
ফরিদপুর প্রতিনিধি

ফরিদপুর-৪ (ভাঙ্গা, সদরপুর ও চরভদ্রাসন) আসনে ১১ দলীয় নির্বাচনি ঐক্যের দুই দল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থীর মধ্যে সমঝোতা হয়েছে। জামায়াতের প্রার্থী সরোয়ার হোসেনকে (দাঁড়িপাল্লা) সমর্থন দিয়ে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মিজানুর রহমান মোল্লা (রিকশা)। এই আসনে বিএনপির প্রার্থী মোঃ শহিদুল ইসলাম।
খেলাফত মজলিসের প্রার্থীর সরে দাঁড়ানোর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দলের ভাঙ্গা শাখার সভাপতি মাওলানা হাফিজুর রহমান। আজ শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে তিনি বলেন, ‘ঢাকা থেকে ১১ দলীয় নির্বাচনি ঐক্যের নির্বাচন সমন্বয় কমিটির সিদ্ধান্ত ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় কমিটির সুপারিশে আমাদের প্রার্থী মিজানুর রহমান মোল্লা জামায়াতের প্রার্থী সরোয়ার হোসেনকে সমর্থন দিয়ে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘এখন তো ব্যালট পেপার থেকে নাম প্রত্যাহার করা সম্ভব নয়, তারপরও আমরা আমাদের ভোট জামায়াতের প্রার্থীকে দেবো এবং তাদের পক্ষে কাজ করব।’
এ বিষয়ে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানো খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মিজানুর রহমান মোল্লা বলেন, ‘নির্বাচনে ১১ দলীয় জোটের পক্ষে সমর্থন দিয়ে জামায়াতের দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের পক্ষে কাজ করব।’
জামায়াতের প্রার্থী মাওলানা সরোয়ার হোসেন বলেন, ‘রিকশা প্রতীকের প্রার্থী মিজানুর রহমান মোল্লা একজন বড় মনের মানুষ এবং আমার অত্যন্ত স্নেহের ছোট ভাই। ১১ দলীয় জোটকে শক্তিশালী করতে তিনি নিজের নির্বাচনি কার্যক্রম থেকে সরে গিয়ে দাঁড়িপাল্লাকে ভোটের মাঠে সমর্থন দিয়ে কাজ করবেন। এতে ইসলামি দলগুলো আরও ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করবে এবং বিপুল ভোটের ব্যবধানে ফরিদপুর-৪ আসনে দাঁড়িপাল্লা জয়যুক্ত হবে।’
এর আগে ১১ দলীয় নির্বাচনি ঐক্যের পক্ষ থেকে ফরিদপুরের এই আসনে দুই প্রার্থীর নির্বাচনি প্রচারের বিষয়টি উন্মুক্ত রাখা হয়। এতে দুই প্রার্থীই তাদের প্রতীক নিয়ে ভোটের মাঠে প্রচার চালিয়ে আসছিলেন।

ফরিদপুর-৪ (ভাঙ্গা, সদরপুর ও চরভদ্রাসন) আসনে ১১ দলীয় নির্বাচনি ঐক্যের দুই দল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থীর মধ্যে সমঝোতা হয়েছে। জামায়াতের প্রার্থী সরোয়ার হোসেনকে (দাঁড়িপাল্লা) সমর্থন দিয়ে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মিজানুর রহমান মোল্লা (রিকশা)। এই আসনে বিএনপির প্রার্থী মোঃ শহিদুল ইসলাম।
খেলাফত মজলিসের প্রার্থীর সরে দাঁড়ানোর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দলের ভাঙ্গা শাখার সভাপতি মাওলানা হাফিজুর রহমান। আজ শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে তিনি বলেন, ‘ঢাকা থেকে ১১ দলীয় নির্বাচনি ঐক্যের নির্বাচন সমন্বয় কমিটির সিদ্ধান্ত ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় কমিটির সুপারিশে আমাদের প্রার্থী মিজানুর রহমান মোল্লা জামায়াতের প্রার্থী সরোয়ার হোসেনকে সমর্থন দিয়ে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘এখন তো ব্যালট পেপার থেকে নাম প্রত্যাহার করা সম্ভব নয়, তারপরও আমরা আমাদের ভোট জামায়াতের প্রার্থীকে দেবো এবং তাদের পক্ষে কাজ করব।’
এ বিষয়ে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানো খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মিজানুর রহমান মোল্লা বলেন, ‘নির্বাচনে ১১ দলীয় জোটের পক্ষে সমর্থন দিয়ে জামায়াতের দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের পক্ষে কাজ করব।’
জামায়াতের প্রার্থী মাওলানা সরোয়ার হোসেন বলেন, ‘রিকশা প্রতীকের প্রার্থী মিজানুর রহমান মোল্লা একজন বড় মনের মানুষ এবং আমার অত্যন্ত স্নেহের ছোট ভাই। ১১ দলীয় জোটকে শক্তিশালী করতে তিনি নিজের নির্বাচনি কার্যক্রম থেকে সরে গিয়ে দাঁড়িপাল্লাকে ভোটের মাঠে সমর্থন দিয়ে কাজ করবেন। এতে ইসলামি দলগুলো আরও ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করবে এবং বিপুল ভোটের ব্যবধানে ফরিদপুর-৪ আসনে দাঁড়িপাল্লা জয়যুক্ত হবে।’
এর আগে ১১ দলীয় নির্বাচনি ঐক্যের পক্ষ থেকে ফরিদপুরের এই আসনে দুই প্রার্থীর নির্বাচনি প্রচারের বিষয়টি উন্মুক্ত রাখা হয়। এতে দুই প্রার্থীই তাদের প্রতীক নিয়ে ভোটের মাঠে প্রচার চালিয়ে আসছিলেন।

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) তেজগাঁও বিভাগের অতিরিক্ত উপকমিশনার জুয়েল রানা বলেন, ছাত্রদলের স্থানীয় নেতাকর্মীদের সহযোগিতায় আজিজুল হককে আটক করা হয়। পরে তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। তার বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে।
৫ ঘণ্টা আগে
কর্ণফুলী থানার ওসি নুর আহমদ জানান, রাত ৮টা ১৫ মিনিটের দিকে আন্দোলনকারীরা অবরোধ কর্মসূচি শেষ করে চলে যান। তিনি বলেন, “আন্দোলকারীরা তাদের কর্মসূচি শেষ করে চলে গেছেন। এখন যান চলাচল শুরু হয়েছে। যানজট কমাতে আমরা কাজ করছি।”
২০ ঘণ্টা আগে
সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ না করে নোংরা জারে পানি সরবরাহ করছিল। পাশাপাশি বিএসটিআইয়ের মান সনদ ছাড়াই অস্বাস্থ্যকর ও নিম্নমানের পানি বাজারজাত করা হচ্ছিল। জনস্বাস্থ্য ও ভোক্তা নিরাপত্তার বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে অভিযানে ৬ শতাধিক পানির জার ধ্বংস করা হয়।
১ দিন আগে
রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) রাতে মাদারগঞ্জ থানায় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান জামালপুরের সহকারী পুলিশ সুপার (মাদারগঞ্জ সার্কেল) মোস্তাফিজুর রহমান। তিনি বলেন, আদালতে দেওয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে জামিনুর ইসলাম ঘটনার বিস্তারিত জানিয়েছেন।
১ দিন আগে