
ডেস্ক, রাজনীতি ডটকম

হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলায় তৃতীয় শ্রেণিতে পড়ুয়া ৯ বছরের এক শিশুকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় শিশুটিকে নবীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হলে পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশ ও ভুক্তভোগীর পরিবার সূত্রে জানা গেছে, রোববার (২৪ মে) বিকেলে উপজেলার একটি গ্রামের ওই শিশুটি বাড়ির পাশের একটি দোকানে যাচ্ছিল। পথে একই গ্রামের আফরোজ মিয়া (৩৫) ও তার এক সহযোগী শিশুটির মুখে গামছা বেঁধে জোরপূর্বক পাশের একটি নির্জন বাঁশঝাড়ে নিয়ে যায়। সেখানে তারা শিশুটির ওপর পাশবিক নির্যাতন চালায় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
এ সময় স্থানীয় লোকজন বিষয়টি টের পেয়ে ঘটনাস্থলের দিকে এগিয়ে গেলে অভিযুক্তরা পালিয়ে যায়। পরে রক্তাক্ত অবস্থায় শিশুটিকে উদ্ধার করে পরিবারের সদস্যরা বাড়িতে নিয়ে যান।
ভুক্তভোগী পরিবার জানায়, লোকলজ্জা ও ভয়ের কারণে গতকাল তারা শিশুকে হাসপাতালে নিয়ে আসতে পারেনি। তারা এই জঘন্য অপরাধে জড়িত দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে।
নবীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মোনায়েম মিয়া বলেন, ‘ঘটনার খবর পাওয়ার পর ভুক্তভোগী পরিবারের সঙ্গে আলাপ করেছি। ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তদন্তসাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলায় তৃতীয় শ্রেণিতে পড়ুয়া ৯ বছরের এক শিশুকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় শিশুটিকে নবীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হলে পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য হবিগঞ্জ সদর আধুনিক হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশ ও ভুক্তভোগীর পরিবার সূত্রে জানা গেছে, রোববার (২৪ মে) বিকেলে উপজেলার একটি গ্রামের ওই শিশুটি বাড়ির পাশের একটি দোকানে যাচ্ছিল। পথে একই গ্রামের আফরোজ মিয়া (৩৫) ও তার এক সহযোগী শিশুটির মুখে গামছা বেঁধে জোরপূর্বক পাশের একটি নির্জন বাঁশঝাড়ে নিয়ে যায়। সেখানে তারা শিশুটির ওপর পাশবিক নির্যাতন চালায় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
এ সময় স্থানীয় লোকজন বিষয়টি টের পেয়ে ঘটনাস্থলের দিকে এগিয়ে গেলে অভিযুক্তরা পালিয়ে যায়। পরে রক্তাক্ত অবস্থায় শিশুটিকে উদ্ধার করে পরিবারের সদস্যরা বাড়িতে নিয়ে যান।
ভুক্তভোগী পরিবার জানায়, লোকলজ্জা ও ভয়ের কারণে গতকাল তারা শিশুকে হাসপাতালে নিয়ে আসতে পারেনি। তারা এই জঘন্য অপরাধে জড়িত দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে।
নবীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মোনায়েম মিয়া বলেন, ‘ঘটনার খবর পাওয়ার পর ভুক্তভোগী পরিবারের সঙ্গে আলাপ করেছি। ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তদন্তসাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

সকালে বুড়িচং উপজেলার বালিখাড়া, ভান্তি ও কামারখাড়া এলাকায় সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, চরাঞ্চলের শত শত একর সবজি ক্ষেত পানির নিচে তলিয়ে গেছে। পানির ওপর ভেসে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের শাকসবজি। লোকসান কিছুটা কমাতে স্থানীয় কৃষকদের কোমর সমান পানিতে নেমে অপরিপক্ব ফসল কেটে ঘরে তোলার আপ্রাণ চেষ্টা করতে দেখা গেছে।
১ দিন আগে
রাতের আঁধারে প্রবল স্রোতে নদীর পানি লোকালয়ে প্রবেশ করতে শুরু করলে মুহূর্তের মধ্যে ইসলামপুর, মাধবপুর ও আদমপুর ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়। এতে মোখাবিল, গোলের হাওর, ভান্ডারিগাঁও, গঙ্গানগর, কোনাগাঁও, বেরীগাঁও, শ্রীপুর, পাতারিগাঁও, কালারায়বিল, আধকানী, ছনগাঁও, বন্দেরগাঁও, তেইতইগাঁও, ভানুবিল ও ঘোর
১ দিন আগে
ভুক্তভোগী সদরঞ্জন দাস জানান, তিনি সুনামগঞ্জের শাল্লা উপজেলার যাত্রাপুর গ্রাম থেকে অন্য এক ব্যক্তিসহ নৌকায় করে হাঁসের বাচ্চা কিনতে কিশোরগঞ্জের তাড়াইল উপজেলার দামিহা এলাকায় যাচ্ছিলেন। পথে বর্শিকুড়া-শেরপুর সেতু সংলগ্ন এলাকায় পৌঁছালে মাথায় হেলমেট পরিহিত সাতজনের একটি সশস্ত্র দল দেশীয় অস্ত্রের মুখে তাদের
১ দিন আগে
টানা কয়েক দিনের ভারী বৃষ্টিতে বান্দরবানের বিভিন্ন নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। সাঙ্গু নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় শহরের একাধিক এলাকায় পানি ঢুকে পড়েছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় জেলার সাত উপজেলায় ২২০টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে।
২ দিন আগে