তবে এই পারমাণবিক চুক্তির বিস্তারিত বিবরণ এখনো প্রকাশ করা হয়নি। তবে আগের কিছু সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছিল, যুক্তরাষ্ট্রের সাথে যৌথ পর্যালোচনার পর সৌদি আরবকে আমদানিকৃত জ্বালানির ওপর নির্ভর না করে তাদের ভূখণ্ডেই যুক্তরাষ্ট্রের নির্মিত কেন্দ্রে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধ করার অনুমতি দেওয়া হ
পররাষ্ট্র দপ্তরের জারি করা ওই সতর্কবার্তায় বর্তমানে যারা মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থান করছেন, তাদের সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে সম্ভাব্য ফ্লাইট বাতিল, সময়ে সময়ে আকাশপথ বন্ধ হয়ে যাওয়া এবং ভ্রমণে বিঘ্ন ঘটার জন্য প্রস্তুত থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
ফার্স বার্তা সংস্থা জানিয়েছে, দক্ষিণাঞ্চলীয় বুশেহর শহরের কাছে দুটি বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। বুশেহরের গভর্নর মোহাম্মদ মোজাফফরি জানান, বুশেহর পারমাণবিক কেন্দ্রের কাছের একটি বিদ্যুৎকেন্দ্রে একটি ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হেনেছে। এর ফলে পাশের একটি গ্রামে প্রায় দুই ঘণ্টার জন্য বিদ্যুৎ সরবরাহ বিচ্ছিন্ন হয়ে প
হুথিদের দাবি, তারা একই সময়ে ক্রুজ ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং ড্রোন ব্যবহার করে জাহাজ দুটিতে হামলা চালায়। এতে জাহাজে বড় ধরনের আগুন লাগে এবং ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। গোষ্ঠীটি বলেছে, এটি সৌদি আরবের বিরুদ্ধে তাদের ‘যেমন কর্ম, তেমন ফল’ নীতির অংশ। হুথিদের ভাষ্য, গত ১২ বছর ধরে সৌদি আরব ইয়েমেনের ওপর অবর
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আবারও ইরানের বেসামরিক অবকাঠামোতে হামলার হুমকি দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, হরমুজ প্রণালিতে ইরান যতবার কোনো জাহাজে হামলা চালাবে, ততবারই যুক্তরাষ্ট্র ইরানের একটি করে সেতু বা বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলা চালাবে।
ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুতি সশস্ত্র গোষ্ঠী সতর্ক করে বলেছে, লোহিত সাগরের সৌদি আরব উপকূলের কোনো বন্দর ব্যবহার করা জাহাজ হামলার ঝুঁকিতে থাকবে। সৌদি আরবের বিরুদ্ধে নৌ অবরোধ ঘোষণার এক দিনের মধ্যেই তা কার্যকর করার অংশ হিসেবে এই হুমকি দেওয়া হয়েছে।
ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ‘পিকঅ্যাক্স মাউন্টেন’ এলাকায় শিগগিরই হামলা চালানোর বিষয়ে ফের হুমকি দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ‘খুব শিগগিরই’ ওই এলাকায় আঘাত হানবে। একই সঙ্গে দাবি করেছেন, তেহরান এখন ‘মরিয়া হয়ে’ আলোচনায় বসতে চাইলেও অর্থবহ আলোচনার
এ পরিস্থিতিকে নতুন যুদ্ধফ্রন্ট হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকেরা। এ অবস্থায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হুতিদের উদ্দেশে সতর্কবার্তা দিয়ে বলেছেন, তারা যদি বাব আল-মান্দেব প্রণালি বন্ধ করে দেয় বা হুমকি বাস্তবায়ন করে, তাহলে যুক্তরাষ্ট্র ‘তাদের দেখে নেবে’।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে পালটাপালটি হামলা অব্যাহত থাকার মধ্যেই কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার ঘটনা বেড়েছে বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা দপ্তর (পেন্টাগন)। একই সঙ্গে গত ৭ জুলাই থেকে এখন পর্যন্ত প্রায় ১০০ মার্কিন সেনা সদস্য আহত হয়েছেন বলেও জানিয়েছে তারা।
