
ঢাবি প্রতিনিধি

রাজধানীর চানখাঁরপুল মোড়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ সাউন্ড বক্সে বাজানোর ঘটনায় নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের এক নেতাসহ দুজনকে আটক করে পুলিশ। এ ঘটনার প্রতিবাদে শাহবাগ থানার সামনেও ওই ভাষণ বাজানো হয়।
এ সময় এর বিরোধিতাকারীরা সেখানে অবস্থান নিলে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। সেখানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী শেখ তাসনিম আফরোজ ইমি ও নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের এক নেতাকে হেনস্থা ও মারধর করা হয়।
শনিবার (৭ মার্চ) দুপুরে চানখাঁরপুল এলাকায় সাউন্ড বক্সে ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ বাজানো হয়। সেখান থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদুল্লাহ হল ছাত্রলীগের কর্মসংস্থান সম্পাদক আসিফ আহমেদসহ দুজনকে আটক করে শাহবাগ থানায় নিয়ে যায় পুলিশ। সাউন্ড বক্সটিও পুলিশ জব্দ করে।
এ ঘটনার প্রতিবাদে শাহবাগ থানার সামনে ৭ মার্চের ভাষণ বাজানোর কর্মসূচির ডাক দেন শেখ তাসনিম আফরোজ ইমিসহ কয়েকজন। ইমি গত সেপ্টেম্বরে অনুষ্ঠিত ডাকসু নির্বাচনে বাম সংগঠনগুলোর প্যানেল ‘প্রতিরোধ পর্ষদ’ থেকে ভিপি প্রার্থী ছিলেন। রাত সাড়ে ৯টায় রিকশায় করে মাইকে বঙ্গবন্ধুর ভাষণ বাজানো শুরু করেন তারা।
এর প্রতিবাদে সেখানে পালটা অবস্থান নিতে দেখা যায় জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ছাত্র সংগঠন জাতীয় ছাত্রশক্তির আহ্বায়ক তাহমিদ আল মোদাসসিরের নেতৃত্বে একটি পক্ষকে। কিছুক্ষণ পর ডাকসুর সাহিত্য ও সংস্কৃতিবিষয়ক সম্পাদক মোসাদ্দেক ইবনে আলী মোহাম্মদ ও সমাজসেবা সম্পাদক এ বি জুবায়েরের নেতৃত্বে আরও শিক্ষার্থী সেখানে উপস্থিত হন। দুপক্ষের পালটাপালটি অবস্থানে শাহবাগ এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রাত ১০টার দিকে কয়েকজন গিয়ে ৭ মার্চের ভাষণ বাজাতে ব্যবহৃত মাইক ও ব্যাটারি ভেঙে ফেলেন। আয়োজকরা বাধা দিলে তাদের মধ্যে হাতাহাতি হয়। ইমিসহ অন্যরা জাদুঘরের সামনে থেকে যান। রাত সাড়ে ১০টার দিকে মোসাদ্দেক ইবনে আলী মোহাম্মদ ও এ বি জুবায়ের রিকশাটি টেনে শাহবাগ থানার ভেতরে নিয়ে যান।
এ সময় ইমিকে এবং তার সঙ্গে থাকা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শহিদ সার্জেন্ট জহুরুল হক হল শাখা ছাত্রলীগের সহসম্পাদক আবদুল্লাহ আল মামুনকে টেনে-হিঁচড়ে থানার ফটকে নিয়ে মারধর করা হয়। সেখান থেকে ছাত্রশক্তির নেতাকর্মীরা ধরে তাদের শাহবাগ থানার ভেতরে নিয়ে পুলিশের হাতে তুলে দেন।
ডাকসু ও ছাত্রশক্তির নেতারা বলছেন, ৭ মার্চের ভাষণকে ঢাল করে মূলত আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগকে পুনর্বাসনের পাঁয়তারা চলছে। ৭ মার্চের ভাষণ বাজানোর কর্মসূচিতে যারা যুক্ত ছিল, তারাও নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের চিহ্নিত নেতা বলেই তাদের পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে।
এসব ঘটনায় রাত প্রায় ১২টা পর্যন্ত শাহবাগ থানার সামনে উত্তেজনা বিরাজ করেছে। পরে একে একে ইমিসহ অন্যরা শাহবাগ ছেড়ে চলে যান। ডাকসু ও ছাত্রশক্তির নেতারাও ঢাবি ক্যাম্পাসে ফেরেন। তবে বিকেলে আটক আসিফ ও রাতে মারধরের শিকার আল মামুন তখনো শাহবাগ থানায় পুলিশ হেফাজতে ছিলেন।

