
মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি

মানিকগঞ্জের দৌলতপুরে হাতুড়ি-দা দিয়ে কুপিয়ে ভাবি ও ভাতিজাকে হত্যার পর বড় ভাইকেও গুরুতর আহত করার অভিযোগ উঠেছে ইউসুফ নামে এক তরুণের বিরুদ্ধে। গতকাল শনিবার রাতে ১০টার দিকে উপজেলায় বাঁচামারা ইউনিয়নের কাচারীপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছেন দৌলতপুর থানার ওসি স্বপন কুমার সরকার।
নিহতরা হলেন— ওই এলাকার সালাম উল্লাহর স্ত্রী আমেনা আক্তার (২৯) ও তাদের দুই বছর বয়সী ছেলে আসলাম। সালাম উল্লাহ বাঁচামারা বাজারের ব্যবসায়ী আর ছোট ভাই ইউসুফ (৪০) ঢাকায় থাকেন। ঘটনার পর থেকে সালাম ইউসুফ আলী পলাতক।
স্থানীয়দের বরাতে পুলিশ জানায়, ঈদ উপলক্ষ্যে বাড়িতে আসার পর থেকেই বড় ভাই সালামের সঙ্গে ইউসুফের পারিবারিক বিরোধ চলছিল। শনিবার রাতে দোকান থেকে সালাম বাড়ি ফিরলেই দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালিয়ে তাকে গুরুতর আহত করেন ইউসুফ। পরে তিনি পালিয়ে যান।
পুলিশ আরও জানায়, রাত সাড়ে ১০টার দিকে ইউসুফকে বাড়ির সামনের রাস্তা দিয়ে অত্যন্ত তড়িঘড়ি করে চলে যেতে দেখা যায়। পরে স্থানীয়রা গুরুতর আহত অবস্থায় সালামকে উদ্ধার করে দৌলতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। কিন্তু এর আগেই ঘরে হত্যা করা হয়েছিল আমেনা ও তার দুই বছরের শিশুকে।
ওসি স্বপন কুমার সরকার বলেন, সালামকে উদ্ধারের সময় ঘরে মা-ছেলের মরদেহ দেখতে পান স্থানীয়রা। ঘটনাস্থলে রক্তাক্ত দা ও হাতুড়ি পড়ে থাকতেও দেখেন তারা। ঘটনাস্থল থেকে দুজনের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মানিকগঞ্জ সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে বলে জানান তিনি।
ওসি আরও বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, পারিবারিক কলহের জেরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। ঘটনার পর থেকে ইউসুফ আলী পলাতক। তাকে গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান চালানো হচ্ছে।’

মানিকগঞ্জের দৌলতপুরে হাতুড়ি-দা দিয়ে কুপিয়ে ভাবি ও ভাতিজাকে হত্যার পর বড় ভাইকেও গুরুতর আহত করার অভিযোগ উঠেছে ইউসুফ নামে এক তরুণের বিরুদ্ধে। গতকাল শনিবার রাতে ১০টার দিকে উপজেলায় বাঁচামারা ইউনিয়নের কাচারীপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছেন দৌলতপুর থানার ওসি স্বপন কুমার সরকার।
নিহতরা হলেন— ওই এলাকার সালাম উল্লাহর স্ত্রী আমেনা আক্তার (২৯) ও তাদের দুই বছর বয়সী ছেলে আসলাম। সালাম উল্লাহ বাঁচামারা বাজারের ব্যবসায়ী আর ছোট ভাই ইউসুফ (৪০) ঢাকায় থাকেন। ঘটনার পর থেকে সালাম ইউসুফ আলী পলাতক।
স্থানীয়দের বরাতে পুলিশ জানায়, ঈদ উপলক্ষ্যে বাড়িতে আসার পর থেকেই বড় ভাই সালামের সঙ্গে ইউসুফের পারিবারিক বিরোধ চলছিল। শনিবার রাতে দোকান থেকে সালাম বাড়ি ফিরলেই দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালিয়ে তাকে গুরুতর আহত করেন ইউসুফ। পরে তিনি পালিয়ে যান।
পুলিশ আরও জানায়, রাত সাড়ে ১০টার দিকে ইউসুফকে বাড়ির সামনের রাস্তা দিয়ে অত্যন্ত তড়িঘড়ি করে চলে যেতে দেখা যায়। পরে স্থানীয়রা গুরুতর আহত অবস্থায় সালামকে উদ্ধার করে দৌলতপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। কিন্তু এর আগেই ঘরে হত্যা করা হয়েছিল আমেনা ও তার দুই বছরের শিশুকে।
ওসি স্বপন কুমার সরকার বলেন, সালামকে উদ্ধারের সময় ঘরে মা-ছেলের মরদেহ দেখতে পান স্থানীয়রা। ঘটনাস্থলে রক্তাক্ত দা ও হাতুড়ি পড়ে থাকতেও দেখেন তারা। ঘটনাস্থল থেকে দুজনের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মানিকগঞ্জ সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে বলে জানান তিনি।
ওসি আরও বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, পারিবারিক কলহের জেরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। ঘটনার পর থেকে ইউসুফ আলী পলাতক। তাকে গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান চালানো হচ্ছে।’

শনিবার (২০ জুন) সকালে উপজেলার টেলকি জলই এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে । নিহতরা হলেন জলই গ্রামের বাবুল হাদিমা (৪৮), তার ১০ বছর বয়সী ছেলে নেইমার ম্রং, রতন নকরেক (২৪) ও গাবরিয়েল নকরেক (৩২)। তারা সবাই ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী সম্প্রদায়ের সদস্য।
১১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বর্তমানে ওই চারজন আন্তর্জাতিক সীমান্ত পিলার ১৫ ও ১৬-এর মধ্যবর্তী এলাকায় নো-ম্যানস ল্যান্ডে অবস্থান করছেন। তাদের মধ্যে একজন পুরুষ ও তিনজন নারী রয়েছেন বলে জানা গেছে। তবে এখন পর্যন্ত তাদের পরিচয় বা জাতীয়তা সম্পর্কে কোনো ধারণা পাওয়া যায়নি।
১ দিন আগে
স্থানীয়রা বলছেন, রৌমারীর গয়টাপাড়া সীমান্তে ছয়জন ও ইজলামারী ভন্দুরচর সীমান্তে তিনজনকে বুধবার (১৭ জুন) রাত পর্যন্ত অবস্থান করতে দেখা গেছে। তবে বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সকাল থেকে দুই শিশুসহ চারজনকে আর সেখানে দেখা যায়নি।
২ দিন আগে
সুনামগঞ্জে প্রায় এক হাজার পিস ইয়াবাসহ ‘জুলাই যোদ্ধা’ পরিচয় দেওয়া নাজমুল হাসান হিমেল নামে এক তরুণকে আটক করে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছেন স্থানীয়রা। পরে পুলিশ তাকে মাদক মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছে। তাহিরপুর উপজেলার সীমান্তবর্তী গ্রাম পুরান লাউড়েরগড়ে এ ঘটনা ঘটে।
২ দিন আগে