ট্রাম্প দীর্ঘদিন ধরেই ট্রুথ সোশ্যালকে রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক বিতর্ক উসকে দেওয়ার অন্যতম প্রধান প্ল্যাটফর্ম হিসেবে ব্যবহার করে আসছেন। তার সর্বশেষ মন্তব্য শুধু নেতানিয়াহুকে ঘিরে অবস্থান স্পষ্ট করেনি; বরং নিউইয়র্ক সিটি প্রশাসনের সঙ্গে ফেডারেল সরকারের সম্ভাব্য ক্ষমতার দ্বন্দ্বের ইঙ্গিতও দিয়েছে।
আধা-সরকারি বার্তাসংস্থা তাসনিম নিউজ এজেন্সিতে প্রকাশিত আইআরজিসির প্রথম বিবৃতি অনুযায়ী, কুয়েতে মার্কিন বাহিনীর একটি দূরপাল্লার রাডার কেন্দ্র, একটি টেলিযোগাযোগ কেন্দ্র, স্যাটেলাইট সিগন্যাল গ্রহণ ব্যবস্থা এবং ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা রাডারে সফল হামলা চালানো হয়েছে। একই সঙ্গে 'আলি আল-সালেম' বিমানঘাঁটিতে অ
ইয়েমেনের হুতি সশস্ত্র গোষ্ঠী সৌদি আরবের বিরুদ্ধে নৌ অবরোধের ঘোষণা দিয়েছে। সোমবার ইরান-সমর্থিত গোষ্ঠীটির এ ঘোষণায় ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের চলমান যুদ্ধে নতুন একটি ফ্রন্ট খুলে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে উপসাগরীয় অঞ্চল থেকে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে জ্বালানি সরবরাহ ও বাণিজ্যও নতুন ঝুঁকির মুখে
মার্কো রুবিও বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র সবসময় কূটনৈতিক সমাধানের জন্য প্রস্তুত। আমরা ইরানের সঙ্গে একাধিকবার আলোচনার চেষ্টা করেছি এবং ভবিষ্যতেও সেই চেষ্টা চালিয়ে যাব। আলোচনার সেই দরজা যদি উন্মুক্ত হয়, তবে আমরা অবশ্যই তা স্বাগত জানাব।’
মার্কিন সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, উত্তর ইরাকে ভূপাতিত একটি ইরানি ড্রোন নিষ্ক্রিয় করার সময় এক সেনা নিহত হয়েছেন। এক বিবৃতিতে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, ১৮ জুলাই ওই সেনা নিহত হন। এ সময় ড্রোনটি বিস্ফোরিত হলে আরও এক সেনা আহত হন। তবে নিহত সেনার নাম-পরিচয় জানানো হয়নি।
সাম্প্রতিক হামলায় ইরান এবার যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র কয়েকটি আরব দেশকে লক্ষ্যবস্তু করেছে। রোববার কুয়েতের একটি বিদ্যুৎ ও সমুদ্রের লবণাক্ত পানি বিশুদ্ধকরণ (ডিস্যালিনেশন) স্থাপনায় টানা দ্বিতীয় দিনের মতো ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়। একই সঙ্গে জর্ডান ও বাহরাইনেও ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে তেহরান।
এক বিবৃতিতে এইওআই বলেছে, “যুক্তরাষ্ট্রের সন্ত্রাসী ও অপরাধী সরকার আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন করে আগ্রাসী ও বর্বর হামলা চালিয়েছে।”
ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে জেনারেল আবদুল্লাহি বলেন, "ইরানের সশস্ত্র বাহিনী যেকোনো সম্ভাব্য হামলার জবাব দিতে সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে। যেকোনো আগ্রাসন বা নিষ্ঠুরতার জবাব দেওয়া হবে দৃঢ় ও ধ্বংসাত্মকভাবে।"