জাতীয় নির্বাচনে বিএনপির সম্ভাবনায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

হত্যাকাণ্ডের সময় আবুল মৃধা ও তার দুই সন্তান আলী হোসেন ও মোহাম্মদ মিয়া একই ঘরে ছিলেন। তবে ঘটনার সঠিক কারণ এখনও জানা যায়নি। পুলিশ হত্যার কারণ অনুসন্ধানে কাজ করছে।
২০ ঘণ্টা আগে
আগুনে দলীয় কার্যালয়ে থাকা জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার ছবি সংবলিত ব্যানার, সাইনবোর্ডসহ অফিসের দরজা-জানালা ও আসবাবপত্র ভস্মীভূত হয়।
২০ ঘণ্টা আগে
রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়েছে বলে সাংবাদিকদের জানিয়েছেন রংপুর কেন্দ্রীয় কারাগারের জ্যেষ্ঠ জেল সুপার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অভিজিত চৌধুরী।
১ দিন আগে
তারা বলেন, একজন সাধারণ গৃহিণী থেকে রাষ্ট্রনায়কে পরিণত হওয়ার যে অনন্য ইতিহাস, বেগম খালেদা জিয়া তা নিজের জীবন দিয়ে রচনা করে গেছেন। তিনি ক্ষমতার মোহে রাজনীতিতে আসেননি; ইতিহাসের নির্মম ডাকেই তাঁকে নেতৃত্বের ভার কাঁধে তুলে নিতে হয়েছিল। স্বামী শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে হারানোর শোক তাঁকে ভেঙে দেয়নি, ব
১ দিন আগে