
মাদারীপুর প্রতিনিধি

মাদারীপুর শহরের পানিছত্র এলাকায় রাস্তার পাশে অজ্ঞাতপরিচয় পড়ে থাকা বৃদ্ধ হেমায়েত মোল্লাকে নিয়ে সংবাদ প্রকাশের পর চিকিৎসায় আর্থিক সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে আনভীর বসুন্ধরা গ্রুপ ফাউন্ডেশন (এবিজি ফাউন্ডেশন)। ওই সংবাদ দেখে তার খোঁজ পান স্বজনরাও। তারা বৃদ্ধ হেমায়েত মোল্লাকে বাড়িতে ফিরিয়ে নেন।
জানা যায়, প্রায় ৭০ বছর বয়সী হেমায়েত মোল্লাকে কয়েক দিন ধরে মাদারীপুর পৌরসভার পানিছত্র এলাকায় অসহায় অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায়। বয়সের ভার, অসুস্থতা ও শারীরিক দুর্বলতার কারণে তিনি ঠিকমতো চলাফেরা করতে পারছিলেন না। পথচারীরা খাবার ও পানি দিলেও তার পরিচয় জানা যাচ্ছিল না।
পরে বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির স্বেচ্ছাসেবক, স্থানীয় যুবক ও সংবাদকর্মীদের সহযোগিতায় তাকে উদ্ধার করে মাদারীপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এ নিয়ে গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হলে বুধবার (১ জুলাই) আনভীর বসুন্ধরা গ্রুপ ফাউন্ডেশন (এবিজি ফাউন্ডেশন) বৃদ্ধের চিকিৎসার জন্য আর্থিক সহায়তা দেয়।
অন্যদিকে খবর দেখে বৃদ্ধের স্বজনরাও তার সন্ধান পান। তারা মাদারীপুর সদর হাসপাতালে এসে পরিচয় নিশ্চিত করেন। পরে হাসপাতালের সমাজসেবা কর্মকর্তা শ্যামল পান্ডে ও জেলা প্রবেশন কর্মকর্তা বি এম আসাদুজ্জামানের উপস্থিতিতে বৃদ্ধ হেমায়েত মোল্লাকে তার পরিবারের সদস্যদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
স্বজনরা জানান, বৃদ্ধ হেমায়েত মোল্লার বাড়ি খুলনা জেলার সোয়াডাঙ্গা উপজেলার বানরগাতি আল-আমিন কান্দী এলাকায়। ছেলে তারেক হোসেন মোল্লা, ফারুক মোল্লা ও নাতি মনিরুল ইসলাম হাসপাতালে উপস্থিত থেকে হেমায়েত মোল্লাকে বাড়ি নিয়ে যান।
মাদারীপুর সদর হাসপাতালের সমাজসেবা কর্মকর্তা শ্যামল পান্ডে বলেন, সংবাদ প্রকাশের পরই বৃদ্ধের স্বজনরা তার সন্ধান পান এবং হাসপাতালে এসে তাকে নিয়ে গেছে। একই সঙ্গে আনভীর বসুন্ধরা গ্রুপ ফাউন্ডেশন বৃদ্ধের চিকিৎসার জন্য আর্থিক সহায়তা দিয়েছে। তাদের এ মানবিক উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসনীয়।
মাদারীপুর জেলা প্রবেশন কর্মকর্তা বি এম আসাদুজ্জামান বলেন, সংবাদটি প্রকাশের পর আনভীর বসুন্ধরা গ্রুপ ফাউন্ডেশন যেভাবে অসহায় এই বৃদ্ধের পাশে দাঁড়িয়েছে, তা নিঃসন্দেহে প্রশংসার দাবিদার। তাদের এই মানবিক উদ্যোগ সমাজের জন্য একটি ইতিবাচক উদাহরণ।
বৃদ্ধের ছেলে তারেক হোসেন মোল্লা বলেন, আমার বাবার পাশে দাঁড়িয়ে চিকিৎসা সহায়তা দেওয়ায় আনভীর বসুন্ধরা গ্রুপ ফাউন্ডেশনের প্রতি আমরা কৃতজ্ঞ। পাশাপাশি সংবাদটি প্রকাশ করে বাবাকে আমাদের কাছে ফিরিয়ে আনতে সহায়তা করায় বাংলাদেশ প্রতিদিন ও সংশ্লিষ্ট সাংবাদিকদেরও ধন্যবাদ জানাই।

