
মাদারীপুর প্রতিনিধি

মাদারীপুরে আধিপত্য বিস্তারের জেরে আবারও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। রোববার (৯ মার্চ) রাতে টর্চ লাইট জ্বালিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে প্রায় চার ঘণ্টা ধরে সংঘর্ষ এবং এতে শতাধিক হাতবোমা বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে।
মাদারীপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম আজাদ জানান, রাত ৯টা থেকে রাত ১টা পর্যন্ত পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের নতুন মাদারীপুর এলাকায় এ সংঘর্ষ চলে। সংঘর্ষের সময় হামলার ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
পুলিশ ও স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, মাদারীপুর পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর মনিরুজ্জামান হাওলাদার ও তার ভাই লিটন হাওলাদার এবং মাদারীপুর সদর উপজেলা শ্রমিকদলের একাংশের সভাপতি নিহত শাকিল মুন্সির ভাই হাসান মুন্সি ও তার পক্ষের আলামিন চৌকিদার গ্রুপের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে আধিপত্য নিয়ে বিরোধ চলছে।
স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, মাদারীপুর পৌর আওয়ামী লীগের একাংশের সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান হাওলাদারের ছোট ভাই যুবলীগ কর্মী লিটন হাওলাদারকে ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে মাদারীপুর পৌর শ্রমিক দলের সভাপতি করা হয়।
এই কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে সদর উপজেলা শ্রমিক দলের একাংশের সভাপতি শাকিল মুন্সির সঙ্গে মনিরুজ্জামান ও লিটনের দ্বন্দ্ব সৃষ্টি হয়। এ ছাড়া এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে একই এলাকার রুবেল হাওলাদারের পরিবারের সঙ্গে মনিরুজ্জামানের বিরোধ ছিল।
বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে হত্যার মামলায় আওয়ামী লীগ নেতা মনিরুজ্জামান দীর্ঘদিন কারাগারে ছিলেন। ২০২৫ সালের ২৩ মার্চ তার জামিন শুনানির দিন সমর্থকরা ধারণা করেছিলেন, তিনি মুক্তি পাবেন। দুপুরে আদালত চত্বরে তাকে বরণ করতে গিয়ে শাকিল মুন্সির পক্ষের সঙ্গে আক্তারের সমর্থকদের পালটাপালটি ধাওয়াসহ সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষের পর বিকালে পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হয়।
কিন্তু রাতেই শাকিল মুন্সিকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করা হয়। তার পরিবার দাবি করে, লিটন হাওলাদার, আলামিন হাওলাদার, জাহাঙ্গীর হাওলাদারসহ কয়েক হামলা চালিয়ে শাকিলকে কুপিয়ে জখম করেছে। পরে হাসপাতাল ভর্তি অবস্থায় তিনি মারা যান। এরপর থেকেই দুই পক্ষের মধ্যে আধিপত্য নিয়ে গত এক বছরে দশবারের বেশি সংঘর্ষ হয়েছে।
গতকাল রোববার রাতের সংঘর্ষের বিষয়ে মাদারীপুর সদর থানার ওসি আবুল কালাম আজাদ বলেন, এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি চলছে। এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। তিনি আরও জানান, আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে এলাকায় প্রায়ই এই দুই পক্ষের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটছে।

