
নড়াইল প্রতিনিধি

নড়াইলে এক বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে মাছের আড়ত থেকে ২০ লাখ ৮০ হাজার টাকা চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পাওয়া গেছে। ওই বিএনপি নেতার দাবি, হাটের সরকার নির্ধারিত ইজারার টাকা ছাড়া মাছ ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে বাড়তি কোনো টাকা নেওয়া হয়নি। একটি মহল তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে। তবে ব্যবসায়ীরা এই বিএনপি নেতার দাবি অস্বীকার করেছেন।
নড়াইল-ঢাকা ভায়া লোহাগড়া সড়কের আলা মুন্সির মোড়ে অবস্থিত মাছের আড়তের ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে এ চাঁদা নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযুক্ত মিলু শরীফ লোহাগড়া পৌর বিএনপির সভাপতি। তিনি লোহাগড়া পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর।
জানতে চাইলে মিলু শরীফ বলেন, আমি মাছের আড়ত কিনিনি, বিক্রিও করিনি। কারও কাছ থেকে চাঁদা বা খাজনাও তুলিনি। কিছু কুচক্রীমহল আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রসহ অপপ্রচার চালাচ্ছে। আড়ত থেকে ২০ লাখ ৮০ হাজার টাকা ইজারা আদায় হয়েছে। এগুলো সরকারি টাকা। এক টাকাও ফাঁকি দেওয়া যাবে না।
এলাকাবাসী ও ব্যবসায়ীরা বলছেন, তিন বছর আগে ব্যক্তি মালিকানায় গড়ে ওঠে এই মাছের আড়ত। প্রতিদিন ভোর থেকে শুরু করে সকাল ৯টা/ ১০টা পর্যন্ত এখানে বেচোকেনা চলে। আগের বছরগুলোতে এই আড়ত থেকে খাজনা বা ইজারা বাবদ কোনো টাকা নেওয়া হয়নি। হঠাৎ করে এ বছর ২০ লাখ ৮০ হাজার টাকা ব্যবসায়ীদের দিতে হয়েছে।
মাছ ব্যবসায়ীরা বলছেন, এ আড়তে সাতজন আড়তদার আছেন। শতাধিক জেলে, মৎস্যচাষি ও ছোট-বড় ব্যবসায়ী প্রতিদিন এখান থেকে মাছ কিনে জেলার বিভিন্ন হাট-বাজারে বেচাকেনা করে থাকেন। অনেক ব্যবসায়ী মাছ কিনে ট্রাকে করে ঢাকা, খুলনা, চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন জেলায় পাঠিয়ে থাকেন। চাঁদাবাজদের কারণে আড়তটি বন্ধ হয়ে পড়লে কয়েক শ পরিবার উপার্জন হয়ে পড়বে।
আড়তদার রবীন বিশ্বাস বলেন, তিন বছর ধরে এখানে ব্যবসা করছি। এতদিন কেউ খাজনার কথা বলেনি। এখন আমরা বিপদে আছি। ব্যাবসায়ী বিকাশ ও সঞ্জয় নামে দুজন ব্যবসায়ী পৌর বিএনপির সভাপতি মিলু শরীফকে ২০ লাখ ৮০ হাজার টাকা দিয়েছে। এ কথা সাংবাদিকসহ অন্যদের জানালে জীবননাশের হুমকি দেওয়া হয়েছে।
মায়ের ভাণ্ডার আড়তের মালিক ফারুক শেখ বলেন, পয়লা বৈশাখের পর বিএনপি নেতা মিলু লোক পাঠিয়ে খাজনা দাবি করেন। আমরা বলেছি, ব্যক্তি মালিকানাধীন আড়তের জন্য আমরা কেন খাজনা দেবো? আবার তারা যে ইজারাদার, পৌরসভার এমন কোনো কাগজপত্র দেখাতে পারেনি। আমরা লোহাগড়া পৌরসভার হাটবাজার ইজারার কাগজপত্র দেখেছি। মাছের আড়তটি ইজারার বাইরে। কারণ ব্যক্তিমালিকানায় গড়ে ওঠা মাছের আড়ত কখনো পৌরসভার ইজারার মধ্যে আসতে পারে না।