মাদারীপুর শহরের পানিছত্র এলাকায় রাস্তার পাশে অজ্ঞাতপরিচয় পড়ে থাকা বৃদ্ধ হেমায়েত মোল্লাকে নিয়ে সংবাদ প্রকাশের পর চিকিৎসায় আর্থিক সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছে আনভীর বসুন্ধরা গ্রুপ ফাউন্ডেশন (এবিজি ফাউন্ডেশন)। ওই সংবাদ দেখে তার খোঁজ পান স্বজনরাও। তারা বৃদ্ধ হেমায়েত মোল্লাকে বাড়িতে ফিরিয়ে নেন।
জানা যায়, প্রায় ৭০ বছর বয়সী হেমায়েত মোল্লাকে কয়েক দিন ধরে মাদারীপুর পৌরসভার পানিছত্র এলাকায় অসহায় অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায়। বয়সের ভার, অসুস্থতা ও শারীরিক দুর্বলতার কারণে তিনি ঠিকমতো চলাফেরা করতে পারছিলেন না। পথচারীরা খাবার ও পানি দিলেও তার পরিচয় জানা যাচ্ছিল না।
পরে বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির স্বেচ্ছাসেবক, স্থানীয় যুবক ও সংবাদকর্মীদের সহযোগিতায় তাকে উদ্ধার করে মাদারীপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এ নিয়ে গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হলে বুধবার (১ জুলাই) আনভীর বসুন্ধরা গ্রুপ ফাউন্ডেশন (এবিজি ফাউন্ডেশন) বৃদ্ধের চিকিৎসার জন্য আর্থিক সহায়তা দেয়।
অন্যদিকে খবর দেখে বৃদ্ধের স্বজনরাও তার সন্ধান পান। তারা মাদারীপুর সদর হাসপাতালে এসে পরিচয় নিশ্চিত করেন। পরে হাসপাতালের সমাজসেবা কর্মকর্তা শ্যামল পান্ডে ও জেলা প্রবেশন কর্মকর্তা বি এম আসাদুজ্জামানের উপস্থিতিতে বৃদ্ধ হেমায়েত মোল্লাকে তার পরিবারের সদস্যদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
স্বজনরা জানান, বৃদ্ধ হেমায়েত মোল্লার বাড়ি খুলনা জেলার সোয়াডাঙ্গা উপজেলার বানরগাতি আল-আমিন কান্দী এলাকায়। ছেলে তারেক হোসেন মোল্লা, ফারুক মোল্লা ও নাতি মনিরুল ইসলাম হাসপাতালে উপস্থিত থেকে হেমায়েত মোল্লাকে বাড়ি নিয়ে যান।
মাদারীপুর সদর হাসপাতালের সমাজসেবা কর্মকর্তা শ্যামল পান্ডে বলেন, সংবাদ প্রকাশের পরই বৃদ্ধের স্বজনরা তার সন্ধান পান এবং হাসপাতালে এসে তাকে নিয়ে গেছে। একই সঙ্গে আনভীর বসুন্ধরা গ্রুপ ফাউন্ডেশন বৃদ্ধের চিকিৎসার জন্য আর্থিক সহায়তা দিয়েছে। তাদের এ মানবিক উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসনীয়।
মাদারীপুর জেলা প্রবেশন কর্মকর্তা বি এম আসাদুজ্জামান বলেন, সংবাদটি প্রকাশের পর আনভীর বসুন্ধরা গ্রুপ ফাউন্ডেশন যেভাবে অসহায় এই বৃদ্ধের পাশে দাঁড়িয়েছে, তা নিঃসন্দেহে প্রশংসার দাবিদার। তাদের এই মানবিক উদ্যোগ সমাজের জন্য একটি ইতিবাচক উদাহরণ।
বৃদ্ধের ছেলে তারেক হোসেন মোল্লা বলেন, আমার বাবার পাশে দাঁড়িয়ে চিকিৎসা সহায়তা দেওয়ায় আনভীর বসুন্ধরা গ্রুপ ফাউন্ডেশনের প্রতি আমরা কৃতজ্ঞ। পাশাপাশি সংবাদটি প্রকাশ করে বাবাকে আমাদের কাছে ফিরিয়ে আনতে সহায়তা করায় বাংলাদেশ প্রতিদিন ও সংশ্লিষ্ট সাংবাদিকদেরও ধন্যবাদ জানাই।

হবিগঞ্জ পৌর এলাকায় জারি করা ১৪৪ ধারা প্রত্যাহার করেছে জেলা প্রশাসন। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক এবং জননিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা নেই জানিয়ে এ নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হয়। আজ বৃহস্পতিবার জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ড. জিএম সরফরাজের সই করা এক আদেশে এ তথ্য জানানো হয়।
১ দিন আগে
সিলেটের পুলিশ সুপার চৌধুরী মো. যাবের সাদেক বলেন, সীমান্তবর্তী উপজেলাগুলোতে রাতে কর্মসূচি দেওয়া হয়েছে। তাই সতর্কতা হিসেবে বিজিবি চাওয়া হয়েছে।
২ দিন আগে
অভিযোগ অনুযায়ী, হবিগঞ্জে এনসিপির নেতাকর্মীদের ওপর হামলার ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত জেলা ছাত্রদলের সভাপতি শাহ রাজিব আহমেদ রিংগন। এ ছাড়া আরও ১০ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত ১০০ জনের বিরুদ্ধে এনসিপি নেতাদের গাড়িবহরে হামলা ও নেতাকর্মীদের মারধরের অভিযোগ করেছে দলটি।
২ দিন আগে
নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘কেন আমাদের গাড়ি আটকে দেওয়া হয়েছে? আমরা হবিগঞ্জে যেতে চাই। সেখানে গিয়ে আমরা আইনি পদক্ষেপ নেব।’
২ দিন আগে