মাদারীপুরে আধিপত্য বিস্তারের জেরে আবারও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। রোববার (৯ মার্চ) রাতে টর্চ লাইট জ্বালিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে প্রায় চার ঘণ্টা ধরে সংঘর্ষ এবং এতে শতাধিক হাতবোমা বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে।
মাদারীপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম আজাদ জানান, রাত ৯টা থেকে রাত ১টা পর্যন্ত পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের নতুন মাদারীপুর এলাকায় এ সংঘর্ষ চলে। সংঘর্ষের সময় হামলার ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
পুলিশ ও স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, মাদারীপুর পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর মনিরুজ্জামান হাওলাদার ও তার ভাই লিটন হাওলাদার এবং মাদারীপুর সদর উপজেলা শ্রমিকদলের একাংশের সভাপতি নিহত শাকিল মুন্সির ভাই হাসান মুন্সি ও তার পক্ষের আলামিন চৌকিদার গ্রুপের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে আধিপত্য নিয়ে বিরোধ চলছে।
স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, মাদারীপুর পৌর আওয়ামী লীগের একাংশের সাধারণ সম্পাদক মনিরুজ্জামান হাওলাদারের ছোট ভাই যুবলীগ কর্মী লিটন হাওলাদারকে ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে মাদারীপুর পৌর শ্রমিক দলের সভাপতি করা হয়।
এই কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে সদর উপজেলা শ্রমিক দলের একাংশের সভাপতি শাকিল মুন্সির সঙ্গে মনিরুজ্জামান ও লিটনের দ্বন্দ্ব সৃষ্টি হয়। এ ছাড়া এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে একই এলাকার রুবেল হাওলাদারের পরিবারের সঙ্গে মনিরুজ্জামানের বিরোধ ছিল।
বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে হত্যার মামলায় আওয়ামী লীগ নেতা মনিরুজ্জামান দীর্ঘদিন কারাগারে ছিলেন। ২০২৫ সালের ২৩ মার্চ তার জামিন শুনানির দিন সমর্থকরা ধারণা করেছিলেন, তিনি মুক্তি পাবেন। দুপুরে আদালত চত্বরে তাকে বরণ করতে গিয়ে শাকিল মুন্সির পক্ষের সঙ্গে আক্তারের সমর্থকদের পালটাপালটি ধাওয়াসহ সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষের পর বিকালে পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হয়।
কিন্তু রাতেই শাকিল মুন্সিকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করা হয়। তার পরিবার দাবি করে, লিটন হাওলাদার, আলামিন হাওলাদার, জাহাঙ্গীর হাওলাদারসহ কয়েক হামলা চালিয়ে শাকিলকে কুপিয়ে জখম করেছে। পরে হাসপাতাল ভর্তি অবস্থায় তিনি মারা যান। এরপর থেকেই দুই পক্ষের মধ্যে আধিপত্য নিয়ে গত এক বছরে দশবারের বেশি সংঘর্ষ হয়েছে।
গতকাল রোববার রাতের সংঘর্ষের বিষয়ে মাদারীপুর সদর থানার ওসি আবুল কালাম আজাদ বলেন, এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি চলছে। এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। তিনি আরও জানান, আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে এলাকায় প্রায়ই এই দুই পক্ষের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটছে।

বৃহস্পতিবার স্থানীয়ভাবে গুজব ছড়িয়ে পড়ে, রিয়াজ মারা মারা গেছেন। এতে তার স্বজনসহ স্থানীয়রা ক্ষুব্ধ হয়ে থানায় হামলা চালান। প্রায় শতাধিক মানুষের হামলায় পুলিশ সদস্যরা কোণঠাসা হয়ে পড়েন। এ সময় হামলাকারীরা থানায় কর্তব্যরত সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আবদুল হালিমকে মারধর করেন।
২১ ঘণ্টা আগে
সকালে বুড়িচং উপজেলার বালিখাড়া, ভান্তি ও কামারখাড়া এলাকায় সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, চরাঞ্চলের শত শত একর সবজি ক্ষেত পানির নিচে তলিয়ে গেছে। পানির ওপর ভেসে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের শাকসবজি। লোকসান কিছুটা কমাতে স্থানীয় কৃষকদের কোমর সমান পানিতে নেমে অপরিপক্ব ফসল কেটে ঘরে তোলার আপ্রাণ চেষ্টা করতে দেখা গেছে।
১ দিন আগে
রাতের আঁধারে প্রবল স্রোতে নদীর পানি লোকালয়ে প্রবেশ করতে শুরু করলে মুহূর্তের মধ্যে ইসলামপুর, মাধবপুর ও আদমপুর ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়। এতে মোখাবিল, গোলের হাওর, ভান্ডারিগাঁও, গঙ্গানগর, কোনাগাঁও, বেরীগাঁও, শ্রীপুর, পাতারিগাঁও, কালারায়বিল, আধকানী, ছনগাঁও, বন্দেরগাঁও, তেইতইগাঁও, ভানুবিল ও ঘোর
১ দিন আগে
ভুক্তভোগী সদরঞ্জন দাস জানান, তিনি সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলার যাত্রাপুর গ্রাম থেকে অন্য এক ব্যক্তিসহ নৌকায় করে হাঁসের বাচ্চা কিনতে কিশোরগঞ্জের তাড়াইল উপজেলার দামিহা এলাকায় যাচ্ছিলেন। পথে বর্শিকুড়া-শেরপুর সেতু সংলগ্ন এলাকায় পৌঁছালে মাথায় হেলমেট পরিহিত সাতজনের একটি সশস্ত্র দল দেশীয় অস্ত্রের মুখে তাদের
২ দিন আগে