
চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি

চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলায় ঈদুল ফিতরের নামাজের পর সংঘর্ষে জড়িয়েছে বিএনপির দুপক্ষ। পূর্ববিরোধের জেরে সংঘটিত এ সংঘর্ষে নিহত হয়েছেন দুজন। আহত হয়েছেন আরও অন্তত পাঁচজন।
শনিবার (২১ মার্চ) দুপুরে আলমডাঙ্গার ডাউকি ইউনিয়নের ছত্রপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন— ছত্রপাড়া গ্রামের প্রয়াত ইংরেজ কাজির ছেলে নাজিম উদ্দীন কাজি (৭৫) ও নাবু কাজির ছেলে শিমুল কাজি (১৮)।
শনিবার দুপুরেই ফেসবুক পোস্টকে কেন্দ্র করে ছত্রপাড়া মসজিদের সামনে জামায়াত ও আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের খবর পাওয়া গেছে।
প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে পুলিশ জানিয়েছে, স্থানীয় বিএনপির দুটি পক্ষ ‘জাহাঙ্গীর গ্রুপ’ ও ‘কুবির কাজি গ্রুপে’র মধ্যে বিরোধ দীর্ঘদিনের। এই বিরোধের জের ধরেই ঈদের জামাত শেষে দুপক্ষ সংঘাতে জড়ায়। ‘জাহাঙ্গীর গ্রুপ’ প্রথমে হামলা করে। এ গ্রুপের নেতৃত্বে আছেন স্থানীয় ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি লাল খাঁ ও উপজেলা যুবদল সদস্য জাহাঙ্গীর।
এলাকাবাসী বলছে, দুপুরে গোটা এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। সংঘর্ষ চলাকালে শিমুল কাজির আহত হওয়ার খবর পেয়ে তার দাদা নাজিম উদ্দীন কাজি অসুস্থ হয়ে পড়েন। তবে কারও কারও দাবি, নাতিকে বাঁচাতে গিয়ে ধাক্কা খেয়ে নাজিম হৃদরোগে আক্রান্ত হন। হাসপাতালে নেওয়ার আগেই তার মৃত্যু হয়। এ ছাড়া গুরুতর আহত অবস্থায় কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে শিমুলের মৃত্যু হয়।
আলমডাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসকদের বরাতে আলমডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বনি ইসরাইল বলেন, বিএনপির দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে দুজন নিহতের খবর পেয়েছি। আরও কয়েকজম আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে আছিয়া বেগম ও শরিফুল ইসলামের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাদের কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
ওসি আরও বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়। ঘটনাটি তদন্তাধীন রয়েছে। তদন্তে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলায় ঈদুল ফিতরের নামাজের পর সংঘর্ষে জড়িয়েছে বিএনপির দুপক্ষ। পূর্ববিরোধের জেরে সংঘটিত এ সংঘর্ষে নিহত হয়েছেন দুজন। আহত হয়েছেন আরও অন্তত পাঁচজন।
শনিবার (২১ মার্চ) দুপুরে আলমডাঙ্গার ডাউকি ইউনিয়নের ছত্রপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন— ছত্রপাড়া গ্রামের প্রয়াত ইংরেজ কাজির ছেলে নাজিম উদ্দীন কাজি (৭৫) ও নাবু কাজির ছেলে শিমুল কাজি (১৮)।
শনিবার দুপুরেই ফেসবুক পোস্টকে কেন্দ্র করে ছত্রপাড়া মসজিদের সামনে জামায়াত ও আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের খবর পাওয়া গেছে।
প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে পুলিশ জানিয়েছে, স্থানীয় বিএনপির দুটি পক্ষ ‘জাহাঙ্গীর গ্রুপ’ ও ‘কুবির কাজি গ্রুপে’র মধ্যে বিরোধ দীর্ঘদিনের। এই বিরোধের জের ধরেই ঈদের জামাত শেষে দুপক্ষ সংঘাতে জড়ায়। ‘জাহাঙ্গীর গ্রুপ’ প্রথমে হামলা করে। এ গ্রুপের নেতৃত্বে আছেন স্থানীয় ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি লাল খাঁ ও উপজেলা যুবদল সদস্য জাহাঙ্গীর।
এলাকাবাসী বলছে, দুপুরে গোটা এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। সংঘর্ষ চলাকালে শিমুল কাজির আহত হওয়ার খবর পেয়ে তার দাদা নাজিম উদ্দীন কাজি অসুস্থ হয়ে পড়েন। তবে কারও কারও দাবি, নাতিকে বাঁচাতে গিয়ে ধাক্কা খেয়ে নাজিম হৃদরোগে আক্রান্ত হন। হাসপাতালে নেওয়ার আগেই তার মৃত্যু হয়। এ ছাড়া গুরুতর আহত অবস্থায় কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে শিমুলের মৃত্যু হয়।
আলমডাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসকদের বরাতে আলমডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বনি ইসরাইল বলেন, বিএনপির দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে দুজন নিহতের খবর পেয়েছি। আরও কয়েকজম আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে আছিয়া বেগম ও শরিফুল ইসলামের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাদের কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
ওসি আরও বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়। ঘটনাটি তদন্তাধীন রয়েছে। তদন্তে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

প্রধান অভিযুক্ত লিটুকে যুবদল নেতা হিসেবে প্রচার করা হলেও বরিশাল যুবদল এক সংবাদ সম্মেলনে স্পষ্ট জানিয়েছে, অভিযুক্ত লিটুর সঙ্গে যুবদলের কোনো সাংগঠনিক সম্পৃক্ততা নেই এবং তিনি দলের কোনো পদেও ছিলেন না।
১১ ঘণ্টা আগে
সোমবার (৬ জুলাই) দিবাগত রাতে উপজেলার জামতলী, কুতুপালং এবং বালুখালী ক্যাম্পে এই দুর্ঘটনাগুলো ঘটে। ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবকদের সহায়তায় নিহতদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
১২ ঘণ্টা আগে
গণমাধ্যমে পাঠানো এক বার্তায় র্যাব জানায়, মহরম দীর্ঘদিন ধরে কারওয়ান বাজারসহ রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় ছিনতাই, চুরি ও মাদক ব্যবসাসহ নানা অপরাধে জড়িত ছিলেন।
১ দিন আগে
মন্দিরের দেখভাল করা পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়রা বাধা দিতে গেলে তাদের ওপর হামলা চালানো হয়। এ সময় দেশীয় অস্ত্র দিয়ে সঞ্জিব বণিককে কুপিয়ে জখম করা হয়। এ ছাড়া বণিক পরিবারের অন্যান্য সদস্যের ওপরও হামলা চালানো হয়। এতে সঞ্জিব বণিক, অপূর্ব বণিক, রত্না বণিক, শিল্পী চৌধুরীসহ মোট পাঁচজন আহত হন।
২ দিন আগে