ব্যবসায়ী সুবল বিশ্বাস বলেন, ব্যক্তি মালিকানায় গড়ে ওঠা মাছের আড়তটি আমাদের ভাড়া নেওয়া। পৌরসভার ট্রেড লাইসেন্স, কৃষি বিপণী লাইসেন্স, ডিপি লাইসেন্স ও ইনকাম ট্যাক্সের ফাইলপত্র সবই আছে। তারপরও মিলু শরীফ লোক পাঠিয়ে খাজনার টাকা দেওয়ার জন্য চাপ তৈরি করে আসছেন। তাদের কথা, টাকা দাও নইলে ব্যবসা ছেড়ে দাও।
জানতে চাইলে লোহাগড়া পৌর বিএনপির সভাপতি ও লোহাগড়া পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর মিলু শরীফ বলেন, প্রতিবছর চৈত্র মাসে হাট-বাজার টেন্ডার হয়। অনেকেরই টেন্ডারে অংশ নিয়েছেন। এর মধ্যে আমার চাচাতো ভাই সাজ্জাদ হোসেন লোহাগড়া বাজারসংলগ্ন মাছ ও মাংসের আড়ত ইজারা পেয়েছেন।
তিনি বলেন, মাছ আড়তের ব্যবসায়ীরাই এসে আমাকে জানান, আমার চাচাতো ভাই টেন্ডার পেয়েছেন। প্রতিদিন খাজনা না তুলে আড়তদাররা মিলে পৌরসভায় পুরো টাকাটা দিয়ে দেবেন বলে জানান। এরপর চাচাতো ভাইয়ের সঙ্গে কথা বলি। এ ঘটনার ১৫ দিন পর চাচাতো ভাই মারা যান। আড়তদার সঞ্জয়, বিকাশ, কৃষ্ণ ও সাহাদাত সিকদার মিলে ওই টাকাটা আমার মাধ্যমে পৌরসভায় জমা দিয়েছেন। বিষয়টি আমি শুধু সমন্বয় করেছি।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে লোহাগড়া পৌরসভার প্রশাসক মিঠুন মৈত্র বলেন, গত ১৩ ফেব্রুয়ারি হাটবাজার ইজারার জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। পৌরসভার আওতায় সাতটি হাটবাজার ইজারা দিয়েছি। এই সাতটি হাট নতুন করে তৈরি করা হয়নি। আগে থেকেই প্রতিষ্ঠিত।
ব্যক্তিমালিকানায় ইজারা দেওয়া যায় কি না— এমন প্রশ্নের জবাবে পৌর প্রশাসক মিঠুন মৈত্র বলেন, ব্যক্তিগত জায়গায় ইজারা দেওয়ার সুযোগ নেই। সাতটি বাজারের ইজারার সার্বিক বিষয় উধ্বর্তন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। এর বাইরে আমাদের কোনো ইজারা নেই।
আলামুন্সির মোড়ের আড়ত থেকে ২০ লক্ষাধিক টাকা চাঁদাবাজির বিষয়ে তিনি বলেন, কে কোথা থেকে টাকা তোলেন, বিষয়টি বোঝা মুশকিল। আমাদের কাছে অভিযোগ এলে আমরা উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানাই।

নড়াইলে এক বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে মাছের আড়ত থেকে ২০ লাখ ৮০ হাজার টাকা চাঁদা আদায়ের অভিযোগ পাওয়া গেছে। ওই বিএনপি নেতার দাবি, হাটের সরকার নির্ধারিত ইজারার টাকা ছাড়া মাছ ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে বাড়তি কোনো টাকা নেওয়া হয়নি। একটি মহল তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে। তবে ব্যবসায়ীরা এই বিএনপি নেতার দাবি অস্বীকার করেছেন।
