
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

রাজধানী ঢাকার কেরানীগঞ্জের কদমতলী এলাকায় অগ্নিদগ্ধ গ্যাস লাইটার তৈরির কারখানা থেকে মধ্যরাতে আরও এক মরদেহ উদ্ধার করেছে ফায়ার সার্ভিস। এর আগে বিকেলে ওই কারখানা থেকে পাঁচজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছিল। সব মিলিয়ে অগ্নিকাণ্ডের পর এ কারখানা থেকে এখন পর্যন্ত ছয়জনের মরদেহ উদ্ধার হলো। ওই কারখানার কর্মী আরও অনেকে নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানিয়েছেন স্বজনরা।
শনিবার (৪ এপ্রিল) দিবাগত রাত ১২টার দিকে ওই কারখানা থেকে এক মরদেহ উদ্ধার করেন ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা।
ঘটনাস্থলে উপস্থিত ফায়ার সার্ভিসের মিডিয়া সেলের পরিদর্শক মো. আনোয়ারুল ইসলাম রাজনীতি ডটকমকে বলেন, রাত ১২টার দিকে নতুন একটি লাশ পাওয়া গেছে এ কারখানায়। এখানে কর্মরত অনেকে এখনো নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানাচ্ছেন স্বজনরা। আমাদের উদ্ধার অভিযান চলমান রয়েছে।
বিকেল সোয়া ৪টার দিকে আনোয়ারুল ইসলাম পাঁচজনের মরদেহ উদ্ধারের তথ্য নিশ্চিত করেন। ওই সময় দগ্ধ অবস্থায় দুজনকে উদ্ধার করা হয়। তাদের জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
এদিকে মধ্যরাতেও ওই গ্যাসলাইট কারখানার সামনে ভিড় করে রয়েছেন সেখানে কর্মরতদের স্বজনরা। তারা বলছেন, তাদের সন্ধান পাচ্ছেন না তারা। ওই কারখানায় কতজন কাজ করতেন এবং তাদের মধ্যে কতজন নিখোঁজ রয়েছেন, সে বিষয়ে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

স্থানীয় মেহেদী নামের এক কিশোর জানায়, তার খালা শনিবারই এ কারখানায় কাজে যোগ দিয়েছিলেন। আগুন লাগার খবর পেয়ে তারা ছুটে এসেছেন। কিন্তু তার খালার কোনো সন্ধান এখনো মেলেনি।
মেহেদী রাজনীতি ডটকমকে বলল, আমার খালা আজকে সকালেই প্রথম এই কারখানায় কাজ করতে এসেছেন। দুপুরে আগুন লাগার খবর পেয়ে আমরা ছুটে এসেছি। মিটফোর্ডসহ সব হাসপাতালে খুঁজেছি। কিন্তু খালাকে পাইনি। এখানেও কেউ কোনো কথাই বলছে। আমার খালা মরে গিয়ে থাকলেও তার লাশটা অন্তত আমরা চাই।
এর আগে শনিবার (৪ এপ্রিল) দুপুর ১টা ১১ মিনিটে কারখানাটিতে আগুন লাগার খবর পায় ফায়ার সার্ভিস। প্রথমে তিনটি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে ১টা ১৬ মিনিটে। পরে আগুনের তীব্রতা বিবেচনায় পর্যায়ক্রমে ইউনিট সংখ্যা বাড়িয়ে সাতটি করা হয়।
এক ঘণ্টারও বেশি সময়ের চেষ্টায় দুপুর আড়াইটার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয় ফায়ার সার্ভিস। বিকেল পৌনে ৫টায় আগুন পুরোপুরি নেভানো সম্ভব হয়।
স্থানীয়রা বলছেন, কারখানাটির মেইন গেট তালাবদ্ধ থাকার কারণেই হতাহতের ঘটনা ঘটেছে। এর আগে গত বছর একই কারখানায় আগুন লাগার পর উপজেলা প্রশাসন এটি সিলগালা করে দিয়েছিল। কিন্তু কীভাবে, কার অনুমতিতে এটি আবার চালু হলো— তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।
এদিকে কারখানাটির বৈধতার কোনো কাগজপত্র পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছেন কেরানীগঞ্জ দক্ষিণের সহকারী কমিশনার (ভূমি) আফতাব আহমেদ।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত কারখানাটির মালিক আকরাম মিয়া, যিনি জিঞ্জিরা এলাকার বাসিন্দা। তবে স্থানীয়দের অনেকে বলছেন, আকরাম মিয়া জমির মালিক, তিনি কারখানাটি ভাড়া দিয়েছেন। আগুন লাগার পর থেকে শুরু করে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসা পর্যন্ত মালিকপক্ষের কাউকে ঘটনাস্থলে পাওয়া যায়নি।