পরে এ ঘটনা নিয়ে ফেসবুকে পোস্ট দিয়েছেন ইমি। তিনি লিখেছেন, ‘আল মামুনের ওপর হামলা করসে জুবায়ের আর মোসাদ্দেকের নেতৃত্বে। আমার গায়েও হাত তুলেছে। যতদিন বেঁচে থাকব, দাবায়ে রাখতে পারবা না।’
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) রমনা জোনের উপকমিশনার (ডিসি) মাসুদ আলম বলেন, ৭ মার্চের ভাষণ বাজানো নিয়ে দুপক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়েছে। আমরা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব।
এর আগে শনিবার দুপুরে ঢাকার মগবাজার এলাকাতেও ৭ মার্চের ভাষণ বাজিয়ে পদযাত্রা করেন চার তরুণ-তরুণী। তারা জানিয়েছেন, তাদের আয়োজন কোনো বাধার মুখে পড়েনি।

রাজধানীর চানখাঁরপুল মোড়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ সাউন্ড বক্সে বাজানোর ঘটনায় নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের এক নেতাসহ দুজনকে আটক করে পুলিশ। এ ঘটনার প্রতিবাদে শাহবাগ থানার সামনেও ওই ভাষণ বাজানো হয়।
এ সময় এর বিরোধিতাকারীরা সেখানে অবস্থান নিলে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। সেখানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী শেখ তাসনিম আফরোজ ইমি ও নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের এক নেতাকে হেনস্থা ও মারধর করা হয়।
শনিবার (৭ মার্চ) দুপুরে চানখাঁরপুল এলাকায় সাউন্ড বক্সে ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ বাজানো হয়। সেখান থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদুল্লাহ হল ছাত্রলীগের কর্মসংস্থান সম্পাদক আসিফ আহমেদসহ দুজনকে আটক করে শাহবাগ থানায় নিয়ে যায় পুলিশ। সাউন্ড বক্সটিও পুলিশ জব্দ করে।
এ ঘটনার প্রতিবাদে শাহবাগ থানার সামনে ৭ মার্চের ভাষণ বাজানোর কর্মসূচির ডাক দেন শেখ তাসনিম আফরোজ ইমিসহ কয়েকজন। ইমি গত সেপ্টেম্বরে অনুষ্ঠিত ডাকসু নির্বাচনে বাম সংগঠনগুলোর প্যানেল ‘প্রতিরোধ পর্ষদ’ থেকে ভিপি প্রার্থী ছিলেন। রাত সাড়ে ৯টায় রিকশায় করে মাইকে বঙ্গবন্ধুর ভাষণ বাজানো শুরু করেন তারা।
এর প্রতিবাদে সেখানে পালটা অবস্থান নিতে দেখা যায় জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ছাত্র সংগঠন জাতীয় ছাত্রশক্তির আহ্বায়ক তাহমিদ আল মোদাসসিরের নেতৃত্বে একটি পক্ষকে। কিছুক্ষণ পর ডাকসুর সাহিত্য ও সংস্কৃতিবিষয়ক সম্পাদক মোসাদ্দেক ইবনে আলী মোহাম্মদ ও সমাজসেবা সম্পাদক এ বি জুবায়েরের নেতৃত্বে আরও শিক্ষার্থী সেখানে উপস্থিত হন। দুপক্ষের পালটাপালটি অবস্থানে শাহবাগ এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রাত ১০টার দিকে কয়েকজন গিয়ে ৭ মার্চের ভাষণ বাজাতে ব্যবহৃত মাইক ও ব্যাটারি ভেঙে ফেলেন। আয়োজকরা বাধা দিলে তাদের মধ্যে হাতাহাতি হয়। ইমিসহ অন্যরা জাদুঘরের সামনে থেকে যান। রাত সাড়ে ১০টার দিকে মোসাদ্দেক ইবনে আলী মোহাম্মদ ও এ বি জুবায়ের রিকশাটি টেনে শাহবাগ থানার ভেতরে নিয়ে যান।
এ সময় ইমিকে এবং তার সঙ্গে থাকা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শহিদ সার্জেন্ট জহুরুল হক হল শাখা ছাত্রলীগের সহসম্পাদক আবদুল্লাহ আল মামুনকে টেনে-হিঁচড়ে থানার ফটকে নিয়ে মারধর করা হয়। সেখান থেকে ছাত্রশক্তির নেতাকর্মীরা ধরে তাদের শাহবাগ থানার ভেতরে নিয়ে পুলিশের হাতে তুলে দেন।
ডাকসু ও ছাত্রশক্তির নেতারা বলছেন, ৭ মার্চের ভাষণকে ঢাল করে মূলত আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগকে পুনর্বাসনের পাঁয়তারা চলছে। ৭ মার্চের ভাষণ বাজানোর কর্মসূচিতে যারা যুক্ত ছিল, তারাও নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের চিহ্নিত নেতা বলেই তাদের পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে।
এসব ঘটনায় রাত প্রায় ১২টা পর্যন্ত শাহবাগ থানার সামনে উত্তেজনা বিরাজ করেছে। পরে একে একে ইমিসহ অন্যরা শাহবাগ ছেড়ে চলে যান। ডাকসু ও ছাত্রশক্তির নেতারাও ঢাবি ক্যাম্পাসে ফেরেন। তবে বিকেলে আটক আসিফ ও রাতে মারধরের শিকার আল মামুন তখনো শাহবাগ থানায় পুলিশ হেফাজতে ছিলেন।