নড়াইল-ঢাকা ভায়া লোহাগড়া সড়কের আলা মুন্সির মোড়ে অবস্থিত মাছের আড়তের ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে এ চাঁদা নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। অভিযুক্ত মিলু শরীফ লোহাগড়া পৌর বিএনপির সভাপতি। তিনি লোহাগড়া পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর।
জানতে চাইলে মিলু শরীফ বলেন, আমি মাছের আড়ত কিনিনি, বিক্রিও করিনি। কারও কাছ থেকে চাঁদা বা খাজনাও তুলিনি। কিছু কুচক্রীমহল আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রসহ অপপ্রচার চালাচ্ছে। আড়ত থেকে ২০ লাখ ৮০ হাজার টাকা ইজারা আদায় হয়েছে। এগুলো সরকারি টাকা। এক টাকাও ফাঁকি দেওয়া যাবে না।
এলাকাবাসী ও ব্যবসায়ীরা বলছেন, তিন বছর আগে ব্যক্তি মালিকানায় গড়ে ওঠে এই মাছের আড়ত। প্রতিদিন ভোর থেকে শুরু করে সকাল ৯টা/ ১০টা পর্যন্ত এখানে বেচোকেনা চলে। আগের বছরগুলোতে এই আড়ত থেকে খাজনা বা ইজারা বাবদ কোনো টাকা নেওয়া হয়নি। হঠাৎ করে এ বছর ২০ লাখ ৮০ হাজার টাকা ব্যবসায়ীদের দিতে হয়েছে।
মাছ ব্যবসায়ীরা বলছেন, এ আড়তে সাতজন আড়তদার আছেন। শতাধিক জেলে, মৎস্যচাষি ও ছোট-বড় ব্যবসায়ী প্রতিদিন এখান থেকে মাছ কিনে জেলার বিভিন্ন হাট-বাজারে বেচাকেনা করে থাকেন। অনেক ব্যবসায়ী মাছ কিনে ট্রাকে করে ঢাকা, খুলনা, চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন জেলায় পাঠিয়ে থাকেন। চাঁদাবাজদের কারণে আড়তটি বন্ধ হয়ে পড়লে কয়েক শ পরিবার উপার্জন হয়ে পড়বে।
আড়তদার রবীন বিশ্বাস বলেন, তিন বছর ধরে এখানে ব্যবসা করছি। এতদিন কেউ খাজনার কথা বলেনি। এখন আমরা বিপদে আছি। ব্যাবসায়ী বিকাশ ও সঞ্জয় নামে দুজন ব্যবসায়ী পৌর বিএনপির সভাপতি মিলু শরীফকে ২০ লাখ ৮০ হাজার টাকা দিয়েছে। এ কথা সাংবাদিকসহ অন্যদের জানালে জীবননাশের হুমকি দেওয়া হয়েছে।
মায়ের ভাণ্ডার আড়তের মালিক ফারুক শেখ বলেন, পয়লা বৈশাখের পর বিএনপি নেতা মিলু লোক পাঠিয়ে খাজনা দাবি করেন। আমরা বলেছি, ব্যক্তি মালিকানাধীন আড়তের জন্য আমরা কেন খাজনা দেবো? আবার তারা যে ইজারাদার, পৌরসভার এমন কোনো কাগজপত্র দেখাতে পারেনি। আমরা লোহাগড়া পৌরসভার হাটবাজার ইজারার কাগজপত্র দেখেছি। মাছের আড়তটি ইজারার বাইরে। কারণ ব্যক্তিমালিকানায় গড়ে ওঠা মাছের আড়ত কখনো পৌরসভার ইজারার মধ্যে আসতে পারে না।
ব্যবসায়ী সুবল বিশ্বাস বলেন, ব্যক্তি মালিকানায় গড়ে ওঠা মাছের আড়তটি আমাদের ভাড়া নেওয়া। পৌরসভার ট্রেড লাইসেন্স, কৃষি বিপণী লাইসেন্স, ডিপি লাইসেন্স ও ইনকাম ট্যাক্সের ফাইলপত্র সবই আছে। তারপরও মিলু শরীফ লোক পাঠিয়ে খাজনার টাকা দেওয়ার জন্য চাপ তৈরি করে আসছেন। তাদের কথা, টাকা দাও নইলে ব্যবসা ছেড়ে দাও।