রাজধানী ঢাকার কেরানীগঞ্জের কদমতলী এলাকায় অগ্নিদগ্ধ গ্যাস লাইটার তৈরির কারখানা থেকে মধ্যরাতে আরও এক মরদেহ উদ্ধার করেছে ফায়ার সার্ভিস। এর আগে বিকেলে ওই কারখানা থেকে পাঁচজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছিল। সব মিলিয়ে অগ্নিকাণ্ডের পর এ কারখানা থেকে এখন পর্যন্ত ছয়জনের মরদেহ উদ্ধার হলো। ওই কারখানার কর্মী আরও অনেকে নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানিয়েছেন স্বজনরা।
শনিবার (৪ এপ্রিল) দিবাগত রাত ১২টার দিকে ওই কারখানা থেকে এক মরদেহ উদ্ধার করেন ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা।
ঘটনাস্থলে উপস্থিত ফায়ার সার্ভিসের মিডিয়া সেলের পরিদর্শক মো. আনোয়ারুল ইসলাম রাজনীতি ডটকমকে বলেন, রাত ১২টার দিকে নতুন একটি লাশ পাওয়া গেছে এ কারখানায়। এখানে কর্মরত অনেকে এখনো নিখোঁজ রয়েছেন বলে জানাচ্ছেন স্বজনরা। আমাদের উদ্ধার অভিযান চলমান রয়েছে।
বিকেল সোয়া ৪টার দিকে আনোয়ারুল ইসলাম পাঁচজনের মরদেহ উদ্ধারের তথ্য নিশ্চিত করেন। ওই সময় দগ্ধ অবস্থায় দুজনকে উদ্ধার করা হয়। তাদের জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি রেখে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
এদিকে মধ্যরাতেও ওই গ্যাসলাইট কারখানার সামনে ভিড় করে রয়েছেন সেখানে কর্মরতদের স্বজনরা। তারা বলছেন, তাদের সন্ধান পাচ্ছেন না তারা। ওই কারখানায় কতজন কাজ করতেন এবং তাদের মধ্যে কতজন নিখোঁজ রয়েছেন, সে বিষয়ে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

স্থানীয় মেহেদী নামের এক কিশোর জানায়, তার খালা শনিবারই এ কারখানায় কাজে যোগ দিয়েছিলেন। আগুন লাগার খবর পেয়ে তারা ছুটে এসেছেন। কিন্তু তার খালার কোনো সন্ধান এখনো মেলেনি।
মেহেদী রাজনীতি ডটকমকে বলল, আমার খালা আজকে সকালেই প্রথম এই কারখানায় কাজ করতে এসেছেন। দুপুরে আগুন লাগার খবর পেয়ে আমরা ছুটে এসেছি। মিটফোর্ডসহ সব হাসপাতালে খুঁজেছি। কিন্তু খালাকে পাইনি। এখানেও কেউ কোনো কথাই বলছে। আমার খালা মরে গিয়ে থাকলেও তার লাশটা অন্তত আমরা চাই।
এর আগে শনিবার (৪ এপ্রিল) দুপুর ১টা ১১ মিনিটে কারখানাটিতে আগুন লাগার খবর পায় ফায়ার সার্ভিস। প্রথমে তিনটি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে ১টা ১৬ মিনিটে। পরে আগুনের তীব্রতা বিবেচনায় পর্যায়ক্রমে ইউনিট সংখ্যা বাড়িয়ে সাতটি করা হয়।
এক ঘণ্টারও বেশি সময়ের চেষ্টায় দুপুর আড়াইটার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয় ফায়ার সার্ভিস। বিকেল পৌনে ৫টায় আগুন পুরোপুরি নেভানো সম্ভব হয়।
স্থানীয়রা বলছেন, কারখানাটির মেইন গেট তালাবদ্ধ থাকার কারণেই হতাহতের ঘটনা ঘটেছে। এর আগে গত বছর একই কারখানায় আগুন লাগার পর উপজেলা প্রশাসন এটি সিলগালা করে দিয়েছিল। কিন্তু কীভাবে, কার অনুমতিতে এটি আবার চালু হলো— তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।
এদিকে কারখানাটির বৈধতার কোনো কাগজপত্র পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছেন কেরানীগঞ্জ দক্ষিণের সহকারী কমিশনার (ভূমি) আফতাব আহমেদ।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত কারখানাটির মালিক আকরাম মিয়া, যিনি জিঞ্জিরা এলাকার বাসিন্দা। তবে স্থানীয়দের অনেকে বলছেন, আকরাম মিয়া জমির মালিক, তিনি কারখানাটি ভাড়া দিয়েছেন। আগুন লাগার পর থেকে শুরু করে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসা পর্যন্ত মালিকপক্ষের কাউকে ঘটনাস্থলে পাওয়া যায়নি।

হামের উপসর্গ নিয়ে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে আরও দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় (শনিবার সকাল ৯টা থেকে রোববার সকাল ৯টা পর্যন্ত) তাদের মৃত্যু হয়। এদিকে, হাসপাতালে বর্তমানে হামের উপসর্গ নিয়ে ভর্তি রয়েছে ১২৫ জন শিশু।
৮ ঘণ্টা আগে
গত বছর একই কারখানায় আগুন লাগার পর উপজেলা প্রশাসন এটি সিলগালা করে দিয়েছিল বলে জানা গেছে। কিন্তু কীভাবে, কার অনুমতিতে এটি আবার চালু হলো— তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।
১ দিন আগে
ঢাকার কেরানীগঞ্জে একটি গ্যাস লাইটার তৈরির কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে পাঁচজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। আজ শনিবার (৪ এপ্রিল) দুপুরে কেরানীগঞ্জের কদমতলী গোলচত্বর এলাকায় এ আগুনের ঘটনা ঘটে।
১ দিন আগে
রাজধানীর কেরানীগঞ্জের কদমতলীর গ্যাস লাইটার কারখানায় লাগা আগুন নিয়ন্ত্রণে এসেছে। ফায়ার সার্ভিসের ৭ ইউনিট চেষ্টা করে বিকেল ৩ টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
১ দিন আগে