পরে এ ঘটনা নিয়ে ফেসবুকে পোস্ট দিয়েছেন ইমি। তিনি লিখেছেন, ‘আল মামুনের ওপর হামলা করসে জুবায়ের আর মোসাদ্দেকের নেতৃত্বে। আমার গায়েও হাত তুলেছে। যতদিন বেঁচে থাকব, দাবায়ে রাখতে পারবা না।’
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) রমনা জোনের উপকমিশনার (ডিসি) মাসুদ আলম বলেন, ৭ মার্চের ভাষণ বাজানো নিয়ে দুপক্ষের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়েছে। আমরা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব।
এর আগে শনিবার দুপুরে ঢাকার মগবাজার এলাকাতেও ৭ মার্চের ভাষণ বাজিয়ে পদযাত্রা করেন চার তরুণ-তরুণী। তারা জানিয়েছেন, তাদের আয়োজন কোনো বাধার মুখে পড়েনি।

বরিশাল নগরের বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে হঠাৎ করে অকটেনের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। একই সঙ্গে পেট্রোলের সরবরাহও সীমিত হয়ে পড়ায় নির্দিষ্ট পরিমাণের বেশি জ্বালানি দেওয়া হচ্ছে না। এতে মোটরসাইকেল ও প্রাইভেটকার চালকদের চরম ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে।
১ দিন আগে
রাজশাহীর মোহনপুর উপজেলায় ঈদের নামাজ পড়ানোর জন্য ঈদগাহে ইমাম নিয়োগকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াত নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে আলাউদ্দিন নামের একজন নিহত হয়েছেন।
১ দিন আগে
নীরব ও তার বন্ধু এ নিয়ে প্রতিবাদ জানালে সেখানকার কর্মীদের সঙ্গে তাদের কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে ফিলিং স্টেশনের কর্মীরা নীরবকে মারধর করেন। মারধরের শিকার নীরব বাসায় ফিরে অসুস্থ বোধ করলে তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। রাত সাড়ে ৯টার দিকে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
১ দিন আগে
নিহত ইউপিডিএফ সদস্য আপন ত্রিপুরা ওরফে সংগ্রাম (২৮)। তিনি পানছড়ির মরাটিলা পদ্মিনীগ্রামের মৃত কিরণ মুনি ত্রিপুরার ছেলে।
২ দিন আগে