জানতে চাইলে লোহাগড়া পৌর বিএনপির সভাপতি ও লোহাগড়া পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর মিলু শরীফ বলেন, প্রতিবছর চৈত্র মাসে হাট-বাজার টেন্ডার হয়। অনেকেরই টেন্ডারে অংশ নিয়েছেন। এর মধ্যে আমার চাচাতো ভাই সাজ্জাদ হোসেন লোহাগড়া বাজারসংলগ্ন মাছ ও মাংসের আড়ত ইজারা পেয়েছেন।
তিনি বলেন, মাছ আড়তের ব্যবসায়ীরাই এসে আমাকে জানান, আমার চাচাতো ভাই টেন্ডার পেয়েছেন। প্রতিদিন খাজনা না তুলে আড়তদাররা মিলে পৌরসভায় পুরো টাকাটা দিয়ে দেবেন বলে জানান। এরপর চাচাতো ভাইয়ের সঙ্গে কথা বলি। এ ঘটনার ১৫ দিন পর চাচাতো ভাই মারা যান। আড়তদার সঞ্জয়, বিকাশ, কৃষ্ণ ও সাহাদাত সিকদার মিলে ওই টাকাটা আমার মাধ্যমে পৌরসভায় জমা দিয়েছেন। বিষয়টি আমি শুধু সমন্বয় করেছি।
এ ব্যাপারে জানতে চাইলে লোহাগড়া পৌরসভার প্রশাসক মিঠুন মৈত্র বলেন, গত ১৩ ফেব্রুয়ারি হাটবাজার ইজারার জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। পৌরসভার আওতায় সাতটি হাটবাজার ইজারা দিয়েছি। এই সাতটি হাট নতুন করে তৈরি করা হয়নি। আগে থেকেই প্রতিষ্ঠিত।
ব্যক্তিমালিকানায় ইজারা দেওয়া যায় কি না— এমন প্রশ্নের জবাবে পৌর প্রশাসক মিঠুন মৈত্র বলেন, ব্যক্তিগত জায়গায় ইজারা দেওয়ার সুযোগ নেই। সাতটি বাজারের ইজারার সার্বিক বিষয় উধ্বর্তন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। এর বাইরে আমাদের কোনো ইজারা নেই।
আলামুন্সির মোড়ের আড়ত থেকে ২০ লক্ষাধিক টাকা চাঁদাবাজির বিষয়ে তিনি বলেন, কে কোথা থেকে টাকা তোলেন, বিষয়টি বোঝা মুশকিল। আমাদের কাছে অভিযোগ এলে আমরা উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানাই।

সিলেটে পুলিশের ধাওয়া করা ছিনতাইকারী-মাদকসেবীকে আটক করতে গিয়ে ছুরিকাঘাতে র্যাবের এক সদস্য নিহত হয়েছেন। তারা নাম ইমন আচার্য। তিনি র্যাব-৯ এ কর্মরত ছিলেন।
১৩ ঘণ্টা আগে
ঝিনাইদহে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে। আজ শুক্রবার দুপুর ২টার পর ঝিনাইদহ পৌর কালেক্টরেট জামে মসজিদের সামনে এ ঘটনা ঘটে। এ সময় তার ওপর ডিম নিক্ষেপের ঘটনাও ঘটেছে বলে জানা গেছে।
১৪ ঘণ্টা আগে
পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলায় মাদকবিরোধী অভিযান ও ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি গ্রেপ্তারের জন্য তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে স্থানীয় লোকজনের হামলা ও মারধর শিকার হয়েছেন দুই পুলিশ কর্মকর্তা। একটি উলটে যাওয়া ট্রাক্টর উদ্ধারে সহযোগিতা করতে গেলে ‘পুলিশের তাড়া খেয়েই দুর্ঘটনা ঘটেছে’— এমন গুজব ছড়িয়ে তাদের ওপর এই বর্বর হামলা চ
১৭ ঘণ্টা আগে
এ ঘটনায় পুলিশ অভিযুক্তকে আটক করলে পুলিশকেই ঘিরে ধরে জনতা। তাদের দাবি, অভিযুক্তকে তাদের হাতে তুলে দিতে হবে। এ নিয়ে পুলিশ ও স্থানীয় জনতার মধ্যে সংঘর্ষ চলছে।
১ দিন আগে